ইরানের নৌবাহিনীর কমান্ডার রিয়ার অ্যাডমিরাল শাহরাম ইরানি এক প্রচ্ছন্ন হুঁশিয়ারিতে জানিয়েছেন যে, তাঁর দেশ খুব শিগগিরই এমন এক অত্যাধুনিক অস্ত্র জনসমক্ষে আনতে যাচ্ছে যা দেখে শত্রুপক্ষ আক্ষরিক অর্থেই ‘হার্ট অ্যাটাক’ করবে। বুধবার রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম প্রেস টিভিতে দেওয়া এক বক্তব্যে তিনি দাবি করেন, ইরানের বিরুদ্ধে সাম্প্রতিক উসকানিহীন আগ্রাসনের মাধ্যমে শত্রুরা দ্রুত ফল পাওয়ার যে পরিকল্পনা করেছিল, তা এখন সামরিক একাডেমিগুলোতে স্রেফ হাস্যরসের বিষয়ে পরিণত হয়েছে। কমান্ডার ইরানি আরও উল্লেখ করেন, মার্কিন বিমানবাহী রণতরী আব্রাহাম লিংকনের ওপর চালানো অন্তত সাতটি ক্ষেপণাস্ত্র হামলার ফলে ওয়াশিংটন নির্দিষ্ট সময়ের জন্য সেখান থেকে কোনো আকাশ অভিযান পরিচালনা করতে সক্ষম হয়নি।
চলমান এই উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে কমান্ডার জানান, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হওয়া আগ্রাসনের জবাবে ইরানের সশস্ত্র বাহিনী পশ্চিম এশিয়ায় মার্কিন ও ইসরায়েলি সংবেদনশীল লক্ষ্যবস্তুগুলোতে অন্তত ১০০ বার সফল পাল্টা আঘাত হেনেছে। তাঁর মতে, যুক্তরাষ্ট্র তাদের নৌ ইউনিট থেকে ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করার পর আরও অতিরিক্ত ডেস্ট্রয়ার মোতায়েন করতে বাধ্য হলেও বর্তমানে তারা এক চরম অচলাবস্থার মধ্যে রয়েছে। ওয়াশিংটনের অবরোধের পাল্টা ব্যবস্থা হিসেবে তেহরান কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালিটি শত্রু ও তাদের মিত্রদের জাহাজের জন্য বন্ধ করে দিয়েছে এবং এখন এই পথে জাহাজ চলাচল পুরোপুরি ইরানি কর্তৃপক্ষের অনুমতির ওপর নির্ভরশীল। কমান্ডার সতর্ক করে দিয়েছেন যে, আরব সাগরের দিক থেকেও এই পথ রুদ্ধ করা হয়েছে এবং শত্রুরা কাছাকাছি আসার চেষ্টা করলে কোনো বিলম্ব ছাড়াই কঠোর সামরিক পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
বক্তব্যের এক পর্যায়ে মার্কিন বাহিনীর কঠোর সমালোচনা করে শাহরাম ইরানি ইরানি জাহাজ ও নাবিকদের জব্দ করার বিষয়টিকে ‘জলদস্যুতা’ হিসেবে আখ্যা দিয়েছেন। তিনি মার্কিনীদের সোমালি জলদস্যুদের চেয়েও নিকৃষ্ট হিসেবে উল্লেখ করে বলেন যে, তারা নাবিক ও তাঁদের পরিবারকে জিম্মি করে রেখেছে। সবশেষে কমান্ডার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন যে, দেশের শহীদদের রক্তের প্রতিশোধ নিতে ইসলামি প্রজাতন্ত্রের সশস্ত্র বাহিনী শেষ বিন্দু পর্যন্ত লড়াই করতে শপথবদ্ধ এবং তারা শত্রুদের ওপর এমন ভয়াবহ আঘাত হানবে যা তাদের চরম অনুশোচনায় ফেলবে।
সূত্র: প্রেস টিভি (ইরান)

বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩০ এপ্রিল ২০২৬
ইরানের নৌবাহিনীর কমান্ডার রিয়ার অ্যাডমিরাল শাহরাম ইরানি এক প্রচ্ছন্ন হুঁশিয়ারিতে জানিয়েছেন যে, তাঁর দেশ খুব শিগগিরই এমন এক অত্যাধুনিক অস্ত্র জনসমক্ষে আনতে যাচ্ছে যা দেখে শত্রুপক্ষ আক্ষরিক অর্থেই ‘হার্ট অ্যাটাক’ করবে। বুধবার রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম প্রেস টিভিতে দেওয়া এক বক্তব্যে তিনি দাবি করেন, ইরানের বিরুদ্ধে সাম্প্রতিক উসকানিহীন আগ্রাসনের মাধ্যমে শত্রুরা দ্রুত ফল পাওয়ার যে পরিকল্পনা করেছিল, তা এখন সামরিক একাডেমিগুলোতে স্রেফ হাস্যরসের বিষয়ে পরিণত হয়েছে। কমান্ডার ইরানি আরও উল্লেখ করেন, মার্কিন বিমানবাহী রণতরী আব্রাহাম লিংকনের ওপর চালানো অন্তত সাতটি ক্ষেপণাস্ত্র হামলার ফলে ওয়াশিংটন নির্দিষ্ট সময়ের জন্য সেখান থেকে কোনো আকাশ অভিযান পরিচালনা করতে সক্ষম হয়নি।
চলমান এই উত্তেজনার প্রেক্ষাপটে কমান্ডার জানান, গত ২৮ ফেব্রুয়ারি থেকে শুরু হওয়া আগ্রাসনের জবাবে ইরানের সশস্ত্র বাহিনী পশ্চিম এশিয়ায় মার্কিন ও ইসরায়েলি সংবেদনশীল লক্ষ্যবস্তুগুলোতে অন্তত ১০০ বার সফল পাল্টা আঘাত হেনেছে। তাঁর মতে, যুক্তরাষ্ট্র তাদের নৌ ইউনিট থেকে ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করার পর আরও অতিরিক্ত ডেস্ট্রয়ার মোতায়েন করতে বাধ্য হলেও বর্তমানে তারা এক চরম অচলাবস্থার মধ্যে রয়েছে। ওয়াশিংটনের অবরোধের পাল্টা ব্যবস্থা হিসেবে তেহরান কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালিটি শত্রু ও তাদের মিত্রদের জাহাজের জন্য বন্ধ করে দিয়েছে এবং এখন এই পথে জাহাজ চলাচল পুরোপুরি ইরানি কর্তৃপক্ষের অনুমতির ওপর নির্ভরশীল। কমান্ডার সতর্ক করে দিয়েছেন যে, আরব সাগরের দিক থেকেও এই পথ রুদ্ধ করা হয়েছে এবং শত্রুরা কাছাকাছি আসার চেষ্টা করলে কোনো বিলম্ব ছাড়াই কঠোর সামরিক পদক্ষেপ নেওয়া হবে।
বক্তব্যের এক পর্যায়ে মার্কিন বাহিনীর কঠোর সমালোচনা করে শাহরাম ইরানি ইরানি জাহাজ ও নাবিকদের জব্দ করার বিষয়টিকে ‘জলদস্যুতা’ হিসেবে আখ্যা দিয়েছেন। তিনি মার্কিনীদের সোমালি জলদস্যুদের চেয়েও নিকৃষ্ট হিসেবে উল্লেখ করে বলেন যে, তারা নাবিক ও তাঁদের পরিবারকে জিম্মি করে রেখেছে। সবশেষে কমান্ডার দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন যে, দেশের শহীদদের রক্তের প্রতিশোধ নিতে ইসলামি প্রজাতন্ত্রের সশস্ত্র বাহিনী শেষ বিন্দু পর্যন্ত লড়াই করতে শপথবদ্ধ এবং তারা শত্রুদের ওপর এমন ভয়াবহ আঘাত হানবে যা তাদের চরম অনুশোচনায় ফেলবে।
সূত্র: প্রেস টিভি (ইরান)

আপনার মতামত লিখুন