ভূ-রাজনৈতিক অস্থিরতা আর বিশ্ব অর্থনীতির টানাপোড়েনে আন্তর্জাতিক বাজারে স্বর্ণের দামে বড় ধরনের ধস নামলেও দেশের বাজারে এর চিত্র এখনো ভিন্ন। যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে নতুন করে ছড়িয়ে পড়া উত্তেজনা বিশ্বজুড়ে মুদ্রাস্ফীতির আশঙ্কাকে আরও উসকে দিয়েছে। এই অস্থিরতার সরাসরি প্রভাব পড়েছে মুদ্রাবাজারে, যেখানে মার্কিন ডলার ক্রমশ শক্তিশালী হয়ে উঠছে। সাধারণত ডলারের মান বাড়লে আন্তর্জাতিক বাজারে স্বর্ণের চাহিদা কমে যায়, যার ফলে বৈশ্বিক স্পট মার্কেটে মূল্যবান এই ধাতুর দামে বড় পতন দেখা দিয়েছে।
আন্তর্জাতিক বাজারের এই নিম্নমুখী প্রবণতা সত্ত্বেও বাংলাদেশের বাজারে স্বর্ণের দাম এখনো রেকর্ড উচ্চতায় অবস্থান করছে। বর্তমানে দেশের বাজারে ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণ বিক্রি হচ্ছে ২ লাখ ৪২ হাজার ৪৯৫ টাকায়। অন্যান্য মানের স্বর্ণের ক্ষেত্রেও দামের এই আধিপত্য বজায় রয়েছে; ২১ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণ ২ লাখ ৩১ হাজার ৪৭২ টাকা এবং ১৮ ক্যারেটের ভরি ১ লাখ ৯৮ হাজার ৪০৫ টাকায় স্থিতিশীল রয়েছে। এমনকি সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণ কিনতে গেলেও ক্রেতাদের গুনতে হচ্ছে ১ লাখ ৬১ হাজার ৬০৫ টাকার ওপরে।
স্বর্ণের এই বাজারদর নিয়ন্ত্রণের দায়িত্বে থাকা বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) সর্বশেষ গত ৩০ এপ্রিল সন্ধ্যায় নতুন এই দাম নির্ধারণ করে দিয়েছিল। সংস্থাটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, পরবর্তী ঘোষণা না আসা পর্যন্ত বর্তমান এই দরই কার্যকর থাকবে। বিশ্ববাজারে দামের এই পতন দেশের বাজারে কবে নাগাদ প্রভাব ফেলবে, এখন সাধারণ ক্রেতা ও বিনিয়োগকারীরা সেদিকেই তাকিয়ে আছেন। সাধারণত স্থানীয় চাহিদার সাথে বৈশ্বিক বাজারের সমন্বয় করতে কিছুটা সময় লাগে, তবে মুদ্রাস্ফীতির এই উদ্বেগের মধ্যে স্বর্ণের দামের ওঠানামা বিনিয়োগকারীদের জন্য নতুন করে ভাবনার বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে।

মঙ্গলবার, ০৫ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৫ মে ২০২৬
ভূ-রাজনৈতিক অস্থিরতা আর বিশ্ব অর্থনীতির টানাপোড়েনে আন্তর্জাতিক বাজারে স্বর্ণের দামে বড় ধরনের ধস নামলেও দেশের বাজারে এর চিত্র এখনো ভিন্ন। যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে নতুন করে ছড়িয়ে পড়া উত্তেজনা বিশ্বজুড়ে মুদ্রাস্ফীতির আশঙ্কাকে আরও উসকে দিয়েছে। এই অস্থিরতার সরাসরি প্রভাব পড়েছে মুদ্রাবাজারে, যেখানে মার্কিন ডলার ক্রমশ শক্তিশালী হয়ে উঠছে। সাধারণত ডলারের মান বাড়লে আন্তর্জাতিক বাজারে স্বর্ণের চাহিদা কমে যায়, যার ফলে বৈশ্বিক স্পট মার্কেটে মূল্যবান এই ধাতুর দামে বড় পতন দেখা দিয়েছে।
আন্তর্জাতিক বাজারের এই নিম্নমুখী প্রবণতা সত্ত্বেও বাংলাদেশের বাজারে স্বর্ণের দাম এখনো রেকর্ড উচ্চতায় অবস্থান করছে। বর্তমানে দেশের বাজারে ভালো মানের বা ২২ ক্যারেটের প্রতি ভরি স্বর্ণ বিক্রি হচ্ছে ২ লাখ ৪২ হাজার ৪৯৫ টাকায়। অন্যান্য মানের স্বর্ণের ক্ষেত্রেও দামের এই আধিপত্য বজায় রয়েছে; ২১ ক্যারেটের এক ভরি স্বর্ণ ২ লাখ ৩১ হাজার ৪৭২ টাকা এবং ১৮ ক্যারেটের ভরি ১ লাখ ৯৮ হাজার ৪০৫ টাকায় স্থিতিশীল রয়েছে। এমনকি সনাতন পদ্ধতির স্বর্ণ কিনতে গেলেও ক্রেতাদের গুনতে হচ্ছে ১ লাখ ৬১ হাজার ৬০৫ টাকার ওপরে।
স্বর্ণের এই বাজারদর নিয়ন্ত্রণের দায়িত্বে থাকা বাংলাদেশ জুয়েলার্স অ্যাসোসিয়েশন (বাজুস) সর্বশেষ গত ৩০ এপ্রিল সন্ধ্যায় নতুন এই দাম নির্ধারণ করে দিয়েছিল। সংস্থাটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, পরবর্তী ঘোষণা না আসা পর্যন্ত বর্তমান এই দরই কার্যকর থাকবে। বিশ্ববাজারে দামের এই পতন দেশের বাজারে কবে নাগাদ প্রভাব ফেলবে, এখন সাধারণ ক্রেতা ও বিনিয়োগকারীরা সেদিকেই তাকিয়ে আছেন। সাধারণত স্থানীয় চাহিদার সাথে বৈশ্বিক বাজারের সমন্বয় করতে কিছুটা সময় লাগে, তবে মুদ্রাস্ফীতির এই উদ্বেগের মধ্যে স্বর্ণের দামের ওঠানামা বিনিয়োগকারীদের জন্য নতুন করে ভাবনার বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে।

আপনার মতামত লিখুন