মধ্যপ্রাচ্যের উত্তপ্ত ভূ-রাজনৈতিক পরিস্থিতির মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলি বাহিনীর বিরুদ্ধে এক রহস্যময় ও শক্তিশালী মরণাস্ত্র ব্যবহারের কড়া হুঁশিয়ারি দিয়েছে ইরান। দেশটির নৌবাহিনীর কমান্ডার রিয়ার অ্যাডমিরাল শাহরাম ইরানি দাবি করেছেন, খুব শিগগিরই প্রতিপক্ষ এমন এক নতুন অস্ত্রের মুখোমুখি হতে যাচ্ছে, যা তাদের মধ্যে চরম আতঙ্ক সৃষ্টি করবে। রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম প্রেস টিভিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি অত্যন্ত আক্রমণাত্মক সুরে বলেন, "অস্ত্রটি তাদের খুব কাছেই অবস্থান করছে এবং আমি আশা করি এটি দেখার পর তারা 'হার্ট অ্যাটাক' করবে না।" ইরানের এই মন্তব্য ওয়াশিংটন ও তেল আবিবের সামরিক মহলে নতুন করে উদ্বেগের জন্ম দিয়েছে।
এই হুঁশিয়ারি এমন এক সময়ে এলো যখন হোয়াইট হাউস ইরানের একটি বিশেষ প্রস্তাব সরাসরি প্রত্যাখ্যান করেছে। তেহরানের পক্ষ থেকে হরমুজ প্রণালি পুনরায় সচল করে দেওয়ার বিনিময়ে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা শিথিলের প্রস্তাব দেওয়া হলেও ওয়াশিংটন তা নাকচ করে ওই অঞ্চলে নৌ-অবরোধ অব্যাহত রাখার ঘোষণা দেয়। যুক্তরাষ্ট্রের এই কঠোর অবস্থানের প্রতিক্রিয়ায় শাহরাম ইরানি ব্যঙ্গ করে বলেন, অর্থনৈতিক চাপের মাধ্যমে ইরানকে আলোচনার টেবিলে বাধ্য করার যে কৌশল যুক্তরাষ্ট্র নিচ্ছে, তা বর্তমানে বিশ্বের বিভিন্ন সামরিক একাডেমিতে স্রেফ 'রসিকতায়' পরিণত হয়েছে। তিনি মনে করেন, ওয়াশিংটনের এই মান্ধাতা আমলের নীতি ইরানের সামরিক সক্ষমতার কাছে নতি স্বীকার করতে বাধ্য হবে।
সামরিক সাফল্যের খতিয়ান তুলে ধরে ইরান আরও দাবি করেছে যে, তাদের বাহিনী মার্কিন বিমানবাহী রণতরী 'ইউএসএস আব্রাহাম লিংকন'-এর ওপর অন্তত সাতবার সফল ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে। এসব হামলার কারণে একটি নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত ওই রণতরী থেকে কোনো বিমান উড্ডয়ন বা সামরিক অভিযান পরিচালনা করা যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষে অসম্ভব হয়ে পড়েছিল। ইরান আরও স্পষ্ট করেছে যে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ সামরিক তৎপরতা শুরু হওয়ার পর থেকে তারা মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন স্পর্শকাতর মার্কিন ও ইসরায়েলি লক্ষ্যবস্তুতে অন্তত ১০০ বার পাল্টা আক্রমণ চালিয়েছে। এই ধারাবাহিক সংঘাত ও নতুন অস্ত্রের হুমকি এই অঞ্চলে এক ভয়াবহ যুদ্ধের ইঙ্গিত দিচ্ছে।
তথ্যসূত্র: প্রেস টিভি (ইরান) ও আন্তর্জাতিক সামরিক সংবাদ সংস্থা।

বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩০ এপ্রিল ২০২৬
মধ্যপ্রাচ্যের উত্তপ্ত ভূ-রাজনৈতিক পরিস্থিতির মধ্যে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলি বাহিনীর বিরুদ্ধে এক রহস্যময় ও শক্তিশালী মরণাস্ত্র ব্যবহারের কড়া হুঁশিয়ারি দিয়েছে ইরান। দেশটির নৌবাহিনীর কমান্ডার রিয়ার অ্যাডমিরাল শাহরাম ইরানি দাবি করেছেন, খুব শিগগিরই প্রতিপক্ষ এমন এক নতুন অস্ত্রের মুখোমুখি হতে যাচ্ছে, যা তাদের মধ্যে চরম আতঙ্ক সৃষ্টি করবে। রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম প্রেস টিভিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি অত্যন্ত আক্রমণাত্মক সুরে বলেন, "অস্ত্রটি তাদের খুব কাছেই অবস্থান করছে এবং আমি আশা করি এটি দেখার পর তারা 'হার্ট অ্যাটাক' করবে না।" ইরানের এই মন্তব্য ওয়াশিংটন ও তেল আবিবের সামরিক মহলে নতুন করে উদ্বেগের জন্ম দিয়েছে।
এই হুঁশিয়ারি এমন এক সময়ে এলো যখন হোয়াইট হাউস ইরানের একটি বিশেষ প্রস্তাব সরাসরি প্রত্যাখ্যান করেছে। তেহরানের পক্ষ থেকে হরমুজ প্রণালি পুনরায় সচল করে দেওয়ার বিনিময়ে মার্কিন নিষেধাজ্ঞা শিথিলের প্রস্তাব দেওয়া হলেও ওয়াশিংটন তা নাকচ করে ওই অঞ্চলে নৌ-অবরোধ অব্যাহত রাখার ঘোষণা দেয়। যুক্তরাষ্ট্রের এই কঠোর অবস্থানের প্রতিক্রিয়ায় শাহরাম ইরানি ব্যঙ্গ করে বলেন, অর্থনৈতিক চাপের মাধ্যমে ইরানকে আলোচনার টেবিলে বাধ্য করার যে কৌশল যুক্তরাষ্ট্র নিচ্ছে, তা বর্তমানে বিশ্বের বিভিন্ন সামরিক একাডেমিতে স্রেফ 'রসিকতায়' পরিণত হয়েছে। তিনি মনে করেন, ওয়াশিংটনের এই মান্ধাতা আমলের নীতি ইরানের সামরিক সক্ষমতার কাছে নতি স্বীকার করতে বাধ্য হবে।
সামরিক সাফল্যের খতিয়ান তুলে ধরে ইরান আরও দাবি করেছে যে, তাদের বাহিনী মার্কিন বিমানবাহী রণতরী 'ইউএসএস আব্রাহাম লিংকন'-এর ওপর অন্তত সাতবার সফল ক্ষেপণাস্ত্র হামলা চালিয়েছে। এসব হামলার কারণে একটি নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত ওই রণতরী থেকে কোনো বিমান উড্ডয়ন বা সামরিক অভিযান পরিচালনা করা যুক্তরাষ্ট্রের পক্ষে অসম্ভব হয়ে পড়েছিল। ইরান আরও স্পষ্ট করেছে যে, যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের যৌথ সামরিক তৎপরতা শুরু হওয়ার পর থেকে তারা মধ্যপ্রাচ্যের বিভিন্ন স্পর্শকাতর মার্কিন ও ইসরায়েলি লক্ষ্যবস্তুতে অন্তত ১০০ বার পাল্টা আক্রমণ চালিয়েছে। এই ধারাবাহিক সংঘাত ও নতুন অস্ত্রের হুমকি এই অঞ্চলে এক ভয়াবহ যুদ্ধের ইঙ্গিত দিচ্ছে।
তথ্যসূত্র: প্রেস টিভি (ইরান) ও আন্তর্জাতিক সামরিক সংবাদ সংস্থা।

আপনার মতামত লিখুন