প্রিন্ট এর তারিখ : ২৯ এপ্রিল ২০২৬ ||
প্রকাশের তারিখ : ২৯ এপ্রিল ২০২৬
ইরানিদের সাহসিকতার প্রশংসা পুতিনের কণ্ঠে: ‘সার্বভৌমত্ব রক্ষায় তেহরানের পাশে থাকবে মস্কো
শামিমা লিয়া, আন্তর্জাতিক ডেস্ক এডিটর ||
রাশিয়া ও ইরানের মধ্যকার কৌশলগত অংশীদারিত্বকে নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দিয়েছেন রুশ প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। সেন্ট পিটার্সবার্গে ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাগচির সঙ্গে এক গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে পুতিন স্পষ্ট করে জানান, মধ্যপ্রাচ্যের স্থিতিশীলতা ও শান্তি রক্ষায় রাশিয়ার পক্ষ থেকে যা কিছু করা প্রয়োজন, তার সবই করবে মস্কো। দ্য মিডল ইস্ট মনিটরের প্রতিবেদনে উঠে আসা এই বৈঠকটি বর্তমান বৈশ্বিক ও আঞ্চলিক প্রেক্ষাপটে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।বৈঠক চলাকালীন প্রেসিডেন্ট পুতিন জানান, সম্প্রতি তিনি ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলী খামেনির একটি বিশেষ বার্তা পেয়েছেন। এই বার্তার জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করে পুতিন খামেনির প্রতি তার আন্তরিক সম্মান ও শুভকামনা পৌঁছে দেওয়ার অনুরোধ করেন আরাগচিকে। একই সঙ্গে তিনি দৃঢ়তার সঙ্গে পুনর্ব্যক্ত করেন যে, তেহরানের সঙ্গে মস্কোর কৌশলগত সম্পর্ক কেবল অব্যাহতই থাকবে না, বরং ভবিষ্যতে তা আরও বহুমুখী ও শক্তিশালী করা হবে। ইরানের সাধারণ মানুষ নিজেদের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় যে ‘সাহসিকতা ও বীরত্ব’ প্রদর্শন করছে, তার ভূয়সী প্রশংসা করে রুশ প্রেসিডেন্ট আশা প্রকাশ করেন যে, তেহরান বর্তমান সব চ্যালেঞ্জ কাটিয়ে দ্রুতই দেশে পূর্ণ শান্তি ফিরিয়ে আনতে সক্ষম হবে।পুতিন আরও উল্লেখ করেন, রাশিয়া কেবল ইরানের বন্ধু হিসেবে নয়, বরং পুরো অঞ্চলের বৃহত্তর স্বার্থে কাজ করতে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। তিনি বলেন, “আমরা আমাদের সামর্থ্যের সবটুকু দিয়ে ইরান ও এই অঞ্চলের মানুষের স্বার্থ রক্ষা করব, যাতে যত দ্রুত সম্ভব একটি টেকসই শান্তি প্রতিষ্ঠিত হয়।” উল্লেখ্য, ইরান ও ওমান সফর শেষ করে সোমবার সেন্ট পিটার্সবার্গে পৌঁছান আরাগচি। তার এই সফরের মধ্য দিয়ে মস্কো ও তেহরানের মধ্যকার কূটনৈতিক ও সামরিক ঘনিষ্ঠতা আরও জোরালো হওয়ার ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে, যা মধ্যপ্রাচ্যের ভূ-রাজনীতিতে নতুন সমীকরণ তৈরি করতে পারে।
প্রধান সম্পাদক : কাদির নোমান, সম্পাদক : আল জাবিরী, প্রকাশক : আবদুর রহমান
কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত দিকপাল