আসন্ন ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে ঘরমুখো মানুষের যাত্রা নিরাপদ ও স্বস্তিদায়ক করতে সরকার সর্বোচ্চ প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে বলে জানিয়েছেন সড়ক পরিবহন, নৌ ও রেলপথমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম। তিনি বলেন, ঈদযাত্রায় যেন কোনো ধরনের ভোগান্তি না হয়, সেজন্য সড়ক, নৌ ও রেল—তিন খাতেই সমন্বিতভাবে কাজ করা হচ্ছে। যাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি যানজট ও দুর্ঘটনা কমাতেও বিশেষ পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।
রোববার (১০ মে) সকালে রাজধানীর ইস্কাটন রোডের লেডিস ক্লাবে আয়োজিত ‘নৌনিরাপত্তা সপ্তাহ-২০২৬’-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানে নৌপরিবহন খাতের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা, নৌপুলিশ সদস্য, নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞ এবং সংশ্লিষ্ট সংস্থার প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
মন্ত্রী বলেন, ঈদের সময় দেশের বিভিন্ন রুটে যাত্রীচাপ কয়েকগুণ বেড়ে যায়। এই পরিস্থিতি সামাল দিতে আগে থেকেই প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। সড়ক ও মহাসড়কে যানবাহনের চাপ নিয়ন্ত্রণ, নৌপথে অতিরিক্ত নিরাপত্তা এবং রেলপথে সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট বিভাগগুলোকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। তিনি জানান, যাত্রীদের নিরাপদ ভ্রমণ নিশ্চিত করতে মাঠপর্যায়ে নজরদারি বাড়ানো হবে এবং কোথাও অনিয়ম দেখা গেলে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
শেখ রবিউল আলম আরও বলেন, দেশের নৌখাতকে আধুনিক ও নিরাপদ করতে দক্ষ জনবল, সঠিক পরিকল্পনা এবং আন্তরিকতার বিকল্প নেই। তিনি নৌখাতের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের উদ্দেশে বলেন, তাদের মেধা, ধৈর্য ও ত্যাগের মাধ্যমেই দেশের নৌপরিবহন ব্যবস্থাকে আরও কার্যকর ও জনবান্ধব করে তোলা সম্ভব।
একই অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী রাজিব আহসান। তিনি বলেন, সচেতনতা বৃদ্ধি এবং দায়িত্বশীল আচরণের মাধ্যমে নৌপথে দুর্ঘটনার সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে কমিয়ে আনা সম্ভব। যাত্রী ও চালক—উভয় পক্ষকেই নিরাপত্তা বিধি মেনে চলার আহ্বান জানান তিনি।
ঈদকে কেন্দ্র করে ফিটনেসবিহীন ও অনুমোদনহীন নৌযান চলাচলের বিষয়ে কঠোর অবস্থানের কথাও জানান প্রতিমন্ত্রী। তিনি বলেন, যাত্রী নিরাপত্তার সঙ্গে কোনো আপস করা হবে না। ঈদযাত্রায় ঝুঁকিপূর্ণ নৌযান চলাচল ঠেকাতে নৌপুলিশ ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে ইতোমধ্যে বিশেষ নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। নিয়ম না মানলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও হুঁশিয়ারি দেন তিনি।
সরকারের সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো বলছে, ঈদকে সামনে রেখে ইতোমধ্যে বিভিন্ন নৌঘাট, লঞ্চ টার্মিনাল ও গুরুত্বপূর্ণ মহাসড়কে তদারকি বাড়ানো হয়েছে। একইসঙ্গে যাত্রীদের নিরাপদ যাত্রা নিশ্চিত করতে সচেতনতামূলক কার্যক্রমও চালানো হবে।

রোববার, ১০ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১০ মে ২০২৬
আসন্ন ঈদুল আজহাকে সামনে রেখে ঘরমুখো মানুষের যাত্রা নিরাপদ ও স্বস্তিদায়ক করতে সরকার সর্বোচ্চ প্রস্তুতি গ্রহণ করেছে বলে জানিয়েছেন সড়ক পরিবহন, নৌ ও রেলপথমন্ত্রী শেখ রবিউল আলম। তিনি বলেন, ঈদযাত্রায় যেন কোনো ধরনের ভোগান্তি না হয়, সেজন্য সড়ক, নৌ ও রেল—তিন খাতেই সমন্বিতভাবে কাজ করা হচ্ছে। যাত্রীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার পাশাপাশি যানজট ও দুর্ঘটনা কমাতেও বিশেষ পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।
রোববার (১০ মে) সকালে রাজধানীর ইস্কাটন রোডের লেডিস ক্লাবে আয়োজিত ‘নৌনিরাপত্তা সপ্তাহ-২০২৬’-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানে নৌপরিবহন খাতের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা, নৌপুলিশ সদস্য, নিরাপত্তা বিশেষজ্ঞ এবং সংশ্লিষ্ট সংস্থার প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
মন্ত্রী বলেন, ঈদের সময় দেশের বিভিন্ন রুটে যাত্রীচাপ কয়েকগুণ বেড়ে যায়। এই পরিস্থিতি সামাল দিতে আগে থেকেই প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। সড়ক ও মহাসড়কে যানবাহনের চাপ নিয়ন্ত্রণ, নৌপথে অতিরিক্ত নিরাপত্তা এবং রেলপথে সুষ্ঠু ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট বিভাগগুলোকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। তিনি জানান, যাত্রীদের নিরাপদ ভ্রমণ নিশ্চিত করতে মাঠপর্যায়ে নজরদারি বাড়ানো হবে এবং কোথাও অনিয়ম দেখা গেলে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
শেখ রবিউল আলম আরও বলেন, দেশের নৌখাতকে আধুনিক ও নিরাপদ করতে দক্ষ জনবল, সঠিক পরিকল্পনা এবং আন্তরিকতার বিকল্প নেই। তিনি নৌখাতের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের উদ্দেশে বলেন, তাদের মেধা, ধৈর্য ও ত্যাগের মাধ্যমেই দেশের নৌপরিবহন ব্যবস্থাকে আরও কার্যকর ও জনবান্ধব করে তোলা সম্ভব।
একই অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন নৌপরিবহন মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী রাজিব আহসান। তিনি বলেন, সচেতনতা বৃদ্ধি এবং দায়িত্বশীল আচরণের মাধ্যমে নৌপথে দুর্ঘটনার সংখ্যা উল্লেখযোগ্যভাবে কমিয়ে আনা সম্ভব। যাত্রী ও চালক—উভয় পক্ষকেই নিরাপত্তা বিধি মেনে চলার আহ্বান জানান তিনি।
ঈদকে কেন্দ্র করে ফিটনেসবিহীন ও অনুমোদনহীন নৌযান চলাচলের বিষয়ে কঠোর অবস্থানের কথাও জানান প্রতিমন্ত্রী। তিনি বলেন, যাত্রী নিরাপত্তার সঙ্গে কোনো আপস করা হবে না। ঈদযাত্রায় ঝুঁকিপূর্ণ নৌযান চলাচল ঠেকাতে নৌপুলিশ ও সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে ইতোমধ্যে বিশেষ নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। নিয়ম না মানলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও হুঁশিয়ারি দেন তিনি।
সরকারের সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো বলছে, ঈদকে সামনে রেখে ইতোমধ্যে বিভিন্ন নৌঘাট, লঞ্চ টার্মিনাল ও গুরুত্বপূর্ণ মহাসড়কে তদারকি বাড়ানো হয়েছে। একইসঙ্গে যাত্রীদের নিরাপদ যাত্রা নিশ্চিত করতে সচেতনতামূলক কার্যক্রমও চালানো হবে।

আপনার মতামত লিখুন