৪৪তম বিসিএস নন-ক্যাডার পদের চূড়ান্ত ফলাফল প্রকাশের দুই মাস পেরিয়ে গেলেও নিয়োগের দাপ্তরিক প্রক্রিয়া শেষ না হওয়ায় গভীর অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছেন ২ হাজার ৯৬৮ জন সুপারিশপ্রাপ্ত প্রার্থী। গত ১৯ ফেব্রুয়ারি ফলাফল প্রকাশিত হলেও সুপারিশপ্রাপ্তদের ফাইলগুলো এখনো বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন (বিপিএসসি) থেকে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়নি। ৬৬ দিন পার হয়ে যাওয়ায় প্রার্থীরা তাদের প্রশাসনিক জ্যেষ্ঠতা হারানোর আশঙ্কা করছেন।
প্রার্থীদের মূল উদ্বেগের কারণ হলো, ৪৪তম বিসিএসের প্রক্রিয়া থমকে থাকলেও এরই মধ্যে ৪৫তম বিসিএসের নন-ক্যাডার প্রার্থীদের স্বাস্থ্য পরীক্ষার তারিখ নির্ধারিত হয়ে গেছে। যদি ৪৫তম বিসিএসের প্রার্থীরা আগে চাকরিতে যোগদানের সুযোগ পান, তবে ৪৪তম বিসিএসের সুপারিশপ্রাপ্তরা দীর্ঘমেয়াদে জ্যেষ্ঠতা সংকটে পড়বেন। সাধারণত ফলাফল প্রকাশের ১৫ থেকে ৩৫ দিনের মধ্যে ফাইল পাঠানোর রেওয়াজ থাকলেও এবার দুই মাসের বেশি সময় পার হওয়ায় অসন্তোষ বাড়ছে।
এ বিষয়ে সরকারি কর্ম কমিশনের (পিএসসি) জনসংযোগ কর্মকর্তা মতিউর রহমান জানিয়েছেন, বর্তমানে প্রার্থীদের তথ্যাদি যাচাই-বাছাইয়ের কাজ চলছে। বিশেষ করে কারিগরি পদগুলোর ক্ষেত্রে অধিকতর যাচাইয়ের প্রয়োজন হওয়ায় বাড়তি সময় লাগছে। তবে দ্রুততম সময়ের মধ্যে ফাইলগুলো জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে প্রেরণ করা হবে বলে তিনি আশ্বাস দিয়েছেন।
এদিকে দুই দফায় ভাইভা এবং তিন দফায় সংশোধিত ক্যাডার ফলাফলের চড়াই-উতরাই পেরিয়ে আসা প্রার্থীরা বলছেন, এই নিয়োগে দীর্ঘসূত্রতার কারণে মাঠপর্যায়ে উপজেলা ও বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে তীব্র জনবলসংকট দেখা দিচ্ছে। সুপারিশপ্রাপ্ত প্রার্থীরা সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে দাবি জানিয়েছেন, আগামী পাঁচ কর্মদিবসের মধ্যে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে ফাইল প্রেরণ এবং মে মাসের মধ্যে পুলিশ ভেরিফিকেশন ও স্বাস্থ্য পরীক্ষা সম্পন্ন করে যেন চূড়ান্ত গেজেট প্রকাশ করা হয়।

বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩০ এপ্রিল ২০২৬
৪৪তম বিসিএস নন-ক্যাডার পদের চূড়ান্ত ফলাফল প্রকাশের দুই মাস পেরিয়ে গেলেও নিয়োগের দাপ্তরিক প্রক্রিয়া শেষ না হওয়ায় গভীর অনিশ্চয়তার মুখে পড়েছেন ২ হাজার ৯৬৮ জন সুপারিশপ্রাপ্ত প্রার্থী। গত ১৯ ফেব্রুয়ারি ফলাফল প্রকাশিত হলেও সুপারিশপ্রাপ্তদের ফাইলগুলো এখনো বাংলাদেশ সরকারি কর্ম কমিশন (বিপিএসসি) থেকে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়নি। ৬৬ দিন পার হয়ে যাওয়ায় প্রার্থীরা তাদের প্রশাসনিক জ্যেষ্ঠতা হারানোর আশঙ্কা করছেন।
প্রার্থীদের মূল উদ্বেগের কারণ হলো, ৪৪তম বিসিএসের প্রক্রিয়া থমকে থাকলেও এরই মধ্যে ৪৫তম বিসিএসের নন-ক্যাডার প্রার্থীদের স্বাস্থ্য পরীক্ষার তারিখ নির্ধারিত হয়ে গেছে। যদি ৪৫তম বিসিএসের প্রার্থীরা আগে চাকরিতে যোগদানের সুযোগ পান, তবে ৪৪তম বিসিএসের সুপারিশপ্রাপ্তরা দীর্ঘমেয়াদে জ্যেষ্ঠতা সংকটে পড়বেন। সাধারণত ফলাফল প্রকাশের ১৫ থেকে ৩৫ দিনের মধ্যে ফাইল পাঠানোর রেওয়াজ থাকলেও এবার দুই মাসের বেশি সময় পার হওয়ায় অসন্তোষ বাড়ছে।
এ বিষয়ে সরকারি কর্ম কমিশনের (পিএসসি) জনসংযোগ কর্মকর্তা মতিউর রহমান জানিয়েছেন, বর্তমানে প্রার্থীদের তথ্যাদি যাচাই-বাছাইয়ের কাজ চলছে। বিশেষ করে কারিগরি পদগুলোর ক্ষেত্রে অধিকতর যাচাইয়ের প্রয়োজন হওয়ায় বাড়তি সময় লাগছে। তবে দ্রুততম সময়ের মধ্যে ফাইলগুলো জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে প্রেরণ করা হবে বলে তিনি আশ্বাস দিয়েছেন।
এদিকে দুই দফায় ভাইভা এবং তিন দফায় সংশোধিত ক্যাডার ফলাফলের চড়াই-উতরাই পেরিয়ে আসা প্রার্থীরা বলছেন, এই নিয়োগে দীর্ঘসূত্রতার কারণে মাঠপর্যায়ে উপজেলা ও বিভিন্ন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে তীব্র জনবলসংকট দেখা দিচ্ছে। সুপারিশপ্রাপ্ত প্রার্থীরা সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে দাবি জানিয়েছেন, আগামী পাঁচ কর্মদিবসের মধ্যে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ে ফাইল প্রেরণ এবং মে মাসের মধ্যে পুলিশ ভেরিফিকেশন ও স্বাস্থ্য পরীক্ষা সম্পন্ন করে যেন চূড়ান্ত গেজেট প্রকাশ করা হয়।

আপনার মতামত লিখুন