দিকপাল

যুক্তরাষ্ট্রের বিরোধিতা উপেক্ষা করে জাতিসংঘে জলবায়ু সংকট মোকাবিলার প্রস্তাব গৃহীত


আকাশ মোল্লা
আকাশ মোল্লা স্টাফ রিপোর্টার
প্রকাশ : শুক্রবার, ২২ মে ২০২৬ | ০৭:৫৬ এ এম | প্রিন্ট সংস্করণ

যুক্তরাষ্ট্রের বিরোধিতা উপেক্ষা করে জাতিসংঘে জলবায়ু সংকট মোকাবিলার প্রস্তাব গৃহীত

বিশ্বজুড়ে জলবায়ু পরিবর্তনের মারাত্মক প্রভাব মোকাবিলায় সব দেশের সুনির্দিষ্ট আইনি বাধ্যবাধকতা ও দায় রয়েছে বলে আন্তর্জাতিক বিচার আদালত যে ঐতিহাসিক রায় বা মতামত দিয়েছিল, তার প্রতি এবার পূর্ণ সমর্থন জানাল জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ। বিশ্বমঞ্চে এই সংক্রান্ত একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রস্তাব বিপুল ভোটে পাস হয়েছে। তবে বরাবরের মতোই এই আন্তর্জাতিক উদ্যোগের তীব্র বিরোধিতা করেছে বিশ্বের অন্যতম প্রধান কার্বন নিঃসরণকারী ও ক্ষমতাধর দেশ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র।

ব্রিটিশ প্রভাবশালী সংবাদমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ানের এক বিশেষ প্রতিবেদনে এই চাঞ্চল্যকর ভূ-রাজনীতির খবরটি নিশ্চিত করা হয়েছে। প্রাপ্ত তথ্যানুযায়ী, প্রশান্ত মহাসাগরের বুকে জেগে থাকা ছোট দ্বীপরাষ্ট্র ভানুয়াতু এই প্রস্তাবটি বিশ্বমঞ্চে উত্থাপন করে। প্রস্তাবের মূল বিষয়বস্তু ছিল আন্তর্জাতিক বিচার আদালতের ২০২৫ সালের জুলাই মাসের পরামর্শমূলক রায়কে পুরোপুরি সমর্থন করা। ওই রায়ে পরিষ্কার করে বলা হয়েছিল, নির্বিচারে জীবাশ্ম জ্বালানির ব্যবহার কমানো এবং বৈশ্বিক উষ্ণতা নিয়ন্ত্রণে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা প্রতিটি রাষ্ট্রের আন্তর্জাতিক আইনি দায়িত্ব। যদিও এই রায় সরাসরি কোনো দেশের ওপর চাপিয়ে দেওয়া বা মানতে বাধ্য করার মতো আইনি ক্ষমতা রাখে না, তবুও বিশ্বজুড়ে বিভিন্ন পরিবেশবাদী মামলা এবং বিচারকদের রায়ে এর প্রভাব ও ব্যবহার ব্যাপকভাবে লক্ষ্য করা যাচ্ছে। তবে এই রায়কে কেন্দ্র করে বৈশ্বিক কূটনীতিতে এক চরম জটিলতার সৃষ্টি হয়েছে।

গত বছরের বৈশ্বিক জলবায়ু সম্মেলনে এই বিষয়টি নিয়ে তীব্র মতবিরোধ দেখা দেয়। বিশেষ করে খনিজ তেল উৎপাদনকারী দেশ সৌদি আরব এই আইনি বাধ্যবাধকতার বিষয়টিকে চূড়ান্ত নথিতে অন্তর্ভুক্ত করার ক্ষেত্রে কঠোর আপত্তি জানিয়েছিল। সম্প্রতি জাতিসংঘে অনুষ্ঠিত ভোটাভুটিতেও সেই বিভাজন স্পষ্ট হয়ে ওঠে। প্রস্তাবের বিপক্ষে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ছাড়াও ভোট দিয়েছে রাশিয়া, সৌদি আরব, ইসরাইল, ইরান, ইয়েমেন, লাইবেরিয়া এবং বেলারুশের মতো দেশগুলো। অন্যদিকে অস্ট্রেলিয়া, জার্মানি, ফ্রান্স ও যুক্তরাজ্যের মতো বড় বড় রাষ্ট্রগুলো এর পক্ষে অবস্থান নিয়ে ভোট দেওয়ায় প্রস্তাবটি ১৪১-৮ ভোটে অনায়াসে পাস হয়। তবে ভারত, কাতার, নাইজেরিয়া এবং তুরস্কের মতো ২৮টি দেশ এই ভোটদান প্রক্রিয়া থেকে পুরোপুরি বিরত ছিল।

এই ভোটাভুটি সম্পন্ন হওয়ার পর জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এক বার্তায় এই ঐতিহাসিক পদক্ষেপকে স্বাগত জানিয়েছেন। তিনি একে আন্তর্জাতিক আইন, বিজ্ঞানের সত্যতা এবং জলবায়ু ন্যায়বিচারের এক বড় জয় বলে আখ্যায়িত করেন। তিনি বলেন, এর মাধ্যমে বিশ্বনেতারা তাদের নাগরিকদের জলবায়ু বিপর্যয় থেকে রক্ষা করার নৈতিক ও আইনি দায়িত্বকে আনুষ্ঠানিকভাবে মেনে নিলেন।

তবে ওয়াশিংটনের বর্তমান ট্রাম্প প্রশাসন শুরু থেকেই পরিবেশ সংক্রান্ত সব ধরনের আন্তর্জাতিক চুক্তি ও বাধ্যবাধকতা থেকে নিজেদের সরিয়ে নেওয়ার নীতিতে হাঁটছে। তারা নিজেদের দেশে জীবাশ্ম জ্বালানি ও খনিজ তেলের উৎপাদন বাড়ানোর পক্ষপাতি। জাতিসংঘে নিযুক্ত মার্কিন উপরাষ্ট্রদূত ট্যামি ব্রুস এই প্রস্তাবের তীব্র সমালোচনা করে বলেন, এই খসড়ায় জীবাশ্ম জ্বালানি নিয়ে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত রাজনৈতিক দাবি চাপিয়ে দেওয়া হয়েছে, যার কোনো বাস্তব ভিত্তি ওয়াশিংটন দেখছে না। এমনকি এই প্রস্তাবটি যাতে পাস না হতে পারে, সেজন্য ট্রাম্প প্রশাসন ভানুয়াতুসহ অন্যান্য ছোট দেশগুলোর ওপর পর্দার আড়ালে ব্যাপক কূটনৈতিক চাপ সৃষ্টি করেছিল বলেও জানা গেছে।

ভোটের ঠিক আগে ভানুয়াতুর প্রতিনিধি ও জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক মন্ত্রীরা বিশ্বনেতাদের বাস্তব পরিস্থিতির মুখোমুখি হওয়ার আহ্বান জানান। তারা বলেন, খরা, সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি এবং ফসলহানির কারণে ছোট দ্বীপ ও উপকূলীয় অঞ্চলের মানুষ আজ নিঃস্ব হচ্ছে। অথচ এই চরম সংকটের জন্য তারা কোনোভাবেই দায়ী নয়।

জলবায়ুর এই মরণকামড় কতটা ভয়াবহ, তার সবচেয়ে বড় উদাহরণ প্রশান্ত মহাসাগরীয় দেশ তুভালু। সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে দেশটির উচ্চতা গড়ে মাত্র দুই মিটার। বিজ্ঞানীদের আশঙ্কা, এই শতাব্দীর শেষ নাগাদ পুরো দেশটি জোয়ারের পানির নিচে চিরতরে তলিয়ে যাবে। নিজেদের ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে বাঁচাতে দেশটির এক-তৃতীয়াংশেরও বেশি মানুষ ইতোমধ্যে অস্ট্রেলিয়ার বিশেষ জলবায়ু শরণার্থী ভিসার জন্য আবেদন করে দেশ ছাড়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন। অন্যদিকে, আর একটি দ্বীপরাষ্ট্র নাউরু তাদের পুরো জনগোষ্ঠীকে ভবিষ্যতে অন্য দেশে সরিয়ে নেওয়ার তহবিল জোগাড় করতে ধনী বিদেশিদের কাছে নিজেদের দেশের মূল্যবান পাসপোর্ট বিক্রি করার মতো অভিনব ও করুণ পথ বেছে নিয়েছে।

২০১৫ সালের ঐতিহাসিক প্যারিস চুক্তিতে পৃথিবীর তাপমাত্রা বৃদ্ধি প্রাক-শিল্পায়নের যুগের চেয়ে ১ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে ধরে রাখার যে বৈশ্বিক অঙ্গীকার করা হয়েছিল, বর্তমান পরিস্থিতিতে তা পুরোপুরি ভেস্তে যাওয়ার উপক্রম হয়েছে। বিজ্ঞানীরা এখন অত্যন্ত আশঙ্কার সাথে হুঁশিয়ারি দিচ্ছেন যে, পৃথিবীর পরিবেশকে টিকিয়ে রাখার সেই নিরাপদ সীমা হয়তো খুব দ্রুতই পার হয়ে যেতে চলেছে, যা মানবজাতির জন্য এক চরম বিপর্যয় ডেকে আনবে।


তথ্যসূত্র: দ্য গার্ডিয়ান

আপনার মতামত লিখুন

দিকপাল

শনিবার, ২৩ মে ২০২৬


যুক্তরাষ্ট্রের বিরোধিতা উপেক্ষা করে জাতিসংঘে জলবায়ু সংকট মোকাবিলার প্রস্তাব গৃহীত

প্রকাশের তারিখ : ২২ মে ২০২৬

featured Image

বিশ্বজুড়ে জলবায়ু পরিবর্তনের মারাত্মক প্রভাব মোকাবিলায় সব দেশের সুনির্দিষ্ট আইনি বাধ্যবাধকতা ও দায় রয়েছে বলে আন্তর্জাতিক বিচার আদালত যে ঐতিহাসিক রায় বা মতামত দিয়েছিল, তার প্রতি এবার পূর্ণ সমর্থন জানাল জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদ। বিশ্বমঞ্চে এই সংক্রান্ত একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রস্তাব বিপুল ভোটে পাস হয়েছে। তবে বরাবরের মতোই এই আন্তর্জাতিক উদ্যোগের তীব্র বিরোধিতা করেছে বিশ্বের অন্যতম প্রধান কার্বন নিঃসরণকারী ও ক্ষমতাধর দেশ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র।

ব্রিটিশ প্রভাবশালী সংবাদমাধ্যম দ্য গার্ডিয়ানের এক বিশেষ প্রতিবেদনে এই চাঞ্চল্যকর ভূ-রাজনীতির খবরটি নিশ্চিত করা হয়েছে। প্রাপ্ত তথ্যানুযায়ী, প্রশান্ত মহাসাগরের বুকে জেগে থাকা ছোট দ্বীপরাষ্ট্র ভানুয়াতু এই প্রস্তাবটি বিশ্বমঞ্চে উত্থাপন করে। প্রস্তাবের মূল বিষয়বস্তু ছিল আন্তর্জাতিক বিচার আদালতের ২০২৫ সালের জুলাই মাসের পরামর্শমূলক রায়কে পুরোপুরি সমর্থন করা। ওই রায়ে পরিষ্কার করে বলা হয়েছিল, নির্বিচারে জীবাশ্ম জ্বালানির ব্যবহার কমানো এবং বৈশ্বিক উষ্ণতা নিয়ন্ত্রণে কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা প্রতিটি রাষ্ট্রের আন্তর্জাতিক আইনি দায়িত্ব। যদিও এই রায় সরাসরি কোনো দেশের ওপর চাপিয়ে দেওয়া বা মানতে বাধ্য করার মতো আইনি ক্ষমতা রাখে না, তবুও বিশ্বজুড়ে বিভিন্ন পরিবেশবাদী মামলা এবং বিচারকদের রায়ে এর প্রভাব ও ব্যবহার ব্যাপকভাবে লক্ষ্য করা যাচ্ছে। তবে এই রায়কে কেন্দ্র করে বৈশ্বিক কূটনীতিতে এক চরম জটিলতার সৃষ্টি হয়েছে।

গত বছরের বৈশ্বিক জলবায়ু সম্মেলনে এই বিষয়টি নিয়ে তীব্র মতবিরোধ দেখা দেয়। বিশেষ করে খনিজ তেল উৎপাদনকারী দেশ সৌদি আরব এই আইনি বাধ্যবাধকতার বিষয়টিকে চূড়ান্ত নথিতে অন্তর্ভুক্ত করার ক্ষেত্রে কঠোর আপত্তি জানিয়েছিল। সম্প্রতি জাতিসংঘে অনুষ্ঠিত ভোটাভুটিতেও সেই বিভাজন স্পষ্ট হয়ে ওঠে। প্রস্তাবের বিপক্ষে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ছাড়াও ভোট দিয়েছে রাশিয়া, সৌদি আরব, ইসরাইল, ইরান, ইয়েমেন, লাইবেরিয়া এবং বেলারুশের মতো দেশগুলো। অন্যদিকে অস্ট্রেলিয়া, জার্মানি, ফ্রান্স ও যুক্তরাজ্যের মতো বড় বড় রাষ্ট্রগুলো এর পক্ষে অবস্থান নিয়ে ভোট দেওয়ায় প্রস্তাবটি ১৪১-৮ ভোটে অনায়াসে পাস হয়। তবে ভারত, কাতার, নাইজেরিয়া এবং তুরস্কের মতো ২৮টি দেশ এই ভোটদান প্রক্রিয়া থেকে পুরোপুরি বিরত ছিল।

এই ভোটাভুটি সম্পন্ন হওয়ার পর জাতিসংঘের মহাসচিব আন্তোনিও গুতেরেস সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে এক বার্তায় এই ঐতিহাসিক পদক্ষেপকে স্বাগত জানিয়েছেন। তিনি একে আন্তর্জাতিক আইন, বিজ্ঞানের সত্যতা এবং জলবায়ু ন্যায়বিচারের এক বড় জয় বলে আখ্যায়িত করেন। তিনি বলেন, এর মাধ্যমে বিশ্বনেতারা তাদের নাগরিকদের জলবায়ু বিপর্যয় থেকে রক্ষা করার নৈতিক ও আইনি দায়িত্বকে আনুষ্ঠানিকভাবে মেনে নিলেন।

তবে ওয়াশিংটনের বর্তমান ট্রাম্প প্রশাসন শুরু থেকেই পরিবেশ সংক্রান্ত সব ধরনের আন্তর্জাতিক চুক্তি ও বাধ্যবাধকতা থেকে নিজেদের সরিয়ে নেওয়ার নীতিতে হাঁটছে। তারা নিজেদের দেশে জীবাশ্ম জ্বালানি ও খনিজ তেলের উৎপাদন বাড়ানোর পক্ষপাতি। জাতিসংঘে নিযুক্ত মার্কিন উপরাষ্ট্রদূত ট্যামি ব্রুস এই প্রস্তাবের তীব্র সমালোচনা করে বলেন, এই খসড়ায় জীবাশ্ম জ্বালানি নিয়ে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত রাজনৈতিক দাবি চাপিয়ে দেওয়া হয়েছে, যার কোনো বাস্তব ভিত্তি ওয়াশিংটন দেখছে না। এমনকি এই প্রস্তাবটি যাতে পাস না হতে পারে, সেজন্য ট্রাম্প প্রশাসন ভানুয়াতুসহ অন্যান্য ছোট দেশগুলোর ওপর পর্দার আড়ালে ব্যাপক কূটনৈতিক চাপ সৃষ্টি করেছিল বলেও জানা গেছে।

ভোটের ঠিক আগে ভানুয়াতুর প্রতিনিধি ও জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক মন্ত্রীরা বিশ্বনেতাদের বাস্তব পরিস্থিতির মুখোমুখি হওয়ার আহ্বান জানান। তারা বলেন, খরা, সমুদ্রপৃষ্ঠের উচ্চতা বৃদ্ধি এবং ফসলহানির কারণে ছোট দ্বীপ ও উপকূলীয় অঞ্চলের মানুষ আজ নিঃস্ব হচ্ছে। অথচ এই চরম সংকটের জন্য তারা কোনোভাবেই দায়ী নয়।

জলবায়ুর এই মরণকামড় কতটা ভয়াবহ, তার সবচেয়ে বড় উদাহরণ প্রশান্ত মহাসাগরীয় দেশ তুভালু। সমুদ্রপৃষ্ঠ থেকে দেশটির উচ্চতা গড়ে মাত্র দুই মিটার। বিজ্ঞানীদের আশঙ্কা, এই শতাব্দীর শেষ নাগাদ পুরো দেশটি জোয়ারের পানির নিচে চিরতরে তলিয়ে যাবে। নিজেদের ভবিষ্যৎ প্রজন্মকে বাঁচাতে দেশটির এক-তৃতীয়াংশেরও বেশি মানুষ ইতোমধ্যে অস্ট্রেলিয়ার বিশেষ জলবায়ু শরণার্থী ভিসার জন্য আবেদন করে দেশ ছাড়ার প্রস্তুতি নিচ্ছেন। অন্যদিকে, আর একটি দ্বীপরাষ্ট্র নাউরু তাদের পুরো জনগোষ্ঠীকে ভবিষ্যতে অন্য দেশে সরিয়ে নেওয়ার তহবিল জোগাড় করতে ধনী বিদেশিদের কাছে নিজেদের দেশের মূল্যবান পাসপোর্ট বিক্রি করার মতো অভিনব ও করুণ পথ বেছে নিয়েছে।

২০১৫ সালের ঐতিহাসিক প্যারিস চুক্তিতে পৃথিবীর তাপমাত্রা বৃদ্ধি প্রাক-শিল্পায়নের যুগের চেয়ে ১ দশমিক ৫ ডিগ্রি সেলসিয়াসের মধ্যে ধরে রাখার যে বৈশ্বিক অঙ্গীকার করা হয়েছিল, বর্তমান পরিস্থিতিতে তা পুরোপুরি ভেস্তে যাওয়ার উপক্রম হয়েছে। বিজ্ঞানীরা এখন অত্যন্ত আশঙ্কার সাথে হুঁশিয়ারি দিচ্ছেন যে, পৃথিবীর পরিবেশকে টিকিয়ে রাখার সেই নিরাপদ সীমা হয়তো খুব দ্রুতই পার হয়ে যেতে চলেছে, যা মানবজাতির জন্য এক চরম বিপর্যয় ডেকে আনবে।


তথ্যসূত্র: দ্য গার্ডিয়ান


দিকপাল

প্রধান সম্পাদক: কাদির নোমান
সম্পাদক: আল জাবিরী
প্রকাশক: মু. আবদুর রহমান
কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত দিকপাল