দিকপাল

অবৈধ অভিবাসন অভিযান: মালয়েশিয়া থেকে ফেরত ২৩ বাংলাদেশিসহ ১৭০ জন


স্বাধীন আহমেদ
স্বাধীন আহমেদ স্টাফ রিপোর্টার
প্রকাশ : সোমবার, ১১ মে ২০২৬ | ১২:৪৭ পি এম | প্রিন্ট সংস্করণ

অবৈধ অভিবাসন অভিযান: মালয়েশিয়া থেকে ফেরত ২৩ বাংলাদেশিসহ ১৭০ জন

মালয়েশিয়ায় অবৈধ অভিবাসনবিরোধী অভিযান ও কঠোর নজরদারির অংশ হিসেবে দেশটির জোহর বাহরুর পাইনঅ্যাপল টাউন ইমিগ্রেশন ডিপো মে মাসের প্রথম সপ্তাহজুড়ে বিভিন্ন দেশের ১৭০ জন আটক অভিবাসীকে নিজ নিজ দেশে ফেরত পাঠিয়েছে। ফেরত পাঠানো ব্যক্তিদের মধ্যে ২৩ জন বাংলাদেশি নাগরিকও রয়েছেন।

সোমবার (১১ মে) ডিপো কর্তৃপক্ষের প্রকাশিত এক বিবৃতিতে জানানো হয়, প্রত্যাবাসিতদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি ছিলেন ইন্দোনেশিয়ার নাগরিক। মোট ১০০ জন ইন্দোনেশিয়ান নাগরিককে নিজ দেশে পাঠানো হয়েছে। এছাড়া বাংলাদেশের ২৩ জন, মিয়ানমারের ১৮ জন, ভারতের ১৩ জন, থাইল্যান্ডের ৯ জন, চীনের ৩ জন এবং ফিলিপাইনের ২ জন নাগরিক রয়েছেন। পাশাপাশি দক্ষিণ কোরিয়া ও নাইজেরিয়ার একজন করে নাগরিকও এই তালিকায় অন্তর্ভুক্ত ছিলেন।

কর্তৃপক্ষ জানায়, আটক এসব অভিবাসীকে ধাপে ধাপে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক প্রবেশ ও বহির্গমন পয়েন্ট ব্যবহার করে নিজ দেশে পাঠানো হয়েছে। এর মধ্যে ছিল কুয়ালালামপুর আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর (কেএলআইএ-১ ও কেএলআইএ-২), রান্তাউ পাঞ্জাং কেলান্তান আইসিকিউএস কমপ্লেক্স, স্টুলাং লাউত ফেরি টার্মিনাল এবং পাশির গুদাং ফেরি টার্মিনাল। পুরো প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়া কঠোর নিরাপত্তা ও ইমিগ্রেশন বিধিমালার আওতায় সম্পন্ন করা হয়েছে বলেও উল্লেখ করা হয়।

ডিপোর তথ্য অনুযায়ী, ফেরত পাঠানো বন্দিদের অনেকেই মালয়েশিয়ার বিভিন্ন আইনের আওতায় সাজা ভোগ শেষে দেশে ফিরেছেন। তাদের বিরুদ্ধে ইমিগ্রেশন আইন ১৯৫৯/৬৩, ইমিগ্রেশন বিধিমালা ১৯৬৩, বিপজ্জনক মাদক আইন ১৯৫২ এবং অন্যান্য সংশ্লিষ্ট আইনের অধীনে মামলা ও শাস্তির রেকর্ড ছিল। সাজা শেষ হওয়ার পর নিয়ম অনুযায়ী তাদের নিজ নিজ দেশে ফেরত পাঠানো হয়।

প্রত্যাবাসনের ব্যয়ও বিভিন্নভাবে বহন করা হয়েছে। কিছু বন্দি নিজেদের সঞ্চিত অর্থ ব্যবহার করেছেন, কেউ পরিবারের সহায়তা পেয়েছেন, আবার বিশেষ কিছু ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট দেশের দূতাবাস বিমান টিকিটের ব্যবস্থা করেছে।

এদিকে মালয়েশিয়ার ইমিগ্রেশন বিভাগ জানিয়েছে, ফেরত পাঠানো সব ব্যক্তিকে দেশটির ইমিগ্রেশন সিস্টেমে কালো তালিকাভুক্ত করা হয়েছে। ফলে নির্ধারিত সময়ের আগে তারা কোনো ধরনের ভিসা বা অনুমতি নিয়েও পুনরায় মালয়েশিয়ায় প্রবেশ করতে পারবেন না। দেশটির কর্তৃপক্ষ বলছে, অবৈধ অভিবাসন ও ভিসা জালিয়াতি ঠেকাতে ভবিষ্যতেও এমন অভিযান অব্যাহত থাকবে।

আপনার মতামত লিখুন

দিকপাল

সোমবার, ১১ মে ২০২৬


অবৈধ অভিবাসন অভিযান: মালয়েশিয়া থেকে ফেরত ২৩ বাংলাদেশিসহ ১৭০ জন

প্রকাশের তারিখ : ১১ মে ২০২৬

featured Image

মালয়েশিয়ায় অবৈধ অভিবাসনবিরোধী অভিযান ও কঠোর নজরদারির অংশ হিসেবে দেশটির জোহর বাহরুর পাইনঅ্যাপল টাউন ইমিগ্রেশন ডিপো মে মাসের প্রথম সপ্তাহজুড়ে বিভিন্ন দেশের ১৭০ জন আটক অভিবাসীকে নিজ নিজ দেশে ফেরত পাঠিয়েছে। ফেরত পাঠানো ব্যক্তিদের মধ্যে ২৩ জন বাংলাদেশি নাগরিকও রয়েছেন।

সোমবার (১১ মে) ডিপো কর্তৃপক্ষের প্রকাশিত এক বিবৃতিতে জানানো হয়, প্রত্যাবাসিতদের মধ্যে সবচেয়ে বেশি ছিলেন ইন্দোনেশিয়ার নাগরিক। মোট ১০০ জন ইন্দোনেশিয়ান নাগরিককে নিজ দেশে পাঠানো হয়েছে। এছাড়া বাংলাদেশের ২৩ জন, মিয়ানমারের ১৮ জন, ভারতের ১৩ জন, থাইল্যান্ডের ৯ জন, চীনের ৩ জন এবং ফিলিপাইনের ২ জন নাগরিক রয়েছেন। পাশাপাশি দক্ষিণ কোরিয়া ও নাইজেরিয়ার একজন করে নাগরিকও এই তালিকায় অন্তর্ভুক্ত ছিলেন।

কর্তৃপক্ষ জানায়, আটক এসব অভিবাসীকে ধাপে ধাপে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক প্রবেশ ও বহির্গমন পয়েন্ট ব্যবহার করে নিজ দেশে পাঠানো হয়েছে। এর মধ্যে ছিল কুয়ালালামপুর আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর (কেএলআইএ-১ ও কেএলআইএ-২), রান্তাউ পাঞ্জাং কেলান্তান আইসিকিউএস কমপ্লেক্স, স্টুলাং লাউত ফেরি টার্মিনাল এবং পাশির গুদাং ফেরি টার্মিনাল। পুরো প্রত্যাবাসন প্রক্রিয়া কঠোর নিরাপত্তা ও ইমিগ্রেশন বিধিমালার আওতায় সম্পন্ন করা হয়েছে বলেও উল্লেখ করা হয়।

ডিপোর তথ্য অনুযায়ী, ফেরত পাঠানো বন্দিদের অনেকেই মালয়েশিয়ার বিভিন্ন আইনের আওতায় সাজা ভোগ শেষে দেশে ফিরেছেন। তাদের বিরুদ্ধে ইমিগ্রেশন আইন ১৯৫৯/৬৩, ইমিগ্রেশন বিধিমালা ১৯৬৩, বিপজ্জনক মাদক আইন ১৯৫২ এবং অন্যান্য সংশ্লিষ্ট আইনের অধীনে মামলা ও শাস্তির রেকর্ড ছিল। সাজা শেষ হওয়ার পর নিয়ম অনুযায়ী তাদের নিজ নিজ দেশে ফেরত পাঠানো হয়।

প্রত্যাবাসনের ব্যয়ও বিভিন্নভাবে বহন করা হয়েছে। কিছু বন্দি নিজেদের সঞ্চিত অর্থ ব্যবহার করেছেন, কেউ পরিবারের সহায়তা পেয়েছেন, আবার বিশেষ কিছু ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট দেশের দূতাবাস বিমান টিকিটের ব্যবস্থা করেছে।

এদিকে মালয়েশিয়ার ইমিগ্রেশন বিভাগ জানিয়েছে, ফেরত পাঠানো সব ব্যক্তিকে দেশটির ইমিগ্রেশন সিস্টেমে কালো তালিকাভুক্ত করা হয়েছে। ফলে নির্ধারিত সময়ের আগে তারা কোনো ধরনের ভিসা বা অনুমতি নিয়েও পুনরায় মালয়েশিয়ায় প্রবেশ করতে পারবেন না। দেশটির কর্তৃপক্ষ বলছে, অবৈধ অভিবাসন ও ভিসা জালিয়াতি ঠেকাতে ভবিষ্যতেও এমন অভিযান অব্যাহত থাকবে।



দিকপাল

প্রধান সম্পাদক: কাদির নোমান
সম্পাদক: আল জাবিরী
প্রকাশক: মু. আবদুর রহমান
কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত দিকপাল