যুক্তরাষ্ট্র সফররত ব্রিটিশ রাজা তৃতীয় চার্লসের সম্মানে আয়োজিত এক বিশেষ নৈশভোজে মধ্যপ্রাচ্যের বর্তমান পরিস্থিতি ও ইরানের পরমাণু কর্মসূচি নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ মন্তব্য করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। হোয়াইট হাউসে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে ট্রাম্প জানান, ইরান যাতে কখনোই পারমাণবিক সক্ষমতা অর্জন করতে না পারে, সে বিষয়ে রাজা চার্লস তাঁর সঙ্গে জোরালোভাবে একমত পোষণ করেছেন। দুই নেতার এই আলোচনা বিশ্ব রাজনীতির প্রেক্ষাপটে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।
প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প তাঁর বক্তব্যে উল্লেখ করেন যে, মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি ও স্থিতিশীলতা ফেরাতে তাঁর প্রশাসন নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে এবং বর্তমানে সেখানকার পরিস্থিতি একটি ইতিবাচক ধারায় অগ্রসর হচ্ছে। ইরানকে অন্যতম প্রধান সামরিক প্রতিপক্ষ হিসেবে সম্বোধন করে তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দেন যে, তাঁর প্রশাসন ইরানকে কোনোভাবেই পরমাণু অস্ত্র হাতে পেতে দেবে না। ডোনাল্ড ট্রাম্পের দাবি অনুযায়ী, এই নির্দিষ্ট ইস্যুতে রাজা চার্লসের অবস্থান তাঁর চেয়েও অনেক বেশি দৃঢ় এবং কঠোর।
সামরিকভাবে ইরানকে পরাজিত করার দাবি জানিয়ে ট্রাম্প আরও বলেন, আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করার লক্ষ্যেই তারা এই কঠোর অবস্থান ধরে রাখতে বদ্ধপরিকর। হোয়াইট হাউসের এই সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে দুই দেশের শীর্ষ নেতার মধ্যে এমন নীতিনির্ধারণী আলোচনা আগামীতে মধ্যপ্রাচ্য ইস্যুতে ওয়াশিংটন ও লন্ডনের অভিন্ন অবস্থানকেই আরও স্পষ্ট করে তুলেছে।
তথ্যের মূল উৎস (Original Source): আল-জাজিরা (Al-Jazeera)।

বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৯ এপ্রিল ২০২৬
যুক্তরাষ্ট্র সফররত ব্রিটিশ রাজা তৃতীয় চার্লসের সম্মানে আয়োজিত এক বিশেষ নৈশভোজে মধ্যপ্রাচ্যের বর্তমান পরিস্থিতি ও ইরানের পরমাণু কর্মসূচি নিয়ে গুরুত্বপূর্ণ মন্তব্য করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। হোয়াইট হাউসে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে ট্রাম্প জানান, ইরান যাতে কখনোই পারমাণবিক সক্ষমতা অর্জন করতে না পারে, সে বিষয়ে রাজা চার্লস তাঁর সঙ্গে জোরালোভাবে একমত পোষণ করেছেন। দুই নেতার এই আলোচনা বিশ্ব রাজনীতির প্রেক্ষাপটে অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ বলে মনে করা হচ্ছে।
প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প তাঁর বক্তব্যে উল্লেখ করেন যে, মধ্যপ্রাচ্যে শান্তি ও স্থিতিশীলতা ফেরাতে তাঁর প্রশাসন নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে এবং বর্তমানে সেখানকার পরিস্থিতি একটি ইতিবাচক ধারায় অগ্রসর হচ্ছে। ইরানকে অন্যতম প্রধান সামরিক প্রতিপক্ষ হিসেবে সম্বোধন করে তিনি স্পষ্ট জানিয়ে দেন যে, তাঁর প্রশাসন ইরানকে কোনোভাবেই পরমাণু অস্ত্র হাতে পেতে দেবে না। ডোনাল্ড ট্রাম্পের দাবি অনুযায়ী, এই নির্দিষ্ট ইস্যুতে রাজা চার্লসের অবস্থান তাঁর চেয়েও অনেক বেশি দৃঢ় এবং কঠোর।
সামরিকভাবে ইরানকে পরাজিত করার দাবি জানিয়ে ট্রাম্প আরও বলেন, আন্তর্জাতিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করার লক্ষ্যেই তারা এই কঠোর অবস্থান ধরে রাখতে বদ্ধপরিকর। হোয়াইট হাউসের এই সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে দুই দেশের শীর্ষ নেতার মধ্যে এমন নীতিনির্ধারণী আলোচনা আগামীতে মধ্যপ্রাচ্য ইস্যুতে ওয়াশিংটন ও লন্ডনের অভিন্ন অবস্থানকেই আরও স্পষ্ট করে তুলেছে।
তথ্যের মূল উৎস (Original Source): আল-জাজিরা (Al-Jazeera)।

আপনার মতামত লিখুন