প্রিন্ট এর তারিখ : ০২ মে ২০২৬ ||
প্রকাশের তারিখ : ৩০ এপ্রিল ২০২৬
রুনা লায়লার ঝুলিতে আরও এক আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি দিল্লিতে জমকালো অনুষ্ঠানের প্রস্তুতি
বিনোদন ডেস্ক ||
উপমহাদেশের সংগীত জগতের জীবন্ত কিংবদন্তি রুনা লায়লার মুকুটে যুক্ত হতে যাচ্ছে এক অনন্য আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি। দীর্ঘ ছয় দশকের বর্ণাঢ্য সংগীত জীবনের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে তাঁকে ভারতের মর্যাদাপূর্ণ ‘মিনার-ই-দিল্লি’ সম্মাননায় ভূষিত করা হচ্ছে। আগামী ৪ মে নয়াদিল্লিতে শুরু হতে যাওয়া ১৫তম দিল্লি আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে আনুষ্ঠানিকভাবে তাঁর হাতে এই গৌরবময় পদক তুলে দেওয়া হবে। ৫ দিনব্যাপী এই উৎসবের আসর বসবে দিল্লির ‘ইন্দিরা গান্ধী ন্যাশনাল সেন্টার ফর দ্য আর্টস’ এবং ‘ড. আম্বেদকার আন্তর্জাতিক কেন্দ্র’-এ।উৎসবের প্রতিষ্ঠাতা ও সভাপতি রাম কিশোর পরচা রুনা লায়লাকে পাঠানো এক বিশেষ পত্রে তাঁর সংগীত প্রতিভা ও অবদানের ভূয়সী প্রশংসা করেছেন। তিনি উল্লেখ করেন, রুনা লায়লার সুমধুর কণ্ঠ ও দীর্ঘ পথচলা দুই দেশের কোটি মানুষের হৃদয়ে এক দৃঢ় সেতুবন্ধন তৈরি করেছে। তাঁর সংগীত কেবল সুরের মূর্ছনা নয়, বরং উপমহাদেশের যৌথ আবেগ ও অমলিন স্মৃতির এক জীবন্ত দলিল। এই অনন্য সম্মানে ভূষিত হওয়ায় এক ভিডিওবার্তায় কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন রুনা লায়লা। তিনি জানান, এমন সম্মানজনক আয়োজনে আমন্ত্রণ পাওয়া তাঁর জন্য অত্যন্ত গর্বের এবং তিনি দিল্লির এই বিশেষ মুহূর্তে যোগ দিতে অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছেন।উল্লেখ্য, ‘মিনার-ই-দিল্লি’ সম্মাননার ইতিহাস অত্যন্ত সমৃদ্ধ ও সংরক্ষিত। রুনা লায়লার আগে এই বিশেষ সম্মাননা পেয়েছেন মাত্র তিনজন বিশ্ববরেণ্য ব্যক্তিত্ব। ২০১২ সালে ভারতীয় কিংবদন্তি অভিনেত্রী জোহরা সেহগাল, ২০১৫ সালে শ্রীলঙ্কার সাবেক রাষ্ট্রপতি মৈত্রীপালা সিরিসেনা এবং ২০১৬ সালে রুশ অভিনেত্রী সেনিয়া রেবেক্কানা এই তালিকায় নাম তুলেছিলেন। চতুর্থ ব্যক্তি এবং প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে রুনা লায়লার এই অর্জন বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক অঙ্গনে এক নতুন মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। আগামী ৮ মে পর্যন্ত চলা এই উৎসবে বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তের গুণীজনদের উপস্থিতিতে তাঁকে এই বিশেষ সম্মান প্রদান করা হবে।
প্রধান সম্পাদক : কাদির নোমান, সম্পাদক : আল জাবিরী, প্রকাশক : আবদুর রহমান
কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত দিকপাল