ইতিহাদ
স্টেডিয়ামে প্রিমিয়ার লিগের ‘অঘোষিত ফাইনালে’ নাটকীয় জয় পেয়েছে ম্যানচেস্টার সিটি।
শিরোপাপ্রত্যাশী আর্সেনালকে ২-১ ব্যবধানে পরাজিত করে লিগ টেবিলের সমীকরণ নিজেদের নিয়ন্ত্রণে
নিয়েছে পেপ গার্দিওলার শিষ্যরা। এই জয়ের ফলে ৩৩ ম্যাচে ৭০ পয়েন্ট নিয়ে আর্সেনাল শীর্ষে
থাকলেও, এক ম্যাচ কম খেলে ৬৭ পয়েন্ট নিয়ে তাদের ঘাড়ে নিঃশ্বাস ফেলছে সিটি।
ম্যাচের
শুরু থেকেই আক্রমণ-পাল্টা আক্রমণে মুখর ছিল ইতিহাদ। সিটিজেনদের হয়ে প্রথম গোলটি করেন
তরুণ তুর্কি রায়ান শেরকি। অসাধারণ ড্রিবলিংয়ে গ্যাব্রিয়েল ও ডেকলান রাইসকে পরাস্ত করে
উইলিয়াম সালিবার দুই পায়ের মাঝ দিয়ে করা তাঁর গোলটি সমর্থকদের মনে করিয়ে দিয়েছে ফুটবল
জাদুকর লিওনেল মেসির শৈলী।
তবে
সিটির লিড বেশিক্ষণ স্থায়ী হতে দেননি কাই হাভার্টজ। গোলরক্ষক জিয়ানলুইজি দোন্নারুম্মার
মারাত্মক এক ভুলের সুযোগ নিয়ে ১৮ মিনিটে সমতা ফেরান এই জার্মান ফরোয়ার্ড। ৪৪১ দিন পর
প্রিমিয়ার লিগে এটিই হাভার্টজের প্রথম গোল।
দ্বিতীয়ার্ধে
গোলরক্ষক দোন্নারুম্মার দুর্দান্ত দুটি সেভ সিটিকে ম্যাচে টিকিয়ে রাখে। ৬৫ মিনিটে ম্যাচের
ভাগ্য গড়ে দেন সিটির গোলমেশিন আর্লিং হালান্ড। নিকো ও’রেইলি ও জেরেমি ডকুর সুসংগঠিত
আক্রমণ থেকে বল পেয়ে নিখুঁত ফিনিশিংয়ে জালের ঠিকানা খুঁজে নেন তিনি।
ম্যাচের
একটি দৃশ্য ফুটবল বিশ্বে দীর্ঘকাল আলোচিত হবে—হালান্ডকে আটকাতে গিয়ে আর্সেনাল ডিফেন্ডার
গ্যাব্রিয়েলের হাতে তাঁর জার্সির একটি অংশ ছিঁড়ে চলে আসে। বিশ্লেষকরা একে আর্সেনালের
হাত থেকে শিরোপা ফসকে যাওয়ার প্রতীকী ছবি হিসেবে দেখছেন।
ম্যাচের
শেষ মুহূর্তে কাই হাভার্টজ সমতা ফেরানোর সহজ সুযোগ নষ্ট করলে ডাগআউটে হাঁটু গেড়ে বসে
পড়েন আর্সেনাল বস মিকেল আরতেতা। ম্যাচ পরবর্তী প্রতিক্রিয়ায় তাঁর চোখেমুখে শিরোপা হারানোর
শঙ্কা স্পষ্ট ছিল।
আগামী
বুধবার বার্নলির বিপক্ষে জিতলেই গোল ব্যবধান ও পয়েন্টের বিচারে শীর্ষে উঠে আসবে ম্যানচেস্টার
সিটি। লিগের শেষ ল্যাপে এসে এই জয় সিটিকে মানসিকভাবে কয়েক ধাপ এগিয়ে দিল, যা তাদের
টানা শিরোপা জয়ের পথকে আরও সুগম করল।

সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২০ এপ্রিল ২০২৬
ইতিহাদ
স্টেডিয়ামে প্রিমিয়ার লিগের ‘অঘোষিত ফাইনালে’ নাটকীয় জয় পেয়েছে ম্যানচেস্টার সিটি।
শিরোপাপ্রত্যাশী আর্সেনালকে ২-১ ব্যবধানে পরাজিত করে লিগ টেবিলের সমীকরণ নিজেদের নিয়ন্ত্রণে
নিয়েছে পেপ গার্দিওলার শিষ্যরা। এই জয়ের ফলে ৩৩ ম্যাচে ৭০ পয়েন্ট নিয়ে আর্সেনাল শীর্ষে
থাকলেও, এক ম্যাচ কম খেলে ৬৭ পয়েন্ট নিয়ে তাদের ঘাড়ে নিঃশ্বাস ফেলছে সিটি।
ম্যাচের
শুরু থেকেই আক্রমণ-পাল্টা আক্রমণে মুখর ছিল ইতিহাদ। সিটিজেনদের হয়ে প্রথম গোলটি করেন
তরুণ তুর্কি রায়ান শেরকি। অসাধারণ ড্রিবলিংয়ে গ্যাব্রিয়েল ও ডেকলান রাইসকে পরাস্ত করে
উইলিয়াম সালিবার দুই পায়ের মাঝ দিয়ে করা তাঁর গোলটি সমর্থকদের মনে করিয়ে দিয়েছে ফুটবল
জাদুকর লিওনেল মেসির শৈলী।
তবে
সিটির লিড বেশিক্ষণ স্থায়ী হতে দেননি কাই হাভার্টজ। গোলরক্ষক জিয়ানলুইজি দোন্নারুম্মার
মারাত্মক এক ভুলের সুযোগ নিয়ে ১৮ মিনিটে সমতা ফেরান এই জার্মান ফরোয়ার্ড। ৪৪১ দিন পর
প্রিমিয়ার লিগে এটিই হাভার্টজের প্রথম গোল।
দ্বিতীয়ার্ধে
গোলরক্ষক দোন্নারুম্মার দুর্দান্ত দুটি সেভ সিটিকে ম্যাচে টিকিয়ে রাখে। ৬৫ মিনিটে ম্যাচের
ভাগ্য গড়ে দেন সিটির গোলমেশিন আর্লিং হালান্ড। নিকো ও’রেইলি ও জেরেমি ডকুর সুসংগঠিত
আক্রমণ থেকে বল পেয়ে নিখুঁত ফিনিশিংয়ে জালের ঠিকানা খুঁজে নেন তিনি।
ম্যাচের
একটি দৃশ্য ফুটবল বিশ্বে দীর্ঘকাল আলোচিত হবে—হালান্ডকে আটকাতে গিয়ে আর্সেনাল ডিফেন্ডার
গ্যাব্রিয়েলের হাতে তাঁর জার্সির একটি অংশ ছিঁড়ে চলে আসে। বিশ্লেষকরা একে আর্সেনালের
হাত থেকে শিরোপা ফসকে যাওয়ার প্রতীকী ছবি হিসেবে দেখছেন।
ম্যাচের
শেষ মুহূর্তে কাই হাভার্টজ সমতা ফেরানোর সহজ সুযোগ নষ্ট করলে ডাগআউটে হাঁটু গেড়ে বসে
পড়েন আর্সেনাল বস মিকেল আরতেতা। ম্যাচ পরবর্তী প্রতিক্রিয়ায় তাঁর চোখেমুখে শিরোপা হারানোর
শঙ্কা স্পষ্ট ছিল।
আগামী
বুধবার বার্নলির বিপক্ষে জিতলেই গোল ব্যবধান ও পয়েন্টের বিচারে শীর্ষে উঠে আসবে ম্যানচেস্টার
সিটি। লিগের শেষ ল্যাপে এসে এই জয় সিটিকে মানসিকভাবে কয়েক ধাপ এগিয়ে দিল, যা তাদের
টানা শিরোপা জয়ের পথকে আরও সুগম করল।

আপনার মতামত লিখুন