রাজধানীর বিজয়নগরে সেনাবাহিনী ও পুলিশের কিছু সদস্যের লাঠিপেটায় গণঅধিকার পরিষদের সভাপতি নুরুল হক নুর গুরুতর আহত হওয়ার ঘটনায় আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী সমালোচনার মুখে পড়েছে। ঘটনার সময় লাল শার্ট পরা একজনকেও লাঠিপেটা করতে দেখা গেছে। ওই ব্যক্তি নিজেকে পুলিশ সদস্য দাবি করলেও তার পরিচয় এখনও নিশ্চিত করা যায়নি।
সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে আজ ঢাকা মহানগর পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা জরুরি বৈঠকে বসেছেন। ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) নজরুল ইসলাম বলেন, বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ, তাই ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের মধ্যে বৈঠক চলছে।
পুলিশ পরিচয়ে যে ব্যক্তি মারধর করেছেন, তাকে আটক করা হয়েছে কি না বা তার পরিচয় জানা গেছে কি না জানতে চাইলে তিনি বলেন, “এ বিষয়ে কাজ চলছে, এখনই মন্তব্য করা সম্ভব নয়।”
ঘটনাটি ঘটেছে শুক্রবার (২৯ আগস্ট) রাতে, যখন রাজধানীর বিজয়নগরে জাতীয় পার্টি ও গণঅধিকার পরিষদের নেতাকর্মীদের মধ্যে সংঘর্ষের সময় সেনাবাহিনী ও পুলিশ সদস্যরা নুরুল হক নুরকে গুরুতরভাবে আহত করেন।
নুরুল হকের চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কর্তৃপক্ষ ৬ সদস্যের মেডিকেল বোর্ড গঠন করেছে। হাসপাতালের পরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান জানান, তার মাথায় আঘাত রয়েছে এবং নাকের হাড় ভেঙে গেছে। গতকাল অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ হয়েছিল, তবে বর্তমানে রক্তক্ষরণ বন্ধ হয়েছে এবং জ্ঞান ফিরেছে। তবে ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে তার সম্পূর্ণ নিরাপদ অবস্থার নিশ্চয়তা দেওয়া সম্ভব নয়।