দিকপাল

তাইওয়ানে কোনো অস্থিরতা চায় না ওয়াশিংটন বেইজিংকে কড়া বার্তা পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও-র



তাইওয়ানে কোনো অস্থিরতা চায় না ওয়াশিংটন বেইজিংকে কড়া বার্তা পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও-র

বিশ্ব রাজনীতির দুই প্রধান শক্তি যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের মধ্যকার সম্পর্কে নতুন মাত্রা যোগ করতে আগামী সপ্তাহে মুখোমুখি হতে যাচ্ছেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং। হোয়াইট হাউসে আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও জানিয়েছেন, আসন্ন এই উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে তাইওয়ান ইস্যুটি অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে আলোচনার টেবিলে স্থান পাবে। এনডিটিভির এক প্রতিবেদন থেকে এই তথ্য নিশ্চিত হওয়া গেছে।

রুবিও তার বক্তব্যে অত্যন্ত স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন যে, তাইওয়ান প্রণালি ঘিরে কোনো ধরনের অস্থিতিশীল বা উত্তপ্ত পরিস্থিতি তৈরি হোক—এটি ওয়াশিংটন কোনোভাবেই কাম্য মনে করে না। ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলের নিরাপত্তা ও শান্তি বজায় রাখার ক্ষেত্রে তাইওয়ান সবসময়ই একটি স্পর্শকাতর ও গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হিসেবে বিবেচিত হয়ে আসছে। রুবিও আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে উল্লেখ করেন যে, উভয় দেশই এই বাস্তবতাকে স্বীকার করে যে, ওই অঞ্চলে যেকোনো ধরনের অস্থিরতা কারও জন্যই ইতিবাচক ফল বয়ে আনবে না। শান্তি ও স্থিতিশীলতা রক্ষাই এখন মার্কিন প্রশাসনের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য।

আগামী ১৪ ও ১৫ মে দুই দিনের রাষ্ট্রীয় সফরে বেইজিং যাচ্ছেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প। এমন এক সময়ে এই সফরটি অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে যখন তাইওয়ান নিয়ে বেইজিং ও ওয়াশিংটনের মধ্যে কূটনৈতিক ও সামরিক উত্তেজনা চরমে পৌঁছেছে। চীন শুরু থেকেই গণতান্ত্রিকভাবে শাসিত এই দ্বীপটিকে নিজেদের অবিচ্ছেদ্য ভূখণ্ড হিসেবে দাবি করে আসছে এবং সাম্প্রতিক সময়ে ওই অঞ্চলে সামরিক কার্যক্রম ও চাপ উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি করেছে। অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্র ঐতিহাসিকভাবেই তাইওয়ানের সবচেয়ে বড় আন্তর্জাতিক সমর্থক এবং প্রধান অস্ত্র সরবরাহকারী দেশ হিসেবে ভূমিকা পালন করে আসছে, যা নিয়ে বেইজিংয়ের সঙ্গে ওয়াশিংটনের দীর্ঘদিনের ভূ-রাজনৈতিক টানাপোড়েন বিদ্যমান। এই প্রেক্ষাপটে ট্রাম্প ও শি জিনপিং-এর আসন্ন বৈঠকটি আন্তর্জাতিক মহলে বিশেষ কৌতূহল ও গুরুত্বের দাবি রাখছে।


আপনার মতামত লিখুন

দিকপাল

বুধবার, ০৬ মে ২০২৬


তাইওয়ানে কোনো অস্থিরতা চায় না ওয়াশিংটন বেইজিংকে কড়া বার্তা পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও-র

প্রকাশের তারিখ : ০৬ মে ২০২৬

featured Image

বিশ্ব রাজনীতির দুই প্রধান শক্তি যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের মধ্যকার সম্পর্কে নতুন মাত্রা যোগ করতে আগামী সপ্তাহে মুখোমুখি হতে যাচ্ছেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প এবং চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিং। হোয়াইট হাউসে আয়োজিত এক প্রেস ব্রিফিংয়ে মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও জানিয়েছেন, আসন্ন এই উচ্চপর্যায়ের বৈঠকে তাইওয়ান ইস্যুটি অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে আলোচনার টেবিলে স্থান পাবে। এনডিটিভির এক প্রতিবেদন থেকে এই তথ্য নিশ্চিত হওয়া গেছে।

রুবিও তার বক্তব্যে অত্যন্ত স্পষ্টভাবে জানিয়েছেন যে, তাইওয়ান প্রণালি ঘিরে কোনো ধরনের অস্থিতিশীল বা উত্তপ্ত পরিস্থিতি তৈরি হোক—এটি ওয়াশিংটন কোনোভাবেই কাম্য মনে করে না। ইন্দো-প্যাসিফিক অঞ্চলের নিরাপত্তা ও শান্তি বজায় রাখার ক্ষেত্রে তাইওয়ান সবসময়ই একটি স্পর্শকাতর ও গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হিসেবে বিবেচিত হয়ে আসছে। রুবিও আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে উল্লেখ করেন যে, উভয় দেশই এই বাস্তবতাকে স্বীকার করে যে, ওই অঞ্চলে যেকোনো ধরনের অস্থিরতা কারও জন্যই ইতিবাচক ফল বয়ে আনবে না। শান্তি ও স্থিতিশীলতা রক্ষাই এখন মার্কিন প্রশাসনের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য।

আগামী ১৪ ও ১৫ মে দুই দিনের রাষ্ট্রীয় সফরে বেইজিং যাচ্ছেন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প। এমন এক সময়ে এই সফরটি অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে যখন তাইওয়ান নিয়ে বেইজিং ও ওয়াশিংটনের মধ্যে কূটনৈতিক ও সামরিক উত্তেজনা চরমে পৌঁছেছে। চীন শুরু থেকেই গণতান্ত্রিকভাবে শাসিত এই দ্বীপটিকে নিজেদের অবিচ্ছেদ্য ভূখণ্ড হিসেবে দাবি করে আসছে এবং সাম্প্রতিক সময়ে ওই অঞ্চলে সামরিক কার্যক্রম ও চাপ উল্লেখযোগ্যভাবে বৃদ্ধি করেছে। অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্র ঐতিহাসিকভাবেই তাইওয়ানের সবচেয়ে বড় আন্তর্জাতিক সমর্থক এবং প্রধান অস্ত্র সরবরাহকারী দেশ হিসেবে ভূমিকা পালন করে আসছে, যা নিয়ে বেইজিংয়ের সঙ্গে ওয়াশিংটনের দীর্ঘদিনের ভূ-রাজনৈতিক টানাপোড়েন বিদ্যমান। এই প্রেক্ষাপটে ট্রাম্প ও শি জিনপিং-এর আসন্ন বৈঠকটি আন্তর্জাতিক মহলে বিশেষ কৌতূহল ও গুরুত্বের দাবি রাখছে।



দিকপাল

প্রধান সম্পাদক: কাদির নোমান
সম্পাদক: আল জাবিরী
প্রকাশক: মু. আবদুর রহমান
কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত দিকপাল