চট্টগ্রামের লোহাগাড়ায় চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কে ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনায় দুইজন নিহত হয়েছেন। মুখোমুখি সংঘর্ষে দুটি যাত্রীবাহী বাস দুমড়েমুচড়ে গেলে ঘটনাস্থলেই প্রাণ হারান দুজন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন অন্তত অর্ধশত যাত্রী। আহতদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাদের উন্নত চিকিৎসার জন্য চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
শনিবার (৯ মে) সকাল ১১টার দিকে লোহাগাড়া উপজেলার চুনতি এলাকায় ফোরসিজন রেস্টুরেন্টের সামনে এ দুর্ঘটনা ঘটে। দুর্ঘটনার পর মহাসড়কজুড়ে আতঙ্ক ও বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হয়। কিছু সময়ের জন্য ওই সড়কে যান চলাচলও ব্যাহত হয়।
স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, একটি বাস চট্টগ্রাম থেকে কক্সবাজারের দিকে যাচ্ছিল এবং অপর বাসটি কক্সবাজার থেকে চট্টগ্রামমুখী ছিল। পথে চুনতি এলাকায় পৌঁছালে দুটি বাসের মধ্যে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। সংঘর্ষের তীব্রতায় বাস দুটির সামনের অংশ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং অনেক যাত্রী ভেতরে আটকা পড়ে যান।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, দুর্ঘটনার সময় দুই বাসই দ্রুতগতিতে চলছিল। যাত্রীদের অভিযোগ, বেপরোয়া গতিতে গাড়ি চালানোর কারণেই এ মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটেছে। সংঘর্ষের শব্দে আশপাশের লোকজন ছুটে এসে আহতদের উদ্ধারে অংশ নেন।
নিহতদের মধ্যে একজনের পরিচয় পাওয়া গেছে। তার নাম রেহেনা বেগম (৬০)। তিনি চট্টগ্রামের পটিয়া উপজেলার পাথরিয়া ইউনিয়নের বাসিন্দা। পরিবার সূত্রে জানা গেছে, তিনি স্বজনদের সঙ্গে কক্সবাজার যাওয়ার উদ্দেশ্যে বাসে উঠেছিলেন। অপর নিহত ব্যক্তির পরিচয় তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।
দুর্ঘটনার পর স্থানীয় বাসিন্দা, ফায়ার সার্ভিস কর্মী ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা যৌথভাবে উদ্ধার অভিযান পরিচালনা করেন। আহতদের দ্রুত লোহাগাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সসহ আশপাশের বিভিন্ন হাসপাতালে পাঠানো হয়। গুরুতর আহত কয়েকজনকে পরে চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে।
লোহাগাড়া ফায়ার সার্ভিসের সাব-অফিসার ফিরোজ খান জানান, খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ফায়ার সার্ভিসের একটি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার কাজ শুরু করে। আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানোর পাশাপাশি ঘটনাস্থল থেকে দুইজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।
এদিকে, দুর্ঘটনার পর স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। তাদের দাবি, চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কে দীর্ঘদিন ধরে অতিরিক্ত গতি ও বেপরোয়া গাড়ি চালানোর কারণে একের পর এক দুর্ঘটনা ঘটলেও কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না। যাত্রী নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সড়কে কঠোর নজরদারি ও নিয়মিত অভিযান চালানোর দাবি জানিয়েছেন তারা।

শনিবার, ০৯ মে ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৯ মে ২০২৬
চট্টগ্রামের লোহাগাড়ায় চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কে ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনায় দুইজন নিহত হয়েছেন। মুখোমুখি সংঘর্ষে দুটি যাত্রীবাহী বাস দুমড়েমুচড়ে গেলে ঘটনাস্থলেই প্রাণ হারান দুজন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন অন্তত অর্ধশত যাত্রী। আহতদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় তাদের উন্নত চিকিৎসার জন্য চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
শনিবার (৯ মে) সকাল ১১টার দিকে লোহাগাড়া উপজেলার চুনতি এলাকায় ফোরসিজন রেস্টুরেন্টের সামনে এ দুর্ঘটনা ঘটে। দুর্ঘটনার পর মহাসড়কজুড়ে আতঙ্ক ও বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি হয়। কিছু সময়ের জন্য ওই সড়কে যান চলাচলও ব্যাহত হয়।
স্থানীয়দের ভাষ্য অনুযায়ী, একটি বাস চট্টগ্রাম থেকে কক্সবাজারের দিকে যাচ্ছিল এবং অপর বাসটি কক্সবাজার থেকে চট্টগ্রামমুখী ছিল। পথে চুনতি এলাকায় পৌঁছালে দুটি বাসের মধ্যে মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। সংঘর্ষের তীব্রতায় বাস দুটির সামনের অংশ মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হয় এবং অনেক যাত্রী ভেতরে আটকা পড়ে যান।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, দুর্ঘটনার সময় দুই বাসই দ্রুতগতিতে চলছিল। যাত্রীদের অভিযোগ, বেপরোয়া গতিতে গাড়ি চালানোর কারণেই এ মর্মান্তিক দুর্ঘটনা ঘটেছে। সংঘর্ষের শব্দে আশপাশের লোকজন ছুটে এসে আহতদের উদ্ধারে অংশ নেন।
নিহতদের মধ্যে একজনের পরিচয় পাওয়া গেছে। তার নাম রেহেনা বেগম (৬০)। তিনি চট্টগ্রামের পটিয়া উপজেলার পাথরিয়া ইউনিয়নের বাসিন্দা। পরিবার সূত্রে জানা গেছে, তিনি স্বজনদের সঙ্গে কক্সবাজার যাওয়ার উদ্দেশ্যে বাসে উঠেছিলেন। অপর নিহত ব্যক্তির পরিচয় তাৎক্ষণিকভাবে জানা যায়নি।
দুর্ঘটনার পর স্থানীয় বাসিন্দা, ফায়ার সার্ভিস কর্মী ও আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা যৌথভাবে উদ্ধার অভিযান পরিচালনা করেন। আহতদের দ্রুত লোহাগাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সসহ আশপাশের বিভিন্ন হাসপাতালে পাঠানো হয়। গুরুতর আহত কয়েকজনকে পরে চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করা হয়েছে।
লোহাগাড়া ফায়ার সার্ভিসের সাব-অফিসার ফিরোজ খান জানান, খবর পাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ফায়ার সার্ভিসের একটি দল ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার কাজ শুরু করে। আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠানোর পাশাপাশি ঘটনাস্থল থেকে দুইজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।
এদিকে, দুর্ঘটনার পর স্থানীয়দের মধ্যে ক্ষোভ দেখা দিয়েছে। তাদের দাবি, চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কে দীর্ঘদিন ধরে অতিরিক্ত গতি ও বেপরোয়া গাড়ি চালানোর কারণে একের পর এক দুর্ঘটনা ঘটলেও কার্যকর ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে না। যাত্রী নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সড়কে কঠোর নজরদারি ও নিয়মিত অভিযান চালানোর দাবি জানিয়েছেন তারা।

আপনার মতামত লিখুন