বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, কিছু গোষ্ঠী ষড়যন্ত্রের মাধ্যমে আসন্ন নির্বাচন বানচালের চেষ্টা করছে। তিনি অভিযোগ করেন, এরা উগ্রপন্থার কথা বলে জনগণকে বিভক্ত করার পাঁয়তারা করছে।
শনিবার (৩০ আগস্ট) বিকেল ৫টায় ময়মনসিংহ নগরীর টাউন হল অডিটরিয়ামে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠী দলের প্রতিনিধি সম্মেলনে বিশেষ অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। সম্মেলনে প্রধান অতিথি হিসেবে ভার্চুয়ালি যুক্ত হন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান।
মির্জা ফখরুল বলেন, “একটি ভয়াবহ ফ্যাসিস্ট শাসনের অবসানের পর গণঅভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে আমরা নতুন বাংলাদেশ গড়ার সুযোগ পেয়েছি। এই বাংলাদেশ হবে সমঅধিকারের দেশ—যেখানে কারও পরিচয় ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠী, সংখ্যালঘু বা সংখ্যাগুরু হিসেবে নয়, বরং সবাই সমান মর্যাদার বাংলাদেশি নাগরিক হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হবে।”
তিনি আরও বলেন, অতীতে অনেক কাজ করা সম্ভব হয়নি এবং সব সময় সুবিচার প্রতিষ্ঠা করা যায়নি। তবে বিএনপি বিশ্বাস করে, তারেক রহমানের নেতৃত্বে ঘোষিত ৩১ দফাই বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ রাজনীতির মূল দিকনির্দেশনা। এই ঘোষণার মধ্যে রয়েছে “রেইনবো বাংলাদেশ” ধারণা, যেখানে সব জাতি ও গোষ্ঠীর সমান অধিকার নিশ্চিত করা হবে।
সম্মেলনে সভাপতিত্ব করেন জাতীয়তাবাদী ক্ষুদ্র জাতিগোষ্ঠী দলের কেন্দ্রীয় সভাপতি মৃগেন হাগিদগে। এসময় আরও উপস্থিত ছিলেন বিএনপির যুগ্ম মহাসচিব সৈয়দ এমরান সালেহ প্রিন্স, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক আবু ওয়াহাব আকন্দ ওয়াহিদ, দক্ষিণ জেলা বিএনপির আহ্বায়ক জাকির হোসেন বাবলু, উত্তর জেলা বিএনপির আহ্বায়ক অধ্যাপক এনায়েত উল্লাহ কালাম, মহানগর বিএনপির আহ্বায়ক অধ্যাপক একেএম শফিকুল ইসলাম, যুগ্ম আহ্বায়ক অধ্যাপক শেখ আমাজাদ আলীসহ কেন্দ্রীয় ও স্থানীয় নেতারা।
সম্মেলনে দেশের ১৪টি জেলার ৩৪টি জাতিগোষ্ঠীর আদিবাসী প্রতিনিধিরা অংশ নেন।