দিকপাল

বাজারে জাল নোটের দৌরাত্ম্য, আসল নোট চিনতে যা দেখবেন


আকাশ মোল্লা
আকাশ মোল্লা স্টাফ রিপোর্টার
প্রকাশ : শুক্রবার, ১৫ মে ২০২৬ | ০৩:০৫ পি এম | প্রিন্ট সংস্করণ

বাজারে জাল নোটের দৌরাত্ম্য, আসল নোট চিনতে যা দেখবেন

যেকোনো বড় ধর্মীয় উৎসব কিংবা সামাজিক পার্বণকে কেন্দ্র করে আমাদের দেশে জাল টাকার কারবারিদের তৎপরতা সব সময়ই অনেক বেড়ে যায়। তবে পবিত্র ঈদুল আজহা বা কোরবানির ঈদকে এই চক্রটি তাদের অবৈধ ব্যবসার জন্য সবচেয়ে বড় ও মোক্ষম সুযোগ হিসেবে বিবেচনা করে। এর মূল কারণ হলো, কোরবানির পশু কেনাবেচাকে কেন্দ্র করে এই সময়ে দেশের শহর থেকে শুরু করে প্রত্যন্ত গ্রাম অঞ্চল পর্যন্ত এক বিশাল অঙ্কের নগদ অর্থের লেনদেন হয়ে থাকে। এই বিশাল লেনদেনের সুযোগটি নিতেই এবারও কোরবানির ঈদকে সামনে রেখে সারা দেশে জাল নোট চক্রের সদস্যরা অত্যন্ত সক্রিয় হয়ে উঠেছে। যদিও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর নিয়মিত অভিযানে দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে প্রায়ই এই চক্রের সদস্যরা ধরা পড়ছে, তবে আটককৃতদের জিজ্ঞাসাবাদে যে চাঞ্চল্যকর তথ্য বেরিয়ে আসছে, তা নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন খোদ গোয়েন্দা কর্মকর্তারা। অপরাধীদের নিয়ন্ত্রণে রাখার জন্য ইতিমধ্যে গোয়েন্দা নজরদারি ব্যাপকভাবে জোরদার করা হয়েছে। এরপরও রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের গোপন আস্তানায় কোটি কোটি টাকার জালনোট তৈরি হচ্ছে বলে জানা গেছে, যা আসন্ন ঈদের বাজারে ছড়িয়ে দেওয়ার বড় ধরনের পরিকল্পনা রয়েছে এই চক্রের। এদিকে, মাঠপর্যায়ের নির্দিষ্ট প্রতিনিধি ছাড়াও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম বা অনলাইন হোম ডেলিভারি সেবাকে কাজে লাগিয়ে সারা দেশে জালনোট ছড়িয়ে দেওয়ার এক নতুন ও বিপজ্জনক প্রবণতা লক্ষ্য করা যাচ্ছে, যা সাধারণ মানুষের আতঙ্ক আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের বিভিন্ন গ্রুপ বা পেজে প্রকাশ্যেই পাঁচশত ও এক হাজার টাকার জালনোট বিক্রির বিজ্ঞাপন দিয়ে দেদারসে এই অবৈধ ব্যবসা চালানো হচ্ছে।

গোয়েন্দা পুলিশের বিশেষ সূত্র থেকে জানা গেছে, বর্তমান সময়ে জালনোট তৈরির আধুনিক কাঁচামালের সহজলভ্যতা ও খরচ কমে যাওয়ার কারণে পাইকারি বাজারে জাল টাকার দাম আগের চেয়ে অনেক হ্রাস পেয়েছে। আগে যেখানে একশটি পাঁচশত কিংবা এক হাজার টাকার জালনোট তৈরি করতে কমপক্ষে চার থেকে সাত হাজার টাকা খরচ হতো, এখন তা কমে মাত্র আড়াই হাজার টাকায় নেমে এসেছে। আগে উৎপাদন খরচ বেশি থাকার কারণে পাইকারি বাজারে প্রতি এক লাখ টাকার জালনোট বিক্রি হতো আট থেকে পনেরো হাজার টাকায়। কিন্তু বর্তমানে উৎপাদন খরচ কমে যাওয়ায় পাইকারি বাজারে প্রতি এক লাখ টাকার জালনোটের দাম নেমে এসেছে মাত্র ছয় হাজার টাকায়। তবে অনেক সময় ক্রেতার ধরন ও চতুরতা বুঝে এই লাখ টাকার নোট আট থেকে দশ হাজার টাকায়ও বিক্রি করা হচ্ছে। এদিকে দেশের সাম্প্রতিক রাজনৈতিক পটপরিবর্তন ও অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময়ে বাজারে আসা নতুন কিছু নোটের নকশাগত ত্রুটি, নিম্নমানের গ্রাফিক্স এবং প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা বৈশিষ্ট্যের অভাবের কারণে সেগুলো জাল করা আরও সহজ হয়ে গেছে বলে তথ্য মিলেছে। তবে সূত্রগুলো আরও জানাচ্ছে যে, নতুন ডিজাইনের এই নোটগুলোর প্রতি সাধারণ মানুষের আস্থা শুরু থেকেই কিছুটা কম থাকায় বিভাগীয় শহরগুলোতে এর আদান-প্রদান চললেও জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে এখনো তেমন প্রচলন ঘটেনি। এই কারণে জালনোটের বাজারে এই নতুন নোটগুলোর চাহিদা তুলনামূলক কম এবং জালিয়াত চক্রের সদস্যরা এখনো জাতির পিতার ছবিসংবলিত পুরোনো নকশার পাঁচশত ও এক হাজার টাকার নোটগুলোই বেশি তৈরি করছে।

দেশের এই সামগ্রিক পরিস্থিতি নিয়ে অপরাধ বিশেষজ্ঞরা বলছেন, জালনোট তৈরির প্রয়োজনীয় আধুনিক সরঞ্জাম খুব সহজে হাতের নাগালে পেয়ে যাওয়া, সারা দেশে জালনোট ছড়িয়ে দেওয়ার জন্য প্রশিক্ষিত চক্র বা প্রতিনিধিদের বিশাল নেটওয়ার্ক থাকা, অতীতে গ্রেপ্তার হওয়া অপরাধীদের সহজে জামিন পেয়ে যাওয়া এবং আইনের কঠোর প্রয়োগের অভাবের কারণেই এই অপরাধের বিস্তার সম্পূর্ণভাবে রোধ করা সম্ভব হচ্ছে না। অনেক সময় দেখা যায়, কিছু বিদেশি নাগরিকও দেশে এসে স্থানীয় অপরাধীদের জালনোট তৈরির উন্নত ও আধুনিক প্রশিক্ষণ দিচ্ছে, যা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলছে। তবে এই সমস্যা সমাধানে সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, দেশে জালনোটের বিস্তার চিরতরে বন্ধ করতে একটি অত্যন্ত শক্তিশালী এবং কঠোর আইনি কাঠামো তৈরির কাজ চলছে। প্রস্তাবিত এই নতুন আইনে জালনোট তৈরি, বিপণন বা আসল মুদ্রার অবিকল নকল তৈরির সাথে জড়িত অপরাধীদের জন্য সর্বোচ্চ ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির বিধান রাখা হচ্ছে।

আসন্ন কোরবানি ঈদ ও পশুর হাটগুলোতে যাতে এই জাল টাকার কোনো প্রভাব না পড়ে, সেজন্য দেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংক তথা বাংলাদেশ ব্যাংক ইতিমধ্যে এক বিশেষ সতর্কবার্তা জারি করেছে। এই সময়ে বাজারে জালনোটের সরবরাহ বেড়ে যাওয়ার তীব্র ঝুঁকি থাকায় সাধারণ ক্রেতা ও খামারিদের লেনদেনের সময় সর্বোচ্চ সচেতন থাকার আহ্বান জানিয়েছে ব্যাংক কর্তৃপক্ষ। যেহেতু পশুর হাটে একসঙ্গে অনেক বড় অঙ্কের নগদ টাকা লেনদেন হয়, তাই প্রতিটি একশত, দুইশত, পাঁচশত এবং এক হাজার টাকার নোট নেওয়ার সময় সেটির জলছাপ, নিরাপত্তা সুতা, রঙ পরিবর্তনশীল বিশেষ কালি এবং অসমতল মুদ্রণের বিষয়টি খুব ভালো করে হাত দিয়ে ছুঁয়ে ও চোখের সামনে ধরে পরীক্ষা করে নেওয়া উচিত। লেনদেনের সময় কোনো নোট নিয়ে সামান্যতম সন্দেহ দেখা দিলে পশুর হাটে স্থাপিত বিভিন্ন ব্যাংকের অস্থায়ী বুথ অথবা নিকটস্থ যেকোনো বাণিজ্যিক ব্যাংকের কর্মকর্তাদের সরাসরি সহায়তা নেওয়া যাবে। যেকোনো ধরনের আর্থিক জালিয়াতি বা প্রতারণা এড়াতে অপরিচিত বা সন্দেহজনক কোনো মাধ্যম থেকে টাকা আদান-প্রদান না করে সরাসরি অনুমোদিত ব্যাংকিং ব্যবস্থার মাধ্যমে লেনদেন করা এবং আসল নোটের নিরাপত্তা বৈশিষ্ট্য সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে বাংলাদেশ ব্যাংকের মূল ওয়েবসাইট অনুসরণ করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।


আপনার মতামত লিখুন

দিকপাল

শুক্রবার, ১৫ মে ২০২৬


বাজারে জাল নোটের দৌরাত্ম্য, আসল নোট চিনতে যা দেখবেন

প্রকাশের তারিখ : ১৫ মে ২০২৬

featured Image

যেকোনো বড় ধর্মীয় উৎসব কিংবা সামাজিক পার্বণকে কেন্দ্র করে আমাদের দেশে জাল টাকার কারবারিদের তৎপরতা সব সময়ই অনেক বেড়ে যায়। তবে পবিত্র ঈদুল আজহা বা কোরবানির ঈদকে এই চক্রটি তাদের অবৈধ ব্যবসার জন্য সবচেয়ে বড় ও মোক্ষম সুযোগ হিসেবে বিবেচনা করে। এর মূল কারণ হলো, কোরবানির পশু কেনাবেচাকে কেন্দ্র করে এই সময়ে দেশের শহর থেকে শুরু করে প্রত্যন্ত গ্রাম অঞ্চল পর্যন্ত এক বিশাল অঙ্কের নগদ অর্থের লেনদেন হয়ে থাকে। এই বিশাল লেনদেনের সুযোগটি নিতেই এবারও কোরবানির ঈদকে সামনে রেখে সারা দেশে জাল নোট চক্রের সদস্যরা অত্যন্ত সক্রিয় হয়ে উঠেছে। যদিও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর নিয়মিত অভিযানে দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে প্রায়ই এই চক্রের সদস্যরা ধরা পড়ছে, তবে আটককৃতদের জিজ্ঞাসাবাদে যে চাঞ্চল্যকর তথ্য বেরিয়ে আসছে, তা নিয়ে গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন খোদ গোয়েন্দা কর্মকর্তারা। অপরাধীদের নিয়ন্ত্রণে রাখার জন্য ইতিমধ্যে গোয়েন্দা নজরদারি ব্যাপকভাবে জোরদার করা হয়েছে। এরপরও রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের গোপন আস্তানায় কোটি কোটি টাকার জালনোট তৈরি হচ্ছে বলে জানা গেছে, যা আসন্ন ঈদের বাজারে ছড়িয়ে দেওয়ার বড় ধরনের পরিকল্পনা রয়েছে এই চক্রের। এদিকে, মাঠপর্যায়ের নির্দিষ্ট প্রতিনিধি ছাড়াও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম বা অনলাইন হোম ডেলিভারি সেবাকে কাজে লাগিয়ে সারা দেশে জালনোট ছড়িয়ে দেওয়ার এক নতুন ও বিপজ্জনক প্রবণতা লক্ষ্য করা যাচ্ছে, যা সাধারণ মানুষের আতঙ্ক আরও বাড়িয়ে দিয়েছে। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের বিভিন্ন গ্রুপ বা পেজে প্রকাশ্যেই পাঁচশত ও এক হাজার টাকার জালনোট বিক্রির বিজ্ঞাপন দিয়ে দেদারসে এই অবৈধ ব্যবসা চালানো হচ্ছে।

গোয়েন্দা পুলিশের বিশেষ সূত্র থেকে জানা গেছে, বর্তমান সময়ে জালনোট তৈরির আধুনিক কাঁচামালের সহজলভ্যতা ও খরচ কমে যাওয়ার কারণে পাইকারি বাজারে জাল টাকার দাম আগের চেয়ে অনেক হ্রাস পেয়েছে। আগে যেখানে একশটি পাঁচশত কিংবা এক হাজার টাকার জালনোট তৈরি করতে কমপক্ষে চার থেকে সাত হাজার টাকা খরচ হতো, এখন তা কমে মাত্র আড়াই হাজার টাকায় নেমে এসেছে। আগে উৎপাদন খরচ বেশি থাকার কারণে পাইকারি বাজারে প্রতি এক লাখ টাকার জালনোট বিক্রি হতো আট থেকে পনেরো হাজার টাকায়। কিন্তু বর্তমানে উৎপাদন খরচ কমে যাওয়ায় পাইকারি বাজারে প্রতি এক লাখ টাকার জালনোটের দাম নেমে এসেছে মাত্র ছয় হাজার টাকায়। তবে অনেক সময় ক্রেতার ধরন ও চতুরতা বুঝে এই লাখ টাকার নোট আট থেকে দশ হাজার টাকায়ও বিক্রি করা হচ্ছে। এদিকে দেশের সাম্প্রতিক রাজনৈতিক পটপরিবর্তন ও অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময়ে বাজারে আসা নতুন কিছু নোটের নকশাগত ত্রুটি, নিম্নমানের গ্রাফিক্স এবং প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা বৈশিষ্ট্যের অভাবের কারণে সেগুলো জাল করা আরও সহজ হয়ে গেছে বলে তথ্য মিলেছে। তবে সূত্রগুলো আরও জানাচ্ছে যে, নতুন ডিজাইনের এই নোটগুলোর প্রতি সাধারণ মানুষের আস্থা শুরু থেকেই কিছুটা কম থাকায় বিভাগীয় শহরগুলোতে এর আদান-প্রদান চললেও জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে এখনো তেমন প্রচলন ঘটেনি। এই কারণে জালনোটের বাজারে এই নতুন নোটগুলোর চাহিদা তুলনামূলক কম এবং জালিয়াত চক্রের সদস্যরা এখনো জাতির পিতার ছবিসংবলিত পুরোনো নকশার পাঁচশত ও এক হাজার টাকার নোটগুলোই বেশি তৈরি করছে।

দেশের এই সামগ্রিক পরিস্থিতি নিয়ে অপরাধ বিশেষজ্ঞরা বলছেন, জালনোট তৈরির প্রয়োজনীয় আধুনিক সরঞ্জাম খুব সহজে হাতের নাগালে পেয়ে যাওয়া, সারা দেশে জালনোট ছড়িয়ে দেওয়ার জন্য প্রশিক্ষিত চক্র বা প্রতিনিধিদের বিশাল নেটওয়ার্ক থাকা, অতীতে গ্রেপ্তার হওয়া অপরাধীদের সহজে জামিন পেয়ে যাওয়া এবং আইনের কঠোর প্রয়োগের অভাবের কারণেই এই অপরাধের বিস্তার সম্পূর্ণভাবে রোধ করা সম্ভব হচ্ছে না। অনেক সময় দেখা যায়, কিছু বিদেশি নাগরিকও দেশে এসে স্থানীয় অপরাধীদের জালনোট তৈরির উন্নত ও আধুনিক প্রশিক্ষণ দিচ্ছে, যা পরিস্থিতিকে আরও জটিল করে তুলছে। তবে এই সমস্যা সমাধানে সরকারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে যে, দেশে জালনোটের বিস্তার চিরতরে বন্ধ করতে একটি অত্যন্ত শক্তিশালী এবং কঠোর আইনি কাঠামো তৈরির কাজ চলছে। প্রস্তাবিত এই নতুন আইনে জালনোট তৈরি, বিপণন বা আসল মুদ্রার অবিকল নকল তৈরির সাথে জড়িত অপরাধীদের জন্য সর্বোচ্চ ও দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির বিধান রাখা হচ্ছে।

আসন্ন কোরবানি ঈদ ও পশুর হাটগুলোতে যাতে এই জাল টাকার কোনো প্রভাব না পড়ে, সেজন্য দেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংক তথা বাংলাদেশ ব্যাংক ইতিমধ্যে এক বিশেষ সতর্কবার্তা জারি করেছে। এই সময়ে বাজারে জালনোটের সরবরাহ বেড়ে যাওয়ার তীব্র ঝুঁকি থাকায় সাধারণ ক্রেতা ও খামারিদের লেনদেনের সময় সর্বোচ্চ সচেতন থাকার আহ্বান জানিয়েছে ব্যাংক কর্তৃপক্ষ। যেহেতু পশুর হাটে একসঙ্গে অনেক বড় অঙ্কের নগদ টাকা লেনদেন হয়, তাই প্রতিটি একশত, দুইশত, পাঁচশত এবং এক হাজার টাকার নোট নেওয়ার সময় সেটির জলছাপ, নিরাপত্তা সুতা, রঙ পরিবর্তনশীল বিশেষ কালি এবং অসমতল মুদ্রণের বিষয়টি খুব ভালো করে হাত দিয়ে ছুঁয়ে ও চোখের সামনে ধরে পরীক্ষা করে নেওয়া উচিত। লেনদেনের সময় কোনো নোট নিয়ে সামান্যতম সন্দেহ দেখা দিলে পশুর হাটে স্থাপিত বিভিন্ন ব্যাংকের অস্থায়ী বুথ অথবা নিকটস্থ যেকোনো বাণিজ্যিক ব্যাংকের কর্মকর্তাদের সরাসরি সহায়তা নেওয়া যাবে। যেকোনো ধরনের আর্থিক জালিয়াতি বা প্রতারণা এড়াতে অপরিচিত বা সন্দেহজনক কোনো মাধ্যম থেকে টাকা আদান-প্রদান না করে সরাসরি অনুমোদিত ব্যাংকিং ব্যবস্থার মাধ্যমে লেনদেন করা এবং আসল নোটের নিরাপত্তা বৈশিষ্ট্য সম্পর্কে বিস্তারিত জানতে বাংলাদেশ ব্যাংকের মূল ওয়েবসাইট অনুসরণ করার পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।



দিকপাল

প্রধান সম্পাদক: কাদির নোমান
সম্পাদক: আল জাবিরী
প্রকাশক: মু. আবদুর রহমান
কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত দিকপাল