দিকপাল

মার্কিন বাণিজ্য চুক্তির প্রভাবে ৪ মাসে আমদানি দ্বিগুণ



মার্কিন বাণিজ্য চুক্তির প্রভাবে ৪ মাসে আমদানি দ্বিগুণ

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে স্বাক্ষরিত পারস্পরিক বাণিজ্য চুক্তির (এআরটি) প্রভাব এখন স্পষ্টভাবে দেখা যাচ্ছে বাংলাদেশের আমদানি বাণিজ্যে। চলতি বছরের প্রথম চার মাসেই যুক্তরাষ্ট্র থেকে বাংলাদেশের আমদানি আগের বছরের তুলনায় দ্বিগুণেরও বেশি বেড়েছে। মূলত দুই দেশের বাণিজ্য ঘাটতি কমিয়ে আনা এবং মার্কিন বাজারে বাংলাদেশের পণ্যের প্রবেশাধিকার ধরে রাখার কৌশলগত অংশ হিসেবেই আমদানি বাড়ানো হয়েছে বলে মনে করছেন অর্থনীতিবিদরা।

জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে এপ্রিল পর্যন্ত বাংলাদেশ যুক্তরাষ্ট্র থেকে প্রায় ১৯ হাজার ১০৪ কোটি টাকার পণ্য আমদানি করেছে। অথচ গত বছরের একই সময়ে এই আমদানির পরিমাণ ছিল মাত্র ৯ হাজার ৫৩৫ কোটি টাকা। অর্থাৎ এক বছরের ব্যবধানে আমদানি বেড়েছে প্রায় ১০১ শতাংশ।

অন্যদিকে একই সময়ে যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের রপ্তানি খুব বেশি বাড়েনি। মাত্র ৩ দশমিক ৩২ শতাংশ প্রবৃদ্ধি নিয়ে রপ্তানির পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৩৫ হাজার ৪৬২ কোটি টাকায়। ফলে বাণিজ্য ভারসাম্যে বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত দেখা যাচ্ছে।

বাজার সংশ্লিষ্টদের মতে, এই পরিবর্তনের পেছনে বড় ভূমিকা রেখেছে যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য প্রতিনিধির কার্যালয় (ইউএসটিআর) এবং বাংলাদেশের মধ্যকার ‘অ্যাগ্রিমেন্ট অন রেসিপ্রোকাল ট্রেড’ বা এআরটি চুক্তি। ২০২৫ সালের মাঝামাঝি সময়ে এ নিয়ে আলোচনা শুরু হয় এবং জাতীয় নির্বাচনের মাত্র তিন দিন আগে গত ৯ ফেব্রুয়ারি চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয়। শুরু থেকেই এই চুক্তি নিয়ে অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক অঙ্গনে নানা আলোচনা-সমালোচনা রয়েছে।

এনবিআরের তথ্য বলছে, যুক্তরাষ্ট্র থেকে বাড়তি আমদানির বড় অংশ এসেছে সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোর মাধ্যমে। মোট আমদানির প্রায় ৩৮ শতাংশ করেছে পেট্রোবাংলা, খাদ্য অধিদপ্তর ও বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস। সবচেয়ে বেশি আমদানি হয়েছে এলএনজি, এলপিজি, গম, তুলা, সয়াবিন ও উড়োজাহাজের যন্ত্রাংশের মতো পণ্যে।

বিশেষ করে জ্বালানি খাতে আমদানির পরিমাণ ব্যাপকভাবে বেড়েছে। শুধু এলএনজি আমদানিতেই ব্যয় হয়েছে প্রায় ৪ হাজার ৯১৩ কোটি টাকা, যা সম্পূর্ণ আমদানি করেছে পেট্রোবাংলা। এছাড়া এলপিজি আমদানি হয়েছে ৩ হাজার ১০৫ কোটি টাকার। গত বছরের একই সময়ে যুক্তরাষ্ট্র থেকে বাংলাদেশ কোনো এলএনজি বা এলপিজি আমদানি করেনি।

গম আমদানিতেও বড় পরিবর্তন এসেছে। চলতি বছরের প্রথম চার মাসে যুক্তরাষ্ট্র থেকে ১ হাজার ৭৯৭ কোটি টাকার গম আমদানি করা হয়েছে, যেখানে আগের বছর একই সময়ে আমদানির পরিমাণ ছিল শূন্য। খাদ্য অধিদপ্তর একাই প্রায় ১ হাজার ৬৭০ কোটি টাকার গম আমদানি করেছে।

তৈরি পোশাক শিল্পের অন্যতম প্রধান কাঁচামাল মার্কিন তুলার আমদানিও বেড়েছে উল্লেখযোগ্য হারে। তথ্য অনুযায়ী, তুলা আমদানি বেড়ে দাঁড়িয়েছে প্রায় ১ হাজার ৮০ কোটি টাকায়, যা আগের বছরের তুলনায় ৪৪ শতাংশ বেশি।

এছাড়া উড়োজাহাজ খাতেও বড় অঙ্কের আমদানি হয়েছে। সম্প্রতি বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস বোয়িং থেকে ১৪টি উড়োজাহাজ কেনার জন্য প্রায় ৩ দশমিক ৭ বিলিয়ন ডলারের একটি বড় চুক্তি করেছে। এর প্রভাবও আমদানি পরিসংখ্যানে পড়তে শুরু করেছে। উড়োজাহাজের ইঞ্জিন আমদানি বেড়ে ১৩৭ কোটি টাকা থেকে ১ হাজার ৮৫২ কোটি টাকায় পৌঁছেছে।

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক অর্থনীতি অধ্যাপক মইনুল ইসলাম মনে করেন, নির্বাচনের ঠিক আগে এমন একটি চুক্তি স্বাক্ষর হওয়া নিয়ে উদ্বেগ থাকা স্বাভাবিক। তিনি বলেন, চুক্তির ফলে বাংলাদেশের তুলনায় যুক্তরাষ্ট্রই বেশি সুবিধা পাচ্ছে বলে মনে হচ্ছে। কারণ, বাংলাদেশকে অনেক মার্কিন পণ্যের ওপর শুল্ক কমাতে হয়েছে এবং কিছু ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট পরিমাণ পণ্য আমদানির প্রতিশ্রুতিও দিতে হয়েছে।

চুক্তি অনুযায়ী, বাংলাদেশ ৪ হাজার ৫০০ মার্কিন পণ্যের ওপর থেকে শুল্ক তুলে নিতে রাজি হয়েছে এবং আরও ২ হাজার ২১০টি পণ্যের শুল্ক ধাপে ধাপে কমানো হবে। এর বিপরীতে যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের ১ হাজার ৬৩৮টি পণ্যের ওপর আরোপিত প্রতিশোধমূলক শুল্ক প্রত্যাহার করেছে। তবে মার্কিন বাজারে এখনও গড়ে ১৬ থেকে ১৭ শতাংশ এমএফএন শুল্ক বহাল রয়েছে।

এর মধ্যেই চুক্তির ভবিষ্যৎ নিয়ে নতুন অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। গত ৭ মে নিউইয়র্কের একটি ফেডারেল আদালত প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের পারস্পরিক শুল্ক নীতির বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন তোলে। আদালতের পর্যবেক্ষণে বলা হয়, বড় ধরনের বাণিজ্য ঘাটতি না থাকলে এমন শুল্কনীতি প্রয়োগ করা যায় না। এর ফলে চুক্তিটির কার্যকারিতা নিয়েও নতুন আলোচনা শুরু হয়েছে।

পলিসি এক্সচেঞ্জ বাংলাদেশের চেয়ারম্যান ও সিইও এম মাসরুর রিয়াজ বলেন, যুক্তরাষ্ট্র এখন শুল্কনীতিকে কৌশলগত অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করছে। বড় রপ্তানিকারক দেশ হিসেবে বাংলাদেশকে তাদের শর্ত মেনে নিতে হচ্ছে। ফলে সরকারি ও বেসরকারি উভয় খাতেই যুক্তরাষ্ট্র থেকে আমদানি বেড়েছে।

বিশ্লেষকদের মতে, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্যিক সম্পর্ক ধরে রাখতে বাংলাদেশ এখন কৌশলগতভাবে আমদানির পরিমাণ বাড়াচ্ছে। তবে দীর্ঘমেয়াদে এই চুক্তি দেশের অর্থনীতির জন্য কতটা লাভজনক হবে, তা নির্ভর করবে রপ্তানি প্রবৃদ্ধি ও বাণিজ্য ভারসাম্যের ওপর।

আপনার মতামত লিখুন

দিকপাল

রোববার, ১০ মে ২০২৬


মার্কিন বাণিজ্য চুক্তির প্রভাবে ৪ মাসে আমদানি দ্বিগুণ

প্রকাশের তারিখ : ১০ মে ২০২৬

featured Image

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে স্বাক্ষরিত পারস্পরিক বাণিজ্য চুক্তির (এআরটি) প্রভাব এখন স্পষ্টভাবে দেখা যাচ্ছে বাংলাদেশের আমদানি বাণিজ্যে। চলতি বছরের প্রথম চার মাসেই যুক্তরাষ্ট্র থেকে বাংলাদেশের আমদানি আগের বছরের তুলনায় দ্বিগুণেরও বেশি বেড়েছে। মূলত দুই দেশের বাণিজ্য ঘাটতি কমিয়ে আনা এবং মার্কিন বাজারে বাংলাদেশের পণ্যের প্রবেশাধিকার ধরে রাখার কৌশলগত অংশ হিসেবেই আমদানি বাড়ানো হয়েছে বলে মনে করছেন অর্থনীতিবিদরা।

জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) সর্বশেষ তথ্য অনুযায়ী, চলতি বছরের জানুয়ারি থেকে এপ্রিল পর্যন্ত বাংলাদেশ যুক্তরাষ্ট্র থেকে প্রায় ১৯ হাজার ১০৪ কোটি টাকার পণ্য আমদানি করেছে। অথচ গত বছরের একই সময়ে এই আমদানির পরিমাণ ছিল মাত্র ৯ হাজার ৫৩৫ কোটি টাকা। অর্থাৎ এক বছরের ব্যবধানে আমদানি বেড়েছে প্রায় ১০১ শতাংশ।

অন্যদিকে একই সময়ে যুক্তরাষ্ট্রে বাংলাদেশের রপ্তানি খুব বেশি বাড়েনি। মাত্র ৩ দশমিক ৩২ শতাংশ প্রবৃদ্ধি নিয়ে রপ্তানির পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৩৫ হাজার ৪৬২ কোটি টাকায়। ফলে বাণিজ্য ভারসাম্যে বড় পরিবর্তনের ইঙ্গিত দেখা যাচ্ছে।

বাজার সংশ্লিষ্টদের মতে, এই পরিবর্তনের পেছনে বড় ভূমিকা রেখেছে যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য প্রতিনিধির কার্যালয় (ইউএসটিআর) এবং বাংলাদেশের মধ্যকার ‘অ্যাগ্রিমেন্ট অন রেসিপ্রোকাল ট্রেড’ বা এআরটি চুক্তি। ২০২৫ সালের মাঝামাঝি সময়ে এ নিয়ে আলোচনা শুরু হয় এবং জাতীয় নির্বাচনের মাত্র তিন দিন আগে গত ৯ ফেব্রুয়ারি চুক্তিটি স্বাক্ষরিত হয়। শুরু থেকেই এই চুক্তি নিয়ে অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক অঙ্গনে নানা আলোচনা-সমালোচনা রয়েছে।

এনবিআরের তথ্য বলছে, যুক্তরাষ্ট্র থেকে বাড়তি আমদানির বড় অংশ এসেছে সরকারি প্রতিষ্ঠানগুলোর মাধ্যমে। মোট আমদানির প্রায় ৩৮ শতাংশ করেছে পেট্রোবাংলা, খাদ্য অধিদপ্তর ও বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস। সবচেয়ে বেশি আমদানি হয়েছে এলএনজি, এলপিজি, গম, তুলা, সয়াবিন ও উড়োজাহাজের যন্ত্রাংশের মতো পণ্যে।

বিশেষ করে জ্বালানি খাতে আমদানির পরিমাণ ব্যাপকভাবে বেড়েছে। শুধু এলএনজি আমদানিতেই ব্যয় হয়েছে প্রায় ৪ হাজার ৯১৩ কোটি টাকা, যা সম্পূর্ণ আমদানি করেছে পেট্রোবাংলা। এছাড়া এলপিজি আমদানি হয়েছে ৩ হাজার ১০৫ কোটি টাকার। গত বছরের একই সময়ে যুক্তরাষ্ট্র থেকে বাংলাদেশ কোনো এলএনজি বা এলপিজি আমদানি করেনি।

গম আমদানিতেও বড় পরিবর্তন এসেছে। চলতি বছরের প্রথম চার মাসে যুক্তরাষ্ট্র থেকে ১ হাজার ৭৯৭ কোটি টাকার গম আমদানি করা হয়েছে, যেখানে আগের বছর একই সময়ে আমদানির পরিমাণ ছিল শূন্য। খাদ্য অধিদপ্তর একাই প্রায় ১ হাজার ৬৭০ কোটি টাকার গম আমদানি করেছে।

তৈরি পোশাক শিল্পের অন্যতম প্রধান কাঁচামাল মার্কিন তুলার আমদানিও বেড়েছে উল্লেখযোগ্য হারে। তথ্য অনুযায়ী, তুলা আমদানি বেড়ে দাঁড়িয়েছে প্রায় ১ হাজার ৮০ কোটি টাকায়, যা আগের বছরের তুলনায় ৪৪ শতাংশ বেশি।

এছাড়া উড়োজাহাজ খাতেও বড় অঙ্কের আমদানি হয়েছে। সম্প্রতি বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইনস বোয়িং থেকে ১৪টি উড়োজাহাজ কেনার জন্য প্রায় ৩ দশমিক ৭ বিলিয়ন ডলারের একটি বড় চুক্তি করেছে। এর প্রভাবও আমদানি পরিসংখ্যানে পড়তে শুরু করেছে। উড়োজাহাজের ইঞ্জিন আমদানি বেড়ে ১৩৭ কোটি টাকা থেকে ১ হাজার ৮৫২ কোটি টাকায় পৌঁছেছে।

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক অর্থনীতি অধ্যাপক মইনুল ইসলাম মনে করেন, নির্বাচনের ঠিক আগে এমন একটি চুক্তি স্বাক্ষর হওয়া নিয়ে উদ্বেগ থাকা স্বাভাবিক। তিনি বলেন, চুক্তির ফলে বাংলাদেশের তুলনায় যুক্তরাষ্ট্রই বেশি সুবিধা পাচ্ছে বলে মনে হচ্ছে। কারণ, বাংলাদেশকে অনেক মার্কিন পণ্যের ওপর শুল্ক কমাতে হয়েছে এবং কিছু ক্ষেত্রে নির্দিষ্ট পরিমাণ পণ্য আমদানির প্রতিশ্রুতিও দিতে হয়েছে।

চুক্তি অনুযায়ী, বাংলাদেশ ৪ হাজার ৫০০ মার্কিন পণ্যের ওপর থেকে শুল্ক তুলে নিতে রাজি হয়েছে এবং আরও ২ হাজার ২১০টি পণ্যের শুল্ক ধাপে ধাপে কমানো হবে। এর বিপরীতে যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের ১ হাজার ৬৩৮টি পণ্যের ওপর আরোপিত প্রতিশোধমূলক শুল্ক প্রত্যাহার করেছে। তবে মার্কিন বাজারে এখনও গড়ে ১৬ থেকে ১৭ শতাংশ এমএফএন শুল্ক বহাল রয়েছে।

এর মধ্যেই চুক্তির ভবিষ্যৎ নিয়ে নতুন অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে। গত ৭ মে নিউইয়র্কের একটি ফেডারেল আদালত প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের পারস্পরিক শুল্ক নীতির বৈধতা নিয়ে প্রশ্ন তোলে। আদালতের পর্যবেক্ষণে বলা হয়, বড় ধরনের বাণিজ্য ঘাটতি না থাকলে এমন শুল্কনীতি প্রয়োগ করা যায় না। এর ফলে চুক্তিটির কার্যকারিতা নিয়েও নতুন আলোচনা শুরু হয়েছে।

পলিসি এক্সচেঞ্জ বাংলাদেশের চেয়ারম্যান ও সিইও এম মাসরুর রিয়াজ বলেন, যুক্তরাষ্ট্র এখন শুল্কনীতিকে কৌশলগত অস্ত্র হিসেবে ব্যবহার করছে। বড় রপ্তানিকারক দেশ হিসেবে বাংলাদেশকে তাদের শর্ত মেনে নিতে হচ্ছে। ফলে সরকারি ও বেসরকারি উভয় খাতেই যুক্তরাষ্ট্র থেকে আমদানি বেড়েছে।

বিশ্লেষকদের মতে, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাণিজ্যিক সম্পর্ক ধরে রাখতে বাংলাদেশ এখন কৌশলগতভাবে আমদানির পরিমাণ বাড়াচ্ছে। তবে দীর্ঘমেয়াদে এই চুক্তি দেশের অর্থনীতির জন্য কতটা লাভজনক হবে, তা নির্ভর করবে রপ্তানি প্রবৃদ্ধি ও বাণিজ্য ভারসাম্যের ওপর।




দিকপাল

প্রধান সম্পাদক: কাদির নোমান
সম্পাদক: আল জাবিরী
প্রকাশক: মু. আবদুর রহমান
কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত দিকপাল