দিকপাল

হরমুজের মাশুল এখন ইরানের কোষাগারে


স্বাধীন আহমেদ
স্বাধীন আহমেদ স্টাফ রিপোর্টার
প্রকাশ : বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬ | ০৬:৩১ পি এম | প্রিন্ট সংস্করণ | ফটো কার্ড

হরমুজের মাশুল এখন ইরানের কোষাগারে
ওমানের মুসান্দাম উপকূলসংলগ্ন হরমুজ প্রণালিতে জাহাজ ও তেলবাহী ট্যাংকার চলাচল করতে দেখা যাচ্ছে। ছবি: রয়টার্স

হরমুজ প্রণালি দিয়ে চলাচলকারী জাহাজের ওপর আরোপিত টোল থেকে পাওয়া প্রথম রাজস্ব ইতোমধ্যে কেন্দ্রীয় ব্যাংকে জমা করেছে ইরান। দেশটির পার্লামেন্টের ডেপুটি স্পিকার হামিদরেজা হাজি বাবাইয়ের বরাতে রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা তাসনিম নিউজ এজেন্সি এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।

তবে কীভাবে এই অর্থ সংগ্রহ করা হয়েছে কিংবা কোন কোন জাহাজ তা পরিশোধ করেছে — এসব প্রশ্নের জবাব এড়িয়ে গেছেন তিনি। বিবিসি জানিয়েছে, তারা স্বাধীনভাবে এই দাবির সত্যতা যাচাই করতে পারেনি।

যুদ্ধবিরতির আগে তেহরান জানিয়েছিল, কেবল 'বন্ধুসুলভ' দেশগুলোর জাহাজকেই প্রণালি ব্যবহারের সুযোগ দেওয়া হবে এবং টোল আদায়ের পরিকল্পনা রয়েছে। তবে নির্দিষ্ট অঙ্ক তখন প্রকাশ করা হয়নি। প্রসঙ্গত, মার্চের শেষ দিকে ভারতে ইরানের দূতাবাস জাহাজপ্রতি ২০ লাখ ডলার টোল আদায়ের অভিযোগ সরাসরি অস্বীকার করেছিল।

ইরানের জ্যেষ্ঠ সংসদ সদস্য আলিরেজা সালিমি বলেন, নির্ভরযোগ্য সূত্রে তিনি জানতে পেরেছেন, প্রণালি পারাপারকারী জাহাজ থেকে ফি আদায় হচ্ছে। তার মতে, জাহাজের ধরন, বাহিত পণ্যের পরিমাণ ও ঝুঁকির মাত্রাভেদে এই ফি নির্ধারিত হয় — আর সেই সিদ্ধান্তের ক্ষমতা পুরোপুরি তেহরানের হাতে।

এই পরিস্থিতিতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, হরমুজ ব্যবহারের বিনিময়ে যারা ইরানকে টোল পরিশোধ করবে, তাদের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নেওয়া হতে পারে।

আপনার মতামত লিখুন

দিকপাল

বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬


হরমুজের মাশুল এখন ইরানের কোষাগারে

প্রকাশের তারিখ : ২৩ এপ্রিল ২০২৬

featured Image

হরমুজ প্রণালি দিয়ে চলাচলকারী জাহাজের ওপর আরোপিত টোল থেকে পাওয়া প্রথম রাজস্ব ইতোমধ্যে কেন্দ্রীয় ব্যাংকে জমা করেছে ইরান। দেশটির পার্লামেন্টের ডেপুটি স্পিকার হামিদরেজা হাজি বাবাইয়ের বরাতে রাষ্ট্রীয় বার্তা সংস্থা তাসনিম নিউজ এজেন্সি এ তথ্য নিশ্চিত করেছে।

তবে কীভাবে এই অর্থ সংগ্রহ করা হয়েছে কিংবা কোন কোন জাহাজ তা পরিশোধ করেছে — এসব প্রশ্নের জবাব এড়িয়ে গেছেন তিনি। বিবিসি জানিয়েছে, তারা স্বাধীনভাবে এই দাবির সত্যতা যাচাই করতে পারেনি।

যুদ্ধবিরতির আগে তেহরান জানিয়েছিল, কেবল 'বন্ধুসুলভ' দেশগুলোর জাহাজকেই প্রণালি ব্যবহারের সুযোগ দেওয়া হবে এবং টোল আদায়ের পরিকল্পনা রয়েছে। তবে নির্দিষ্ট অঙ্ক তখন প্রকাশ করা হয়নি। প্রসঙ্গত, মার্চের শেষ দিকে ভারতে ইরানের দূতাবাস জাহাজপ্রতি ২০ লাখ ডলার টোল আদায়ের অভিযোগ সরাসরি অস্বীকার করেছিল।

ইরানের জ্যেষ্ঠ সংসদ সদস্য আলিরেজা সালিমি বলেন, নির্ভরযোগ্য সূত্রে তিনি জানতে পেরেছেন, প্রণালি পারাপারকারী জাহাজ থেকে ফি আদায় হচ্ছে। তার মতে, জাহাজের ধরন, বাহিত পণ্যের পরিমাণ ও ঝুঁকির মাত্রাভেদে এই ফি নির্ধারিত হয় — আর সেই সিদ্ধান্তের ক্ষমতা পুরোপুরি তেহরানের হাতে।

এই পরিস্থিতিতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প কঠোর হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেছেন, হরমুজ ব্যবহারের বিনিময়ে যারা ইরানকে টোল পরিশোধ করবে, তাদের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নেওয়া হতে পারে।



দিকপাল

প্রধান সম্পাদক: কাদির নোমান
সম্পাদক: আল জাবিরী
প্রকাশক: মু. আবদুর রহমান
কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত দিকপাল