বর্তমান সরকার দেশে কার্যকর গণতন্ত্র এবং সুশাসন প্রতিষ্ঠায় নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে বলে জানিয়েছেন জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম। দীর্ঘ দুই দশকের বঞ্চনা কাটিয়ে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে বাংলাদেশের মানুষ প্রকৃত গণতন্ত্রের স্বাদ পেতে শুরু করেছে বলে তিনি মন্তব্য করেন।
শনিবার (১৮ এপ্রিল ২০২৬) ভোলার সার্কিট হাউসে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন। তিন দিনের সফর শেষে জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তা, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ এবং সুশীল সমাজের প্রতিনিধিদের সাথে এই অন্তরঙ্গ আলোচনায় দেশের বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট ও ভবিষ্যৎ সমৃদ্ধির চিত্র তুলে ধরেন তিনি।
স্পিকার দৃঢ়তার সাথে উল্লেখ করেন যে, বিশ্বজুড়ে উন্নয়নের যে মডেলই থাকুক না কেন, একটি দেশের টেকসই অগ্রগতির জন্য গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার কোনো বিকল্প নেই। বাংলাদেশের মানুষ ঐতিহাসিকভাবেই সচেতন। গুম, হত্যা ও দুঃশাসনের রক্তচক্ষু উপেক্ষা করে রাজপথে নেমে এসে তারা প্রমাণ করেছে যে এ দেশের মাটিতে স্বৈরাচারের কোনো স্থান নেই। '২৪-এর গণঅভ্যুত্থান কেবল দেশের ভেতরেই সীমাবদ্ধ নয়, এটি বিশ্ববাসীর দৃষ্টি কেড়েছে। আন্তর্জাতিক ষড়যন্ত্র মোকাবিলা করে এই সংগ্রাম বিশ্বের দরবারে বাংলাদেশের মর্যাদাকে এক নতুন উচ্চতায় নিয়ে গেছে। মানবাধিকার লঙ্ঘনের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি ঘোষণা করে তিনি বলেন, "বর্তমানে রাজনৈতিক পরিচয় নির্বিশেষে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করা হচ্ছে। কেবল রাজনৈতিক ভিন্নমতের কারণে কেউ যেন হয়রানির শিকার না হয়, সরকার সেটি নিশ্চিত করছে।"
স্পিকার আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে, জননেতা তারেক রহমানের নেতৃত্বে নির্বাচিত সরকার জনগণের সুখ-সমৃদ্ধি নিশ্চিত করতে এবং অর্থনৈতিক মেরুদণ্ড শক্তিশালী করতে কাজ করে যাবে। দীর্ঘ সময় পর রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে তৈরি হওয়া সুস্থ সম্পর্ক জনমনে স্বস্তি ফিরিয়ে এনেছে।
"একটি গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের মাধ্যমে গঠিত এই সরকার জনগণের প্রত্যাশা পূরণে দায়বদ্ধ। আমরা এখন এমন এক বাংলাদেশে বাস করছি যেখানে মানুষ দীর্ঘশ্বাস নয়, বরং স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলতে পারছে।"
সভায় জেলা প্রশাসক ডা. শামীম রহমান, পুলিশ সুপার মো: শহিদুল্লাহ কাওসারসহ স্থানীয় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। মতবিনিময় শেষে স্পিকারকে গার্ড অব অনার প্রদান করা হয় এবং তিনি ঢাকার উদ্দেশে রওনা হন।

বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৮ এপ্রিল ২০২৬
বর্তমান সরকার দেশে কার্যকর গণতন্ত্র এবং সুশাসন প্রতিষ্ঠায় নিরলসভাবে কাজ করে যাচ্ছে বলে জানিয়েছেন জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রম। দীর্ঘ দুই দশকের বঞ্চনা কাটিয়ে জুলাই গণঅভ্যুত্থানের মাধ্যমে বাংলাদেশের মানুষ প্রকৃত গণতন্ত্রের স্বাদ পেতে শুরু করেছে বলে তিনি মন্তব্য করেন।
শনিবার (১৮ এপ্রিল ২০২৬) ভোলার সার্কিট হাউসে আয়োজিত এক মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন। তিন দিনের সফর শেষে জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তা, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ এবং সুশীল সমাজের প্রতিনিধিদের সাথে এই অন্তরঙ্গ আলোচনায় দেশের বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপট ও ভবিষ্যৎ সমৃদ্ধির চিত্র তুলে ধরেন তিনি।
স্পিকার দৃঢ়তার সাথে উল্লেখ করেন যে, বিশ্বজুড়ে উন্নয়নের যে মডেলই থাকুক না কেন, একটি দেশের টেকসই অগ্রগতির জন্য গণতান্ত্রিক ব্যবস্থার কোনো বিকল্প নেই। বাংলাদেশের মানুষ ঐতিহাসিকভাবেই সচেতন। গুম, হত্যা ও দুঃশাসনের রক্তচক্ষু উপেক্ষা করে রাজপথে নেমে এসে তারা প্রমাণ করেছে যে এ দেশের মাটিতে স্বৈরাচারের কোনো স্থান নেই। '২৪-এর গণঅভ্যুত্থান কেবল দেশের ভেতরেই সীমাবদ্ধ নয়, এটি বিশ্ববাসীর দৃষ্টি কেড়েছে। আন্তর্জাতিক ষড়যন্ত্র মোকাবিলা করে এই সংগ্রাম বিশ্বের দরবারে বাংলাদেশের মর্যাদাকে এক নতুন উচ্চতায় নিয়ে গেছে। মানবাধিকার লঙ্ঘনের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি ঘোষণা করে তিনি বলেন, "বর্তমানে রাজনৈতিক পরিচয় নির্বিশেষে আইনের শাসন প্রতিষ্ঠা করা হচ্ছে। কেবল রাজনৈতিক ভিন্নমতের কারণে কেউ যেন হয়রানির শিকার না হয়, সরকার সেটি নিশ্চিত করছে।"
স্পিকার আশাবাদ ব্যক্ত করেন যে, জননেতা তারেক রহমানের নেতৃত্বে নির্বাচিত সরকার জনগণের সুখ-সমৃদ্ধি নিশ্চিত করতে এবং অর্থনৈতিক মেরুদণ্ড শক্তিশালী করতে কাজ করে যাবে। দীর্ঘ সময় পর রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে তৈরি হওয়া সুস্থ সম্পর্ক জনমনে স্বস্তি ফিরিয়ে এনেছে।
"একটি গ্রহণযোগ্য নির্বাচনের মাধ্যমে গঠিত এই সরকার জনগণের প্রত্যাশা পূরণে দায়বদ্ধ। আমরা এখন এমন এক বাংলাদেশে বাস করছি যেখানে মানুষ দীর্ঘশ্বাস নয়, বরং স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলতে পারছে।"
সভায় জেলা প্রশাসক ডা. শামীম রহমান, পুলিশ সুপার মো: শহিদুল্লাহ কাওসারসহ স্থানীয় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। মতবিনিময় শেষে স্পিকারকে গার্ড অব অনার প্রদান করা হয় এবং তিনি ঢাকার উদ্দেশে রওনা হন।

আপনার মতামত লিখুন