প্রতিবেশী দেশ বাংলাদেশ এবং পাকিস্তানের সঙ্গে থাকা নিজেদের দীর্ঘ সীমান্ত এলাকায় এক বড় ধরনের কৌশলগত পদক্ষেপ নিতে যাচ্ছে ভারতের কেন্দ্রীয় সরকার। দুই দেশের প্রায় ছয় হাজার কিলোমিটার সীমান্ত অঞ্চল জুড়ে নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও জোরদার করতে এবং অনুপ্রবেশ রুখতে সম্পূর্ণ নতুন এক আধুনিক প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়েছে। ভারতের কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ সম্প্রতি এই মেগা প্রকল্পের বিষয়ে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দিয়েছেন। নতুন এই পরিকল্পনা অনুযায়ী, সীমান্ত এলাকায় কঠোর নজরদারির জন্য সর্বাধুনিক প্রযুক্তির ড্রোন, উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন রেডার এবং আধুনিক নজরদারি ক্যামেরা স্থাপন করা হবে।
ভারতের রাজধানী দিল্লিতে সীমান্তরক্ষী বাহিনী বা বিএসএফের উদ্যোগে আয়োজিত একটি বিশেষ অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এই তথ্য প্রকাশ করেন। তিনি জানান, আগামী এক বছরের মধ্যেই সীমান্ত সুরক্ষার এই অত্যাধুনিক প্রকল্পের মাঠপর্যায়ের কাজ পুরোদমে শুরু হয়ে যাবে। এই বিশাল লক্ষ্যমাত্রা বাস্তবায়নের জন্য সীমান্তরক্ষী বাহিনীকে সরকারের পক্ষ থেকে সব ধরনের প্রয়োজনীয় এবং উন্নত কারিগরি ও প্রযুক্তিগত সহায়তা প্রদান করা হবে। একই সঙ্গে তিনি উল্লেখ করেন, বাংলাদেশ সীমান্তের যেসব স্পর্শকাতর ও নদীমাতৃক এলাকায় ভৌগোলিক জটিলতার কারণে এখনো কাঁটাতারের বেড়া দেওয়া সম্ভব হয়নি, সেই সব জায়গায় অত্যন্ত দ্রুততার সাথে বেড়া দেওয়ার কাজ শেষ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
ভৌগোলিক তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশের সঙ্গে ভারতের মোট প্রায় চার হাজার ছিয়ানব্বই কিলোমিটার দীর্ঘ সীমান্ত রয়েছে। এই বিশাল সীমান্তের একটি বড় অংশ জুড়ে রয়েছে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য, যার সীমানা প্রায় দুই হাজার দুই শত উনিশ কিলোমিটার পর্যন্ত বিস্তৃত। হিসাব অনুযায়ী, পশ্চিমবঙ্গের এই দীর্ঘ সীমান্তের মধ্যে প্রায় এক হাজার ছয় শত পঞ্চাশ কিলোমিটার এলাকায় ইতিমধ্যে কাঁটাতারের বেড়া দেওয়া সম্ভব হয়েছে। তবে অবশিষ্টাংশ অর্থাৎ প্রায় পাঁচ শত ঊনসত্তর কিলোমিটার সীমান্ত এলাকা এখনো পুরোপুরি উন্মুক্ত বা বেড়াহীন অবস্থায় রয়েছে, যা মূলত নদী কিংবা দুর্গম স্থলভাগ। এই উন্মুক্ত সীমান্ত পথগুলো দিয়েই মূলত অনুপ্রবেশ ও চোরাচালানের মতো ঘটনা ঘটে থাকে, যা নিয়ন্ত্রণে এবার প্রযুক্তিকে ঢাল হিসেবে ব্যবহার করতে চাইছে মোদি সরকার।

শনিবার, ২৩ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৩ মে ২০২৬
প্রতিবেশী দেশ বাংলাদেশ এবং পাকিস্তানের সঙ্গে থাকা নিজেদের দীর্ঘ সীমান্ত এলাকায় এক বড় ধরনের কৌশলগত পদক্ষেপ নিতে যাচ্ছে ভারতের কেন্দ্রীয় সরকার। দুই দেশের প্রায় ছয় হাজার কিলোমিটার সীমান্ত অঞ্চল জুড়ে নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও জোরদার করতে এবং অনুপ্রবেশ রুখতে সম্পূর্ণ নতুন এক আধুনিক প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়েছে। ভারতের কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ সম্প্রতি এই মেগা প্রকল্পের বিষয়ে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দিয়েছেন। নতুন এই পরিকল্পনা অনুযায়ী, সীমান্ত এলাকায় কঠোর নজরদারির জন্য সর্বাধুনিক প্রযুক্তির ড্রোন, উচ্চ ক্ষমতাসম্পন্ন রেডার এবং আধুনিক নজরদারি ক্যামেরা স্থাপন করা হবে।
ভারতের রাজধানী দিল্লিতে সীমান্তরক্ষী বাহিনী বা বিএসএফের উদ্যোগে আয়োজিত একটি বিশেষ অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী এই তথ্য প্রকাশ করেন। তিনি জানান, আগামী এক বছরের মধ্যেই সীমান্ত সুরক্ষার এই অত্যাধুনিক প্রকল্পের মাঠপর্যায়ের কাজ পুরোদমে শুরু হয়ে যাবে। এই বিশাল লক্ষ্যমাত্রা বাস্তবায়নের জন্য সীমান্তরক্ষী বাহিনীকে সরকারের পক্ষ থেকে সব ধরনের প্রয়োজনীয় এবং উন্নত কারিগরি ও প্রযুক্তিগত সহায়তা প্রদান করা হবে। একই সঙ্গে তিনি উল্লেখ করেন, বাংলাদেশ সীমান্তের যেসব স্পর্শকাতর ও নদীমাতৃক এলাকায় ভৌগোলিক জটিলতার কারণে এখনো কাঁটাতারের বেড়া দেওয়া সম্ভব হয়নি, সেই সব জায়গায় অত্যন্ত দ্রুততার সাথে বেড়া দেওয়ার কাজ শেষ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
ভৌগোলিক তথ্য অনুযায়ী, বাংলাদেশের সঙ্গে ভারতের মোট প্রায় চার হাজার ছিয়ানব্বই কিলোমিটার দীর্ঘ সীমান্ত রয়েছে। এই বিশাল সীমান্তের একটি বড় অংশ জুড়ে রয়েছে ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য, যার সীমানা প্রায় দুই হাজার দুই শত উনিশ কিলোমিটার পর্যন্ত বিস্তৃত। হিসাব অনুযায়ী, পশ্চিমবঙ্গের এই দীর্ঘ সীমান্তের মধ্যে প্রায় এক হাজার ছয় শত পঞ্চাশ কিলোমিটার এলাকায় ইতিমধ্যে কাঁটাতারের বেড়া দেওয়া সম্ভব হয়েছে। তবে অবশিষ্টাংশ অর্থাৎ প্রায় পাঁচ শত ঊনসত্তর কিলোমিটার সীমান্ত এলাকা এখনো পুরোপুরি উন্মুক্ত বা বেড়াহীন অবস্থায় রয়েছে, যা মূলত নদী কিংবা দুর্গম স্থলভাগ। এই উন্মুক্ত সীমান্ত পথগুলো দিয়েই মূলত অনুপ্রবেশ ও চোরাচালানের মতো ঘটনা ঘটে থাকে, যা নিয়ন্ত্রণে এবার প্রযুক্তিকে ঢাল হিসেবে ব্যবহার করতে চাইছে মোদি সরকার।

আপনার মতামত লিখুন