চলতি ২০২৬ সালেও ইসরায়েলি সেনাবাহিনীকে একাধিক ফ্রন্টে তীব্র লড়াই চালিয়ে যেতে হবে বলে কড়া সতর্কবার্তা দিয়েছেন দেশটির সেনাপ্রধান ইয়াল জামির। ইরান এবং লেবাননের সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহর সঙ্গে ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে তিনি এই ঘোষণা দেন। সোমবার এক বিবৃতিতে সেনাপ্রধান স্পষ্ট করেন যে, ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর হামাসের হামলার পর শুরু হওয়া বহুমুখী সামরিক অভিযান এখনই থামছে না। তার পূর্বাভাস অনুযায়ী, বর্তমান বছরটিও সম্ভবত যুদ্ধের বছর হিসেবেই অতিবাহিত হবে। আল আরাবিয়ার এক প্রতিবেদনে এই সামরিক বার্তার বিষয়টি উঠে এসেছে।
সেনাপ্রধান ইয়াল জামির পরিস্থিতির গুরুত্ব তুলে ধরে বলেন, গত দুই বছরেরও বেশি সময় ধরে ইসরায়েলি বাহিনী এক জটিল ও বহুমুখী যুদ্ধের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। সামনের দিনগুলোতে সামরিক চাহিদা আরও বৃদ্ধি পাবে উল্লেখ করে তিনি জরুরি ভিত্তিতে অতিরিক্ত সেনা নিয়োগের প্রয়োজনীয়তার ওপর বিশেষ জোর দিয়েছেন। তার মতে, আগামী বছরগুলোতে ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনীর (আইডিএফ) ওপর যে বিশাল বাড়তি দায়িত্ব অর্পিত হতে যাচ্ছে, তা সফলভাবে সামাল দিতে হলে যোদ্ধার সংখ্যা বাড়ানো ছাড়া অন্য কোনো বিকল্প নেই।
এই ঘোষণার মাধ্যমে মূলত দীর্ঘমেয়াদী সংঘাতের জন্য দেশটিকে মানসিকভাবে প্রস্তুত থাকার ইঙ্গিত দিয়েছেন সেনাপ্রধান। বিশ্লেষকরা মনে করছেন, আইডিএফ-এর এই অবস্থান মধ্যপ্রাচ্যের সামগ্রিক অস্থিতিশীলতাকে আরও উসকে দিতে পারে, যা সাধারণ মানুষের মধ্যে উৎকণ্ঠা বাড়িয়ে দিয়েছে। সামরিক সক্ষমতা বৃদ্ধির এই তোড়জোড় ইঙ্গিত দিচ্ছে যে, অদূর ভবিষ্যতে এই অঞ্চলে শান্তি ফেরার সম্ভাবনা ক্ষীণ।
সূত্র: আল আরাবিয়া।

মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৮ এপ্রিল ২০২৬
চলতি ২০২৬ সালেও ইসরায়েলি সেনাবাহিনীকে একাধিক ফ্রন্টে তীব্র লড়াই চালিয়ে যেতে হবে বলে কড়া সতর্কবার্তা দিয়েছেন দেশটির সেনাপ্রধান ইয়াল জামির। ইরান এবং লেবাননের সশস্ত্র গোষ্ঠী হিজবুল্লাহর সঙ্গে ক্রমবর্ধমান উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে তিনি এই ঘোষণা দেন। সোমবার এক বিবৃতিতে সেনাপ্রধান স্পষ্ট করেন যে, ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর হামাসের হামলার পর শুরু হওয়া বহুমুখী সামরিক অভিযান এখনই থামছে না। তার পূর্বাভাস অনুযায়ী, বর্তমান বছরটিও সম্ভবত যুদ্ধের বছর হিসেবেই অতিবাহিত হবে। আল আরাবিয়ার এক প্রতিবেদনে এই সামরিক বার্তার বিষয়টি উঠে এসেছে।
সেনাপ্রধান ইয়াল জামির পরিস্থিতির গুরুত্ব তুলে ধরে বলেন, গত দুই বছরেরও বেশি সময় ধরে ইসরায়েলি বাহিনী এক জটিল ও বহুমুখী যুদ্ধের মধ্য দিয়ে যাচ্ছে। সামনের দিনগুলোতে সামরিক চাহিদা আরও বৃদ্ধি পাবে উল্লেখ করে তিনি জরুরি ভিত্তিতে অতিরিক্ত সেনা নিয়োগের প্রয়োজনীয়তার ওপর বিশেষ জোর দিয়েছেন। তার মতে, আগামী বছরগুলোতে ইসরায়েলি প্রতিরক্ষা বাহিনীর (আইডিএফ) ওপর যে বিশাল বাড়তি দায়িত্ব অর্পিত হতে যাচ্ছে, তা সফলভাবে সামাল দিতে হলে যোদ্ধার সংখ্যা বাড়ানো ছাড়া অন্য কোনো বিকল্প নেই।
এই ঘোষণার মাধ্যমে মূলত দীর্ঘমেয়াদী সংঘাতের জন্য দেশটিকে মানসিকভাবে প্রস্তুত থাকার ইঙ্গিত দিয়েছেন সেনাপ্রধান। বিশ্লেষকরা মনে করছেন, আইডিএফ-এর এই অবস্থান মধ্যপ্রাচ্যের সামগ্রিক অস্থিতিশীলতাকে আরও উসকে দিতে পারে, যা সাধারণ মানুষের মধ্যে উৎকণ্ঠা বাড়িয়ে দিয়েছে। সামরিক সক্ষমতা বৃদ্ধির এই তোড়জোড় ইঙ্গিত দিচ্ছে যে, অদূর ভবিষ্যতে এই অঞ্চলে শান্তি ফেরার সম্ভাবনা ক্ষীণ।
সূত্র: আল আরাবিয়া।

আপনার মতামত লিখুন