দিকপাল

টিকার বিষয়ে অন্তর্বর্তী সরকারকে ৫ দফা সতর্কবার্তা দিয়েছিল ইউনিসেফ


স্বাধীন আহমেদ
স্বাধীন আহমেদ স্টাফ রিপোর্টার
প্রকাশ : বুধবার, ২০ মে ২০২৬ | ০৭:০৩ পি এম | প্রিন্ট সংস্করণ

টিকার বিষয়ে অন্তর্বর্তী সরকারকে ৫ দফা সতর্কবার্তা দিয়েছিল ইউনিসেফ

বাংলাদেশ বর্তমানে এক অভূতপূর্ব এবং অত্যন্ত উদ্বেগজনক স্বাস্থ্য সংকটের মুখোমুখি দাঁড়িয়েছে। দেশে মহামারি আকারে ছড়িয়ে পড়েছে হামের সংক্রমণ, যার শিকার হচ্ছে প্রধানত কোমলমতি শিশুরা। এই মারাত্মক সংকটের নেপথ্যে সরকারের টিকাদান কর্মসূচির চরম গাফিলতি এবং সিদ্ধান্তহীনতাকে দায়ী করে অত্যন্ত চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রকাশ করেছে জাতিসংঘের আন্তর্জাতিক জরুরি শিশু তহবিল (ইউনিসেফ)। সংস্থাটি সরাসরি জানিয়েছে যে, দেশের এই সম্ভাব্য টিকা-সংকট নিয়ে তারা অন্তর্বর্তী সরকারকে বারবার সতর্ক করেছিল। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়কে অন্তত পাঁচটি আনুষ্ঠানিক চিঠি দেওয়ার পাশাপাশি সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে অন্তত ১০টি পৃথক বৈঠকে এই আসন্ন বিপদের কথা জানানো হয়েছিল। কিন্তু তৎকালীন নীতিনির্ধারকদের উদাসীনতা এবং টিকা ক্রয়প্রক্রিয়ায় আকস্মিক পরিবর্তনের কারণেই দেশে সময়মতো জীবনরক্ষাকারী টিকা আনা সম্ভব হয়নি, যার মাশুল দিতে হচ্ছে শত শত নিষ্পাপ শিশুকে।

বুধবার দুপুরে রাজধানীর ইউনিসেফ কার্যালয়ে আয়োজিত এক জনাকীর্ণ সংবাদ সম্মেলনে এই বিস্ফোরক তথ্য তুলে ধরেন সংস্থাটির বিদায়ী প্রতিনিধি রানা ফ্লাওয়ার্স। দীর্ঘ দুই ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে চলা এই সংবাদ সম্মেলনে তিনি দেশের বর্তমান টিকা-সংকট, এর পেছনের মূল কারণ এবং সংকট উত্তরণে ইউনিসেফের ভূমিকা ও ভবিষ্যৎ করণীয় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন। রানা ফ্লাওয়ার্স অত্যন্ত দুঃখ ভারাক্রান্ত হৃদয়ে বলেন, দেশে হামের সংক্রমণে একের পর এক শিশুর মৃত্যু কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না, এটি অত্যন্ত বেদনাদায়ক এবং দুর্ভাগ্যজনক। তিনি স্পষ্ট করে বলেন, অন্তর্বর্তী সরকার প্রচলিত ও দ্রুততম প্রক্রিয়ার বাইরে গিয়ে টিকা ক্রয়ের চেনা পদ্ধতিতে যে পরিবর্তন এনেছিল, তার ফলেই মূলত এই বিপর্যয় ঘটেছে।

সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে ইউনিসেফ প্রতিনিধি টিকা সংগ্রহের আন্তর্জাতিক নিয়মকানুন ও জটিলতাগুলো ব্যাখ্যা করেন। তিনি বলেন, যেকোনো সার্বভৌম সরকার চাইলে নিজস্ব নিয়মে উন্মুক্ত দরপত্র পদ্ধতির মাধ্যমে আন্তর্জাতিক বাজার থেকে টিকা ক্রয় করতে পারে, এতে কোনো আইনি বাধা নেই। তবে এই পদ্ধতির একটি বড় নেতিবাচক দিক হলো, উন্মুক্ত দরপত্রের মাধ্যমে টিকার মতো সংবেদনশীল জিনিস সংগ্রহ করতে সাধারণত এক বছরেরও বেশি সময় লেগে যায়। অথচ মহামারি বা জরুরি স্বাস্থ্য সংকট মোকাবিলার জন্য টিকার মজুত সবসময় নিশ্চিত রাখা জরুরি। এই ধরনের পরিস্থিতিতে ইউনিসেফের নিজস্ব বৈশ্বিক সরবরাহ ব্যবস্থার মাধ্যমে অত্যন্ত দ্রুততম সময়ে মানসম্মত টিকা সংগ্রহ করা সম্ভব ছিল, যা সরকার সময়মতো কাজে লাগাতে ব্যর্থ হয়েছে।

বর্তমানে দেশে হামের প্রকোপ কতটা ভয়াবহ রূপ ধারণ করেছে, তা স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সাম্প্রতিক পরিসংখ্যান দেখলেই স্পষ্ট হয়ে ওঠে। চলতি বছরে এ পর্যন্ত দেশে ৬০ হাজারেরও বেশি মানুষ হামে আক্রান্ত হয়েছে, যাদের সিংহভাগই অবোধ শিশু। অত্যন্ত সংক্রামক এই ভাইরাসের ছোবলে ইতিমধ্যেই ৪৭৫ জন প্রাণ হারিয়েছে, যা বাংলাদেশের ইতিহাসে হামের সংক্রমণে মৃত্যুর সমস্ত রেকর্ড ভেঙে চুরমার করে দিয়েছে। বিগত আড়াই দশকে দেশের ইতিহাসে কখনো হামের বার্ষিক সংক্রমণ ৫০ হাজার পার হয়নি। এর আগে সর্বোচ্চ সংক্রমণের ঘটনা ঘটেছিল ২০০৫ সালে, যখন ২৫ হাজার ৯৩৪ জন রোগী শনাক্ত হয়েছিল। এরপর সরকারি ও বেসরকারি সমন্বিত প্রচেষ্টায় টিকাদান কর্মসূচি সফল হওয়ায় রোগীর সংখ্যা নাটকীয়ভাবে কমে আসে। এমনকি গত ২০২৫ সালেও পুরো দেশে মাত্র ১৩২ জন হামের রোগী পাওয়া গিয়েছিল। ২০২০ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত বিগত পাঁচ বছরে আক্রান্তের সংখ্যা ছিল যথাক্রমে ২ হাজার ৪১০, ২০৩, ৩১১, ২৮১ এবং ২৪৭ জন। সবচেয়ে বড় বিষয় হলো, ওই বছরগুলোতে হামে মৃত্যুর ঘটনা ছিল একেবারেই শূন্যের কোঠায়। অথচ চলতি বছরের জানুয়ারি মাস থেকে দেশে হঠাৎ করেই হামের এই মারাত্মক প্রাদুর্ভাব শুরু হয়। জনস্বাস্থ্য বিশ্লেষকেরা মনে করছেন, বিগত অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে নিয়মিত টিকাদানে চরম গাফিলতি এবং সঠিক সময়ে সিদ্ধান্ত নিতে না পারাই আজকের এই ট্র্যাজেডির মূল কারণ।

এই সংবাদ সম্মেলনে রানা ফ্লাওয়ার্স অবশ্য একটি আশাব্যঞ্জক খবরও দিয়েছেন। তিনি জানান, বর্তমান ভয়াবহ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ইউনিসেফের সহায়তায় ইতিমধ্যেই ১ কোটি ৮০ লাখের বেশি শিশুকে সফলভাবে হামের টিকা দেওয়া হয়েছে, যা সংক্রমণ আরও ছড়িয়ে পড়া রোধে ভূমিকা রাখছে। সরকার এই টিকার সংকট এবং হামে শিশুমৃত্যুর ঘটনা তদন্তে যে উদ্যোগ নিয়েছে, তাকে সাধুবাদ জানিয়েছে ইউনিসেফ। তদন্ত কমিটিকে সংস্থাটি কোনো তথ্যগত সহায়তা দেবে কিনা—এমন প্রশ্নের জবাবে রানা ফ্লাওয়ার্স দৃঢ়তার সঙ্গে বলেন, ইউনিসেফ সব সময় সত্যের পক্ষে কাজ করে এবং ন্যায়ের স্বার্থে যেকোনো তদন্তে পূর্ণ সহযোগিতা করতে তারা প্রস্তুত। এর আগে ইউনিসেফের ভারপ্রাপ্ত বাংলাদেশ প্রতিনিধি স্ট্যানলি গুয়াভুইয়াও এক সাক্ষাৎকারে প্রায় একই ধরনের দাবি করেছিলেন যে, হামের এই আসন্ন সুনামি নিয়ে তারা অন্তর্বর্তী সরকারকে যথেষ্ট সময় রেখেই সতর্ক বার্তা দিয়েছিলেন। এখন সময় এসেছে দায়ীদের চিহ্নিত করে জবাবদিহিতার আওতায় আনার, যাতে ভবিষ্যতে আর কোনো শিশুকে টিকার অভাবে অকালে প্রাণ হারাতে না হয়।


আপনার মতামত লিখুন

দিকপাল

বৃহস্পতিবার, ২১ মে ২০২৬


টিকার বিষয়ে অন্তর্বর্তী সরকারকে ৫ দফা সতর্কবার্তা দিয়েছিল ইউনিসেফ

প্রকাশের তারিখ : ২০ মে ২০২৬

featured Image

বাংলাদেশ বর্তমানে এক অভূতপূর্ব এবং অত্যন্ত উদ্বেগজনক স্বাস্থ্য সংকটের মুখোমুখি দাঁড়িয়েছে। দেশে মহামারি আকারে ছড়িয়ে পড়েছে হামের সংক্রমণ, যার শিকার হচ্ছে প্রধানত কোমলমতি শিশুরা। এই মারাত্মক সংকটের নেপথ্যে সরকারের টিকাদান কর্মসূচির চরম গাফিলতি এবং সিদ্ধান্তহীনতাকে দায়ী করে অত্যন্ত চাঞ্চল্যকর তথ্য প্রকাশ করেছে জাতিসংঘের আন্তর্জাতিক জরুরি শিশু তহবিল (ইউনিসেফ)। সংস্থাটি সরাসরি জানিয়েছে যে, দেশের এই সম্ভাব্য টিকা-সংকট নিয়ে তারা অন্তর্বর্তী সরকারকে বারবার সতর্ক করেছিল। স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়কে অন্তত পাঁচটি আনুষ্ঠানিক চিঠি দেওয়ার পাশাপাশি সরকারের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের সঙ্গে অন্তত ১০টি পৃথক বৈঠকে এই আসন্ন বিপদের কথা জানানো হয়েছিল। কিন্তু তৎকালীন নীতিনির্ধারকদের উদাসীনতা এবং টিকা ক্রয়প্রক্রিয়ায় আকস্মিক পরিবর্তনের কারণেই দেশে সময়মতো জীবনরক্ষাকারী টিকা আনা সম্ভব হয়নি, যার মাশুল দিতে হচ্ছে শত শত নিষ্পাপ শিশুকে।

বুধবার দুপুরে রাজধানীর ইউনিসেফ কার্যালয়ে আয়োজিত এক জনাকীর্ণ সংবাদ সম্মেলনে এই বিস্ফোরক তথ্য তুলে ধরেন সংস্থাটির বিদায়ী প্রতিনিধি রানা ফ্লাওয়ার্স। দীর্ঘ দুই ঘণ্টারও বেশি সময় ধরে চলা এই সংবাদ সম্মেলনে তিনি দেশের বর্তমান টিকা-সংকট, এর পেছনের মূল কারণ এবং সংকট উত্তরণে ইউনিসেফের ভূমিকা ও ভবিষ্যৎ করণীয় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেন। রানা ফ্লাওয়ার্স অত্যন্ত দুঃখ ভারাক্রান্ত হৃদয়ে বলেন, দেশে হামের সংক্রমণে একের পর এক শিশুর মৃত্যু কোনোভাবেই মেনে নেওয়া যায় না, এটি অত্যন্ত বেদনাদায়ক এবং দুর্ভাগ্যজনক। তিনি স্পষ্ট করে বলেন, অন্তর্বর্তী সরকার প্রচলিত ও দ্রুততম প্রক্রিয়ার বাইরে গিয়ে টিকা ক্রয়ের চেনা পদ্ধতিতে যে পরিবর্তন এনেছিল, তার ফলেই মূলত এই বিপর্যয় ঘটেছে।

সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে ইউনিসেফ প্রতিনিধি টিকা সংগ্রহের আন্তর্জাতিক নিয়মকানুন ও জটিলতাগুলো ব্যাখ্যা করেন। তিনি বলেন, যেকোনো সার্বভৌম সরকার চাইলে নিজস্ব নিয়মে উন্মুক্ত দরপত্র পদ্ধতির মাধ্যমে আন্তর্জাতিক বাজার থেকে টিকা ক্রয় করতে পারে, এতে কোনো আইনি বাধা নেই। তবে এই পদ্ধতির একটি বড় নেতিবাচক দিক হলো, উন্মুক্ত দরপত্রের মাধ্যমে টিকার মতো সংবেদনশীল জিনিস সংগ্রহ করতে সাধারণত এক বছরেরও বেশি সময় লেগে যায়। অথচ মহামারি বা জরুরি স্বাস্থ্য সংকট মোকাবিলার জন্য টিকার মজুত সবসময় নিশ্চিত রাখা জরুরি। এই ধরনের পরিস্থিতিতে ইউনিসেফের নিজস্ব বৈশ্বিক সরবরাহ ব্যবস্থার মাধ্যমে অত্যন্ত দ্রুততম সময়ে মানসম্মত টিকা সংগ্রহ করা সম্ভব ছিল, যা সরকার সময়মতো কাজে লাগাতে ব্যর্থ হয়েছে।

বর্তমানে দেশে হামের প্রকোপ কতটা ভয়াবহ রূপ ধারণ করেছে, তা স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সাম্প্রতিক পরিসংখ্যান দেখলেই স্পষ্ট হয়ে ওঠে। চলতি বছরে এ পর্যন্ত দেশে ৬০ হাজারেরও বেশি মানুষ হামে আক্রান্ত হয়েছে, যাদের সিংহভাগই অবোধ শিশু। অত্যন্ত সংক্রামক এই ভাইরাসের ছোবলে ইতিমধ্যেই ৪৭৫ জন প্রাণ হারিয়েছে, যা বাংলাদেশের ইতিহাসে হামের সংক্রমণে মৃত্যুর সমস্ত রেকর্ড ভেঙে চুরমার করে দিয়েছে। বিগত আড়াই দশকে দেশের ইতিহাসে কখনো হামের বার্ষিক সংক্রমণ ৫০ হাজার পার হয়নি। এর আগে সর্বোচ্চ সংক্রমণের ঘটনা ঘটেছিল ২০০৫ সালে, যখন ২৫ হাজার ৯৩৪ জন রোগী শনাক্ত হয়েছিল। এরপর সরকারি ও বেসরকারি সমন্বিত প্রচেষ্টায় টিকাদান কর্মসূচি সফল হওয়ায় রোগীর সংখ্যা নাটকীয়ভাবে কমে আসে। এমনকি গত ২০২৫ সালেও পুরো দেশে মাত্র ১৩২ জন হামের রোগী পাওয়া গিয়েছিল। ২০২০ থেকে ২০২৪ সাল পর্যন্ত বিগত পাঁচ বছরে আক্রান্তের সংখ্যা ছিল যথাক্রমে ২ হাজার ৪১০, ২০৩, ৩১১, ২৮১ এবং ২৪৭ জন। সবচেয়ে বড় বিষয় হলো, ওই বছরগুলোতে হামে মৃত্যুর ঘটনা ছিল একেবারেই শূন্যের কোঠায়। অথচ চলতি বছরের জানুয়ারি মাস থেকে দেশে হঠাৎ করেই হামের এই মারাত্মক প্রাদুর্ভাব শুরু হয়। জনস্বাস্থ্য বিশ্লেষকেরা মনে করছেন, বিগত অন্তর্বর্তী সরকারের আমলে নিয়মিত টিকাদানে চরম গাফিলতি এবং সঠিক সময়ে সিদ্ধান্ত নিতে না পারাই আজকের এই ট্র্যাজেডির মূল কারণ।

এই সংবাদ সম্মেলনে রানা ফ্লাওয়ার্স অবশ্য একটি আশাব্যঞ্জক খবরও দিয়েছেন। তিনি জানান, বর্তমান ভয়াবহ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ইউনিসেফের সহায়তায় ইতিমধ্যেই ১ কোটি ৮০ লাখের বেশি শিশুকে সফলভাবে হামের টিকা দেওয়া হয়েছে, যা সংক্রমণ আরও ছড়িয়ে পড়া রোধে ভূমিকা রাখছে। সরকার এই টিকার সংকট এবং হামে শিশুমৃত্যুর ঘটনা তদন্তে যে উদ্যোগ নিয়েছে, তাকে সাধুবাদ জানিয়েছে ইউনিসেফ। তদন্ত কমিটিকে সংস্থাটি কোনো তথ্যগত সহায়তা দেবে কিনা—এমন প্রশ্নের জবাবে রানা ফ্লাওয়ার্স দৃঢ়তার সঙ্গে বলেন, ইউনিসেফ সব সময় সত্যের পক্ষে কাজ করে এবং ন্যায়ের স্বার্থে যেকোনো তদন্তে পূর্ণ সহযোগিতা করতে তারা প্রস্তুত। এর আগে ইউনিসেফের ভারপ্রাপ্ত বাংলাদেশ প্রতিনিধি স্ট্যানলি গুয়াভুইয়াও এক সাক্ষাৎকারে প্রায় একই ধরনের দাবি করেছিলেন যে, হামের এই আসন্ন সুনামি নিয়ে তারা অন্তর্বর্তী সরকারকে যথেষ্ট সময় রেখেই সতর্ক বার্তা দিয়েছিলেন। এখন সময় এসেছে দায়ীদের চিহ্নিত করে জবাবদিহিতার আওতায় আনার, যাতে ভবিষ্যতে আর কোনো শিশুকে টিকার অভাবে অকালে প্রাণ হারাতে না হয়।



দিকপাল

প্রধান সম্পাদক: কাদির নোমান
সম্পাদক: আল জাবিরী
প্রকাশক: মু. আবদুর রহমান
কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত দিকপাল