দিকপাল

রোহিঙ্গা সংকট গভীরতর: বাড়ছে জনসংখ্যা, কমছে বাজেট


স্বাধীন আহমেদ
স্বাধীন আহমেদ স্টাফ রিপোর্টার
প্রকাশ : বৃহস্পতিবার, ২১ মে ২০২৬ | ০৮:৩৬ এ এম | প্রিন্ট সংস্করণ

রোহিঙ্গা সংকট গভীরতর: বাড়ছে জনসংখ্যা, কমছে  বাজেট

বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া মিয়ানমারের বলপ্রয়োগে বাস্তুচ্যুত নাগরিক তথা রোহিঙ্গাদের জনসংখ্যা দিন দিন এক ভয়ানক ও বিস্ফোরক রূপ ধারণ করছে। বিগত ২০১৭ সালে যখন মিয়ানমার সেনাবাহিনীর নৃশংসতার মুখে সীমান্ত পেরিয়ে রোহিঙ্গারা এ দেশে প্রথম প্রবেশ করতে শুরু করে, তখন তাদের আনুমানিক সংখ্যা ছিল প্রায় আট লাখ। কিন্তু এর পর থেকে প্রতিবছরই এই শরণার্থীর সংখ্যা জ্যামিতিক হারে বৃদ্ধি পাচ্ছে। এক পরিসংখ্যান থেকে জানা গেছে, কক্সবাজারের ঘিঞ্জি ও জরাজীর্ণ রোহিঙ্গা ক্যাম্পগুলোতে প্রতিবছর গড়ে প্রায় ৩০ হাজার নতুন রোহিঙ্গা শিশুর জন্ম হচ্ছে। এর পাশাপাশি মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে দেশটির সরকারি সেনাবাহিনী এবং সশস্ত্র গোষ্ঠী আরাকান আর্মির মধ্যে চলমান তুমুল অভ্যন্তরীণ সংঘাত ও অমানবিক নির্যাতনের কারণে সেখানে এখনো অবশিষ্টাংশ যে রোহিঙ্গারা রয়ে গেছেন, তারাও জীবন বাঁচাতে প্রতিনিয়ত বাংলাদেশসহ আশেপাশের বিভিন্ন প্রতিবেশী দেশে পালিয়ে আসার চেষ্টা চালাচ্ছেন। আন্তর্জাতিক সংস্থা জাতিসংঘের সর্বশেষ হিসাব অনুযায়ী, বর্তমানে বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া মোট রোহিঙ্গার সংখ্যা দাঁড়িয়েছে প্রায় ১২ লাখ ৫০ হাজারে। দেশের অভ্যন্তরে প্রতিবছর রোহিঙ্গাদের এই বিশাল জনসংখ্যা বাড়লেও অত্যন্ত উদ্বেগের বিষয় হলো, আন্তর্জাতিক মহল থেকে তাদের জন্য বরাদ্দ করা বার্ষিক মানবিক সহায়তার বাজেট বা তহবিলের পরিমাণ ক্রমাগত হ্রাস পাচ্ছে।

চলতি বছরের জন্য বাংলাদেশে অবস্থানরত রোহিঙ্গাদের মানবিক সহায়তার লক্ষ্যে আন্তর্জাতিক দাতা সংস্থাগুলোর কাছে যৌথ সাড়াদান পরিকল্পনা বা জেআরপির আওতায় ৭১ কোটি ডলারের একটি বাজেট চাওয়া হয়েছে। তবে এই যৌথ সাড়াদান পরিকল্পনার খসড়া অনুযায়ী, বর্তমানে ক্যাম্প এবং এর আশেপাশের এলাকায় প্রায় ১৮ লাখ ৯০ হাজার মানুষ চরম অভাব ও নানামুখী চাহিদার মধ্যে জীবনযাপন করছেন। কিন্তু আন্তর্জাতিক অর্থ সংকটের কারণে চরম চাহিদাগ্রস্ত এই বিশাল জনগোষ্ঠীর মধ্য থেকে প্রায় তিন লাখ ৩০ হাজার মানুষকে সম্পূর্ণভাবে এই বাজেটের সুযোগ-সুবিধার বাইরে রাখতে হচ্ছে, যা আগামী দিনে ক্যাম্পের আইনশৃঙ্খলা ও মানবিক পরিস্থিতির আরও অবনতি ঘটাতে পারে।

পরিসংখ্যান বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, বিগত ২০২৫ সালে যৌথ সাড়াদান পরিকল্পনার বার্ষিক বাজেট ধরা হয়েছিল ৮৫ কোটি ২০ লাখ ডলার। সেই বছরটিতে চরম চাহিদাগ্রস্ত ১৬ লাখ ৫০ হাজার রোহিঙ্গা এবং স্থানীয় ক্ষতিগ্রস্ত বাসিন্দাদের মধ্যে এই বরাদ্দের আওতায় আনা সম্ভব হয়েছিল ১৪ লাখ ৮০ হাজার মানুষকে। অন্যদিকে, চলতি ২০২৬ সালের পরিকল্পনায় ১৫ লাখ ৬০ হাজার রোহিঙ্গা ও স্থানীয় অধিবাসীকে এই বিশেষ তহবিলের সুবিধাভোগী হিসেবে তালিকাভুক্ত করা হয়েছে। অথচ চরম বাস্তবতার বিষয় হলো, ২০২৫ সালের তুলনায় চলতি বছরের বাজেট প্রায় সাড়ে ২৫ কোটি ডলার বা শতকরা হিসেবে ২৬ শতাংশ কমিয়ে দেওয়া হয়েছে। এবারের নতুন এই যৌথ সাড়াদান পরিকল্পনায় রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর সংখ্যা সাড়ে ১২ লাখ এবং তাদের কারণে নানামুখী সংকটে পড়া স্থানীয় বাঙালি বাসিন্দার সংখ্যা ধরা হয়েছে তিন লাখ সাত হাজার।

গতকাল বুধবার সকালে রাজধানীর গুলশানে অবস্থিত জাতিসংঘের স্থানীয় দপ্তরে আয়োজিত এক উচ্চপর্যায়ের বিশেষ সভায় চলতি ২০২৬ সালের এই যৌথ সাড়াদান পরিকল্পনা তহবিলের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেওয়া হয়। সভায় বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরে বলা হয়, চলতি বছরের জন্য নির্ধারিত ৭১ কোটি ডলারের মোট বাজেটের মধ্যে ৬৭ কোটি ৪৩ লাখ ডলার সরাসরি রোহিঙ্গাদের মৌলিক চাহিদা মেটানোর জন্য এবং অবশিষ্ট তিন কোটি ৬২ লাখ ডলার তাদের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত স্থানীয় বাংলাদেশি জনগোষ্ঠীর সহায়তার জন্য বরাদ্দের কথা বলা হয়েছে। বাংলাদেশে জাতিসংঘের শরণার্থী সংস্থার প্রধান প্রতিনিধির অত্যন্ত চমৎকার সঞ্চালনায় এই গুরুত্বপূর্ণ অনুষ্ঠানে বিশেষ বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন দেশের ভারপ্রাপ্ত পররাষ্ট্র সচিব এম ফরহাদুল ইসলাম, জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক আন্তর্জাতিক উপহাইকমিশনার কেলি ক্লিমেন্টস, বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচির সহকারী নির্বাহী পরিচালক রানিয়া দাগাশ কামারা এবং বাংলাদেশে জাতিসংঘের ভারপ্রাপ্ত আবাসিক সমন্বয়কারী কেরোল ফ্লোরে।

অনুষ্ঠানে চলতি ২০২৬ সালের মূল যৌথ সাড়াদান পরিকল্পনার সার্বিক রূপরেখা ও বিস্তারিত চিত্র সবার সামনে আনুষ্ঠানিকভাবে উপস্থাপনা করেন কক্সবাজারে কর্মরত শরণার্থী প্ল্যাটফর্মের প্রধান কর্মকর্তা ডেভিড বাগডেন। তিনি তার বক্তব্যে জানান, চলতি বছরের এই বিশেষ মানবিক বাজেটে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে মানুষের বেঁচে থাকার প্রধান উপাদান খাদ্যের ওপর, যার ফলে সর্বোচ্চ ২৫ কোটি ৩০ লাখ ডলার বরাদ্দ ধরা হয়েছে কেবল খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করার খাতে। এদিকে বাংলাদেশে জাতিসংঘের শরণার্থী সংস্থার প্রধান প্রতিনিধি আরও একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ তথ্য জানিয়ে বলেন, চলতি বছরের জন্য যে মোট আর্থিক চাহিদার কথা বলা হয়েছে, তার মধ্যে গত এপ্রিল মাস পর্যন্ত প্রায় ৬৩ শতাংশ তহবিল আন্তর্জাতিক বিভিন্ন দাতা দেশ ও সংস্থার কাছ থেকে জোগাড় করা সম্ভব হয়েছে। তবে অবশিষ্ট তহবিল দ্রুত সময়ের মধ্যে না পাওয়া গেলে ক্যাম্পের খাদ্য ও চিকিৎসা সহায়তায় বড় ধরনের বিপর্যয় নেমে আসতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।


আপনার মতামত লিখুন

দিকপাল

বৃহস্পতিবার, ২১ মে ২০২৬


রোহিঙ্গা সংকট গভীরতর: বাড়ছে জনসংখ্যা, কমছে বাজেট

প্রকাশের তারিখ : ২১ মে ২০২৬

featured Image

বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া মিয়ানমারের বলপ্রয়োগে বাস্তুচ্যুত নাগরিক তথা রোহিঙ্গাদের জনসংখ্যা দিন দিন এক ভয়ানক ও বিস্ফোরক রূপ ধারণ করছে। বিগত ২০১৭ সালে যখন মিয়ানমার সেনাবাহিনীর নৃশংসতার মুখে সীমান্ত পেরিয়ে রোহিঙ্গারা এ দেশে প্রথম প্রবেশ করতে শুরু করে, তখন তাদের আনুমানিক সংখ্যা ছিল প্রায় আট লাখ। কিন্তু এর পর থেকে প্রতিবছরই এই শরণার্থীর সংখ্যা জ্যামিতিক হারে বৃদ্ধি পাচ্ছে। এক পরিসংখ্যান থেকে জানা গেছে, কক্সবাজারের ঘিঞ্জি ও জরাজীর্ণ রোহিঙ্গা ক্যাম্পগুলোতে প্রতিবছর গড়ে প্রায় ৩০ হাজার নতুন রোহিঙ্গা শিশুর জন্ম হচ্ছে। এর পাশাপাশি মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে দেশটির সরকারি সেনাবাহিনী এবং সশস্ত্র গোষ্ঠী আরাকান আর্মির মধ্যে চলমান তুমুল অভ্যন্তরীণ সংঘাত ও অমানবিক নির্যাতনের কারণে সেখানে এখনো অবশিষ্টাংশ যে রোহিঙ্গারা রয়ে গেছেন, তারাও জীবন বাঁচাতে প্রতিনিয়ত বাংলাদেশসহ আশেপাশের বিভিন্ন প্রতিবেশী দেশে পালিয়ে আসার চেষ্টা চালাচ্ছেন। আন্তর্জাতিক সংস্থা জাতিসংঘের সর্বশেষ হিসাব অনুযায়ী, বর্তমানে বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া মোট রোহিঙ্গার সংখ্যা দাঁড়িয়েছে প্রায় ১২ লাখ ৫০ হাজারে। দেশের অভ্যন্তরে প্রতিবছর রোহিঙ্গাদের এই বিশাল জনসংখ্যা বাড়লেও অত্যন্ত উদ্বেগের বিষয় হলো, আন্তর্জাতিক মহল থেকে তাদের জন্য বরাদ্দ করা বার্ষিক মানবিক সহায়তার বাজেট বা তহবিলের পরিমাণ ক্রমাগত হ্রাস পাচ্ছে।

চলতি বছরের জন্য বাংলাদেশে অবস্থানরত রোহিঙ্গাদের মানবিক সহায়তার লক্ষ্যে আন্তর্জাতিক দাতা সংস্থাগুলোর কাছে যৌথ সাড়াদান পরিকল্পনা বা জেআরপির আওতায় ৭১ কোটি ডলারের একটি বাজেট চাওয়া হয়েছে। তবে এই যৌথ সাড়াদান পরিকল্পনার খসড়া অনুযায়ী, বর্তমানে ক্যাম্প এবং এর আশেপাশের এলাকায় প্রায় ১৮ লাখ ৯০ হাজার মানুষ চরম অভাব ও নানামুখী চাহিদার মধ্যে জীবনযাপন করছেন। কিন্তু আন্তর্জাতিক অর্থ সংকটের কারণে চরম চাহিদাগ্রস্ত এই বিশাল জনগোষ্ঠীর মধ্য থেকে প্রায় তিন লাখ ৩০ হাজার মানুষকে সম্পূর্ণভাবে এই বাজেটের সুযোগ-সুবিধার বাইরে রাখতে হচ্ছে, যা আগামী দিনে ক্যাম্পের আইনশৃঙ্খলা ও মানবিক পরিস্থিতির আরও অবনতি ঘটাতে পারে।

পরিসংখ্যান বিশ্লেষণ করলে দেখা যায়, বিগত ২০২৫ সালে যৌথ সাড়াদান পরিকল্পনার বার্ষিক বাজেট ধরা হয়েছিল ৮৫ কোটি ২০ লাখ ডলার। সেই বছরটিতে চরম চাহিদাগ্রস্ত ১৬ লাখ ৫০ হাজার রোহিঙ্গা এবং স্থানীয় ক্ষতিগ্রস্ত বাসিন্দাদের মধ্যে এই বরাদ্দের আওতায় আনা সম্ভব হয়েছিল ১৪ লাখ ৮০ হাজার মানুষকে। অন্যদিকে, চলতি ২০২৬ সালের পরিকল্পনায় ১৫ লাখ ৬০ হাজার রোহিঙ্গা ও স্থানীয় অধিবাসীকে এই বিশেষ তহবিলের সুবিধাভোগী হিসেবে তালিকাভুক্ত করা হয়েছে। অথচ চরম বাস্তবতার বিষয় হলো, ২০২৫ সালের তুলনায় চলতি বছরের বাজেট প্রায় সাড়ে ২৫ কোটি ডলার বা শতকরা হিসেবে ২৬ শতাংশ কমিয়ে দেওয়া হয়েছে। এবারের নতুন এই যৌথ সাড়াদান পরিকল্পনায় রোহিঙ্গা জনগোষ্ঠীর সংখ্যা সাড়ে ১২ লাখ এবং তাদের কারণে নানামুখী সংকটে পড়া স্থানীয় বাঙালি বাসিন্দার সংখ্যা ধরা হয়েছে তিন লাখ সাত হাজার।

গতকাল বুধবার সকালে রাজধানীর গুলশানে অবস্থিত জাতিসংঘের স্থানীয় দপ্তরে আয়োজিত এক উচ্চপর্যায়ের বিশেষ সভায় চলতি ২০২৬ সালের এই যৌথ সাড়াদান পরিকল্পনা তহবিলের আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেওয়া হয়। সভায় বিস্তারিত তথ্য তুলে ধরে বলা হয়, চলতি বছরের জন্য নির্ধারিত ৭১ কোটি ডলারের মোট বাজেটের মধ্যে ৬৭ কোটি ৪৩ লাখ ডলার সরাসরি রোহিঙ্গাদের মৌলিক চাহিদা মেটানোর জন্য এবং অবশিষ্ট তিন কোটি ৬২ লাখ ডলার তাদের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত স্থানীয় বাংলাদেশি জনগোষ্ঠীর সহায়তার জন্য বরাদ্দের কথা বলা হয়েছে। বাংলাদেশে জাতিসংঘের শরণার্থী সংস্থার প্রধান প্রতিনিধির অত্যন্ত চমৎকার সঞ্চালনায় এই গুরুত্বপূর্ণ অনুষ্ঠানে বিশেষ বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন দেশের ভারপ্রাপ্ত পররাষ্ট্র সচিব এম ফরহাদুল ইসলাম, জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক আন্তর্জাতিক উপহাইকমিশনার কেলি ক্লিমেন্টস, বিশ্ব খাদ্য কর্মসূচির সহকারী নির্বাহী পরিচালক রানিয়া দাগাশ কামারা এবং বাংলাদেশে জাতিসংঘের ভারপ্রাপ্ত আবাসিক সমন্বয়কারী কেরোল ফ্লোরে।

অনুষ্ঠানে চলতি ২০২৬ সালের মূল যৌথ সাড়াদান পরিকল্পনার সার্বিক রূপরেখা ও বিস্তারিত চিত্র সবার সামনে আনুষ্ঠানিকভাবে উপস্থাপনা করেন কক্সবাজারে কর্মরত শরণার্থী প্ল্যাটফর্মের প্রধান কর্মকর্তা ডেভিড বাগডেন। তিনি তার বক্তব্যে জানান, চলতি বছরের এই বিশেষ মানবিক বাজেটে সবচেয়ে বেশি গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে মানুষের বেঁচে থাকার প্রধান উপাদান খাদ্যের ওপর, যার ফলে সর্বোচ্চ ২৫ কোটি ৩০ লাখ ডলার বরাদ্দ ধরা হয়েছে কেবল খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করার খাতে। এদিকে বাংলাদেশে জাতিসংঘের শরণার্থী সংস্থার প্রধান প্রতিনিধি আরও একটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ তথ্য জানিয়ে বলেন, চলতি বছরের জন্য যে মোট আর্থিক চাহিদার কথা বলা হয়েছে, তার মধ্যে গত এপ্রিল মাস পর্যন্ত প্রায় ৬৩ শতাংশ তহবিল আন্তর্জাতিক বিভিন্ন দাতা দেশ ও সংস্থার কাছ থেকে জোগাড় করা সম্ভব হয়েছে। তবে অবশিষ্ট তহবিল দ্রুত সময়ের মধ্যে না পাওয়া গেলে ক্যাম্পের খাদ্য ও চিকিৎসা সহায়তায় বড় ধরনের বিপর্যয় নেমে আসতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।



দিকপাল

প্রধান সম্পাদক: কাদির নোমান
সম্পাদক: আল জাবিরী
প্রকাশক: মু. আবদুর রহমান
কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত দিকপাল