দিকপাল

ভারতীয় গরু না থাকায় চাঙ্গা দেশীয় পশু বাজার


স্বাধীন আহমেদ
স্বাধীন আহমেদ স্টাফ রিপোর্টার
প্রকাশ : শনিবার, ২৩ মে ২০২৬ | ০৮:১১ এ এম | প্রিন্ট সংস্করণ

ভারতীয় গরু না থাকায় চাঙ্গা দেশীয় পশু বাজার

আসন্ন পবিত্র ঈদুল আজহাকে কেন্দ্র করে ভারতীয় সীমান্তঘেরা দেশের উত্তর জনপদের জেলা পঞ্চগড়ে কোরবানির পশুর হাটের চিরচেনা দৃশ্য এবার সম্পূর্ণ বদলে গেছে। বিগত বছরগুলোতে কোরবানির ঈদের আগে পঞ্চগড়ের পশুর হাটগুলোতে যেখানে বিদেশি, বিশেষ করে ভারতীয় গরুর একচেটিয়া আধিপত্য ও দাপট চোখে পড়ত, এবার সেখানে দেখা গেছে সম্পূর্ণ উল্টো চিত্র। সীমান্তে নিরাপত্তা বাহিনীর কড়া নজরদারি এবং চোরাচালান রোধে কঠোর অবস্থানের কারণে এবার হাটে ভারতীয় গরুর অনুপ্রবেশ ঘটেনি বললেই চলে। ফলশ্রুতিতে, জেলার ছোট-বড় সব পশুর হাট এখন সম্পূর্ণভাবে স্থানীয় খামারিদের যত্নে লালন-পালন করা দেশি গরুর দখলে চলে গেছে। আর ভারতীয় গরুর এই অনুপস্থিতির কারণে বাজারে দেশি গরুর ব্যাপক চাহিদা তৈরি হয়েছে, যার ফলে নিজেদের পশুর ন্যায্য দাম পেয়ে অত্যন্ত খুশি স্থানীয় খামারি ও সাধারণ গৃহস্থরা।

ভৌগোলিক অবস্থানগত কারণে পঞ্চগড় জেলার তিন দিকেই রয়েছে প্রায় ২৮৪ কিলোমিটারের দীর্ঘ ভারতীয় সীমান্ত। অতীতে এই দীর্ঘ সীমান্ত এলাকার বিভিন্ন অরক্ষিত ও অবৈধ পথ ব্যবহার করে ঈদের আগে প্রচুর পরিমাণে ভারতীয় গরু এ দেশে চলে আসত। এতে স্থানীয় খামারিরা মারাত্মক লোকসানের মুখে পড়তেন। তবে এবার সীমান্ত পেরিয়ে কোনো অবৈধ পশু আসতে না পারায় খামারিরা বুকভরা আশা নিয়ে নিজেদের গোয়ালের পশু হাটে তুলছেন। পঞ্চগড় সদরের ঐতিহ্যবাহী রাজনগর হাট, বোদা উপজেলার নগরকুমারি, দেবীগঞ্জের ভাউলাগঞ্জ, আটোয়ারীর ফকিরগঞ্জ এবং তেঁতুলিয়ার শালবাহান পশুর হাটসহ জেলার প্রধান প্রধান বাজারগুলো ঘুরে দেখা গেছে, মাঠজুড়ে শুধু দেশি গরুর বিশাল সব সারি। খামারিরা অত্যন্ত গর্বের সাথে জানাচ্ছেন যে, ভারতীয় গরুর অনধিকার প্রবেশ বন্ধ হওয়ায় তাদের আত্মবিশ্বাস অনেক বেড়ে গেছে। তবে বর্তমানে গো-খাদ্যের দাম অতিরিক্ত মাত্রায় বেশি হওয়ায়, দেশীয় খামারিদের টিকিয়ে রাখতে সীমান্তে এই কঠোর নজরদারি কেবল ঈদ মৌসুমে নয়, বরং সারা বছর বজায় রাখার জোর দাবি জানিয়েছেন তারা।

জেলা প্রাণিসম্পদ বিভাগের সাম্প্রতিক দাপ্তরিক তথ্য বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, এবার পঞ্চগড়ে কোরবানির পশুর মোট উৎপাদন স্থানীয় চাহিদার তুলনায় অনেক বেশি হয়েছে। জেলার প্রায় এক হাজার ২৩৬টি নিবন্ধিত ও অনিবন্ধিত খামারে সম্পূর্ণ প্রাকৃতিক উপায়ে, কোনো ধরনের ক্ষতিকারক হরমোন বা ওষুধ ছাড়াই এক লাখ ৩০ হাজার ৩৩০টি পশু কোরবানির জন্য সম্পূর্ণ প্রস্তুত করা হয়েছে। এর বিপরীতে পুরো জেলায় স্থানীয় পশুর চাহিদা রয়েছে এক লাখ তিন হাজার ৪৫০টি। এর অর্থ হলো, স্থানীয় চাহিদা মিটিয়েও জেলায় প্রায় ২৬ হাজারের চেয়েও বেশি অতিরিক্ত পশু উদ্বৃত্ত থাকছে, যা দেশের অন্যান্য অঞ্চলের মাংসের ঘাটতি মেটাতে বিভিন্ন জেলায় সরবরাহ করা হচ্ছে। জেলার অন্যতম বড় রাজনগর গরুর হাটের ইজারাদার জানান, চলতি হাটে প্রায় সাড়ে তিন থেকে চার হাজার দেশি গরু বিক্রি করার জন্য এনেছেন বিক্রেতারা এবং পুরো হাটে একটিও ভারতীয় গরু নেই। ঈদের আমেজে ক্রেতা ও বিক্রেতাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হাটের পক্ষ থেকে বিশেষ পাহারাদার, পর্যাপ্ত আলোর ব্যবস্থা এবং অজ্ঞান পার্টি বা মলম পার্টির খপ্পর থেকে সাবধান থাকতে নিয়মিত মাইকিং করে সচেতনতা তৈরি করা হচ্ছে। সামনের দিনগুলোতে কেনাবেচা আরও জমজমাট হবে বলে মনে করছেন বাজার কর্তৃপক্ষ।

হাটে আসা প্রান্তিক খামারি ও সাধারণ গৃহস্থদের সাথে কথা বলে তাদের চোখে-মুখে ভালো লাভ করার এক বুক আশা দেখা গেছে। হাড়িভাসা এলাকার এক প্রান্তিক খামারি জানান, তিনি দীর্ঘ এক বছর ধরে পরম যত্নে লালন-পালন করা সাতটি গরুর মধ্যে চারটি ইতোমধ্যে ভালো দামে বিক্রি করে ফেলেছেন এবং বাকি তিনটি বিক্রির জন্য হাটে এনেছেন। গো-খাদ্যের অস্বাভাবিক দাম বৃদ্ধির কারণে পশু লালন-পালনে খরচ এবার অনেক বেশি হলেও, ভারতীয় গরু না থাকায় বাজারে ভালো দাম পাচ্ছেন। অন্যদিকে স্থানীয় এক গৃহস্থ জানান, বাড়িতে পরম যত্নে বড় করা তার দুটি ছোট ষাঁড়ের দাম পাইকারেরা হাটে আনার আগেই বাড়িতে গিয়ে এক লাখ ৬০ হাজার টাকা দিতে চেয়েছিল। কিন্তু হাটে এনে তিনি আশা করছেন ভালো প্রতিযোগিতার কারণে ষাঁড় দুটি অনায়াসে এক লাখ ৭০ থেকে ৭৫ হাজার টাকায় বিক্রি করতে পারবেন। কেবল স্থানীয়রাই নন, দূর-দূরান্ত থেকে আসা পাইকারি ব্যবসায়ীরাও পঞ্চগড়ের দেশি গরু কিনতে ভিড় করছেন। বগুড়ার সাতমাথা এলাকা থেকে আসা এক বড় গরু ব্যবসায়ী জানান, দেশি গরুর চমৎকার মাংসের গঠন ও ব্যাপক চাহিদার কারণে তিনি গত কয়েকটি হাট ধরে পঞ্চগড় থেকে গরু কিনে ট্রাকে করে বগুড়ায় পাঠাচ্ছেন। তিনি কেবল চলতি হাট থেকেই প্রায় ১৫ লাখ টাকা খরচ করে ১৭টি উন্নত মানের দেশি গরু সংগ্রহ করেছেন।

এই পুরো ইতিবাচক পরিস্থিতির বিষয়ে পঞ্চগড় জেলা প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের উপপরিচালক অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক বক্তব্য দিয়েছেন। তিনি বলেন, জেলাটি তিন দিকে সীমান্ত দিয়ে ঘেরা হওয়ায় কোনো অসাধু চক্র যাতে এই মোক্ষম সময়ে চোরাই পথে ভারতীয় গরু নিয়ে এসে বাজার নষ্ট করতে না পারে, সেজন্য প্রশাসন ও সীমান্ত রক্ষী বাহিনী অত্যন্ত সজাগ রয়েছে। খামারিরা যাতে তাদের হাড়ভাঙা খাটুনি আর মেহনতের সঠিক মূল্যায়ন পান এবং আর্থিকভাবে লাভবান হন, সেটি নিশ্চিত করাই সরকারের মূল লক্ষ্য। সব মিলিয়ে, পঞ্চগড়ের পশুর হাটে ভারতীয় গরুর চিরতরে বিদায় এবং দেশি গরুর এই জয়জয়কার কেবল খামারিদের ভাগ্যই বদলাচ্ছে না, বরং তা দেশের সামগ্রিক প্রাণিসম্পদ খাতকে স্বনির্ভরতার পথে আরও এক ধাপ এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন

দিকপাল

শনিবার, ২৩ মে ২০২৬


ভারতীয় গরু না থাকায় চাঙ্গা দেশীয় পশু বাজার

প্রকাশের তারিখ : ২৩ মে ২০২৬

featured Image

আসন্ন পবিত্র ঈদুল আজহাকে কেন্দ্র করে ভারতীয় সীমান্তঘেরা দেশের উত্তর জনপদের জেলা পঞ্চগড়ে কোরবানির পশুর হাটের চিরচেনা দৃশ্য এবার সম্পূর্ণ বদলে গেছে। বিগত বছরগুলোতে কোরবানির ঈদের আগে পঞ্চগড়ের পশুর হাটগুলোতে যেখানে বিদেশি, বিশেষ করে ভারতীয় গরুর একচেটিয়া আধিপত্য ও দাপট চোখে পড়ত, এবার সেখানে দেখা গেছে সম্পূর্ণ উল্টো চিত্র। সীমান্তে নিরাপত্তা বাহিনীর কড়া নজরদারি এবং চোরাচালান রোধে কঠোর অবস্থানের কারণে এবার হাটে ভারতীয় গরুর অনুপ্রবেশ ঘটেনি বললেই চলে। ফলশ্রুতিতে, জেলার ছোট-বড় সব পশুর হাট এখন সম্পূর্ণভাবে স্থানীয় খামারিদের যত্নে লালন-পালন করা দেশি গরুর দখলে চলে গেছে। আর ভারতীয় গরুর এই অনুপস্থিতির কারণে বাজারে দেশি গরুর ব্যাপক চাহিদা তৈরি হয়েছে, যার ফলে নিজেদের পশুর ন্যায্য দাম পেয়ে অত্যন্ত খুশি স্থানীয় খামারি ও সাধারণ গৃহস্থরা।

ভৌগোলিক অবস্থানগত কারণে পঞ্চগড় জেলার তিন দিকেই রয়েছে প্রায় ২৮৪ কিলোমিটারের দীর্ঘ ভারতীয় সীমান্ত। অতীতে এই দীর্ঘ সীমান্ত এলাকার বিভিন্ন অরক্ষিত ও অবৈধ পথ ব্যবহার করে ঈদের আগে প্রচুর পরিমাণে ভারতীয় গরু এ দেশে চলে আসত। এতে স্থানীয় খামারিরা মারাত্মক লোকসানের মুখে পড়তেন। তবে এবার সীমান্ত পেরিয়ে কোনো অবৈধ পশু আসতে না পারায় খামারিরা বুকভরা আশা নিয়ে নিজেদের গোয়ালের পশু হাটে তুলছেন। পঞ্চগড় সদরের ঐতিহ্যবাহী রাজনগর হাট, বোদা উপজেলার নগরকুমারি, দেবীগঞ্জের ভাউলাগঞ্জ, আটোয়ারীর ফকিরগঞ্জ এবং তেঁতুলিয়ার শালবাহান পশুর হাটসহ জেলার প্রধান প্রধান বাজারগুলো ঘুরে দেখা গেছে, মাঠজুড়ে শুধু দেশি গরুর বিশাল সব সারি। খামারিরা অত্যন্ত গর্বের সাথে জানাচ্ছেন যে, ভারতীয় গরুর অনধিকার প্রবেশ বন্ধ হওয়ায় তাদের আত্মবিশ্বাস অনেক বেড়ে গেছে। তবে বর্তমানে গো-খাদ্যের দাম অতিরিক্ত মাত্রায় বেশি হওয়ায়, দেশীয় খামারিদের টিকিয়ে রাখতে সীমান্তে এই কঠোর নজরদারি কেবল ঈদ মৌসুমে নয়, বরং সারা বছর বজায় রাখার জোর দাবি জানিয়েছেন তারা।

জেলা প্রাণিসম্পদ বিভাগের সাম্প্রতিক দাপ্তরিক তথ্য বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, এবার পঞ্চগড়ে কোরবানির পশুর মোট উৎপাদন স্থানীয় চাহিদার তুলনায় অনেক বেশি হয়েছে। জেলার প্রায় এক হাজার ২৩৬টি নিবন্ধিত ও অনিবন্ধিত খামারে সম্পূর্ণ প্রাকৃতিক উপায়ে, কোনো ধরনের ক্ষতিকারক হরমোন বা ওষুধ ছাড়াই এক লাখ ৩০ হাজার ৩৩০টি পশু কোরবানির জন্য সম্পূর্ণ প্রস্তুত করা হয়েছে। এর বিপরীতে পুরো জেলায় স্থানীয় পশুর চাহিদা রয়েছে এক লাখ তিন হাজার ৪৫০টি। এর অর্থ হলো, স্থানীয় চাহিদা মিটিয়েও জেলায় প্রায় ২৬ হাজারের চেয়েও বেশি অতিরিক্ত পশু উদ্বৃত্ত থাকছে, যা দেশের অন্যান্য অঞ্চলের মাংসের ঘাটতি মেটাতে বিভিন্ন জেলায় সরবরাহ করা হচ্ছে। জেলার অন্যতম বড় রাজনগর গরুর হাটের ইজারাদার জানান, চলতি হাটে প্রায় সাড়ে তিন থেকে চার হাজার দেশি গরু বিক্রি করার জন্য এনেছেন বিক্রেতারা এবং পুরো হাটে একটিও ভারতীয় গরু নেই। ঈদের আমেজে ক্রেতা ও বিক্রেতাদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হাটের পক্ষ থেকে বিশেষ পাহারাদার, পর্যাপ্ত আলোর ব্যবস্থা এবং অজ্ঞান পার্টি বা মলম পার্টির খপ্পর থেকে সাবধান থাকতে নিয়মিত মাইকিং করে সচেতনতা তৈরি করা হচ্ছে। সামনের দিনগুলোতে কেনাবেচা আরও জমজমাট হবে বলে মনে করছেন বাজার কর্তৃপক্ষ।

হাটে আসা প্রান্তিক খামারি ও সাধারণ গৃহস্থদের সাথে কথা বলে তাদের চোখে-মুখে ভালো লাভ করার এক বুক আশা দেখা গেছে। হাড়িভাসা এলাকার এক প্রান্তিক খামারি জানান, তিনি দীর্ঘ এক বছর ধরে পরম যত্নে লালন-পালন করা সাতটি গরুর মধ্যে চারটি ইতোমধ্যে ভালো দামে বিক্রি করে ফেলেছেন এবং বাকি তিনটি বিক্রির জন্য হাটে এনেছেন। গো-খাদ্যের অস্বাভাবিক দাম বৃদ্ধির কারণে পশু লালন-পালনে খরচ এবার অনেক বেশি হলেও, ভারতীয় গরু না থাকায় বাজারে ভালো দাম পাচ্ছেন। অন্যদিকে স্থানীয় এক গৃহস্থ জানান, বাড়িতে পরম যত্নে বড় করা তার দুটি ছোট ষাঁড়ের দাম পাইকারেরা হাটে আনার আগেই বাড়িতে গিয়ে এক লাখ ৬০ হাজার টাকা দিতে চেয়েছিল। কিন্তু হাটে এনে তিনি আশা করছেন ভালো প্রতিযোগিতার কারণে ষাঁড় দুটি অনায়াসে এক লাখ ৭০ থেকে ৭৫ হাজার টাকায় বিক্রি করতে পারবেন। কেবল স্থানীয়রাই নন, দূর-দূরান্ত থেকে আসা পাইকারি ব্যবসায়ীরাও পঞ্চগড়ের দেশি গরু কিনতে ভিড় করছেন। বগুড়ার সাতমাথা এলাকা থেকে আসা এক বড় গরু ব্যবসায়ী জানান, দেশি গরুর চমৎকার মাংসের গঠন ও ব্যাপক চাহিদার কারণে তিনি গত কয়েকটি হাট ধরে পঞ্চগড় থেকে গরু কিনে ট্রাকে করে বগুড়ায় পাঠাচ্ছেন। তিনি কেবল চলতি হাট থেকেই প্রায় ১৫ লাখ টাকা খরচ করে ১৭টি উন্নত মানের দেশি গরু সংগ্রহ করেছেন।

এই পুরো ইতিবাচক পরিস্থিতির বিষয়ে পঞ্চগড় জেলা প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের উপপরিচালক অত্যন্ত আশাব্যঞ্জক বক্তব্য দিয়েছেন। তিনি বলেন, জেলাটি তিন দিকে সীমান্ত দিয়ে ঘেরা হওয়ায় কোনো অসাধু চক্র যাতে এই মোক্ষম সময়ে চোরাই পথে ভারতীয় গরু নিয়ে এসে বাজার নষ্ট করতে না পারে, সেজন্য প্রশাসন ও সীমান্ত রক্ষী বাহিনী অত্যন্ত সজাগ রয়েছে। খামারিরা যাতে তাদের হাড়ভাঙা খাটুনি আর মেহনতের সঠিক মূল্যায়ন পান এবং আর্থিকভাবে লাভবান হন, সেটি নিশ্চিত করাই সরকারের মূল লক্ষ্য। সব মিলিয়ে, পঞ্চগড়ের পশুর হাটে ভারতীয় গরুর চিরতরে বিদায় এবং দেশি গরুর এই জয়জয়কার কেবল খামারিদের ভাগ্যই বদলাচ্ছে না, বরং তা দেশের সামগ্রিক প্রাণিসম্পদ খাতকে স্বনির্ভরতার পথে আরও এক ধাপ এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছে।


দিকপাল

প্রধান সম্পাদক: কাদির নোমান
সম্পাদক: আল জাবিরী
প্রকাশক: মু. আবদুর রহমান
কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত দিকপাল