গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ, সাঘাটা ও ফুলছড়ি উপজেলায় রোববার বিকেলে কালবৈশাখী ঝড়ের সময় বজ্রপাতে পাঁচজনের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। এই প্রাকৃতিক দুর্যোগে অন্তত একজন গুরুতর আহত হওয়ার পাশাপাশি বেশ কিছু গবাদিপশুরও প্রাণহানি ঘটেছে। সবচেয়ে বড় দুর্ঘটনাটি ঘটেছে সুন্দরগঞ্জ উপজেলার ধোপাডাঙ্গা ইউনিয়নের দক্ষিণ ধোপাডাঙ্গা গ্রামে, যেখানে একসঙ্গে তিন তরুণের প্রাণহানি ঘটে। নিহতরা হলেন—সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর আলম সুজা চৌধুরীর ছেলে ফুয়াদ হাসান চৌধুরী (২২), আল মোজাহিদ চৌধুরীর ছেলে রাফি চৌধুরী (১০) এবং নবীর হোসেনের ছেলে এসএসসি পরীক্ষার্থী মিজানুর রহমান (১৬)। ফুয়াদ ও রাফি সম্পর্কে আপন চাচাতো ভাই।
স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, সুন্দরগঞ্জের ধোপাডাঙ্গায় ওই তিন তরুণ বিকেলে বাড়ির উঠানে আড্ডা দেওয়ার সময় হঠাৎ বৃষ্টি শুরু হলে তারা পাশের একটি টিনের ঘরে আশ্রয় নেন। ঠিক সেই মুহূর্তে বজ্রপাত হলে ঘটনাস্থলেই তাদের মৃত্যু হয়। এই ঘটনায় আহত শাহীন মিয়া নামে আরও একজনকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় গাইবান্ধা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এদিকে ফুলছড়ি ও সাঘাটা উপজেলায় ঘটেছে পৃথক দুটি প্রাণহানির ঘটনা। ফুলছড়ির জামিরা চর গ্রামে ঘোড়ার গাড়িতে খড় পরিবহন করার সময় বজ্রপাতে মানিক প্রামানিক (৩৫) নামে এক ব্যক্তি ও তার ঘোড়াটি মারা যায়। অন্যদিকে, সাঘাটার হেলেঞ্চা গ্রামে মাঠ থেকে ছাগল আনতে গিয়ে বজ্রপাতের শিকার হয়ে প্রাণ হারান বৃদ্ধ নম্বার আলী (৬০)। আকস্মিক এই দুর্যোগে জেলাজুড়ে এখন গভীর শোকের ছায়া বিরাজ করছে।

সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৭ এপ্রিল ২০২৬
গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ, সাঘাটা ও ফুলছড়ি উপজেলায় রোববার বিকেলে কালবৈশাখী ঝড়ের সময় বজ্রপাতে পাঁচজনের মর্মান্তিক মৃত্যু হয়েছে। এই প্রাকৃতিক দুর্যোগে অন্তত একজন গুরুতর আহত হওয়ার পাশাপাশি বেশ কিছু গবাদিপশুরও প্রাণহানি ঘটেছে। সবচেয়ে বড় দুর্ঘটনাটি ঘটেছে সুন্দরগঞ্জ উপজেলার ধোপাডাঙ্গা ইউনিয়নের দক্ষিণ ধোপাডাঙ্গা গ্রামে, যেখানে একসঙ্গে তিন তরুণের প্রাণহানি ঘটে। নিহতরা হলেন—সাবেক ইউপি চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর আলম সুজা চৌধুরীর ছেলে ফুয়াদ হাসান চৌধুরী (২২), আল মোজাহিদ চৌধুরীর ছেলে রাফি চৌধুরী (১০) এবং নবীর হোসেনের ছেলে এসএসসি পরীক্ষার্থী মিজানুর রহমান (১৬)। ফুয়াদ ও রাফি সম্পর্কে আপন চাচাতো ভাই।
স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, সুন্দরগঞ্জের ধোপাডাঙ্গায় ওই তিন তরুণ বিকেলে বাড়ির উঠানে আড্ডা দেওয়ার সময় হঠাৎ বৃষ্টি শুরু হলে তারা পাশের একটি টিনের ঘরে আশ্রয় নেন। ঠিক সেই মুহূর্তে বজ্রপাত হলে ঘটনাস্থলেই তাদের মৃত্যু হয়। এই ঘটনায় আহত শাহীন মিয়া নামে আরও একজনকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় গাইবান্ধা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। এদিকে ফুলছড়ি ও সাঘাটা উপজেলায় ঘটেছে পৃথক দুটি প্রাণহানির ঘটনা। ফুলছড়ির জামিরা চর গ্রামে ঘোড়ার গাড়িতে খড় পরিবহন করার সময় বজ্রপাতে মানিক প্রামানিক (৩৫) নামে এক ব্যক্তি ও তার ঘোড়াটি মারা যায়। অন্যদিকে, সাঘাটার হেলেঞ্চা গ্রামে মাঠ থেকে ছাগল আনতে গিয়ে বজ্রপাতের শিকার হয়ে প্রাণ হারান বৃদ্ধ নম্বার আলী (৬০)। আকস্মিক এই দুর্যোগে জেলাজুড়ে এখন গভীর শোকের ছায়া বিরাজ করছে।

আপনার মতামত লিখুন