দিকপাল

৭ বছরের শিশুকে ধর্ষণচেষ্টা, জনতার হাতে পুলিশ অবরুদ্ধ


আকাশ মোল্লা
আকাশ মোল্লা স্টাফ রিপোর্টার
প্রকাশ : শুক্রবার, ২২ মে ২০২৬ | ০৬:১৯ পি এম | প্রিন্ট সংস্করণ

৭ বছরের শিশুকে ধর্ষণচেষ্টা, জনতার হাতে পুলিশ অবরুদ্ধ

দেশের যাতায়াত ব্যবস্থায় শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা এবং প্রতিদিনকার সড়ক দুর্ঘটনার লাগাম টেনে ধরার চরম চ্যালেঞ্জের মুখে এবার এক নজিরবিহীন ও সংবেদনশীল সত্য প্রকাশ করলেন সরকারের শীর্ষ নীতিনির্ধারক। সড়ক-মহসড়কে ঝরে যাওয়া হাজারো নিষ্পাপ প্রাণ এবং প্রতিনিয়ত ঘটে চলা মর্মান্তিক দুর্ঘটনার পেছনে সরাসরি রাষ্ট্রীয় ব্যবস্থার ত্রুটি ও ব্যর্থতাকে অকপটে স্বীকার করে নিয়েছেন সড়ক পরিবহন ও সেতু, রেলপথ এবং নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম। তিনি অত্যন্ত দৃঢ়তার সাথে ও স্পষ্ট ভাষায় বলেছেন, সড়কে যে কোনো অকাল মৃত্যুর দায় রাষ্ট্র কোনোভাবেই এড়াতে পারে না এবং এই প্রশাসনিক ব্যর্থতা সরকার পুরোপুরি মেনে নিচ্ছে। শুক্রবার দুপুরে কুমিল্লা জেলা শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে সড়ক দুর্ঘটনায় সর্বস্ব হারানো ও ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর মাঝে আর্থিক অনুদানের চেক বিতরণ এবং দুর্ঘটনা রোধে সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে আয়োজিত এক বিশেষ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য প্রদানকালে তিনি এই সংবেদনশীল মন্তব্য করেন।

নিজেদের অতি আদরের ও একমাত্র উপার্জনক্ষম স্বজনদের হারিয়ে অনুষ্ঠানস্থলে উপস্থিত হওয়া শোকার্ত ও অশ্রুসিক্ত মানুষদের সান্ত্বনা দিতে গিয়ে মন্ত্রী আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন। তিনি বলেন, যে সব মানুষ আজ এখানে তাদের পরম প্রিয় বাবা, ভাই, স্বামী বা সন্তানকে হারিয়ে বুকফাটা আর্তনাদ করছেন, তাদের এই চিরস্থায়ী মানসিক বেদনা ও বিশাল অর্থনৈতিক ক্ষতি পৃথিবীর কোনো দেশের কোনো সরকারের পক্ষেই সম্পূর্ণ অর্থ দিয়ে বা অন্য কিছু দিয়ে পূরণ করা সম্ভব নয়। সড়কে এই অকাল প্রাণহানির জন্য রাষ্ট্রের যে কাঠামোগত, আইনি ও তদারকিজনিত দুর্বলতা রয়েছে, তা আমরা অত্যন্ত সততার সাথে ও বিনম্রচিত্তে স্বীকার করে নিচ্ছি। তবে এই অসহায় পরিবারগুলো যাতে সমাজে কোনোভাবে পিছিয়ে না পড়ে কিংবা অর্থনৈতিক সংকটে না ভোগে, সেজন্য রাষ্ট্র সব সময় তাদের পাশে থাকবে। বিশেষ করে নিহতদের পরিবারের সন্তানদের পড়াশোনা, নতুন কর্মসংস্থান তৈরি এবং অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা ও সরকারি সেবা পাওয়ার ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া হবে, যা সরকার কঠোরভাবে নিশ্চিত করবে।

অনুষ্ঠানের মূল পর্ব শেষে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে মন্ত্রী আসন্ন পবিত্র কোরবানি ঈদের সার্বিক প্রস্তুতি ও জনগণের নিরাপদ যাতায়াত ব্যবস্থা নিয়ে বিস্তারিত কথা বলেন। তিনি উল্লেখ করেন, মাত্র তিন দিনের একটি সংক্ষিপ্ত সময়ের মধ্যে দেশের প্রায় দেড় কোটি মানুষকে তাদের গ্রামের বাড়িতে নিরাপদে পৌঁছে দেওয়া এবং একই সাথে কোরবানির উপযুক্ত প্রায় এক কোটি পশুকে দেশের এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে কোনো ধরনের ভোগান্তি ছাড়া পরিবহন করা একটি বিশাল প্রশাসনিক ও লজিস্টিক চ্যালেঞ্জ। তবে সরকার এই কঠিন পরিস্থিতি অত্যন্ত সফলভাবে সামাল দেওয়ার জন্য দিনরাত কাজ করে যাচ্ছে। দেশের সাধারণ মানুষ যদি নিজ উদ্যোগে ট্রাফিক আইন মেনে চলেন, পরিবহন মালিক ও শ্রমিকরা যদি প্রশাসনের সাথে পূর্ণ সহযোগিতা করেন এবং কোনো ধরনের বড় প্রাকৃতিক বিপর্যয় না ঘটে, তাহলে এবারের ঈদযাত্রা শতভাগ স্বস্তিদায়ক ও নিরাপদ করা সম্ভব হবে বলে তিনি তীব্র আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

দেশের সামগ্রিক সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থার আধুনিকায়ন নিয়ে কথা বলতে গিয়ে মন্ত্রী আরও জানান, বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির প্রধান ধমনী হলো ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক। বর্তমানে এই চার লেনের মহাসড়কে প্রতিদিন যে পরিমাণ যানবাহনের উপচে পড়া ভিড় ও তীব্র চাপ তৈরি হচ্ছে, তা বিবেচনা করলে এটিকে অবিলম্বে দশ লেনে রূপান্তর করা অত্যন্ত জরুরি ও সময়ের দাবি। সেই সুদূরপ্রসারী ও আধুনিক লক্ষ্যকে সামনে রেখেই বর্তমান সরকার মহাসড়কটিকে নতুনভাবে সাজানোর কাজ শুরু করেছে, যার মধ্যে থাকবে মূল যাতায়াতের জন্য আট লেনের প্রধান সড়ক এবং স্থানীয় যানবাহনের জন্য দুই লেনের বিশেষ সার্ভিস সড়ক। সম্প্রতি কুমিল্লার পদুয়ার বাজার এলাকায় ঘটে যাওয়া একটি ভয়াবহ ও হৃদয়বিদারক সড়ক দুর্ঘটনার কথা বিশেষভাবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, পুরো ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ককে আট লেনে উন্নীত করার একটি মহাপরিকল্পনা সরকার ইতোমধ্যে অনুমোদন করেছে এবং সাধারণ পথচারী ও যাত্রী সাধারণের রাস্তা পারাপার সম্পূর্ণ নিরাপদ করতে পদুয়ার বাজার এলাকায় আধুনিক আন্ডারপাস ও ওভারপাস নির্মাণ করা হবে।

কুমিল্লা জেলা প্রশাসন এবং বিআরটিএ কুমিল্লা সার্কেলের যৌথ ব্যবস্থাপনায় আয়োজিত এই মানবিক ও ব্যতিক্রমী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বক্তব্য রাখেন রেলপথ মন্ত্রণালয় এবং সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ, স্থানীয় সংসদ সদস্য মো. মনিরুল হক চৌধুরী, কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের প্রশাসক ইউসুফ মোল্লা টিপু, কুমিল্লা জেলা পরিষদের প্রশাসক মো. মোস্তাক মিয়া এবং সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের সচিব ড. মোহাম্মদ জিয়াউল হক। এছাড়াও অনুষ্ঠানে অনন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বিআরটিএ চেয়ারম্যান মোহাম্মদ হাবিবুর রহমান, বাংলাদেশ রেলওয়ের মহাপরিচালক মো. আফজাল হোসেন, কুমিল্লার জেলা প্রশাসক মু. রেজা হাসান এবং জেলা পুলিশ সুপার মো. আনিসুজ্জামানসহ সরকারের উচ্চপদস্থ সামরিক ও বেসামরিক কর্মকর্তা এবং পরিবহন খাতের শীর্ষস্থানীয় নেতৃবৃন্দ। অনুষ্ঠানের শেষভাগে কুমিল্লা অঞ্চলে বিভিন্ন সময়ে সড়ক দুর্ঘটনায় অকালে প্রাণ হারানো ৮৬ জন নিহতের পরিবারের মাঝে মোট ৪ কোটি ৩০ লাখ টাকা এবং গুরুতরভাবে আহত ৩৩ জন ব্যক্তির উন্নত চিকিৎসার জন্য ৫৯ লাখ টাকার আর্থিক সহায়তার চেক আনুষ্ঠানিকভাবে হস্তান্তর করা হয়।


আপনার মতামত লিখুন

দিকপাল

শনিবার, ২৩ মে ২০২৬


৭ বছরের শিশুকে ধর্ষণচেষ্টা, জনতার হাতে পুলিশ অবরুদ্ধ

প্রকাশের তারিখ : ২২ মে ২০২৬

featured Image

দেশের যাতায়াত ব্যবস্থায় শৃঙ্খলা ফিরিয়ে আনা এবং প্রতিদিনকার সড়ক দুর্ঘটনার লাগাম টেনে ধরার চরম চ্যালেঞ্জের মুখে এবার এক নজিরবিহীন ও সংবেদনশীল সত্য প্রকাশ করলেন সরকারের শীর্ষ নীতিনির্ধারক। সড়ক-মহসড়কে ঝরে যাওয়া হাজারো নিষ্পাপ প্রাণ এবং প্রতিনিয়ত ঘটে চলা মর্মান্তিক দুর্ঘটনার পেছনে সরাসরি রাষ্ট্রীয় ব্যবস্থার ত্রুটি ও ব্যর্থতাকে অকপটে স্বীকার করে নিয়েছেন সড়ক পরিবহন ও সেতু, রেলপথ এবং নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত মন্ত্রী শেখ রবিউল আলম। তিনি অত্যন্ত দৃঢ়তার সাথে ও স্পষ্ট ভাষায় বলেছেন, সড়কে যে কোনো অকাল মৃত্যুর দায় রাষ্ট্র কোনোভাবেই এড়াতে পারে না এবং এই প্রশাসনিক ব্যর্থতা সরকার পুরোপুরি মেনে নিচ্ছে। শুক্রবার দুপুরে কুমিল্লা জেলা শিল্পকলা একাডেমি মিলনায়তনে সড়ক দুর্ঘটনায় সর্বস্ব হারানো ও ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর মাঝে আর্থিক অনুদানের চেক বিতরণ এবং দুর্ঘটনা রোধে সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে আয়োজিত এক বিশেষ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য প্রদানকালে তিনি এই সংবেদনশীল মন্তব্য করেন।

নিজেদের অতি আদরের ও একমাত্র উপার্জনক্ষম স্বজনদের হারিয়ে অনুষ্ঠানস্থলে উপস্থিত হওয়া শোকার্ত ও অশ্রুসিক্ত মানুষদের সান্ত্বনা দিতে গিয়ে মন্ত্রী আবেগাপ্লুত হয়ে পড়েন। তিনি বলেন, যে সব মানুষ আজ এখানে তাদের পরম প্রিয় বাবা, ভাই, স্বামী বা সন্তানকে হারিয়ে বুকফাটা আর্তনাদ করছেন, তাদের এই চিরস্থায়ী মানসিক বেদনা ও বিশাল অর্থনৈতিক ক্ষতি পৃথিবীর কোনো দেশের কোনো সরকারের পক্ষেই সম্পূর্ণ অর্থ দিয়ে বা অন্য কিছু দিয়ে পূরণ করা সম্ভব নয়। সড়কে এই অকাল প্রাণহানির জন্য রাষ্ট্রের যে কাঠামোগত, আইনি ও তদারকিজনিত দুর্বলতা রয়েছে, তা আমরা অত্যন্ত সততার সাথে ও বিনম্রচিত্তে স্বীকার করে নিচ্ছি। তবে এই অসহায় পরিবারগুলো যাতে সমাজে কোনোভাবে পিছিয়ে না পড়ে কিংবা অর্থনৈতিক সংকটে না ভোগে, সেজন্য রাষ্ট্র সব সময় তাদের পাশে থাকবে। বিশেষ করে নিহতদের পরিবারের সন্তানদের পড়াশোনা, নতুন কর্মসংস্থান তৈরি এবং অন্যান্য সুযোগ-সুবিধা ও সরকারি সেবা পাওয়ার ক্ষেত্রে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া হবে, যা সরকার কঠোরভাবে নিশ্চিত করবে।

অনুষ্ঠানের মূল পর্ব শেষে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে মন্ত্রী আসন্ন পবিত্র কোরবানি ঈদের সার্বিক প্রস্তুতি ও জনগণের নিরাপদ যাতায়াত ব্যবস্থা নিয়ে বিস্তারিত কথা বলেন। তিনি উল্লেখ করেন, মাত্র তিন দিনের একটি সংক্ষিপ্ত সময়ের মধ্যে দেশের প্রায় দেড় কোটি মানুষকে তাদের গ্রামের বাড়িতে নিরাপদে পৌঁছে দেওয়া এবং একই সাথে কোরবানির উপযুক্ত প্রায় এক কোটি পশুকে দেশের এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে কোনো ধরনের ভোগান্তি ছাড়া পরিবহন করা একটি বিশাল প্রশাসনিক ও লজিস্টিক চ্যালেঞ্জ। তবে সরকার এই কঠিন পরিস্থিতি অত্যন্ত সফলভাবে সামাল দেওয়ার জন্য দিনরাত কাজ করে যাচ্ছে। দেশের সাধারণ মানুষ যদি নিজ উদ্যোগে ট্রাফিক আইন মেনে চলেন, পরিবহন মালিক ও শ্রমিকরা যদি প্রশাসনের সাথে পূর্ণ সহযোগিতা করেন এবং কোনো ধরনের বড় প্রাকৃতিক বিপর্যয় না ঘটে, তাহলে এবারের ঈদযাত্রা শতভাগ স্বস্তিদায়ক ও নিরাপদ করা সম্ভব হবে বলে তিনি তীব্র আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

দেশের সামগ্রিক সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থার আধুনিকায়ন নিয়ে কথা বলতে গিয়ে মন্ত্রী আরও জানান, বাংলাদেশের অর্থনৈতিক সমৃদ্ধির প্রধান ধমনী হলো ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক। বর্তমানে এই চার লেনের মহাসড়কে প্রতিদিন যে পরিমাণ যানবাহনের উপচে পড়া ভিড় ও তীব্র চাপ তৈরি হচ্ছে, তা বিবেচনা করলে এটিকে অবিলম্বে দশ লেনে রূপান্তর করা অত্যন্ত জরুরি ও সময়ের দাবি। সেই সুদূরপ্রসারী ও আধুনিক লক্ষ্যকে সামনে রেখেই বর্তমান সরকার মহাসড়কটিকে নতুনভাবে সাজানোর কাজ শুরু করেছে, যার মধ্যে থাকবে মূল যাতায়াতের জন্য আট লেনের প্রধান সড়ক এবং স্থানীয় যানবাহনের জন্য দুই লেনের বিশেষ সার্ভিস সড়ক। সম্প্রতি কুমিল্লার পদুয়ার বাজার এলাকায় ঘটে যাওয়া একটি ভয়াবহ ও হৃদয়বিদারক সড়ক দুর্ঘটনার কথা বিশেষভাবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, পুরো ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ককে আট লেনে উন্নীত করার একটি মহাপরিকল্পনা সরকার ইতোমধ্যে অনুমোদন করেছে এবং সাধারণ পথচারী ও যাত্রী সাধারণের রাস্তা পারাপার সম্পূর্ণ নিরাপদ করতে পদুয়ার বাজার এলাকায় আধুনিক আন্ডারপাস ও ওভারপাস নির্মাণ করা হবে।

কুমিল্লা জেলা প্রশাসন এবং বিআরটিএ কুমিল্লা সার্কেলের যৌথ ব্যবস্থাপনায় আয়োজিত এই মানবিক ও ব্যতিক্রমী অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত থেকে বক্তব্য রাখেন রেলপথ মন্ত্রণালয় এবং সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের প্রতিমন্ত্রী হাবিবুর রশিদ, স্থানীয় সংসদ সদস্য মো. মনিরুল হক চৌধুরী, কুমিল্লা সিটি করপোরেশনের প্রশাসক ইউসুফ মোল্লা টিপু, কুমিল্লা জেলা পরিষদের প্রশাসক মো. মোস্তাক মিয়া এবং সড়ক পরিবহন ও মহাসড়ক বিভাগের সচিব ড. মোহাম্মদ জিয়াউল হক। এছাড়াও অনুষ্ঠানে অনন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বিআরটিএ চেয়ারম্যান মোহাম্মদ হাবিবুর রহমান, বাংলাদেশ রেলওয়ের মহাপরিচালক মো. আফজাল হোসেন, কুমিল্লার জেলা প্রশাসক মু. রেজা হাসান এবং জেলা পুলিশ সুপার মো. আনিসুজ্জামানসহ সরকারের উচ্চপদস্থ সামরিক ও বেসামরিক কর্মকর্তা এবং পরিবহন খাতের শীর্ষস্থানীয় নেতৃবৃন্দ। অনুষ্ঠানের শেষভাগে কুমিল্লা অঞ্চলে বিভিন্ন সময়ে সড়ক দুর্ঘটনায় অকালে প্রাণ হারানো ৮৬ জন নিহতের পরিবারের মাঝে মোট ৪ কোটি ৩০ লাখ টাকা এবং গুরুতরভাবে আহত ৩৩ জন ব্যক্তির উন্নত চিকিৎসার জন্য ৫৯ লাখ টাকার আর্থিক সহায়তার চেক আনুষ্ঠানিকভাবে হস্তান্তর করা হয়।



দিকপাল

প্রধান সম্পাদক: কাদির নোমান
সম্পাদক: আল জাবিরী
প্রকাশক: মু. আবদুর রহমান
কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত দিকপাল