দেশজুড়ে টানা চার দিনের অসহ্য দাবদাহের পর অবশেষে জনজীবনে স্বস্তির আভাস দিচ্ছে প্রকৃতি। আবহাওয়া অধিদপ্তরের সর্বশেষ পূর্বাভাস অনুযায়ী, আজ রোববার থেকেই দেশের তাপমাত্রা কিছুটা কমতে শুরু করতে পারে। একই সঙ্গে রংপুর, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের বেশ কিছু অঞ্চলে মাঝারি থেকে অতি ভারি বৃষ্টিপাতের জোরালো সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানিয়েছেন আবহাওয়াবিদরা। ভ্যাপসা গরম আর রোদের তেজ ছাপিয়ে বৃষ্টির এই পূর্বাভাস সাধারণ মানুষের মনে কিছুটা হলেও প্রশান্তি জাগিয়েছে।
জ্যেষ্ঠ আবহাওয়াবিদ ড. আবুল কালাম মল্লিক জানিয়েছেন, বর্তমানে ঢাকা ও খুলনাসহ দেশের প্রায় ২১টি জেলার ওপর দিয়ে মৃদু থেকে মাঝারি ধরনের তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে। তবে আজ থেকে এই তপ্ত পরিস্থিতি ধীরে ধীরে প্রশমিত হওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হবে। বিশেষ করে উত্তর ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলের জেলাগুলোতে বৃষ্টির দেখা মিললে গরমের তীব্রতা অনেকটাই কমে আসবে। আবহাওয়া অফিসের তথ্যমতে, বর্তমানে লঘুচাপের একটি বর্ধিতাংশ পশ্চিমবঙ্গ থেকে উত্তর বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে, যার প্রভাবে জলীয় বাষ্পের আধিক্য ও মেঘের সঞ্চার ঘটছে।
বর্তমানে খুলনা বিভাগের সব জেলাসহ ঢাকা, মাদারীপুর, রাজশাহী, পাবনা, পটুয়াখালী এবং পার্বত্য জেলা রাঙামাটি, বান্দরবান ও খাগড়াছড়ির মতো এলাকাগুলোতে তাপপ্রবাহ বিরাজ করছে। তবে আজ দুপুরের পর থেকে আবহাওয়ার ধরনে বড় পরিবর্তন আসতে পারে। রাজশাহী, খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের দু-এক জায়গায় অস্থায়ী দমকা হাওয়াসহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। এতে করে সারাদেশে দিনের তাপমাত্রা ১ থেকে ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত কমে আসতে পারে বলে আশা করা হচ্ছে, যদিও রাতের তাপমাত্রায় খুব একটা হেরফের হওয়ার সম্ভাবনা নেই।
গত ২৪ ঘণ্টার আবহাওয়া বিশ্লেষণে দেখা যায়, দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে রাজশাহীতে ৩৮ দশমিক ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল উত্তরের জনপদ তেঁতুলিয়ায় ২২ দশমিক ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস। রাজধানীতে বর্তমানে দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পশ্চিম দিক থেকে ঘণ্টায় ১০-১৫ কিলোমিটার বেগে বাতাস প্রবাহিত হচ্ছে, যেখানে বাতাসের আর্দ্রতা ছিল ৫৭ শতাংশ। মেঘের ঘনঘটা বাড়লে বিকেলের দিকেই পরিস্থিতির উন্নতি হতে পারে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

রোববার, ২৬ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৬ এপ্রিল ২০২৬
দেশজুড়ে টানা চার দিনের অসহ্য দাবদাহের পর অবশেষে জনজীবনে স্বস্তির আভাস দিচ্ছে প্রকৃতি। আবহাওয়া অধিদপ্তরের সর্বশেষ পূর্বাভাস অনুযায়ী, আজ রোববার থেকেই দেশের তাপমাত্রা কিছুটা কমতে শুরু করতে পারে। একই সঙ্গে রংপুর, ময়মনসিংহ ও সিলেট বিভাগের বেশ কিছু অঞ্চলে মাঝারি থেকে অতি ভারি বৃষ্টিপাতের জোরালো সম্ভাবনা রয়েছে বলে জানিয়েছেন আবহাওয়াবিদরা। ভ্যাপসা গরম আর রোদের তেজ ছাপিয়ে বৃষ্টির এই পূর্বাভাস সাধারণ মানুষের মনে কিছুটা হলেও প্রশান্তি জাগিয়েছে।
জ্যেষ্ঠ আবহাওয়াবিদ ড. আবুল কালাম মল্লিক জানিয়েছেন, বর্তমানে ঢাকা ও খুলনাসহ দেশের প্রায় ২১টি জেলার ওপর দিয়ে মৃদু থেকে মাঝারি ধরনের তাপপ্রবাহ বয়ে যাচ্ছে। তবে আজ থেকে এই তপ্ত পরিস্থিতি ধীরে ধীরে প্রশমিত হওয়ার প্রক্রিয়া শুরু হবে। বিশেষ করে উত্তর ও উত্তর-পূর্বাঞ্চলের জেলাগুলোতে বৃষ্টির দেখা মিললে গরমের তীব্রতা অনেকটাই কমে আসবে। আবহাওয়া অফিসের তথ্যমতে, বর্তমানে লঘুচাপের একটি বর্ধিতাংশ পশ্চিমবঙ্গ থেকে উত্তর বঙ্গোপসাগর পর্যন্ত বিস্তৃত রয়েছে, যার প্রভাবে জলীয় বাষ্পের আধিক্য ও মেঘের সঞ্চার ঘটছে।
বর্তমানে খুলনা বিভাগের সব জেলাসহ ঢাকা, মাদারীপুর, রাজশাহী, পাবনা, পটুয়াখালী এবং পার্বত্য জেলা রাঙামাটি, বান্দরবান ও খাগড়াছড়ির মতো এলাকাগুলোতে তাপপ্রবাহ বিরাজ করছে। তবে আজ দুপুরের পর থেকে আবহাওয়ার ধরনে বড় পরিবর্তন আসতে পারে। রাজশাহী, খুলনা, বরিশাল ও চট্টগ্রাম বিভাগের দু-এক জায়গায় অস্থায়ী দমকা হাওয়াসহ বৃষ্টির সম্ভাবনা রয়েছে। এতে করে সারাদেশে দিনের তাপমাত্রা ১ থেকে ২ ডিগ্রি সেলসিয়াস পর্যন্ত কমে আসতে পারে বলে আশা করা হচ্ছে, যদিও রাতের তাপমাত্রায় খুব একটা হেরফের হওয়ার সম্ভাবনা নেই।
গত ২৪ ঘণ্টার আবহাওয়া বিশ্লেষণে দেখা যায়, দেশের সর্বোচ্চ তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে রাজশাহীতে ৩৮ দশমিক ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস এবং সর্বনিম্ন তাপমাত্রা ছিল উত্তরের জনপদ তেঁতুলিয়ায় ২২ দশমিক ৩ ডিগ্রি সেলসিয়াস। রাজধানীতে বর্তমানে দক্ষিণ ও দক্ষিণ-পশ্চিম দিক থেকে ঘণ্টায় ১০-১৫ কিলোমিটার বেগে বাতাস প্রবাহিত হচ্ছে, যেখানে বাতাসের আর্দ্রতা ছিল ৫৭ শতাংশ। মেঘের ঘনঘটা বাড়লে বিকেলের দিকেই পরিস্থিতির উন্নতি হতে পারে বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা।

আপনার মতামত লিখুন