হামের প্রাদুর্ভাব আশঙ্কাজনক রূপ নিয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে সারাদেশে হামের সদৃশ উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ১ হাজার ১৭৭ জন নতুন রোগী। এর মধ্যে ১৬৮ জনের শরীরে ল্যাব পরীক্ষার মাধ্যমে হামের উপস্থিতি নিশ্চিত হওয়া গেছে।
শুক্রবার (১০ এপ্রিল) স্বাস্থ্য অধিদফতরের নিয়মিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে দেশের হাম পরিস্থিতির এই উদ্বেগজনক চিত্র তুলে ধরা হয়।
স্বাস্থ্য অধিদফতরের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের শুরু থেকে এখন পর্যন্ত হামে আক্রান্ত হয়ে অন্তত ২৩ জন শিশুর মৃত্যু নিশ্চিত করা হয়েছে। তবে হামের মতো উপসর্গ নিয়ে মারা যাওয়া শিশুর সংখ্যা আরও অনেক বেশি—১৪৪ জন। মূলত গত কয়েক সপ্তাহে এই সংক্রমণ দ্রুত ছড়িয়ে পড়েছে।
সরকারি পরিসংখ্যান বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, গত ১৫ মার্চ থেকে ১০ এপ্রিল পর্যন্ত মাত্র ২৫ দিনের ব্যবধানে সারাদেশে ২ হাজার ৪০৯ জনের শরীরে হাম শনাক্ত হয়েছে। এছাড়া ১৩ হাজার ৪৯৭ জন রোগীকে 'সন্দেহভাজন হাম আক্রান্ত' হিসেবে তালিকাভুক্ত করা হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, বর্তমানে আক্রান্তদের একটি বড় অংশ দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকলেও ৬ হাজার ৬০৯ জন রোগী সুস্থ হয়ে ইতোমধ্যে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন।
স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, শিশুদের মধ্যে দ্রুত সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়া এবং মৃত্যুর সংখ্যা বৃদ্ধি পাওয়ায় টিকাদান কর্মসূচির ওপর জোর দেওয়া জরুরি। সাধারণত জ্বর, সর্দি-কাশি এবং শরীরে লালচে দানার মতো উপসর্গ দেখা দিলে বিলম্ব না করে দ্রুত নিকটস্থ স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদফতর।
সারাদেশে এই সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে সরকারের নজরদারি বাড়ানো হয়েছে এবং আক্রান্ত এলাকাগুলোতে বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে চিকিৎসা সেবা ও টিকাদান নিশ্চিত করার চেষ্টা চলছে।

শনিবার, ১১ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১০ এপ্রিল ২০২৬
হামের প্রাদুর্ভাব আশঙ্কাজনক রূপ নিয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে আরও ৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। একই সময়ে সারাদেশে হামের সদৃশ উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ১ হাজার ১৭৭ জন নতুন রোগী। এর মধ্যে ১৬৮ জনের শরীরে ল্যাব পরীক্ষার মাধ্যমে হামের উপস্থিতি নিশ্চিত হওয়া গেছে।
শুক্রবার (১০ এপ্রিল) স্বাস্থ্য অধিদফতরের নিয়মিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে দেশের হাম পরিস্থিতির এই উদ্বেগজনক চিত্র তুলে ধরা হয়।
স্বাস্থ্য অধিদফতরের তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের শুরু থেকে এখন পর্যন্ত হামে আক্রান্ত হয়ে অন্তত ২৩ জন শিশুর মৃত্যু নিশ্চিত করা হয়েছে। তবে হামের মতো উপসর্গ নিয়ে মারা যাওয়া শিশুর সংখ্যা আরও অনেক বেশি—১৪৪ জন। মূলত গত কয়েক সপ্তাহে এই সংক্রমণ দ্রুত ছড়িয়ে পড়েছে।
সরকারি পরিসংখ্যান বিশ্লেষণ করে দেখা যায়, গত ১৫ মার্চ থেকে ১০ এপ্রিল পর্যন্ত মাত্র ২৫ দিনের ব্যবধানে সারাদেশে ২ হাজার ৪০৯ জনের শরীরে হাম শনাক্ত হয়েছে। এছাড়া ১৩ হাজার ৪৯৭ জন রোগীকে 'সন্দেহভাজন হাম আক্রান্ত' হিসেবে তালিকাভুক্ত করা হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, বর্তমানে আক্রান্তদের একটি বড় অংশ দেশের বিভিন্ন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকলেও ৬ হাজার ৬০৯ জন রোগী সুস্থ হয়ে ইতোমধ্যে হাসপাতাল থেকে ছাড়পত্র পেয়েছেন।
স্বাস্থ্য বিশেষজ্ঞরা বলছেন, শিশুদের মধ্যে দ্রুত সংক্রমণ ছড়িয়ে পড়া এবং মৃত্যুর সংখ্যা বৃদ্ধি পাওয়ায় টিকাদান কর্মসূচির ওপর জোর দেওয়া জরুরি। সাধারণত জ্বর, সর্দি-কাশি এবং শরীরে লালচে দানার মতো উপসর্গ দেখা দিলে বিলম্ব না করে দ্রুত নিকটস্থ স্বাস্থ্যকেন্দ্রে নেওয়ার পরামর্শ দিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদফতর।
সারাদেশে এই সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে সরকারের নজরদারি বাড়ানো হয়েছে এবং আক্রান্ত এলাকাগুলোতে বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে চিকিৎসা সেবা ও টিকাদান নিশ্চিত করার চেষ্টা চলছে।

আপনার মতামত লিখুন