দিকপাল

নিজস্ব প্রতিবেদক

নিজস্ব প্রতিবেদক

কাতার


কাতারে বাংলাদেশ এমএইচএম স্কুল অ্যান্ড কলেজের সুনাম ক্ষুণ্ণের অপচেষ্টা: তথাকথিত ‘গার্ডিয়ানস’ কমিটির বিরুদ্ধে ক্ষোভ

কাতারে অবস্থিত বাংলাদেশের একমাত্র শিক্ষা প্রতিষ্ঠান বাংলাদেশ এমএইচএম স্কুল অ্যান্ড কলেজের শৃঙ্খলা, সুনাম ও শিক্ষকদের মর্যাদা রক্ষায় জরুরি পদক্ষেপ গ্রহণের দাবি উঠেছে। বৈধ গভর্নিং বডি ও প্যারেন্ট-টিচার্স অ্যাসোসিয়েশন (PTA) বিদ্যমান থাকা সত্ত্বেও একটি স্বার্থান্বেষী গোষ্ঠীর অবৈধ তৎপরতায় প্রতিষ্ঠানের স্বাভাবিক পরিবেশ বিঘ্নিত হচ্ছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, সর্বশেষ গভর্নিং বডি নির্বাচনে পরাজিত দুই প্রার্থী মাসুদ রানা ও জাকারিয়া ফেরদৌসের বিরুদ্ধে দেশের স্বার্থবিরোধী কর্মকাণ্ড—যেমন মানিলন্ডারিং ও হুন্ডি সংশ্লিষ্ট কার্যক্রমে সম্পৃক্ততার অভিযোগ রয়েছে। কাতারে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ করে এমন কর্মকাণ্ডে জড়িত এই দুই ব্যক্তি ‘গার্ডিয়ানস’ নামে একটি সমান্তরাল ও অননুমোদিত কমিটি গঠন করেছেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে। উক্ত কমিটি প্রতিষ্ঠানের শৃঙ্খলা ও স্বার্থবিরোধী কার্যকলাপে জড়িত থাকার পাশাপাশি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রতিষ্ঠান ও শিক্ষকদের বিরুদ্ধে ভিত্তিহীন ও মানহানিকর প্রচারণা চালিয়ে আসছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।ভুক্তভোগী শিক্ষক ও সংশ্লিষ্টদের দাবি, মাসুদ রানা ও জাকারিয়া ফেরদৌসের নেতৃত্বাধীন চক্রটি তাদের অপছন্দের শিক্ষকদের লক্ষ্য করে মিথ্যা ও কুরুচিপূর্ণ তথ্য প্রচার করছে। হোয়াটসঅ্যাপ, ফেসবুকসহ বিভিন্ন ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে প্রতিষ্ঠানের অভ্যন্তরীণ বিষয় নিয়ে বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়িয়ে দেওয়া হচ্ছে, যা কাতারের প্রচলিত সাইবার অপরাধ আইন এবং বাংলাদেশের শিক্ষা প্রতিষ্ঠান পরিচালনা সংক্রান্ত বিধিমালার সুস্পষ্ট লঙ্ঘন।প্রতিষ্ঠানের ঐতিহ্য, সুনাম ও শিক্ষকদের মর্যাদা রক্ষার্থে গভর্নিং বডির সভাপতি এবং কাতারে নিযুক্ত বাংলাদেশের মান্যবর রাষ্ট্রদূতের প্রতি দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণের আহ্বান জানিয়েছেন সচেতন অভিভাবকরা। একই সঙ্গে উক্ত অননুমোদিত কমিটি অবিলম্বে বিলুপ্ত ঘোষণা এবং সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের কার্যক্রম স্থায়ীভাবে নিষিদ্ধ করার দাবিও তোলা হয়েছে।সাধারণ অভিভাবকদের মতে, নির্বাচনে পরাজয়ের পর প্রতিহিংসামূলক কর্মকাণ্ডে জড়িয়ে প্রতিষ্ঠানের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ করা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। ব্যক্তিগত বিরোধ মেটাতে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ক্ষতি হলে এর দীর্ঘমেয়াদি প্রভাব পড়বে শিক্ষার্থীদের ওপর।এ বিষয়ে বাংলাদেশ দূতাবাস ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তদন্ত করে হুন্ডি, মানিলন্ডারিং এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারিত মানহানিকর তথ্যের প্রমাণ সংগ্রহপূর্বক কাতারের প্রচলিত আইনে সাইবার অপরাধ ও মানহানির অভিযোগে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে কঠোর আইনি ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান জানানো হয়েছে।

কাতারে বাংলাদেশ এমএইচএম স্কুল অ্যান্ড কলেজের সুনাম ক্ষুণ্ণের অপচেষ্টা: তথাকথিত ‘গার্ডিয়ানস’ কমিটির বিরুদ্ধে ক্ষোভ