দিকপাল

জ্বালানি তেল আমদানিতে গতি চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছালো সিঙ্গাপুরের পতাকাবাহী জাহাজ


স্বাধীন আহমেদ
স্বাধীন আহমেদ স্টাফ রিপোর্টার
প্রকাশ : বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬ | ১০:৫৮ এ এম | প্রিন্ট সংস্করণ | ফটো কার্ড

জ্বালানি তেল আমদানিতে গতি চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছালো সিঙ্গাপুরের পতাকাবাহী জাহাজ

মালয়েশিয়া থেকে প্রায় ২৬ হাজার মেট্রিক টন অকটেন নিয়ে চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছেছে হংকংয়ের পতাকাবাহী জাহাজ 'কুইচি'। আজ বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) সকালে জাহাজটি বন্দরের বহির্নোঙরে এসে নোঙ্গর করে। সংশ্লিষ্ট লোকাল এজেন্ট প্রাইড শিপিং লাইন জানিয়েছে, আনুষ্ঠানিকতা শেষে আজ দুপুর থেকেই জাহাজটি থেকে তেল খালাসের কার্যক্রম শুরু করার প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। বর্তমান বাজারে জ্বালানি তেলের চাহিদা মেটাতে এই চালানটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে মনে করা হচ্ছে।

পরিসংখ্যান অনুযায়ী, এপ্রিল মাসেই দেশে আসা এটি অকটেনের তৃতীয় বড় চালান। এর আগে গত ৮ এপ্রিল ২৬ হাজার টন এবং ১৭ এপ্রিল আরও ২৭ হাজার টন অকটেন নিয়ে দুটি জাহাজ বন্দরে এসেছিল। সংশ্লিষ্টদের মতে, দেশে দৈনিক ১২০০ মেট্রিক টন অকটেনের চাহিদা রয়েছে। সেই হিসেবে চলতি এক মাসে আসা মোট ৭৯ হাজার টন অকটেন দিয়ে আগামী দুই মাসেরও বেশি সময় সরবরাহ স্বাভাবিক রাখা সম্ভব হবে। ফলে জ্বালানি সংকটের কোনো আশঙ্কা আপাতত নেই বলেই ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে।

তবে বন্দরের সক্ষমতা ও আবহাওয়া নিয়ে কিছুটা সীমাবদ্ধতার কথা জানিয়েছেন প্রাইড শিপিং লাইনের স্বত্বাধিকারী নজরুল ইসলাম। তিনি জানান, বর্তমানে বহির্নোঙরে অকটেন ও ডিজেল নিয়ে আরও পাঁচটি জাহাজ অপেক্ষমাণ রয়েছে। গতকাল বুধবার তিনটি জাহাজ বার্থিং পেলেও জেটি সংকটের কারণে সব জাহাজকে একসঙ্গে ভেড়ানো সম্ভব হচ্ছে না। তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, বন্দরে ডলফিন জেটি মাত্র তিনটি হওয়ায় জাহাজ ভেড়াতে সিরিয়াল মেইনটেইন করতে হচ্ছে। এছাড়া বৈরী আবহাওয়ার কারণে কার্গো থেকে তেল খালাস করার প্রক্রিয়ায় কিছুটা ধীরগতি ও প্রতিকূলতা তৈরি হচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন

দিকপাল

শনিবার, ০২ মে ২০২৬


জ্বালানি তেল আমদানিতে গতি চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছালো সিঙ্গাপুরের পতাকাবাহী জাহাজ

প্রকাশের তারিখ : ৩০ এপ্রিল ২০২৬

featured Image

মালয়েশিয়া থেকে প্রায় ২৬ হাজার মেট্রিক টন অকটেন নিয়ে চট্টগ্রাম বন্দরে পৌঁছেছে হংকংয়ের পতাকাবাহী জাহাজ 'কুইচি'। আজ বৃহস্পতিবার (৩০ এপ্রিল) সকালে জাহাজটি বন্দরের বহির্নোঙরে এসে নোঙ্গর করে। সংশ্লিষ্ট লোকাল এজেন্ট প্রাইড শিপিং লাইন জানিয়েছে, আনুষ্ঠানিকতা শেষে আজ দুপুর থেকেই জাহাজটি থেকে তেল খালাসের কার্যক্রম শুরু করার প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে। বর্তমান বাজারে জ্বালানি তেলের চাহিদা মেটাতে এই চালানটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে মনে করা হচ্ছে।

পরিসংখ্যান অনুযায়ী, এপ্রিল মাসেই দেশে আসা এটি অকটেনের তৃতীয় বড় চালান। এর আগে গত ৮ এপ্রিল ২৬ হাজার টন এবং ১৭ এপ্রিল আরও ২৭ হাজার টন অকটেন নিয়ে দুটি জাহাজ বন্দরে এসেছিল। সংশ্লিষ্টদের মতে, দেশে দৈনিক ১২০০ মেট্রিক টন অকটেনের চাহিদা রয়েছে। সেই হিসেবে চলতি এক মাসে আসা মোট ৭৯ হাজার টন অকটেন দিয়ে আগামী দুই মাসেরও বেশি সময় সরবরাহ স্বাভাবিক রাখা সম্ভব হবে। ফলে জ্বালানি সংকটের কোনো আশঙ্কা আপাতত নেই বলেই ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে।

তবে বন্দরের সক্ষমতা ও আবহাওয়া নিয়ে কিছুটা সীমাবদ্ধতার কথা জানিয়েছেন প্রাইড শিপিং লাইনের স্বত্বাধিকারী নজরুল ইসলাম। তিনি জানান, বর্তমানে বহির্নোঙরে অকটেন ও ডিজেল নিয়ে আরও পাঁচটি জাহাজ অপেক্ষমাণ রয়েছে। গতকাল বুধবার তিনটি জাহাজ বার্থিং পেলেও জেটি সংকটের কারণে সব জাহাজকে একসঙ্গে ভেড়ানো সম্ভব হচ্ছে না। তিনি আরও উল্লেখ করেন যে, বন্দরে ডলফিন জেটি মাত্র তিনটি হওয়ায় জাহাজ ভেড়াতে সিরিয়াল মেইনটেইন করতে হচ্ছে। এছাড়া বৈরী আবহাওয়ার কারণে কার্গো থেকে তেল খালাস করার প্রক্রিয়ায় কিছুটা ধীরগতি ও প্রতিকূলতা তৈরি হচ্ছে।


দিকপাল

প্রধান সম্পাদক: কাদির নোমান
সম্পাদক: আল জাবিরী
প্রকাশক: মু. আবদুর রহমান
কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত দিকপাল