সোমবার (১১ মে) রাজধানীর তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত জাতীয় পুলিশ সপ্তাহ-২০২৬ উপলক্ষ্যে পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় পুলিশ বাহিনীর ভূমিকা, পেশাদারত্ব ও ভবিষ্যৎ দিকনির্দেশনা নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য উঠে আসে।
সভায় বলা হয়, সরকার পুলিশ বাহিনীকে এমন একটি জনবান্ধব ও কার্যকর কাঠামোয় গড়ে তুলতে চায়, যেখানে জনগণের আস্থা ও সেবার মান সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার পাবে। পুলিশ প্রশাসনকে সরকারের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রতিচ্ছবি হিসেবে উল্লেখ করে বলা হয়, বাহিনীর কার্যক্রমের মাধ্যমেই রাষ্ট্রের ভাবমূর্তি অনেকাংশে নির্ধারিত হয়।
এ সময় দুর্নীতি ও সন্ত্রাসের মতো অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডকে রাজনৈতিক পরিচয়ের ভিত্তিতে না দেখে ব্যক্তি হিসেবে বিচার করার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়। অপরাধের ক্ষেত্রে দলীয় পরিচয়ের ঊর্ধ্বে উঠে ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার আহ্বান জানানো হয়।
বক্তব্যে আরও বলা হয়, গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় সরকার যেমন স্থায়ী নয়, তেমনি প্রশাসনের কোনো পদও কারও জন্য চিরস্থায়ী নয়। বিভিন্ন সময় এবং বিশ্বের বিভিন্ন দেশের উদাহরণ টেনে এই বাস্তবতাকে তুলে ধরা হয়। একইভাবে পুলিশ ও জনপ্রশাসনের পদগুলোও পরিবর্তনশীল এবং যোগ্যতার ভিত্তিতেই দায়িত্ব নির্ধারিত হওয়া উচিত বলে মত দেওয়া হয়।
সভায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের বহুমুখী দক্ষতা অর্জনের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়। যেকোনো পরিস্থিতিতে দায়িত্ব পালনের মানসিকতা গড়ে তোলার পাশাপাশি পেশাদারত্বের সঙ্গে কোনো ধরনের আপস না করার নির্দেশনা দেওয়া হয়।
এছাড়া বলা হয়, একটি সমৃদ্ধ, স্বনির্ভর ও নিরাপদ মানবিক বাংলাদেশ গঠনে পুলিশ বাহিনীর ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বাহিনীর সদস্যদের সততা, মেধা ও দক্ষতাকে নিয়োগ, বদলি ও পদোন্নতির মূল ভিত্তি হিসেবে বিবেচনা করার কথাও উল্লেখ করা হয়। একই সঙ্গে জনগণের দৃষ্টিতে রাষ্ট্রের ভাবমূর্তি গঠনে পুলিশের আচরণ ও মানবিক গুণাবলি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে বলে মত দেওয়া হয়।
সভায় আরও উল্লেখ করা হয়, চলমান “জুলাই সনদ” পুরোপুরি বাস্তবায়নের মাধ্যমে প্রশাসনিক স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা আরও শক্তিশালী করা হবে। পুলিশ সদস্যদের মানবিক মূল্যবোধ ও সেবামূলক মনোভাব রপ্ত করার ওপরও জোর দেওয়া হয়।

সোমবার, ১১ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১১ মে ২০২৬
সোমবার (১১ মে) রাজধানীর তেজগাঁওয়ে প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত জাতীয় পুলিশ সপ্তাহ-২০২৬ উপলক্ষ্যে পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে মতবিনিময় সভায় পুলিশ বাহিনীর ভূমিকা, পেশাদারত্ব ও ভবিষ্যৎ দিকনির্দেশনা নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ বক্তব্য উঠে আসে।
সভায় বলা হয়, সরকার পুলিশ বাহিনীকে এমন একটি জনবান্ধব ও কার্যকর কাঠামোয় গড়ে তুলতে চায়, যেখানে জনগণের আস্থা ও সেবার মান সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার পাবে। পুলিশ প্রশাসনকে সরকারের একটি গুরুত্বপূর্ণ প্রতিচ্ছবি হিসেবে উল্লেখ করে বলা হয়, বাহিনীর কার্যক্রমের মাধ্যমেই রাষ্ট্রের ভাবমূর্তি অনেকাংশে নির্ধারিত হয়।
এ সময় দুর্নীতি ও সন্ত্রাসের মতো অপরাধমূলক কর্মকাণ্ডকে রাজনৈতিক পরিচয়ের ভিত্তিতে না দেখে ব্যক্তি হিসেবে বিচার করার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়। অপরাধের ক্ষেত্রে দলীয় পরিচয়ের ঊর্ধ্বে উঠে ন্যায়বিচার নিশ্চিত করার আহ্বান জানানো হয়।
বক্তব্যে আরও বলা হয়, গণতান্ত্রিক ব্যবস্থায় সরকার যেমন স্থায়ী নয়, তেমনি প্রশাসনের কোনো পদও কারও জন্য চিরস্থায়ী নয়। বিভিন্ন সময় এবং বিশ্বের বিভিন্ন দেশের উদাহরণ টেনে এই বাস্তবতাকে তুলে ধরা হয়। একইভাবে পুলিশ ও জনপ্রশাসনের পদগুলোও পরিবর্তনশীল এবং যোগ্যতার ভিত্তিতেই দায়িত্ব নির্ধারিত হওয়া উচিত বলে মত দেওয়া হয়।
সভায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যদের বহুমুখী দক্ষতা অর্জনের ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়। যেকোনো পরিস্থিতিতে দায়িত্ব পালনের মানসিকতা গড়ে তোলার পাশাপাশি পেশাদারত্বের সঙ্গে কোনো ধরনের আপস না করার নির্দেশনা দেওয়া হয়।
এছাড়া বলা হয়, একটি সমৃদ্ধ, স্বনির্ভর ও নিরাপদ মানবিক বাংলাদেশ গঠনে পুলিশ বাহিনীর ভূমিকা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বাহিনীর সদস্যদের সততা, মেধা ও দক্ষতাকে নিয়োগ, বদলি ও পদোন্নতির মূল ভিত্তি হিসেবে বিবেচনা করার কথাও উল্লেখ করা হয়। একই সঙ্গে জনগণের দৃষ্টিতে রাষ্ট্রের ভাবমূর্তি গঠনে পুলিশের আচরণ ও মানবিক গুণাবলি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে বলে মত দেওয়া হয়।
সভায় আরও উল্লেখ করা হয়, চলমান “জুলাই সনদ” পুরোপুরি বাস্তবায়নের মাধ্যমে প্রশাসনিক স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা আরও শক্তিশালী করা হবে। পুলিশ সদস্যদের মানবিক মূল্যবোধ ও সেবামূলক মনোভাব রপ্ত করার ওপরও জোর দেওয়া হয়।

আপনার মতামত লিখুন