বেলুচিস্তানের বারখান জেলায় সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে পরিচালিত এক ভয়াবহ অভিযানে প্রাণ হারিয়েছেন পাকিস্তান সেনাবাহিনীর পাঁচ সদস্য। রক্তক্ষয়ী এই সংঘর্ষে নিরাপত্তা বাহিনীর পাল্টা হামলায় সশস্ত্র গোষ্ঠীটির অন্তত সাতজন সদস্য নিহত হয়েছে বলে নিশ্চিত হওয়া গেছে। বুধবার ভোরের আলো ফোটার পরপরই বারখান জেলার নোশাম এলাকায় পাকিস্তান সেনাবাহিনী ও আধা-সামরিক বাহিনী ফ্রন্টিয়ার কর্পস এই যৌথ অভিযান পরিচালনা করে। অত্যন্ত গোপনীয়তা ও সতর্কতার সাথে শুরু হওয়া এই অভিযানে দুপক্ষের মধ্যে দীর্ঘ সময় ধরে প্রচণ্ড গোলাগুলি চলে।
সামরিক বাহিনী ও সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, এই অভিযানের মূল লক্ষ্য ছিল নির্দিষ্ট একটি সশস্ত্র গোষ্ঠীর আস্তানা গুঁড়িয়ে দেওয়া। পাকিস্তানি কর্মকর্তাদের দাবি অনুযায়ী, ভারত-সমর্থিত 'ফিতনা আল হিন্দুস্তান' নামক একটি সংগঠনের সন্ত্রাসীরা ওই এলাকায় বড় ধরনের নাশকতার পরিকল্পনা করছিল। গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে নিরাপত্তা বাহিনী যখন সন্ত্রাসীদের আস্তানাটি ঘিরে ফেলে, তখন পালানোর পথ না পেয়ে তারা স্বয়ংক্রিয় অস্ত্র দিয়ে এলোপাতাড়ি গুলি ছুড়তে শুরু করে। সেনাদের ওপর অতর্কিত এই হামলার জবাবে পাল্টা আক্রমণ চালায় যৌথ বাহিনীও। রণক্ষেত্রে পরিণত হওয়া এই এলাকায় দীর্ঘ সময় ধরে চলা সংঘর্ষের এক পর্যায়ে সাত সন্ত্রাসী নিহত হয় এবং তাদের আস্তানাটি পুরোপুরি ধ্বংস করে দেওয়া হয়।
অভিযান শেষে ঘটনাস্থল থেকে বিপুল পরিমাণ অত্যাধুনিক অস্ত্রশস্ত্র, গোলাবারুদ এবং বিস্ফোরক দ্রব্য উদ্ধার করেছে সেনাবাহিনী। তবে সন্ত্রাসীদের নির্মূল করতে গিয়ে দেশটিকে চড়া মূল্য দিতে হয়েছে। কর্তব্যরত অবস্থায় সাহসিকতার সাথে লড়াই করতে গিয়ে পাকিস্তান সেনাবাহিনীর পাঁচজন জওয়ান প্রাণ হারিয়েছেন। এই ঘটনার পর পুরো বারখান জেলা এবং পার্শ্ববর্তী এলাকাগুলোতে কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। বর্তমানে ওই অঞ্চলে কোনো সন্ত্রাসীর অবশিষ্টাংশ আছে কি না, তা নিশ্চিতে চিরুনি তল্লাশি চালানো হচ্ছে। পাকিস্তান সেনাবাহিনী এই ঘটনাকে তাদের সার্বভৌমত্ব রক্ষার লড়াই হিসেবে উল্লেখ করে সন্ত্রাসবাদ নির্মূলে কঠোর অবস্থানের কথা পুনর্ব্যক্ত করেছে।

বৃহস্পতিবার, ১৪ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৪ মে ২০২৬
বেলুচিস্তানের বারখান জেলায় সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে পরিচালিত এক ভয়াবহ অভিযানে প্রাণ হারিয়েছেন পাকিস্তান সেনাবাহিনীর পাঁচ সদস্য। রক্তক্ষয়ী এই সংঘর্ষে নিরাপত্তা বাহিনীর পাল্টা হামলায় সশস্ত্র গোষ্ঠীটির অন্তত সাতজন সদস্য নিহত হয়েছে বলে নিশ্চিত হওয়া গেছে। বুধবার ভোরের আলো ফোটার পরপরই বারখান জেলার নোশাম এলাকায় পাকিস্তান সেনাবাহিনী ও আধা-সামরিক বাহিনী ফ্রন্টিয়ার কর্পস এই যৌথ অভিযান পরিচালনা করে। অত্যন্ত গোপনীয়তা ও সতর্কতার সাথে শুরু হওয়া এই অভিযানে দুপক্ষের মধ্যে দীর্ঘ সময় ধরে প্রচণ্ড গোলাগুলি চলে।
সামরিক বাহিনী ও সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, এই অভিযানের মূল লক্ষ্য ছিল নির্দিষ্ট একটি সশস্ত্র গোষ্ঠীর আস্তানা গুঁড়িয়ে দেওয়া। পাকিস্তানি কর্মকর্তাদের দাবি অনুযায়ী, ভারত-সমর্থিত 'ফিতনা আল হিন্দুস্তান' নামক একটি সংগঠনের সন্ত্রাসীরা ওই এলাকায় বড় ধরনের নাশকতার পরিকল্পনা করছিল। গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে নিরাপত্তা বাহিনী যখন সন্ত্রাসীদের আস্তানাটি ঘিরে ফেলে, তখন পালানোর পথ না পেয়ে তারা স্বয়ংক্রিয় অস্ত্র দিয়ে এলোপাতাড়ি গুলি ছুড়তে শুরু করে। সেনাদের ওপর অতর্কিত এই হামলার জবাবে পাল্টা আক্রমণ চালায় যৌথ বাহিনীও। রণক্ষেত্রে পরিণত হওয়া এই এলাকায় দীর্ঘ সময় ধরে চলা সংঘর্ষের এক পর্যায়ে সাত সন্ত্রাসী নিহত হয় এবং তাদের আস্তানাটি পুরোপুরি ধ্বংস করে দেওয়া হয়।
অভিযান শেষে ঘটনাস্থল থেকে বিপুল পরিমাণ অত্যাধুনিক অস্ত্রশস্ত্র, গোলাবারুদ এবং বিস্ফোরক দ্রব্য উদ্ধার করেছে সেনাবাহিনী। তবে সন্ত্রাসীদের নির্মূল করতে গিয়ে দেশটিকে চড়া মূল্য দিতে হয়েছে। কর্তব্যরত অবস্থায় সাহসিকতার সাথে লড়াই করতে গিয়ে পাকিস্তান সেনাবাহিনীর পাঁচজন জওয়ান প্রাণ হারিয়েছেন। এই ঘটনার পর পুরো বারখান জেলা এবং পার্শ্ববর্তী এলাকাগুলোতে কড়া নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। বর্তমানে ওই অঞ্চলে কোনো সন্ত্রাসীর অবশিষ্টাংশ আছে কি না, তা নিশ্চিতে চিরুনি তল্লাশি চালানো হচ্ছে। পাকিস্তান সেনাবাহিনী এই ঘটনাকে তাদের সার্বভৌমত্ব রক্ষার লড়াই হিসেবে উল্লেখ করে সন্ত্রাসবাদ নির্মূলে কঠোর অবস্থানের কথা পুনর্ব্যক্ত করেছে।

আপনার মতামত লিখুন