দেশের বাজারে স্বর্ণের দামে গত কয়েক দিনের যে নিম্নমুখী প্রবণতা লক্ষ্য করা গিয়েছিল, তাতে ছেদ টেনে আবারও দাম বাড়ানোর ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। টানা চার দফা কমানোর পর এই মূল্যবান ধাতুর দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিলেন ব্যবসায়ীরা। বাজুসের নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ভালো মানের অর্থাৎ ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম এখন থেকে ২ লাখ ৪২ হাজার ৪৯৫ টাকা। এর আগে ৩০ এপ্রিল সকালে যখন দাম কমানো হয়েছিল, তখন ২২ ক্যারেট স্বর্ণের ভরি ছিল ২ লাখ ৪০ হাজার ৩৩৭ টাকা। অর্থাৎ, নতুন করে ভরিতে দাম বেড়েছে ২ হাজার ১৫৮ টাকা।
স্বর্ণের দামের এই ঊর্ধ্বগতি নিয়ে বাজুস জানিয়েছে, স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণ বা পিওর গোল্ডের সরবরাহ এবং এর বাজারমূল্য বৃদ্ধি পাওয়ায় সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে এই সমন্বয় করা হয়েছে। গত বৃহস্পতিবার অর্থাৎ ৩০ এপ্রিল সন্ধ্যা ৭টা থেকেই এই নতুন দাম কার্যকর করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। আজ রবিবার, ৩ মে সারা দেশে জুয়েলারি দোকানগুলোতে এই বর্ধিত দামেই স্বর্ণ কেনাবেচা হবে। মধ্যবিত্ত থেকে শুরু করে উচ্চবিত্ত—সব শ্রেণির মানুষের কাছে স্বর্ণের বাজার সব সময়ই আগ্রহের কেন্দ্রে থাকে, বিশেষ করে বিয়ের মরসুমে বা পারিবারিক অনুষ্ঠানের কেনাকাটায় এমন হুটহাট দাম বৃদ্ধি ক্রেতাদের কপালে কিছুটা চিন্তার ভাঁজ ফেলেছে।
চলতি ২০২৬ সালের শুরু থেকেই স্বর্ণের বাজারে এক ধরনের অস্থিরতা লক্ষ্য করা যাচ্ছে। আন্তর্জাতিক বাজারের সঙ্গে সংগতি রাখা কিংবা স্থানীয় চাহিদার ওঠানামা—সব মিলিয়ে এখন পর্যন্ত এ বছর মোট ৬০ বার স্বর্ণের দামের হেরফের বা সমন্বয় করেছে বাজুস। এই ঘনঘন দাম পরিবর্তনের ফলে সাধারণ ক্রেতারা যেমন দ্বিধায় পড়ছেন, তেমনি বিনিয়োগকারীরাও বাজারের গতিপ্রকৃতি বুঝতে হিমশিম খাচ্ছেন। তবে জুয়েলারি ব্যবসায়ীদের দাবি, বিশ্ববাজারের অস্থিরতা এবং স্থানীয় কাঁচামালের সহজলভ্যতার ওপর ভিত্তি করেই তাদের এই প্রতিকূল পরিস্থিতিতেও দাম পুনর্নির্ধারণ করতে হচ্ছে। আজ যারা স্বর্ণ কেনার পরিকল্পনা করছেন, তাদের পকেট থেকে বাড়তি এই ২ হাজার ১৫৮ টাকা খরচ করেই শখের অলঙ্কারটি সংগ্রহ করতে হবে।

রোববার, ০৩ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৩ মে ২০২৬
দেশের বাজারে স্বর্ণের দামে গত কয়েক দিনের যে নিম্নমুখী প্রবণতা লক্ষ্য করা গিয়েছিল, তাতে ছেদ টেনে আবারও দাম বাড়ানোর ঘোষণা দিয়েছে বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস)। টানা চার দফা কমানোর পর এই মূল্যবান ধাতুর দাম বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নিলেন ব্যবসায়ীরা। বাজুসের নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, ভালো মানের অর্থাৎ ২২ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণের দাম এখন থেকে ২ লাখ ৪২ হাজার ৪৯৫ টাকা। এর আগে ৩০ এপ্রিল সকালে যখন দাম কমানো হয়েছিল, তখন ২২ ক্যারেট স্বর্ণের ভরি ছিল ২ লাখ ৪০ হাজার ৩৩৭ টাকা। অর্থাৎ, নতুন করে ভরিতে দাম বেড়েছে ২ হাজার ১৫৮ টাকা।
স্বর্ণের দামের এই ঊর্ধ্বগতি নিয়ে বাজুস জানিয়েছে, স্থানীয় বাজারে তেজাবি স্বর্ণ বা পিওর গোল্ডের সরবরাহ এবং এর বাজারমূল্য বৃদ্ধি পাওয়ায় সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে এই সমন্বয় করা হয়েছে। গত বৃহস্পতিবার অর্থাৎ ৩০ এপ্রিল সন্ধ্যা ৭টা থেকেই এই নতুন দাম কার্যকর করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। আজ রবিবার, ৩ মে সারা দেশে জুয়েলারি দোকানগুলোতে এই বর্ধিত দামেই স্বর্ণ কেনাবেচা হবে। মধ্যবিত্ত থেকে শুরু করে উচ্চবিত্ত—সব শ্রেণির মানুষের কাছে স্বর্ণের বাজার সব সময়ই আগ্রহের কেন্দ্রে থাকে, বিশেষ করে বিয়ের মরসুমে বা পারিবারিক অনুষ্ঠানের কেনাকাটায় এমন হুটহাট দাম বৃদ্ধি ক্রেতাদের কপালে কিছুটা চিন্তার ভাঁজ ফেলেছে।
চলতি ২০২৬ সালের শুরু থেকেই স্বর্ণের বাজারে এক ধরনের অস্থিরতা লক্ষ্য করা যাচ্ছে। আন্তর্জাতিক বাজারের সঙ্গে সংগতি রাখা কিংবা স্থানীয় চাহিদার ওঠানামা—সব মিলিয়ে এখন পর্যন্ত এ বছর মোট ৬০ বার স্বর্ণের দামের হেরফের বা সমন্বয় করেছে বাজুস। এই ঘনঘন দাম পরিবর্তনের ফলে সাধারণ ক্রেতারা যেমন দ্বিধায় পড়ছেন, তেমনি বিনিয়োগকারীরাও বাজারের গতিপ্রকৃতি বুঝতে হিমশিম খাচ্ছেন। তবে জুয়েলারি ব্যবসায়ীদের দাবি, বিশ্ববাজারের অস্থিরতা এবং স্থানীয় কাঁচামালের সহজলভ্যতার ওপর ভিত্তি করেই তাদের এই প্রতিকূল পরিস্থিতিতেও দাম পুনর্নির্ধারণ করতে হচ্ছে। আজ যারা স্বর্ণ কেনার পরিকল্পনা করছেন, তাদের পকেট থেকে বাড়তি এই ২ হাজার ১৫৮ টাকা খরচ করেই শখের অলঙ্কারটি সংগ্রহ করতে হবে।

আপনার মতামত লিখুন