গতকাল রাজধানীর এক বিয়ের অনুষ্ঠানে হঠাৎ উপস্থিত হয়ে নববধূসহ অতিথিদের চমকে দেওয়ার পর আজ নবদম্পতির জন্য উপহার পাঠিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। প্রধানমন্ত্রীর পক্ষে নবদম্পতির গুলশানের বাসায় উপহার পৌঁছে দেন অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন। এ সময় তাদেরকে তিনি প্রধানমন্ত্রীর শুভেচ্ছাও পৌঁছে দেন।
বিবাহতে সরাসরি প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতি এবং প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে এমন আন্তরিকতা পেয়ে নবদম্পতি ও তাদের পরিবারের সদস্যরা বেশ মুগ্ধ হন। তারা প্রধানমন্ত্রীর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
গতকাল শনিবার রাজধানীর কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশনে বিএনপির দিনব্যাপী সভা ছিলো। সভার একপর্যায়ে যখন প্রধানমন্ত্রী জানতে পারেন সভাস্থলেই এক দম্পত্তির বিয়ের অনুষ্ঠান আছে এবং কনে সহ অতিথিরা নীচে দাড়িয়ে আছেন তখনই প্রধানমন্ত্রী দ্রুত অনুষ্ঠান শেষ করে দেন এবং যাওয়ার সময় কনে ও তার পরিবারের সাথে আকস্মিক দেখা করে নববধূ ও তার পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন। রানিং প্রধানমন্ত্রীর এমন আকস্মিক আগমনে অনুষ্ঠানে উপস্থিত অতিথিদের মধ্যে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। প্রধানমন্ত্রী যখন বিয়ের অনুষ্ঠানে পৌঁছান, তখনও বর অনুষ্ঠানস্থলে এসে না পৌঁছানোর কারণে বরের সাথে দেখা হয়নি।
প্রধানমন্ত্রী থেকে আজ উপহার পেয়ে নবদম্পতির পরিবার উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে। রাষ্ট্রীয় দায়িত্ব ও ব্যস্ত কর্মসূচির মাঝেও সামাজিক অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর এমন উপস্থিতি সাধারণ মানুষের মধ্যে ইতিবাচক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। নবদম্পতি এটিকে মানুষের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর সম্পৃক্ত থাকার এক ব্যতিক্রমী দৃষ্টান্ত হিসেবে দেখছে।

রোববার, ১০ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১০ মে ২০২৬
গতকাল রাজধানীর এক বিয়ের অনুষ্ঠানে হঠাৎ উপস্থিত হয়ে নববধূসহ অতিথিদের চমকে দেওয়ার পর আজ নবদম্পতির জন্য উপহার পাঠিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। প্রধানমন্ত্রীর পক্ষে নবদম্পতির গুলশানের বাসায় উপহার পৌঁছে দেন অতিরিক্ত প্রেস সচিব আতিকুর রহমান রুমন। এ সময় তাদেরকে তিনি প্রধানমন্ত্রীর শুভেচ্ছাও পৌঁছে দেন।
বিবাহতে সরাসরি প্রধানমন্ত্রীর উপস্থিতি এবং প্রধানমন্ত্রীর পক্ষ থেকে এমন আন্তরিকতা পেয়ে নবদম্পতি ও তাদের পরিবারের সদস্যরা বেশ মুগ্ধ হন। তারা প্রধানমন্ত্রীর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
গতকাল শনিবার রাজধানীর কৃষিবিদ ইনস্টিটিউশনে বিএনপির দিনব্যাপী সভা ছিলো। সভার একপর্যায়ে যখন প্রধানমন্ত্রী জানতে পারেন সভাস্থলেই এক দম্পত্তির বিয়ের অনুষ্ঠান আছে এবং কনে সহ অতিথিরা নীচে দাড়িয়ে আছেন তখনই প্রধানমন্ত্রী দ্রুত অনুষ্ঠান শেষ করে দেন এবং যাওয়ার সময় কনে ও তার পরিবারের সাথে আকস্মিক দেখা করে নববধূ ও তার পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কুশল বিনিময় করেন। রানিং প্রধানমন্ত্রীর এমন আকস্মিক আগমনে অনুষ্ঠানে উপস্থিত অতিথিদের মধ্যে ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। প্রধানমন্ত্রী যখন বিয়ের অনুষ্ঠানে পৌঁছান, তখনও বর অনুষ্ঠানস্থলে এসে না পৌঁছানোর কারণে বরের সাথে দেখা হয়নি।
প্রধানমন্ত্রী থেকে আজ উপহার পেয়ে নবদম্পতির পরিবার উচ্ছ্বাস প্রকাশ করে। রাষ্ট্রীয় দায়িত্ব ও ব্যস্ত কর্মসূচির মাঝেও সামাজিক অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রীর এমন উপস্থিতি সাধারণ মানুষের মধ্যে ইতিবাচক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। নবদম্পতি এটিকে মানুষের সঙ্গে প্রধানমন্ত্রীর সম্পৃক্ত থাকার এক ব্যতিক্রমী দৃষ্টান্ত হিসেবে দেখছে।

আপনার মতামত লিখুন