দিকপাল

খাজনা ফাঁকির দিন শেষ, এক ইঞ্চিও ছাড় নেই : ভূমি প্রতিমন্ত্রী


স্বাধীন আহমেদ
স্বাধীন আহমেদ স্টাফ রিপোর্টার
প্রকাশ : বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬ | ০৬:৪৫ পি এম | প্রিন্ট সংস্করণ | ফটো কার্ড

খাজনা ফাঁকির দিন শেষ, এক ইঞ্চিও ছাড় নেই : ভূমি প্রতিমন্ত্রী

সরকারের এক ইঞ্চি জমির রাজস্ব ফাঁকি দেওয়ার কোনো সুযোগ নেই — কঠোর ভাষায় এ কথা জানিয়ে দিয়েছেন ভূমি প্রতিমন্ত্রী মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন। রাজস্ব বৃদ্ধি ও সরকারি জমি পুনরুদ্ধারকে বর্তমান সরকারের মূল অগ্রাধিকার হিসেবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, সরকারি জমি দখলে রেখে পার পাওয়ার দিন এখন শেষ।

বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) সচিবালয়ে তার দপ্তরে চা বাগান ব্যবস্থাপনা এবং গুচ্ছগ্রাম প্রকল্প-৩ বিষয়ক এক অবহিতকরণ সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে দেশের এক ইঞ্চি জমিও যাতে বেহাত না হয়, সেটি নিশ্চিত করা হবে। জমি জবরদখলে রেখে রাজস্ব না দেওয়ার প্রবণতা কোনোভাবেই সহ্য করা হবে না বলেও সাফ জানিয়ে দেন তিনি।

সভায় হবিগঞ্জের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) আবুল হাসেম পাওয়ারপয়েন্ট উপস্থাপনার মাধ্যমে জেলার চা বাগানগুলোর বিস্তারিত চিত্র তুলে ধরেন। এ সময় প্রতিমন্ত্রী তীক্ষ্ণ প্রশ্ন ছুড়ে দেন — বিগত ১৩ বছরে কেন এসব বাগান থেকে সরকার রাজস্ব পায়নি, তা খতিয়ে দেখার নির্দেশ দেন তিনি। যেসব প্রতিষ্ঠান এতদিন সরকারের পাওনা পরিশোধ করেনি, তাদের দ্রুত চিহ্নিত করে রাজস্ব আদায়ের ব্যবস্থা নিতে বলা হয়।

সভায় 'গুচ্ছগ্রাম প্রকল্প-৩'-এর অগ্রগতিও উপস্থাপন করা হয়। প্রায় ৭৬৩ কোটি টাকা ব্যয়ে ২০ হাজার ভূমিহীন পরিবারকে পুনর্বাসনের লক্ষ্যে প্রকল্পটি শিগগিরই একনেক সভায় উপস্থাপন করা হবে বলে জানানো হয়। সমতল, উপকূলীয় ও পার্বত্য অঞ্চলের জন্য আলাদা মডেলে ঘর নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে। প্রতিমন্ত্রী সতর্ক করে দেন, প্রকৃত সুবিধাভোগীরা যাতে কোনোভাবেই বঞ্চিত না হন, সেদিকে বিশেষ নজর রাখতে হবে।

আপনার মতামত লিখুন

দিকপাল

বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬


খাজনা ফাঁকির দিন শেষ, এক ইঞ্চিও ছাড় নেই : ভূমি প্রতিমন্ত্রী

প্রকাশের তারিখ : ২৩ এপ্রিল ২০২৬

featured Image

সরকারের এক ইঞ্চি জমির রাজস্ব ফাঁকি দেওয়ার কোনো সুযোগ নেই — কঠোর ভাষায় এ কথা জানিয়ে দিয়েছেন ভূমি প্রতিমন্ত্রী মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন। রাজস্ব বৃদ্ধি ও সরকারি জমি পুনরুদ্ধারকে বর্তমান সরকারের মূল অগ্রাধিকার হিসেবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, সরকারি জমি দখলে রেখে পার পাওয়ার দিন এখন শেষ।

বৃহস্পতিবার (২৩ এপ্রিল) সচিবালয়ে তার দপ্তরে চা বাগান ব্যবস্থাপনা এবং গুচ্ছগ্রাম প্রকল্প-৩ বিষয়ক এক অবহিতকরণ সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

প্রতিমন্ত্রী বলেন, প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে দেশের এক ইঞ্চি জমিও যাতে বেহাত না হয়, সেটি নিশ্চিত করা হবে। জমি জবরদখলে রেখে রাজস্ব না দেওয়ার প্রবণতা কোনোভাবেই সহ্য করা হবে না বলেও সাফ জানিয়ে দেন তিনি।

সভায় হবিগঞ্জের অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (রাজস্ব) আবুল হাসেম পাওয়ারপয়েন্ট উপস্থাপনার মাধ্যমে জেলার চা বাগানগুলোর বিস্তারিত চিত্র তুলে ধরেন। এ সময় প্রতিমন্ত্রী তীক্ষ্ণ প্রশ্ন ছুড়ে দেন — বিগত ১৩ বছরে কেন এসব বাগান থেকে সরকার রাজস্ব পায়নি, তা খতিয়ে দেখার নির্দেশ দেন তিনি। যেসব প্রতিষ্ঠান এতদিন সরকারের পাওনা পরিশোধ করেনি, তাদের দ্রুত চিহ্নিত করে রাজস্ব আদায়ের ব্যবস্থা নিতে বলা হয়।

সভায় 'গুচ্ছগ্রাম প্রকল্প-৩'-এর অগ্রগতিও উপস্থাপন করা হয়। প্রায় ৭৬৩ কোটি টাকা ব্যয়ে ২০ হাজার ভূমিহীন পরিবারকে পুনর্বাসনের লক্ষ্যে প্রকল্পটি শিগগিরই একনেক সভায় উপস্থাপন করা হবে বলে জানানো হয়। সমতল, উপকূলীয় ও পার্বত্য অঞ্চলের জন্য আলাদা মডেলে ঘর নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে। প্রতিমন্ত্রী সতর্ক করে দেন, প্রকৃত সুবিধাভোগীরা যাতে কোনোভাবেই বঞ্চিত না হন, সেদিকে বিশেষ নজর রাখতে হবে।


দিকপাল

প্রধান সম্পাদক: কাদির নোমান
সম্পাদক: আল জাবিরী
প্রকাশক: মু. আবদুর রহমান
কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত দিকপাল