দিকপাল
সর্বশেষ
অর্থনীতির চালিকাশক্তি শ্রমিকরা আজও বঞ্চনার শিকার ৯৬ খাতে নেই ন্যূনতম মজুরি

অর্থনীতির চালিকাশক্তি শ্রমিকরা আজও বঞ্চনার শিকার ৯৬ খাতে নেই ন্যূনতম মজুরি

স্বাধীনতার ৫৫ বছরে বাংলাদেশের অর্থনীতি ঈর্ষণীয় উচ্চতায় পৌঁছালেও এই অগ্রযাত্রার নেপথ্য কারিগর শ্রমিকরা আজও বঞ্চনার শিকার। নীতিনির্ধারকরা বৈশ্বিক দরবারে সস্তা শ্রমকে গর্বের সঙ্গে প্রচার করলেও, এই সস্তা শ্রমের ওপর দাঁড়িয়ে থাকা কৃষি, তৈরি পোশাক এবং রেমিট্যান্সের মতো তিন মূল চালিকাশক্তি আজ সংকটে। বর্তমানে একদিকে যেমন কর্মক্ষেত্রে নিরাপত্তার অভাব ও স্বাস্থ্যঝুঁকি বাড়ছে, অন্যদিকে ধনী-দরিদ্রের বৈষম্য ধারণ করেছে দানবীয় রূপ। উদ্বেগের বিষয় হলো, দেশের মোট ৯৬টি খাতে এখনো কোনো ন্যূনতম মজুরি নির্ধারিত হয়নি। বিশ্বব্যাংক ও আইএলওর পূর্বাভাস অনুযায়ী, ইরান যুদ্ধ ও ক্রমবর্ধমান মূল্যস্ফীতির দ্বিমুখী চাপে শ্রমিকদের পরিস্থিতি আগামীতে আরও শোচনীয় হতে পারে, অথচ এই সংকট মোকাবিলায় শ্রমবান্ধব উদ্যোগের ব্যাপক ঘাটতি লক্ষ্য করা যাচ্ছে।সাবেক তত্ত্বাবধায়ক সরকারের অর্থ উপদেষ্টা ড. এবি মির্জা আজিজুল ইসলাম মনে করেন, জনশক্তিকে সম্পদে রূপান্তর করতে না পারা এবং দক্ষতার অভাব শ্রমিকদের জন্য বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে দাঁড়িয়েছে। দেশে বর্তমানে মোট শ্রমশক্তি সাত কোটি ৩৫ লাখ হলেও প্রাতিষ্ঠানিক ও অপ্রাতিষ্ঠানিক মিলিয়ে প্রতি বছর মাত্র ৬ লাখ কর্মসংস্থান তৈরি হচ্ছে, যেখানে শ্রমবাজারে প্রবেশ করছে ২২ লাখ মানুষ। বিবিএসের তথ্যমতে, মূল্যস্ফীতি যেখানে ৮.৭১ শতাংশ, সেখানে মজুরি বৃদ্ধির হার মাত্র ৮.০৯ শতাংশ—অর্থাৎ আয় বাড়ার গতির চেয়ে জিনিসপত্রের দাম বাড়ার গতি অনেক বেশি। ফলে নিম্ন আয়ের মানুষ ক্রমাগত দারিদ্র্যসীমার নিচে চলে যাচ্ছে। বিশ্বব্যাংকের মতে, ২০২৬ সালের মধ্যে আরও ১২ লাখ মানুষ দরিদ্র হতে পারে, যাদের বড় অংশই শ্রমিক।শ্রমিক নেতাদের অভিযোগ, স্বাধীনতার পাঁচ দশকের বেশি সময় পার হলেও জাতীয় মজুরি কমিশন গঠন করা হয়নি। ১৪২টি খাতের মধ্যে মাত্র ৪৬টি মজুরি বোর্ডের আওতায় থাকলেও অনেক খাতে গত ১০ বছরে কোনো মজুরি সমন্বয় করা হয়নি। অন্যদিকে মালিকপক্ষ শ্রমিকদের জীবনমান উন্নয়নে ফ্রি হেলথ সেন্টার বা স্কিল ডেভেলপমেন্ট সেন্টারের মতো কিছু উদ্যোগের কথা বললেও, তা প্রয়োজনের তুলনায় সামান্য। পরিসংখ্যান বলছে, গত এক দশকে আট হাজারেরও বেশি শ্রমিক কর্মক্ষেত্রে দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছেন, যাদের অধিকাংশই যথাযথ ক্ষতিপূরণ পাননি। দেশের শীর্ষ ১০ শতাংশ ধনী ব্যক্তি যখন জাতীয় আয়ের ৪৪ শতাংশ ভোগ করছেন, তখন অর্থনীতির মূল মেরুদণ্ড শ্রমিকরা নূন্যতম মজুরির দাবিতে রাজপথে সংগ্রাম করছেন।
১৪ ঘন্টা আগে

যুদ্ধ শুরুর আগেই আমরা প্রস্তুত ছিলাম: কাজী রোকেয়া সুলতানা রাকা

যুদ্ধ শুরুর আগেই আমরা প্রস্তুত ছিলাম: কাজী রোকেয়া সুলতানা রাকা

ঢাকার যানজট কমাতে প্রধানমন্ত্রীর কাছে ১১ প্রস্তাব: কমলাপুর থেকে টঙ্গী পর্যন্ত বাইপাস রেলপথের দাবি!

ঢাকার যানজট কমাতে প্রধানমন্ত্রীর কাছে ১১ প্রস্তাব: কমলাপুর থেকে টঙ্গী পর্যন্ত বাইপাস রেলপথের দাবি!

টাইম ম্যাগাজিনের প্রভাবশালী ১০০ ব্যক্তির তালিকায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

টাইম ম্যাগাজিনের প্রভাবশালী ১০০ ব্যক্তির তালিকায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

যুদ্ধবিরতি ভঙ্গের অভিযোগে ইসরায়েলকে ইরানের কড়া হুঁশিয়ারি! যে কোনো সময় বড় হামলার আশঙ্কা

যুদ্ধবিরতি ভঙ্গের অভিযোগে ইসরায়েলকে ইরানের কড়া হুঁশিয়ারি! যে কোনো সময় বড় হামলার আশঙ্কা

দেশে আশঙ্কাজনক হারে বাড়ছে হাম: ২৪ ঘণ্টায় ৪ মৃত্যু, নতুন আক্রান্ত ১১৭৭

দেশে আশঙ্কাজনক হারে বাড়ছে হাম: ২৪ ঘণ্টায় ৪ মৃত্যু, নতুন আক্রান্ত ১১৭৭

৪৩ ঘণ্টায় দুই খুন: ফের গুলিতে প্রাণ হারালেন বিএনপি কর্মী, জনপদে আতঙ্ক

৪৩ ঘণ্টায় দুই খুন: ফের গুলিতে প্রাণ হারালেন বিএনপি কর্মী, জনপদে আতঙ্ক

কাতারে বাংলাদেশ এমএইচএম স্কুল অ্যান্ড কলেজের সুনাম ক্ষুণ্ণের অপচেষ্টা: তথাকথিত ‘গার্ডিয়ানস’ কমিটির বিরুদ্ধে ক্ষোভ

কাতারে বাংলাদেশ এমএইচএম স্কুল অ্যান্ড কলেজের সুনাম ক্ষুণ্ণের অপচেষ্টা: তথাকথিত ‘গার্ডিয়ানস’ কমিটির বিরুদ্ধে ক্ষোভ

মধ্যরাত থেকেই পকেটে টান: জ্বালানি তেলের দামে বড় লাফ!

মধ্যরাত থেকেই পকেটে টান: জ্বালানি তেলের দামে বড় লাফ!

সব মার্কিন যুদ্ধজাহাজ ডুবিয়ে দেওয়ার হুঁশিয়ারি ইরানের!

সব মার্কিন যুদ্ধজাহাজ ডুবিয়ে দেওয়ার হুঁশিয়ারি ইরানের!

ইরানকে আত্মসমর্পণে বাধ্য করা অসম্ভব: মাসুদ পেজেশকিয়ান

ইরানকে আত্মসমর্পণে বাধ্য করা অসম্ভব: মাসুদ পেজেশকিয়ান

মে দিবস ২০২৬ অধিকার ও বঞ্চনার লড়াইয়ে শ্রমিকের ৫৬ বছর

মে দিবস ২০২৬ অধিকার ও বঞ্চনার লড়াইয়ে শ্রমিকের ৫৬ বছর

চট্টগ্রামে হাজার কোটি টাকা ব্যয়েও মিলছে না মুক্তি প্রথম বৃষ্টিতেই ডুবল ২০ এলাকা

চট্টগ্রামে হাজার কোটি টাকা ব্যয়েও মিলছে না মুক্তি প্রথম বৃষ্টিতেই ডুবল ২০ এলাকা

১৭ জেলায় ৬০ কিলোমিটার বেগে ঝড়ের পূর্বাভাস

১৭ জেলায় ৬০ কিলোমিটার বেগে ঝড়ের পূর্বাভাস

তেল আমদানিতে দৈনিক ১৬৫ কোটি টাকা লোকসান হিমশিম খাচ্ছে সরকার

তেল আমদানিতে দৈনিক ১৬৫ কোটি টাকা লোকসান হিমশিম খাচ্ছে সরকার

সব অনিশ্চয়তা কাটিয়ে বিশ্বকাপে থাকছে ইরান নিশ্চিত করলেন ফিফা সভাপতি

সব অনিশ্চয়তা কাটিয়ে বিশ্বকাপে থাকছে ইরান নিশ্চিত করলেন ফিফা সভাপতি

ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনের আগের বাণিজ্য চুক্তি নিয়ে সংসদে উত্তাপ বাতিলের দাবি

ত্রয়োদশ সংসদ নির্বাচনের আগের বাণিজ্য চুক্তি নিয়ে সংসদে উত্তাপ বাতিলের দাবি

ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ শেষ বলে দাবি ট্রাম্প প্রশাসনের: কংগ্রেসে তীব্র বিতর্ক

ইরানের সঙ্গে যুদ্ধ শেষ বলে দাবি ট্রাম্প প্রশাসনের: কংগ্রেসে তীব্র বিতর্ক

ডিউটির কথা বলে ব্যারাক থেকে বের হয়ে কলাবাগান থানার এসআই নিখোঁজ

ডিউটির কথা বলে ব্যারাক থেকে বের হয়ে কলাবাগান থানার এসআই নিখোঁজ

অর্থনীতির চালিকাশক্তি শ্রমিকরা আজও বঞ্চনার শিকার ৯৬ খাতে নেই ন্যূনতম মজুরি

অর্থনীতির চালিকাশক্তি শ্রমিকরা আজও বঞ্চনার শিকার ৯৬ খাতে নেই ন্যূনতম মজুরি

শ্রমবাজারে মধ্যপ্রাচ্য নির্ভরতা কমিয়ে ইউরোপে নজর দিচ্ছে সরকার

শ্রমবাজারে মধ্যপ্রাচ্য নির্ভরতা কমিয়ে ইউরোপে নজর দিচ্ছে সরকার

বুথফেরত জরিপে থালাপতি বিজয়ের বড় চমক

চেন্নাই: তামিলনাড়ু বিধানসভা নির্বাচন পরবর্তী সময়ে এখন সবার চোখ বুথফেরত জরিপের দিকে, যেখানে সবচেয়ে বড় বিস্ময় হিসেবে আবির্ভূত হয়েছেন দক্ষিণী মেগাস্টার থালাপতি বিজয়। গত ২৩ এপ্রিল রাজ্যের ২৩৪টি আসনে ভোটগ্রহণ সম্পন্ন হয়েছে, যেখানে ভোটার উপস্থিতি ছিল ৮২ শতাংশের বেশি। নিজের নবগঠিত দল ‘তামিলাগা ভেট্টি কাজাগাম’ (টিভিকে) নিয়ে প্রথমবার নির্বাচনী লড়াইয়ে নেমেই বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী এম কে স্টালিনের ডিএমকে জোটকে চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলেছেন বিজয়। বিভিন্ন সংস্থার এক্সিট পোল বা বুথফেরত জরিপে বিজয়ের পক্ষে যে শক্তিশালী জনসমর্থনের ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে, তা দক্ষিণ ভারতের রাজনীতিতে এক নতুন সমীকরণের বার্তা দিচ্ছে।জরিপের উপাত্তগুলো বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, অভিষেক নির্বাচনেই থালাপতি বিজয়ের দল ৯৮ থেকে ১২০টি আসন পেয়ে বাজিমাত করতে পারে। তবে কোনো কোনো সংস্থার মতে, ডিএমকে জোট ১২০ থেকে ১৪৫টি আসন পেয়ে একক সংখ্যাগরিষ্ঠতার পথে এগিয়ে থাকতে পারে, যেখানে এআইএডিএমকে জোটের ঝুলিতে যেতে পারে ৬০ থেকে ৮০টি আসন। বিশেষ করে কামাখ্যা অ্যানালিটিক্স-এর মতো কিছু সংস্থা বিজয়কে সম্ভাব্য ‘কিংমেকার’ হিসেবে দেখছে; তাদের পূর্বাভাস অনুযায়ী বিজয় অন্তত ৬৭ থেকে ৮১টি আসন পেলেও সরকার গঠনে তার দলই হবে মূল চাবিকাঠি।[TECHTARANGA-POST:349]নির্বাচনের আগে বিজয়ের জনসভাগুলোতে মানুষের উপচে পড়া ভিড় যে কেবল রূপালি পর্দার মোহ ছিল না, বরং তা গভীর রাজনৈতিক সমর্থনে রূপ নিয়েছে—বুথফেরত জরিপের ফল তারই প্রতিফলন বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা। যদিও কিছু জরিপে তার আসন সংখ্যা কিছুটা কম দেখানো হয়েছে, তবে সব মিলিয়ে বিজয়ের প্রথম ভোটযুদ্ধ যে রাজ্যের রাজনৈতিক মানচিত্র বদলে দিতে যাচ্ছে, তা নিয়ে সন্দেহের অবকাশ নেই। এখন দেখার বিষয়, আগামী ২ মে চূড়ান্ত ফলাফল ঘোষণার দিন বুথফেরত জরিপের এই পূর্বাভাসকে সত্য প্রমাণ করে বিজয় ইতিহাস গড়তে পারেন কি না।

বুথফেরত জরিপে থালাপতি বিজয়ের বড় চমক
২৩ ডিসেম্বর ২০২৫, ০৪:৪৬ পিএম
বিশ্বকাপে ব্রাজিল-আর্জেন্টিনা ‘কঠিন’ গ্রুপে পড়েছে দাবি দুই দেশের কোচের। আপনিও কী এমনটি মনে করেন?

বিশ্বকাপে ব্রাজিল-আর্জেন্টিনা ‘কঠিন’ গ্রুপে পড়েছে দাবি দুই দেশের কোচের। আপনিও কী এমনটি মনে করেন?

  হ্যাঁ
  না
  মন্তব্য নেই
মোট ভোটদাতাঃ জন
কোন পোস্ট নেই !