দেশের বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শূন্যপদে প্রতিষ্ঠানপ্রধান ও সহকারী প্রধান নিয়োগ প্রক্রিয়ায় বড় ধরনের পরিবর্তনের আভাস দিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। ইতোমধ্যে এ পদের এমসিকিউ পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশিত হয়েছে, যেখানে প্রায় ১৫ হাজার প্রার্থী উত্তীর্ণ হয়েছেন। মন্ত্রণালয়ের পরিকল্পনা অনুযায়ী, আগামী মে মাসের শুরুর দিকেই উত্তীর্ণ প্রার্থীদের মৌখিক পরীক্ষা বা ভাইভা শুরু হতে পারে। তবে এবারের নিয়োগ প্রক্রিয়ায় সবচেয়ে বড় চমক হতে যাচ্ছে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই (AI) প্রযুক্তির ব্যবহার।
শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের একটি নির্ভরযোগ্য সূত্র নিশ্চিত করেছে যে, স্বচ্ছতা ও আধুনিকায়ন নিশ্চিত করতে এবার এআই-এর মাধ্যমে মৌখিক পরীক্ষা নেওয়ার পরিকল্পনা করা হয়েছে। এই বিশেষ প্রযুক্তিগত সহায়তার জন্য বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট) এবং আমেরিকান ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশ (এআইইউবি)-এর কম্পিউটার সায়েন্স বিভাগ যৌথভাবে কাজ করছে। এআই দিয়ে কীভাবে কার্যকরভাবে ভাইভা নেওয়া সম্ভব, তার একটি ডেমো বা মহড়া আগামী ৩০ এপ্রিল শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে প্রদর্শিত হবে। ওই ডেমো সফল হওয়ার পরপরই মৌখিক পরীক্ষার চূড়ান্ত সময়সূচি ঘোষণা করবে কর্তৃপক্ষ।
গত বুধবার রাতে প্রকাশিত ফলাফল বিশ্লেষণে দেখা যায়, এবার মোট ১৪ হাজার ৯৪২ জন প্রার্থী এমসিকিউ পরীক্ষায় সফল হয়েছেন, যা মোট অংশগ্রহণকারী পরীক্ষার্থীর প্রায় ৩১ শতাংশ। এই নিয়োগ পরীক্ষায় অংশ নিতে আবেদন করেছিলেন ৫৩ হাজারের বেশি প্রার্থী, যার মধ্যে ৪৮ হাজারের অধিক পরীক্ষার্থী গত ১৮ এপ্রিল দেশের বিভিন্ন কেন্দ্রে চারটি ধাপে অনুষ্ঠিত পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেন। মূলত স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে অধ্যক্ষ, উপাধ্যক্ষ, প্রধান শিক্ষক ও সুপারদের মতো গুরুত্বপূর্ণ পদগুলো পূরণের লক্ষ্যেই এই বিশাল কর্মযজ্ঞ চলছে।
মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ৩০ এপ্রিলের ডেমো প্রদর্শনীটি এই নিয়োগ প্রক্রিয়ার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। যদি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার মাধ্যমে ভাইভা গ্রহণের বিষয়টি চূড়ান্ত হয়, তবে এটি হবে বাংলাদেশের শিক্ষা খাতে নিয়োগ প্রক্রিয়ায় এক যুগান্তকারী পদক্ষেপ। বর্তমানে উত্তীর্ণ প্রার্থীরা এখন মে মাসের প্রথম সপ্তাহে ভাইভা শুরুর সম্ভাব্য তারিখের অপেক্ষায় রয়েছেন। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট বিভাগগুলো এই সময়ের মধ্যে কারিগরি সব প্রস্তুতি শেষ করতে নিরলস কাজ করে যাচ্ছে।

রোববার, ২৬ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৬ এপ্রিল ২০২৬
দেশের বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শূন্যপদে প্রতিষ্ঠানপ্রধান ও সহকারী প্রধান নিয়োগ প্রক্রিয়ায় বড় ধরনের পরিবর্তনের আভাস দিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। ইতোমধ্যে এ পদের এমসিকিউ পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশিত হয়েছে, যেখানে প্রায় ১৫ হাজার প্রার্থী উত্তীর্ণ হয়েছেন। মন্ত্রণালয়ের পরিকল্পনা অনুযায়ী, আগামী মে মাসের শুরুর দিকেই উত্তীর্ণ প্রার্থীদের মৌখিক পরীক্ষা বা ভাইভা শুরু হতে পারে। তবে এবারের নিয়োগ প্রক্রিয়ায় সবচেয়ে বড় চমক হতে যাচ্ছে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই (AI) প্রযুক্তির ব্যবহার।
শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের একটি নির্ভরযোগ্য সূত্র নিশ্চিত করেছে যে, স্বচ্ছতা ও আধুনিকায়ন নিশ্চিত করতে এবার এআই-এর মাধ্যমে মৌখিক পরীক্ষা নেওয়ার পরিকল্পনা করা হয়েছে। এই বিশেষ প্রযুক্তিগত সহায়তার জন্য বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট) এবং আমেরিকান ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশ (এআইইউবি)-এর কম্পিউটার সায়েন্স বিভাগ যৌথভাবে কাজ করছে। এআই দিয়ে কীভাবে কার্যকরভাবে ভাইভা নেওয়া সম্ভব, তার একটি ডেমো বা মহড়া আগামী ৩০ এপ্রিল শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে প্রদর্শিত হবে। ওই ডেমো সফল হওয়ার পরপরই মৌখিক পরীক্ষার চূড়ান্ত সময়সূচি ঘোষণা করবে কর্তৃপক্ষ।
গত বুধবার রাতে প্রকাশিত ফলাফল বিশ্লেষণে দেখা যায়, এবার মোট ১৪ হাজার ৯৪২ জন প্রার্থী এমসিকিউ পরীক্ষায় সফল হয়েছেন, যা মোট অংশগ্রহণকারী পরীক্ষার্থীর প্রায় ৩১ শতাংশ। এই নিয়োগ পরীক্ষায় অংশ নিতে আবেদন করেছিলেন ৫৩ হাজারের বেশি প্রার্থী, যার মধ্যে ৪৮ হাজারের অধিক পরীক্ষার্থী গত ১৮ এপ্রিল দেশের বিভিন্ন কেন্দ্রে চারটি ধাপে অনুষ্ঠিত পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করেন। মূলত স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে অধ্যক্ষ, উপাধ্যক্ষ, প্রধান শিক্ষক ও সুপারদের মতো গুরুত্বপূর্ণ পদগুলো পূরণের লক্ষ্যেই এই বিশাল কর্মযজ্ঞ চলছে।
মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ৩০ এপ্রিলের ডেমো প্রদর্শনীটি এই নিয়োগ প্রক্রিয়ার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। যদি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার মাধ্যমে ভাইভা গ্রহণের বিষয়টি চূড়ান্ত হয়, তবে এটি হবে বাংলাদেশের শিক্ষা খাতে নিয়োগ প্রক্রিয়ায় এক যুগান্তকারী পদক্ষেপ। বর্তমানে উত্তীর্ণ প্রার্থীরা এখন মে মাসের প্রথম সপ্তাহে ভাইভা শুরুর সম্ভাব্য তারিখের অপেক্ষায় রয়েছেন। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সংশ্লিষ্ট বিভাগগুলো এই সময়ের মধ্যে কারিগরি সব প্রস্তুতি শেষ করতে নিরলস কাজ করে যাচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন