দেশের
গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় সম্ভাব্য জঙ্গি হামলার আশঙ্কায় ঢাকার হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরসহ সারা দেশের আটটি বিমানবন্দরে নিরাপত্তাব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। আজ সোমবার
সাংবাদিকদের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (বেবিচক) চেয়ারম্যান এয়ার ভাইস মার্শাল মোস্তফা মাহমুদ সিদ্দিক এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
বেবিচক চেয়ারম্যান জানান, পুলিশ সদর দপ্তরের এক চিঠির পরিপ্রেক্ষিতে এই সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, "বিমানবন্দরগুলো রাষ্ট্রীয় গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা (কেপিআই) হওয়ায় এগুলো সব সময় কঠোর নিরাপত্তাবলয়ে থাকে। তবে সুনির্দিষ্ট গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে নিরাপত্তা আরও বাড়ানো হয়েছে। এটি আমাদের নিয়মিত নিরাপত্তা কার্যক্রমেরই অংশ।"
গত
বৃহস্পতিবার পুলিশ সদর দপ্তর থেকে একটি সতর্কবার্তা পাঠানো হয়। সেখানে
বলা হয়, নিষিদ্ধঘোষিত একটি উগ্রবাদী সংগঠনের সদস্যরা জাতীয় সংসদ ভবনসহ দেশের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় নাশকতামূলক হামলা চালাতে পারে। এই আশঙ্কার
কথা মাথায় রেখেই দেশের সব সচল বিমানবন্দরে বাড়তি সতর্কতা অবলম্বন করা হচ্ছে।
বাংলাদেশে
বর্তমানে তিনটি আন্তর্জাতিক (ঢাকা, চট্টগ্রাম ও সিলেট) এবং
পাঁচটি অভ্যন্তরীণসহ মোট আটটি বিমানবন্দর সচল রয়েছে। এসব বিমানবন্দরে
বেবিচকের নিজস্ব এভিয়েশন সিকিউরিটি (এভসেক) বাহিনীর পাশাপাশি আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন (এপিবিএন), বিভিন্ন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী এবং গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যরা সার্বক্ষণিক দায়িত্ব পালন করছেন।
সংশ্লিষ্ট
কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, যাত্রী সাধারণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং যেকোনো ধরনের অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে বিমানবন্দর এলাকাগুলোতে নজরদারি কয়েক গুণ বাড়ানো হয়েছে।
তথ্যসূত্র:
বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (বেবিচক) ও পুলিশ সদর
দপ্তর।

সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৭ এপ্রিল ২০২৬
দেশের
গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় সম্ভাব্য জঙ্গি হামলার আশঙ্কায় ঢাকার হজরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরসহ সারা দেশের আটটি বিমানবন্দরে নিরাপত্তাব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। আজ সোমবার
সাংবাদিকদের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষের (বেবিচক) চেয়ারম্যান এয়ার ভাইস মার্শাল মোস্তফা মাহমুদ সিদ্দিক এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
বেবিচক
চেয়ারম্যান জানান, পুলিশ সদর দপ্তরের এক চিঠির পরিপ্রেক্ষিতে এই সতর্কতামূলক ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন,
"বিমানবন্দরগুলো
রাষ্ট্রীয় গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা (কেপিআই) হওয়ায় এগুলো সব সময় কঠোর নিরাপত্তাবলয়ে থাকে। তবে সুনির্দিষ্ট
গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে নিরাপত্তা আরও বাড়ানো হয়েছে। এটি আমাদের
নিয়মিত নিরাপত্তা কার্যক্রমেরই অংশ।"
গত
বৃহস্পতিবার পুলিশ সদর দপ্তর থেকে একটি সতর্কবার্তা পাঠানো হয়। সেখানে
বলা হয়, নিষিদ্ধঘোষিত একটি উগ্রবাদী সংগঠনের সদস্যরা জাতীয় সংসদ ভবনসহ দেশের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনায় নাশকতামূলক হামলা চালাতে পারে। এই আশঙ্কার
কথা মাথায় রেখেই দেশের সব সচল বিমানবন্দরে বাড়তি সতর্কতা অবলম্বন করা হচ্ছে।
বাংলাদেশে
বর্তমানে তিনটি আন্তর্জাতিক (ঢাকা, চট্টগ্রাম ও সিলেট) এবং
পাঁচটি অভ্যন্তরীণসহ মোট আটটি বিমানবন্দর সচল রয়েছে। এসব বিমানবন্দরে
বেবিচকের নিজস্ব এভিয়েশন সিকিউরিটি (এভসেক) বাহিনীর পাশাপাশি আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন (এপিবিএন), বিভিন্ন আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী এবং গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যরা সার্বক্ষণিক দায়িত্ব পালন করছেন।
সংশ্লিষ্ট
কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, যাত্রী সাধারণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং যেকোনো ধরনের অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে বিমানবন্দর এলাকাগুলোতে নজরদারি কয়েক গুণ বাড়ানো হয়েছে।
তথ্যসূত্র:
বেসামরিক বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ (বেবিচক) ও পুলিশ সদর
দপ্তর।

আপনার মতামত লিখুন