কুমিল্লার বিবিরবাজার স্থলবন্দরের সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তা বুলেট বৈরাগীকে নৃশংসভাবে হত্যার রহস্য উদঘাটন করেছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব)। সোমবার (২৭ এপ্রিল) এই হত্যাকাণ্ডে সরাসরি জড়িত পাঁচজনকে গ্রেফতারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন র্যাবের লিগ্যাল অ্যান্ড মিডিয়া উইংয়ের পরিচালক উইং কমান্ডার এম জেড এম ইন্তেখাব চৌধুরী। বিসিএস ৪১তম ব্যাচের (নন-ক্যাডার) এই কর্মকর্তার মর্মান্তিক মৃত্যুতে কাস্টমস বিভাগসহ সচেতন মহলে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। দুপুরে কারওয়ান বাজারস্থ র্যাব মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এই অভিযান ও গ্রেফতারকৃতদের বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করার কথা জানানো হয়েছে।
নিহত বুলেট বৈরাগী গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়া উপজেলার ডুমুরিয়া গ্রামের সুশীল বৈরাগীর ছেলে। পেশাগত কারণে তিনি পরিবার নিয়ে কুমিল্লা নগরীর রাজগঞ্জ এলাকায় বসবাস করতেন। জানা গেছে, চট্টগ্রামে ৪৪তম বিসিএস বুনিয়াদি প্রশিক্ষণে অংশ নিতে গত ১১ এপ্রিল তিনি সেখানে গিয়েছিলেন। প্রশিক্ষণ শেষে গত শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) রাত ১১টার দিকে চট্টগ্রামের অলঙ্কার মোড় থেকে বাসে করে তিনি কুমিল্লার উদ্দেশ্যে রওনা হন। পথিমধ্যে পরিবারের সঙ্গে তার নিয়মিত যোগাযোগ ছিল এবং সর্বশেষ রাত ১টা ২৫ মিনিটে ফোনে তিনি কুমিল্লা নগরীর টমছমব্রিজ এলাকায় পৌঁছানোর কথা জানান। কিন্তু এরপর থেকেই রহস্যজনকভাবে তার মোবাইল ফোনটি বন্ধ হয়ে যায় এবং পরিবারের সঙ্গে সব ধরনের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে।
নিখোঁজ হওয়ার কয়েক ঘণ্টা পর অর্থাৎ শনিবার (২৫ এপ্রিল) সকাল ৮টার দিকে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের কুমিল্লার কোটবাড়ি সংলগ্ন আইরিশ হোটেলের পাশ থেকে তার রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার করে হাইওয়ে পুলিশ। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, সড়কের পাশে নিথর দেহ পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয়রা খবর দিলে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, টমছমব্রিজ থেকে গন্তব্যে ফেরার পথেই দুর্বৃত্তদের কবলে পড়েন তিনি। ঘটনার পর থেকেই র্যাব ও পুলিশের একাধিক টিম ছায়া তদন্ত শুরু করে, যার ধারাবাহিকতায় এই পাঁচজনকে আইনের আওতায় আনা সম্ভব হলো। মেধাবী এই কর্মকর্তার অকাল মৃত্যুতে তার পরিবার ও সহকর্মীদের মাঝে এখন শুধু ন্যায়বিচারের অপেক্ষা।
তথ্যসূত্র: র্যাব সদর দপ্তর ও কাস্টমস কর্তৃপক্ষ।

সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৭ এপ্রিল ২০২৬
কুমিল্লার বিবিরবাজার স্থলবন্দরের সহকারী রাজস্ব কর্মকর্তা বুলেট বৈরাগীকে নৃশংসভাবে হত্যার রহস্য উদঘাটন করেছে র্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র্যাব)। সোমবার (২৭ এপ্রিল) এই হত্যাকাণ্ডে সরাসরি জড়িত পাঁচজনকে গ্রেফতারের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন র্যাবের লিগ্যাল অ্যান্ড মিডিয়া উইংয়ের পরিচালক উইং কমান্ডার এম জেড এম ইন্তেখাব চৌধুরী। বিসিএস ৪১তম ব্যাচের (নন-ক্যাডার) এই কর্মকর্তার মর্মান্তিক মৃত্যুতে কাস্টমস বিভাগসহ সচেতন মহলে শোকের ছায়া নেমে এসেছে। দুপুরে কারওয়ান বাজারস্থ র্যাব মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে এই অভিযান ও গ্রেফতারকৃতদের বিষয়ে বিস্তারিত তথ্য প্রকাশ করার কথা জানানো হয়েছে।
নিহত বুলেট বৈরাগী গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়া উপজেলার ডুমুরিয়া গ্রামের সুশীল বৈরাগীর ছেলে। পেশাগত কারণে তিনি পরিবার নিয়ে কুমিল্লা নগরীর রাজগঞ্জ এলাকায় বসবাস করতেন। জানা গেছে, চট্টগ্রামে ৪৪তম বিসিএস বুনিয়াদি প্রশিক্ষণে অংশ নিতে গত ১১ এপ্রিল তিনি সেখানে গিয়েছিলেন। প্রশিক্ষণ শেষে গত শুক্রবার (২৪ এপ্রিল) রাত ১১টার দিকে চট্টগ্রামের অলঙ্কার মোড় থেকে বাসে করে তিনি কুমিল্লার উদ্দেশ্যে রওনা হন। পথিমধ্যে পরিবারের সঙ্গে তার নিয়মিত যোগাযোগ ছিল এবং সর্বশেষ রাত ১টা ২৫ মিনিটে ফোনে তিনি কুমিল্লা নগরীর টমছমব্রিজ এলাকায় পৌঁছানোর কথা জানান। কিন্তু এরপর থেকেই রহস্যজনকভাবে তার মোবাইল ফোনটি বন্ধ হয়ে যায় এবং পরিবারের সঙ্গে সব ধরনের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ে।
নিখোঁজ হওয়ার কয়েক ঘণ্টা পর অর্থাৎ শনিবার (২৫ এপ্রিল) সকাল ৮টার দিকে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের কুমিল্লার কোটবাড়ি সংলগ্ন আইরিশ হোটেলের পাশ থেকে তার রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার করে হাইওয়ে পুলিশ। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, সড়কের পাশে নিথর দেহ পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয়রা খবর দিলে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী দ্রুত ঘটনাস্থলে পৌঁছায়। প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে, টমছমব্রিজ থেকে গন্তব্যে ফেরার পথেই দুর্বৃত্তদের কবলে পড়েন তিনি। ঘটনার পর থেকেই র্যাব ও পুলিশের একাধিক টিম ছায়া তদন্ত শুরু করে, যার ধারাবাহিকতায় এই পাঁচজনকে আইনের আওতায় আনা সম্ভব হলো। মেধাবী এই কর্মকর্তার অকাল মৃত্যুতে তার পরিবার ও সহকর্মীদের মাঝে এখন শুধু ন্যায়বিচারের অপেক্ষা।
তথ্যসূত্র: র্যাব সদর দপ্তর ও কাস্টমস কর্তৃপক্ষ।

আপনার মতামত লিখুন