মধ্যপ্রাচ্যের চলমান উত্তেজনার মধ্যেই ওই অঞ্চলের চার মিত্র দেশের কাছে ৮.৬ বিলিয়ন ডলারের বেশি মূল্যের সামরিক সরঞ্জাম বিক্রির বড় ধরনের একটি অনুমোদন দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। গত শুক্রবার ১ মে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের এক বিবৃতিতে এই সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়। ধারণা করা হচ্ছে বিশাল অংকের এই অস্ত্র প্যাকেজের মধ্যে অত্যাধুনিক যুদ্ধবিমান, শক্তিশালী প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা এবং বিভিন্ন আধুনিক সামরিক সরঞ্জাম অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
ওয়াশিংটনের এই অনুমোদনের আওতায় থাকা দেশগুলোর মধ্যে রয়েছে ইসরায়েল, কাতার, কুয়েত এবং সংযুক্ত আরব আমিরাত। এমন এক সময়ে এই ঘোষণাটি এল যখন ইরানকে কেন্দ্র করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের মধ্যে শুরু হওয়া সরাসরি সংঘাতের বয়স প্রায় নয় সপ্তাহ পার হয়েছে। যদিও মধ্যপ্রাচ্যের এই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে তিন সপ্তাহ আগে একটি ভঙ্গুর যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করা হয়েছিল তবে বাস্তব ক্ষেত্রে এখনো উত্তেজনা পুরোপুরি প্রশমিত হয়নি।
অস্ত্র বিক্রির এই খবরের পাশাপাশি কূটনৈতিক তৎপরতা নিয়েও কথা বলেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। শুক্রবার তিনি জানান যুদ্ধের অবসান ঘটাতে ইরানের সঙ্গে টেলিফোনে নিয়মিত আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছেন তিনি। তবে তেহরানের পক্ষ থেকে সম্প্রতি দেওয়া নতুন একটি প্রস্তাব তিনি সরাসরি প্রত্যাখ্যান করেছেন। ট্রাম্পের মতে আলোচনার ক্ষেত্রে কিছু অগ্রগতি হলেও শেষ পর্যন্ত কোনো টেকসই চুক্তিতে পৌঁছানো সম্ভব হবে কি না তা নিয়ে এখনো যথেষ্ট অনিশ্চয়তা রয়েছে। চূড়ান্ত সমাধানের বিষয়ে তিনি আপাতত কোনো নিশ্চয়তা দিতে পারছেন না।
অস্ত্র বিক্রির এই পদক্ষেপকে প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞরা মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন আধিপত্য ও মিত্রদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার কৌশল হিসেবে দেখছেন। তবে যুদ্ধবিরতি চলাকালীন এমন বিশাল সামরিক সহায়তা ওই অঞ্চলের ক্ষমতার ভারসাম্যে নতুন কোনো প্রভাব ফেলে কি না সেটিই এখন দেখার বিষয়।
তথ্যসূত্র আল জাজিরা

শনিবার, ০২ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০২ মে ২০২৬
মধ্যপ্রাচ্যের চলমান উত্তেজনার মধ্যেই ওই অঞ্চলের চার মিত্র দেশের কাছে ৮.৬ বিলিয়ন ডলারের বেশি মূল্যের সামরিক সরঞ্জাম বিক্রির বড় ধরনের একটি অনুমোদন দিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। গত শুক্রবার ১ মে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের এক বিবৃতিতে এই সিদ্ধান্তের কথা জানানো হয়। ধারণা করা হচ্ছে বিশাল অংকের এই অস্ত্র প্যাকেজের মধ্যে অত্যাধুনিক যুদ্ধবিমান, শক্তিশালী প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা এবং বিভিন্ন আধুনিক সামরিক সরঞ্জাম অন্তর্ভুক্ত রয়েছে।
ওয়াশিংটনের এই অনুমোদনের আওতায় থাকা দেশগুলোর মধ্যে রয়েছে ইসরায়েল, কাতার, কুয়েত এবং সংযুক্ত আরব আমিরাত। এমন এক সময়ে এই ঘোষণাটি এল যখন ইরানকে কেন্দ্র করে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের মধ্যে শুরু হওয়া সরাসরি সংঘাতের বয়স প্রায় নয় সপ্তাহ পার হয়েছে। যদিও মধ্যপ্রাচ্যের এই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে তিন সপ্তাহ আগে একটি ভঙ্গুর যুদ্ধবিরতি ঘোষণা করা হয়েছিল তবে বাস্তব ক্ষেত্রে এখনো উত্তেজনা পুরোপুরি প্রশমিত হয়নি।
অস্ত্র বিক্রির এই খবরের পাশাপাশি কূটনৈতিক তৎপরতা নিয়েও কথা বলেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। শুক্রবার তিনি জানান যুদ্ধের অবসান ঘটাতে ইরানের সঙ্গে টেলিফোনে নিয়মিত আলোচনা চালিয়ে যাচ্ছেন তিনি। তবে তেহরানের পক্ষ থেকে সম্প্রতি দেওয়া নতুন একটি প্রস্তাব তিনি সরাসরি প্রত্যাখ্যান করেছেন। ট্রাম্পের মতে আলোচনার ক্ষেত্রে কিছু অগ্রগতি হলেও শেষ পর্যন্ত কোনো টেকসই চুক্তিতে পৌঁছানো সম্ভব হবে কি না তা নিয়ে এখনো যথেষ্ট অনিশ্চয়তা রয়েছে। চূড়ান্ত সমাধানের বিষয়ে তিনি আপাতত কোনো নিশ্চয়তা দিতে পারছেন না।
অস্ত্র বিক্রির এই পদক্ষেপকে প্রতিরক্ষা বিশেষজ্ঞরা মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন আধিপত্য ও মিত্রদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার কৌশল হিসেবে দেখছেন। তবে যুদ্ধবিরতি চলাকালীন এমন বিশাল সামরিক সহায়তা ওই অঞ্চলের ক্ষমতার ভারসাম্যে নতুন কোনো প্রভাব ফেলে কি না সেটিই এখন দেখার বিষয়।
তথ্যসূত্র আল জাজিরা

আপনার মতামত লিখুন