গাজীপুরের টঙ্গীর বনমালা এলাকায় এক মর্মান্তিক ও রহস্যজনক ঘটনায় বাবা ও ছেলের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। রোববার ভোরে নিজ ঘর থেকে ছেলের এবং বাড়ির অদূরে রেললাইন থেকে বাবার লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। একই পরিবারের দুই সদস্যের এমন অস্বাভাবিক ও ভিন্ন স্থানে মৃত্যুর ঘটনায় পুরো এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ও শোকের ছায়া নেমে এসেছে। এই ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নিহতের বড় ছেলেকে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে।
নিহতরা হলেন ৫২ বছর বয়সী মো. সোহেল হোসেন এবং তার ১৮ বছর বয়সী ছেলে সাকিব হোসেন। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সাকিবের নিথর দেহ ঘরের ভেতরে পড়ে থাকলেও তার বাবা সোহেলের মরদেহ পাওয়া যায় পাশের রেললাইনের ওপর। ঠিক কী কারণে এবং কোন পরিস্থিতিতে একই সময়ে দুজনের মৃত্যু হলো, তা নিয়ে এখনো বড় ধরনের ধোঁয়াশা কাটেনি।
টঙ্গী পূর্ব থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মেহেদী হাসান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, খবর পাওয়ার পরপরই পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ দুটি উদ্ধার করে। প্রাথমিক সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি শেষে ময়নাতদন্তের জন্য লাশগুলো মর্গে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে। তবে এটি হত্যা নাকি আত্মহত্যা, সে বিষয়ে পুলিশ এখনই নিশ্চিত করে কিছু জানাতে পারেনি। মৃত্যুর প্রকৃত কারণ উদঘাটনে বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
এদিকে ঘটনার নেপথ্যে কোনো পারিবারিক কলহ বা অন্য কোনো রহস্য নিহিত রয়েছে কি না, তা নিশ্চিত হতে সোহেল হোসেনের বড় ছেলে সোহান হোসেনকে (২৭) আটক করেছে পুলিশ। ওসির মতে, পুরো ঘটনাপ্রবাহই বেশ সন্দেহজনক। সাকিবের মৃত্যুর ধরন এবং রেললাইনে বাবার মৃতদেহ পাওয়ার বিষয়টি অনেক অমীমাংসিত প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে। জিজ্ঞাসাবাদের মাধ্যমে পুলিশ এই রহস্যের জট খোলার চেষ্টা চালাচ্ছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর এই তৎপরতার মধ্যেই পুরো এলাকায় এক থমথমে নীরবতা বিরাজ করছে।

রোববার, ২৬ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৬ এপ্রিল ২০২৬
গাজীপুরের টঙ্গীর বনমালা এলাকায় এক মর্মান্তিক ও রহস্যজনক ঘটনায় বাবা ও ছেলের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে। রোববার ভোরে নিজ ঘর থেকে ছেলের এবং বাড়ির অদূরে রেললাইন থেকে বাবার লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। একই পরিবারের দুই সদস্যের এমন অস্বাভাবিক ও ভিন্ন স্থানে মৃত্যুর ঘটনায় পুরো এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্য ও শোকের ছায়া নেমে এসেছে। এই ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য নিহতের বড় ছেলেকে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে।
নিহতরা হলেন ৫২ বছর বয়সী মো. সোহেল হোসেন এবং তার ১৮ বছর বয়সী ছেলে সাকিব হোসেন। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, সাকিবের নিথর দেহ ঘরের ভেতরে পড়ে থাকলেও তার বাবা সোহেলের মরদেহ পাওয়া যায় পাশের রেললাইনের ওপর। ঠিক কী কারণে এবং কোন পরিস্থিতিতে একই সময়ে দুজনের মৃত্যু হলো, তা নিয়ে এখনো বড় ধরনের ধোঁয়াশা কাটেনি।
টঙ্গী পূর্ব থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মেহেদী হাসান ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, খবর পাওয়ার পরপরই পুলিশ দ্রুত ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ দুটি উদ্ধার করে। প্রাথমিক সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি শেষে ময়নাতদন্তের জন্য লাশগুলো মর্গে পাঠানোর প্রক্রিয়া চলছে। তবে এটি হত্যা নাকি আত্মহত্যা, সে বিষয়ে পুলিশ এখনই নিশ্চিত করে কিছু জানাতে পারেনি। মৃত্যুর প্রকৃত কারণ উদঘাটনে বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বের সঙ্গে খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
এদিকে ঘটনার নেপথ্যে কোনো পারিবারিক কলহ বা অন্য কোনো রহস্য নিহিত রয়েছে কি না, তা নিশ্চিত হতে সোহেল হোসেনের বড় ছেলে সোহান হোসেনকে (২৭) আটক করেছে পুলিশ। ওসির মতে, পুরো ঘটনাপ্রবাহই বেশ সন্দেহজনক। সাকিবের মৃত্যুর ধরন এবং রেললাইনে বাবার মৃতদেহ পাওয়ার বিষয়টি অনেক অমীমাংসিত প্রশ্নের জন্ম দিয়েছে। জিজ্ঞাসাবাদের মাধ্যমে পুলিশ এই রহস্যের জট খোলার চেষ্টা চালাচ্ছে। আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর এই তৎপরতার মধ্যেই পুরো এলাকায় এক থমথমে নীরবতা বিরাজ করছে।

আপনার মতামত লিখুন