চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং আগামী ৩ সেপ্টেম্বর বেইজিংয়ে এক সামরিক কুচকাওয়াজে রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন এবং উত্তর কোরিয়ার নেতা কিম জং উনকে একই মঞ্চে আনতে যাচ্ছেন। এটি কেবল সামরিক শক্তি প্রদর্শন নয়, বরং শির জন্য বড় এক কূটনৈতিক অর্জন হিসেবে দেখা হচ্ছে।
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প যখন ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধে পুতিনকে রাজি করাতে ব্যর্থ হচ্ছেন, তখন শি পুতিনকে বেইজিংয়ে অভ্যর্থনা জানানোর প্রস্তুতি নিচ্ছেন। একই সময়ে কিম জং উনের হঠাৎ সফর আরও তাৎপর্যপূর্ণ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে। এ মাধ্যমে শি প্রমাণ দিচ্ছেন, ভূরাজনীতির বড় কার্ড এখন তার হাতে রয়েছে।
বিশ্লেষকদের মতে, পুতিন ও কিম উভয়ের ওপর শি’র সীমিত প্রভাব রয়েছে, যা ভবিষ্যতের কোনো কূটনৈতিক চুক্তিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে পারে।
প্রধান দিকগুলো:
- কুচকাওয়াজটি দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধে জাপানের আত্মসমর্পণের ৮০ বছর পূর্তি উপলক্ষে আয়োজন করা হচ্ছে।
- পশ্চিমা বিশ্বের চোখে বিচ্ছিন্ন রাশিয়া ও উত্তর কোরিয়াকে একই মঞ্চে আনা শি’র কূটনৈতিক শক্তি প্রদর্শন করবে।
- কিম জং উনের জন্য এটি আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি পাওয়ার একটি সুযোগ, কারণ উত্তর কোরিয়ার অর্থনীতি প্রধানত চীনের ওপর নির্ভরশীল।
- ট্রাম্পের সঙ্গে সম্ভাব্য বৈঠকের আগে এই আয়োজন শি’কে আরও শক্ত অবস্থানে নিয়ে যাবে।
- বিশ্লেষকরা মনে করছেন, শি আবারও কিমকে আলোচনার টেবিলে আনতে সক্ষম হবে