বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের অজুহাতে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় (জবি) কেন্দ্রীয় মসজিদে তালা ঝুলিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। প্রশাসনের এমন নজিরবিহীন সিদ্ধান্তে সাধারণ শিক্ষার্থী ও ছাত্রনেতাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ সৃষ্টি হয়েছে। সোমবার (২০ এপ্রিল) সকাল থেকেই মসজিদের প্রধান ফটকে তালা ঝুলতে দেখা যায়।
সরেজমিনে দেখা গেছে, মসজিদের প্রবেশপথে একটি নির্দেশনামূলক লিফলেট সেঁটে দেওয়া হয়েছে। সেখানে উল্লেখ করা হয়েছে— শুক্রবার ব্যতীত প্রতিদিন দুপুর সাড়ে ১২টা পর্যন্ত মসজিদ বন্ধ থাকবে। অর্থাৎ যোহরের ওয়াক্তের আগে কোনো শিক্ষার্থী বা মুসল্লি মসজিদে প্রবেশ করতে পারবেন না। মূলত ক্যাম্পাসে বিদ্যুৎ খরচ কমাতেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসন সংকট ও বিশ্রামের জায়গার অভাবের কথা উল্লেখ করে শিক্ষার্থীরা এই সিদ্ধান্তের তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছেন। ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের শিক্ষার্থী আশিকুর রহমান আকাশ বলেন, “জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিকাংশ শিক্ষার্থী ঢাকার দূর-দূরান্ত থেকে বাসে করে ক্যাম্পাসে আসে। হল বা গেস্টরুম না থাকায় ক্লান্ত শরীর নিয়ে একটু বিশ্রামের জন্য তারা মসজিদের বারান্দা বা কোণা বেছে নেয়। সেখানে তালা মেরে রাখা অত্যন্ত অমানবিক।”
প্রশাসনের এই সিদ্ধান্তকে অযৌক্তিক বলে অভিহিত করেছেন জবি ছাত্র অধিকার পরিষদের সভাপতি একেএম রাকিব। তিনি বলেন, “বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের জন্য মসজিদ বন্ধ রাখা কোনো সমাধান হতে পারে না। ক্যাম্পাসে অপচয় কমানোর আরও অনেক কার্যকর জায়গা রয়েছে। প্রশাসনের উচিত সেদিকে নজর দেওয়া।”
এদিকে কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (জকসু) ভিপি রিয়াজুল বলেন, “উপাচার্য মহোদয়ের সরাসরি নির্দেশনায় যদি একমাত্র মসজিদটিও বন্ধ রাখা হয়, তবে তা শিক্ষার্থীদের জন্য চরম ভোগান্তির কারণ হয়ে দাঁড়ায়। আমরা উপাচার্য মহোদয়ের সঙ্গে যোগাযোগ করেছি। তিনি যোহরের নামাজের পর মসজিদের ইমামসহ আমাদের আলোচনার জন্য ডেকেছেন।”
বিষয়টি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও সমালোচনার ঝড় বইছে।

সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২০ এপ্রিল ২০২৬
বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের অজুহাতে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় (জবি) কেন্দ্রীয় মসজিদে তালা ঝুলিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। প্রশাসনের এমন নজিরবিহীন সিদ্ধান্তে সাধারণ শিক্ষার্থী ও ছাত্রনেতাদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ সৃষ্টি হয়েছে। সোমবার (২০ এপ্রিল) সকাল থেকেই মসজিদের প্রধান ফটকে তালা ঝুলতে দেখা যায়।
সরেজমিনে দেখা গেছে, মসজিদের প্রবেশপথে একটি নির্দেশনামূলক লিফলেট সেঁটে দেওয়া হয়েছে। সেখানে উল্লেখ করা হয়েছে— শুক্রবার ব্যতীত প্রতিদিন দুপুর সাড়ে ১২টা পর্যন্ত মসজিদ বন্ধ থাকবে। অর্থাৎ যোহরের ওয়াক্তের আগে কোনো শিক্ষার্থী বা মুসল্লি মসজিদে প্রবেশ করতে পারবেন না। মূলত ক্যাম্পাসে বিদ্যুৎ খরচ কমাতেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলে জানা গেছে।
বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসন সংকট ও বিশ্রামের জায়গার অভাবের কথা উল্লেখ করে শিক্ষার্থীরা এই সিদ্ধান্তের তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছেন। ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের শিক্ষার্থী আশিকুর রহমান আকাশ বলেন, “জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিকাংশ শিক্ষার্থী ঢাকার দূর-দূরান্ত থেকে বাসে করে ক্যাম্পাসে আসে। হল বা গেস্টরুম না থাকায় ক্লান্ত শরীর নিয়ে একটু বিশ্রামের জন্য তারা মসজিদের বারান্দা বা কোণা বেছে নেয়। সেখানে তালা মেরে রাখা অত্যন্ত অমানবিক।”
প্রশাসনের এই সিদ্ধান্তকে অযৌক্তিক বলে অভিহিত করেছেন জবি ছাত্র অধিকার পরিষদের সভাপতি একেএম রাকিব। তিনি বলেন, “বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের জন্য মসজিদ বন্ধ রাখা কোনো সমাধান হতে পারে না। ক্যাম্পাসে অপচয় কমানোর আরও অনেক কার্যকর জায়গা রয়েছে। প্রশাসনের উচিত সেদিকে নজর দেওয়া।”
এদিকে কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (জকসু) ভিপি রিয়াজুল বলেন, “উপাচার্য মহোদয়ের সরাসরি নির্দেশনায় যদি একমাত্র মসজিদটিও বন্ধ রাখা হয়, তবে তা শিক্ষার্থীদের জন্য চরম ভোগান্তির কারণ হয়ে দাঁড়ায়। আমরা উপাচার্য মহোদয়ের সঙ্গে যোগাযোগ করেছি। তিনি যোহরের নামাজের পর মসজিদের ইমামসহ আমাদের আলোচনার জন্য ডেকেছেন।”
বিষয়টি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও সমালোচনার ঝড় বইছে।

আপনার মতামত লিখুন