ফরিদপুর সদর উপজেলার আলিয়াবাদ ইউনিয়নে ঘটে যাওয়া চাঞ্চল্যকর ট্রিপল মার্ডারের একমাত্র অভিযুক্ত আকাশ মোল্লাকে (২৮) গ্রেফতার করেছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। মঙ্গলবার দিবাগত ভোরে গদাধরডাঙ্গী গ্রামে তার নিজ বাড়ির নিকটস্থ একটি কলাবাগান থেকে র্যাব ও পুলিশের যৌথ অভিযানে তাকে আটক করা হয়। ফরিদপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) মো. শামছুল আজম গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করে জানিয়েছেন যে, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে চালানো এই বিশেষ অভিযানে তাকে গ্রেফতারের পর বর্তমানে ফরিদপুর কোতোয়ালি থানা হেফাজতে রাখা হয়েছে।
হত্যাকাণ্ডের ভয়াবহতা ও অভিযুক্তের আচরণ নিয়ে অভিযানে অংশ নেওয়া র্যাব-১০, সিপিসি-৩ ফরিদপুর ক্যাম্পের সহকারী পুলিশ সুপার গাজী মো. লুৎফর রহমান জানান, আটকের সময় আকাশের কথাবার্তা বেশ অসংলগ্ন ছিল। এর ফলে তার মানসিক ভারসাম্যহীনতার বিষয়টি এখন গুরুত্বের সঙ্গে খতিয়ে দেখছে পুলিশ। উল্লেখ্য, গত সোমবার রাত আনুমানিক ৯টার দিকে গদাধরডাঙ্গী গ্রামে আজগর মোল্লার বাড়ির উঠানে এই মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে। স্থানীয় প্রত্যক্ষদর্শীদের বর্ণনা অনুযায়ী, আকাশ হঠাৎ একটি কোদাল নিয়ে উপস্থিত ব্যক্তিদের ওপর অতর্কিত ও এলোপাতাড়ি হামলা চালায়। এতে ঘটনাস্থলেই রাহেলা বেগম (৫০), আমেনা বেগম (৭৫) এবং প্রতিবেশী কাবুল (৪৫) প্রাণ হারান। এ ঘটনায় রিয়াজ মোল্লা (৪৫) নামে আরও একজন গুরুতর আহত হয়ে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত অস্ত্রটি উদ্ধার এবং এই নৃশংস হামলার প্রকৃত কারণ উদঘাটনে তদন্ত শুরু হয়েছে। ফরিদপুর কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শহিদুল ইসলাম জানিয়েছেন, অভিযুক্তকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদের পাশাপাশি তার মানসিক স্বাস্থ্য পরীক্ষার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে এবং আইনি প্রক্রিয়া শেষে তাকে আদালতে সোপর্দ করা হবে। এই ট্রিপল মার্ডারের ঘটনায় পুরো জেলাজুড়ে যেমন শোকের ছায়া নেমে এসেছে, তেমনি অভিযুক্তের দ্রুত গ্রেফতারে স্বস্তি প্রকাশ করেছেন স্থানীয়রা।
তথ্যের উৎস: ফরিদপুর জেলা পুলিশ এবং র্যাব-১০ (সিপিসি-৩)।

মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৮ এপ্রিল ২০২৬
ফরিদপুর সদর উপজেলার আলিয়াবাদ ইউনিয়নে ঘটে যাওয়া চাঞ্চল্যকর ট্রিপল মার্ডারের একমাত্র অভিযুক্ত আকাশ মোল্লাকে (২৮) গ্রেফতার করেছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। মঙ্গলবার দিবাগত ভোরে গদাধরডাঙ্গী গ্রামে তার নিজ বাড়ির নিকটস্থ একটি কলাবাগান থেকে র্যাব ও পুলিশের যৌথ অভিযানে তাকে আটক করা হয়। ফরিদপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস) মো. শামছুল আজম গণমাধ্যমকে বিষয়টি নিশ্চিত করে জানিয়েছেন যে, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে চালানো এই বিশেষ অভিযানে তাকে গ্রেফতারের পর বর্তমানে ফরিদপুর কোতোয়ালি থানা হেফাজতে রাখা হয়েছে।
হত্যাকাণ্ডের ভয়াবহতা ও অভিযুক্তের আচরণ নিয়ে অভিযানে অংশ নেওয়া র্যাব-১০, সিপিসি-৩ ফরিদপুর ক্যাম্পের সহকারী পুলিশ সুপার গাজী মো. লুৎফর রহমান জানান, আটকের সময় আকাশের কথাবার্তা বেশ অসংলগ্ন ছিল। এর ফলে তার মানসিক ভারসাম্যহীনতার বিষয়টি এখন গুরুত্বের সঙ্গে খতিয়ে দেখছে পুলিশ। উল্লেখ্য, গত সোমবার রাত আনুমানিক ৯টার দিকে গদাধরডাঙ্গী গ্রামে আজগর মোল্লার বাড়ির উঠানে এই মর্মান্তিক ঘটনা ঘটে। স্থানীয় প্রত্যক্ষদর্শীদের বর্ণনা অনুযায়ী, আকাশ হঠাৎ একটি কোদাল নিয়ে উপস্থিত ব্যক্তিদের ওপর অতর্কিত ও এলোপাতাড়ি হামলা চালায়। এতে ঘটনাস্থলেই রাহেলা বেগম (৫০), আমেনা বেগম (৭৫) এবং প্রতিবেশী কাবুল (৪৫) প্রাণ হারান। এ ঘটনায় রিয়াজ মোল্লা (৪৫) নামে আরও একজন গুরুতর আহত হয়ে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
পুলিশের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত অস্ত্রটি উদ্ধার এবং এই নৃশংস হামলার প্রকৃত কারণ উদঘাটনে তদন্ত শুরু হয়েছে। ফরিদপুর কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. শহিদুল ইসলাম জানিয়েছেন, অভিযুক্তকে প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদের পাশাপাশি তার মানসিক স্বাস্থ্য পরীক্ষার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে এবং আইনি প্রক্রিয়া শেষে তাকে আদালতে সোপর্দ করা হবে। এই ট্রিপল মার্ডারের ঘটনায় পুরো জেলাজুড়ে যেমন শোকের ছায়া নেমে এসেছে, তেমনি অভিযুক্তের দ্রুত গ্রেফতারে স্বস্তি প্রকাশ করেছেন স্থানীয়রা।
তথ্যের উৎস: ফরিদপুর জেলা পুলিশ এবং র্যাব-১০ (সিপিসি-৩)।

আপনার মতামত লিখুন