দিকপাল
সর্বশেষ
রক্তাক্ত তিন মাস, দেশে ৮৫৪ খুন, খোদ রাজধানীতেই প্রাণ গেল ৬১ জনের

রক্তাক্ত তিন মাস, দেশে ৮৫৪ খুন, খোদ রাজধানীতেই প্রাণ গেল ৬১ জনের

রাজধানী ঢাকাসহ সারা দেশে সাম্প্রতিক সময়ে আশঙ্কাজনক হারে বেড়েছে প্রকাশ্যে গুলি ও হত্যাকাণ্ডের ঘটনা। অপরাধ জগতের পুরনো ও নতুন আধিপত্য বিস্তারের লড়াইয়ে সাধারণ মানুষের মধ্যে গভীর আতঙ্ক বিরাজ করছে। বিশেষ করে চব্বিশের গণ-অভ্যুত্থানের পর দেশের কারাগারগুলো থেকে কিলার আব্বাস, পিচ্চি হেলাল, সানজিদুল ইসলাম ইমন ও খন্দকার নাঈম আহমেদ টিটনের মতো দুর্ধর্ষ শীর্ষ সন্ত্রাসীরা জামিনে মুক্ত হওয়ার পর আন্ডারওয়ার্ল্ডের সমীকরণ বদলে গেছে। জেল থেকে বেরিয়েই এই গোষ্ঠীগুলো নতুন করে চাঁদাবাজি ও এলাকা দখলের লড়াইয়ে জড়িয়ে পড়ছে। গত মঙ্গলবার রাতে নিউমার্কেট এলাকায় খন্দকার নাঈম আহমেদ টিটনকে প্রকাশ্যে গুলি করে হত্যার ঘটনা এই অস্থিরতাকে আরও স্পষ্ট করে তুলেছে। মাস্ক পরা দুর্বৃত্তরা শত শত মানুষের সামনে তাকে লক্ষ্য করে কয়েক রাউন্ড গুলি ছুড়ে অত্যন্ত ঠান্ডা মাথায় মোটরসাইকেলে চড়ে পালিয়ে যায়। ঠিক একইভাবে গত বছর পুরান ঢাকায় তারিক সাইদ মামুনকেও দিনের আলোয় হত্যা করা হয়েছিল, যা রাজধানীর নিরাপত্তা ব্যবস্থার নাজুক চিত্রকে বারবার সামনে আনছে।পুলিশ সদর দপ্তরের পরিসংখ্যানেও এই অপরাধের ঊর্ধ্বমুখী প্রবণতার প্রমাণ মেলে। তথ্যমতে, ২০২৩ সালে সারা দেশে যেখানে তিন হাজার ২৩টি খুনের মামলা হয়েছিল, ২০২৪ সালে তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে তিন হাজার ৪৪২টিতে। গত বছর এই সংখ্যা আরও বৃদ্ধি পেয়ে তিন হাজার ৭৮৬টিতে পৌঁছায়। চলতি বছরের প্রথম তিন মাসে দেশজুড়ে মোট ৮৫৪টি হত্যাকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে, যার মধ্যে ঢাকাতেই প্রাণ গেছে ৬১ জনের। এপ্রিল মাসের প্রথম ২৮ দিনে কেবল রাজধানীতেই অন্তত ১৫ জন খুনের শিকার হয়েছেন। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর কর্মকর্তারা দাবি করছেন, অপরাধীদের ধরতে তাদের তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে এবং এসব সংঘাত মূলত সন্ত্রাসী গ্রুপগুলোর নিজেদের মধ্যে সীমাবদ্ধ। তবে মানবাধিকারকর্মীরা বলছেন ভিন্ন কথা। আইন ও সালিশ কেন্দ্রের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, প্রকাশ্যে এ ধরনের গুলির ঘটনা নাগরিক মনে চরম নিরাপত্তাহীনতা ও অস্থিরতা তৈরি করছে, যা রাষ্ট্রের মৌলিক দায়িত্ব পালনে ব্যর্থতারই নামান্তর।বর্তমানে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকা ভিত্তিক অপরাধ জগত কয়েক ভাগে বিভক্ত হয়ে পড়েছে। মোহাম্মদপুর, ধানমণ্ডি ও হাজারীবাগ এলাকায় পিচ্চি হেলাল ও ইমনের অনুসারীদের মধ্যে চরম বিরোধ চলছে। অন্যদিকে মিরপুর ও পল্লবী এলাকায় কিলার আব্বাস ও শাহাদাত সাধুর মতো সন্ত্রাসীদের তৎপরতা বেড়েছে। অনেক শীর্ষ সন্ত্রাসী আবার বিদেশে বসেই দেশের অপরাধ জগত নিয়ন্ত্রণ করছে। দুবাই, ভারত বা সুইডেনে অবস্থান করে তারা ফোন বা ইন্টারনেট কলের মাধ্যমে ব্যবসায়ী ও সরকারি কর্মকর্তাদের কাছে মোটা অঙ্কের চাঁদা দাবি করছে। চাঁদা না দিলে সরাসরি প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হচ্ছে। মোহাম্মদপুরের রায়েরবাজার ও হাজারীবাগের মতো এলাকাগুলো এখন কিশোর গ্যাং ও মাদক ব্যবসার দ্বন্দ্বে রক্তাক্ত হয়ে উঠছে। অপরাধীরা খুনের পর নির্বিঘ্নে সীমান্ত পাড়ি দিয়ে অন্য দেশে চলে যাওয়ায় বিচার প্রক্রিয়াও থমকে যাচ্ছে। আন্ডারওয়ার্ল্ডের এই পুনরুত্থান এবং ক্রমাগত প্রকাশ্যে হত্যাকাণ্ড রোধে কার্যকর কোনো পদক্ষেপ না নিলে জননিরাপত্তা আরও বড় সংকটের মুখে পড়বে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।তথ্যসূত্র: কালের কণ্ঠ।
৭ ঘন্টা আগে

যুদ্ধ শুরুর আগেই আমরা প্রস্তুত ছিলাম: কাজী রোকেয়া সুলতানা রাকা

যুদ্ধ শুরুর আগেই আমরা প্রস্তুত ছিলাম: কাজী রোকেয়া সুলতানা রাকা

ঢাকার যানজট কমাতে প্রধানমন্ত্রীর কাছে ১১ প্রস্তাব: কমলাপুর থেকে টঙ্গী পর্যন্ত বাইপাস রেলপথের দাবি!

ঢাকার যানজট কমাতে প্রধানমন্ত্রীর কাছে ১১ প্রস্তাব: কমলাপুর থেকে টঙ্গী পর্যন্ত বাইপাস রেলপথের দাবি!

টাইম ম্যাগাজিনের প্রভাবশালী ১০০ ব্যক্তির তালিকায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

টাইম ম্যাগাজিনের প্রভাবশালী ১০০ ব্যক্তির তালিকায় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান

যুদ্ধবিরতি ভঙ্গের অভিযোগে ইসরায়েলকে ইরানের কড়া হুঁশিয়ারি! যে কোনো সময় বড় হামলার আশঙ্কা

যুদ্ধবিরতি ভঙ্গের অভিযোগে ইসরায়েলকে ইরানের কড়া হুঁশিয়ারি! যে কোনো সময় বড় হামলার আশঙ্কা

দেশে আশঙ্কাজনক হারে বাড়ছে হাম: ২৪ ঘণ্টায় ৪ মৃত্যু, নতুন আক্রান্ত ১১৭৭

দেশে আশঙ্কাজনক হারে বাড়ছে হাম: ২৪ ঘণ্টায় ৪ মৃত্যু, নতুন আক্রান্ত ১১৭৭

৪৩ ঘণ্টায় দুই খুন: ফের গুলিতে প্রাণ হারালেন বিএনপি কর্মী, জনপদে আতঙ্ক

৪৩ ঘণ্টায় দুই খুন: ফের গুলিতে প্রাণ হারালেন বিএনপি কর্মী, জনপদে আতঙ্ক

কাতারে বাংলাদেশ এমএইচএম স্কুল অ্যান্ড কলেজের সুনাম ক্ষুণ্ণের অপচেষ্টা: তথাকথিত ‘গার্ডিয়ানস’ কমিটির বিরুদ্ধে ক্ষোভ

কাতারে বাংলাদেশ এমএইচএম স্কুল অ্যান্ড কলেজের সুনাম ক্ষুণ্ণের অপচেষ্টা: তথাকথিত ‘গার্ডিয়ানস’ কমিটির বিরুদ্ধে ক্ষোভ

মধ্যরাত থেকেই পকেটে টান: জ্বালানি তেলের দামে বড় লাফ!

মধ্যরাত থেকেই পকেটে টান: জ্বালানি তেলের দামে বড় লাফ!

সব মার্কিন যুদ্ধজাহাজ ডুবিয়ে দেওয়ার হুঁশিয়ারি ইরানের!

সব মার্কিন যুদ্ধজাহাজ ডুবিয়ে দেওয়ার হুঁশিয়ারি ইরানের!

ইরানকে আত্মসমর্পণে বাধ্য করা অসম্ভব: মাসুদ পেজেশকিয়ান

ইরানকে আত্মসমর্পণে বাধ্য করা অসম্ভব: মাসুদ পেজেশকিয়ান

বিগত সরকারের মানবাধিকার লঙ্ঘন ১ হাজার ৮৫৫ মামলার তথ্য দিলেন আইনমন্ত্রী

বিগত সরকারের মানবাধিকার লঙ্ঘন ১ হাজার ৮৫৫ মামলার তথ্য দিলেন আইনমন্ত্রী

সব ঠিক থাকলেও হঠাৎ কেন অস্থির হার্ডডিস্কের বাজার?

সব ঠিক থাকলেও হঠাৎ কেন অস্থির হার্ডডিস্কের বাজার?

বিমান বহর শক্তিশালী করতে বোয়িংয়ের সঙ্গে ঐতিহাসিক চুক্তি আজ

বিমান বহর শক্তিশালী করতে বোয়িংয়ের সঙ্গে ঐতিহাসিক চুক্তি আজ

বিরোধী দলের প্রবল আপত্তি উপেক্ষা করেই সংসদে পাস হলো বহুল আলোচিত দুই বিল

বিরোধী দলের প্রবল আপত্তি উপেক্ষা করেই সংসদে পাস হলো বহুল আলোচিত দুই বিল

বিশ্ব অর্থনীতিতে বড় ধাক্কা হরমুজ প্রণালিতে ২ হাজার জাহাজ আটকা

বিশ্ব অর্থনীতিতে বড় ধাক্কা হরমুজ প্রণালিতে ২ হাজার জাহাজ আটকা

প্রতিরক্ষা ব্যয় নিয়ে অসন্তোষ জার্মানি থেকে মার্কিন ব্রিগেড সরিয়ে নেওয়ার পরিকল্পনা ট্রাম্পের

প্রতিরক্ষা ব্যয় নিয়ে অসন্তোষ জার্মানি থেকে মার্কিন ব্রিগেড সরিয়ে নেওয়ার পরিকল্পনা ট্রাম্পের

এমন অস্ত্র আনব যা শত্রুকে ‘হার্ট অ্যাটাক’ করাবে: ইরানি কমান্ডার

এমন অস্ত্র আনব যা শত্রুকে ‘হার্ট অ্যাটাক’ করাবে: ইরানি কমান্ডার

আন্তর্জাতিক জলসীমায় বিধিবিধানের লঙ্ঘন, সুমুদ ফ্লোটিলাকে মাঝপথে আটকাল ইসরাইলি নৌবাহিনী

আন্তর্জাতিক জলসীমায় বিধিবিধানের লঙ্ঘন, সুমুদ ফ্লোটিলাকে মাঝপথে আটকাল ইসরাইলি নৌবাহিনী

চোখের সামনে তলিয়ে যাচ্ছে সোনালি স্বপ্ন, ৩ হাজার কৃষক নিঃস্ব

চোখের সামনে তলিয়ে যাচ্ছে সোনালি স্বপ্ন, ৩ হাজার কৃষক নিঃস্ব

প্রশাসনের উদাসীনতা, মৃত্যুর ঝুঁকি মাথায় নিয়ে পাঠদান সচল রাখা হয়েছে জরাজীর্ণ স্কুলটিতে

প্রশাসনের উদাসীনতা, মৃত্যুর ঝুঁকি মাথায় নিয়ে পাঠদান সচল রাখা হয়েছে জরাজীর্ণ স্কুলটিতে

রুনা লায়লার ঝুলিতে আরও এক আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি দিল্লিতে জমকালো অনুষ্ঠানের প্রস্তুতি

উপমহাদেশের সংগীত জগতের জীবন্ত কিংবদন্তি রুনা লায়লার মুকুটে যুক্ত হতে যাচ্ছে এক অনন্য আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি। দীর্ঘ ছয় দশকের বর্ণাঢ্য সংগীত জীবনের প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে তাঁকে ভারতের মর্যাদাপূর্ণ ‘মিনার-ই-দিল্লি’ সম্মাননায় ভূষিত করা হচ্ছে। আগামী ৪ মে নয়াদিল্লিতে শুরু হতে যাওয়া ১৫তম দিল্লি আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে আনুষ্ঠানিকভাবে তাঁর হাতে এই গৌরবময় পদক তুলে দেওয়া হবে। ৫ দিনব্যাপী এই উৎসবের আসর বসবে দিল্লির ‘ইন্দিরা গান্ধী ন্যাশনাল সেন্টার ফর দ্য আর্টস’ এবং ‘ড. আম্বেদকার আন্তর্জাতিক কেন্দ্র’-এ।[TECHTARANGA-POST:320]উৎসবের প্রতিষ্ঠাতা ও সভাপতি রাম কিশোর পরচা রুনা লায়লাকে পাঠানো এক বিশেষ পত্রে তাঁর সংগীত প্রতিভা ও অবদানের ভূয়সী প্রশংসা করেছেন। তিনি উল্লেখ করেন, রুনা লায়লার সুমধুর কণ্ঠ ও দীর্ঘ পথচলা দুই দেশের কোটি মানুষের হৃদয়ে এক দৃঢ় সেতুবন্ধন তৈরি করেছে। তাঁর সংগীত কেবল সুরের মূর্ছনা নয়, বরং উপমহাদেশের যৌথ আবেগ ও অমলিন স্মৃতির এক জীবন্ত দলিল। এই অনন্য সম্মানে ভূষিত হওয়ায় এক ভিডিওবার্তায় কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন রুনা লায়লা। তিনি জানান, এমন সম্মানজনক আয়োজনে আমন্ত্রণ পাওয়া তাঁর জন্য অত্যন্ত গর্বের এবং তিনি দিল্লির এই বিশেষ মুহূর্তে যোগ দিতে অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছেন।[TECHTARANGA-POST:317]উল্লেখ্য, ‘মিনার-ই-দিল্লি’ সম্মাননার ইতিহাস অত্যন্ত সমৃদ্ধ ও সংরক্ষিত। রুনা লায়লার আগে এই বিশেষ সম্মাননা পেয়েছেন মাত্র তিনজন বিশ্ববরেণ্য ব্যক্তিত্ব। ২০১২ সালে ভারতীয় কিংবদন্তি অভিনেত্রী জোহরা সেহগাল, ২০১৫ সালে শ্রীলঙ্কার সাবেক রাষ্ট্রপতি মৈত্রীপালা সিরিসেনা এবং ২০১৬ সালে রুশ অভিনেত্রী সেনিয়া রেবেক্কানা এই তালিকায় নাম তুলেছিলেন। চতুর্থ ব্যক্তি এবং প্রথম বাংলাদেশি হিসেবে রুনা লায়লার এই অর্জন বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক অঙ্গনে এক নতুন মাইলফলক হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। আগামী ৮ মে পর্যন্ত চলা এই উৎসবে বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তের গুণীজনদের উপস্থিতিতে তাঁকে এই বিশেষ সম্মান প্রদান করা হবে।

রুনা লায়লার ঝুলিতে আরও এক আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি দিল্লিতে জমকালো অনুষ্ঠানের প্রস্তুতি
২৩ ডিসেম্বর ২০২৫, ০৪:৪৬ পিএম
বিশ্বকাপে ব্রাজিল-আর্জেন্টিনা ‘কঠিন’ গ্রুপে পড়েছে দাবি দুই দেশের কোচের। আপনিও কী এমনটি মনে করেন?

বিশ্বকাপে ব্রাজিল-আর্জেন্টিনা ‘কঠিন’ গ্রুপে পড়েছে দাবি দুই দেশের কোচের। আপনিও কী এমনটি মনে করেন?

  হ্যাঁ
  না
  মন্তব্য নেই
মোট ভোটদাতাঃ জন
কোন পোস্ট নেই !