দিকপাল

বিশ্ববাজারে পণ্যের দাম ১৬ শতাংশ বাড়ার পূর্বাভাস দিল বিশ্বব্যাংক


স্বাধীন আহমেদ
স্বাধীন আহমেদ স্টাফ রিপোর্টার
প্রকাশ : বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬ | ০৬:১৬ পি এম | প্রিন্ট সংস্করণ | ফটো কার্ড

বিশ্ববাজারে পণ্যের দাম ১৬ শতাংশ বাড়ার পূর্বাভাস দিল বিশ্বব্যাংক

মধ্যপ্রাচ্যের ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনা বিশেষ করে ইরান, ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের সংঘাতের প্রভাবে বিশ্ব অর্থনীতিতে নতুন সংকটের পূর্বাভাস দিয়েছে বিশ্বব্যাংক। সংস্থাটির ২০২৬ সালের এপ্রিল সংস্করণের কমোডিটি মার্কেট আউটলুক রিপোর্টে বলা হয়েছে এই যুদ্ধের প্রভাবে চলতি বছর বৈশ্বিক পণ্যবাজারে জিনিসের দাম গড়ে ১৬ শতাংশ পর্যন্ত বেড়ে যেতে পারে। মূলত জ্বালানি তেলের বাজারে অস্থিরতা এবং সরবরাহ ব্যবস্থায় বিঘ্ন ঘটার কারণেই এই পরিস্থিতির সৃষ্টি হচ্ছে।

বিশ্বব্যাংকের এই পূর্বাভাস অনুযায়ী জ্বালানি পণ্যের উচ্চমূল্য বিশেষ করে উদীয়মান ও উন্নয়নশীল দেশগুলোর অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতে বড় ধরনের প্রতিবন্ধকতা তৈরি করবে। আশঙ্কা করা হচ্ছে এসব দেশে গড় মূল্যস্ফীতি গত চার বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছাতে পারে। বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে এই খবরটি অত্যন্ত উদ্বেগজনক কারণ গত তিন বছরেরও বেশি সময় ধরে দেশের মানুষ লাগামহীন মূল্যস্ফীতির কবলে রয়েছে। আন্তর্জাতিক বাজারে নতুন করে এই মূল্যবৃদ্ধির ঢেউ আছড়ে পড়লে সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয় ও ভোগান্তি আরও বহুগুণ বেড়ে যাওয়ার ঝুঁকি রয়েছে।

বিশ্লেষণ বলছে ২০২২ সালের পর এবারই পণ্যমূল্য নিয়ে এত বড় উদ্বেগের কথা জানাল বিশ্বব্যাংক। পুরো বিষয়টি এখন নির্ভর করছে মধ্যপ্রাচ্য সংকটের গতিপ্রকৃতির ওপর। সরবরাহ সংকটে ইতিমধ্যে বিশ্ববাজারে তেল ও প্রাকৃতিক গ্যাসের দাম বাড়তে শুরু করেছে। ধারণা করা হচ্ছে ২০২৬ সালে জ্বালানি পণ্যের গড় মূল্য ২৪ শতাংশ পর্যন্ত বৃদ্ধি পেতে পারে। বিশেষ করে ব্রেন্ট ক্রুড তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ৮৬ ডলারে গিয়ে ঠেকতে পারে যা গত জানুয়ারি মাসের হিসাবের তুলনায় প্রায় ২৬ ডলার বেশি। বিশ্ববাজারের এই অস্থিতিশীলতা যদি দীর্ঘস্থায়ী হয় তবে এর প্রভাব পড়বে প্রতিটি সেক্টরে যা বৈশ্বিক পুনরুদ্ধারের গতিকে ধীর করে দেবে।

আপনার মতামত লিখুন

দিকপাল

বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬


বিশ্ববাজারে পণ্যের দাম ১৬ শতাংশ বাড়ার পূর্বাভাস দিল বিশ্বব্যাংক

প্রকাশের তারিখ : ৩০ এপ্রিল ২০২৬

featured Image

মধ্যপ্রাচ্যের ভূ-রাজনৈতিক উত্তেজনা বিশেষ করে ইরান, ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের সংঘাতের প্রভাবে বিশ্ব অর্থনীতিতে নতুন সংকটের পূর্বাভাস দিয়েছে বিশ্বব্যাংক। সংস্থাটির ২০২৬ সালের এপ্রিল সংস্করণের কমোডিটি মার্কেট আউটলুক রিপোর্টে বলা হয়েছে এই যুদ্ধের প্রভাবে চলতি বছর বৈশ্বিক পণ্যবাজারে জিনিসের দাম গড়ে ১৬ শতাংশ পর্যন্ত বেড়ে যেতে পারে। মূলত জ্বালানি তেলের বাজারে অস্থিরতা এবং সরবরাহ ব্যবস্থায় বিঘ্ন ঘটার কারণেই এই পরিস্থিতির সৃষ্টি হচ্ছে।

বিশ্বব্যাংকের এই পূর্বাভাস অনুযায়ী জ্বালানি পণ্যের উচ্চমূল্য বিশেষ করে উদীয়মান ও উন্নয়নশীল দেশগুলোর অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধিতে বড় ধরনের প্রতিবন্ধকতা তৈরি করবে। আশঙ্কা করা হচ্ছে এসব দেশে গড় মূল্যস্ফীতি গত চার বছরের মধ্যে সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছাতে পারে। বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে এই খবরটি অত্যন্ত উদ্বেগজনক কারণ গত তিন বছরেরও বেশি সময় ধরে দেশের মানুষ লাগামহীন মূল্যস্ফীতির কবলে রয়েছে। আন্তর্জাতিক বাজারে নতুন করে এই মূল্যবৃদ্ধির ঢেউ আছড়ে পড়লে সাধারণ মানুষের জীবনযাত্রার ব্যয় ও ভোগান্তি আরও বহুগুণ বেড়ে যাওয়ার ঝুঁকি রয়েছে।

বিশ্লেষণ বলছে ২০২২ সালের পর এবারই পণ্যমূল্য নিয়ে এত বড় উদ্বেগের কথা জানাল বিশ্বব্যাংক। পুরো বিষয়টি এখন নির্ভর করছে মধ্যপ্রাচ্য সংকটের গতিপ্রকৃতির ওপর। সরবরাহ সংকটে ইতিমধ্যে বিশ্ববাজারে তেল ও প্রাকৃতিক গ্যাসের দাম বাড়তে শুরু করেছে। ধারণা করা হচ্ছে ২০২৬ সালে জ্বালানি পণ্যের গড় মূল্য ২৪ শতাংশ পর্যন্ত বৃদ্ধি পেতে পারে। বিশেষ করে ব্রেন্ট ক্রুড তেলের দাম ব্যারেলপ্রতি ৮৬ ডলারে গিয়ে ঠেকতে পারে যা গত জানুয়ারি মাসের হিসাবের তুলনায় প্রায় ২৬ ডলার বেশি। বিশ্ববাজারের এই অস্থিতিশীলতা যদি দীর্ঘস্থায়ী হয় তবে এর প্রভাব পড়বে প্রতিটি সেক্টরে যা বৈশ্বিক পুনরুদ্ধারের গতিকে ধীর করে দেবে।


দিকপাল

প্রধান সম্পাদক: কাদির নোমান
সম্পাদক: আল জাবিরী
প্রকাশক: মু. আবদুর রহমান
কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত দিকপাল