শ্বাসরুদ্ধকর এক ফাইনালের সাক্ষী হলো ফুটবল বিশ্ব। নির্ধারিত ও অতিরিক্ত সময়ের হাড্ডাহাড্ডি লড়াই শেষে টাইব্রেকারে অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদকে ৪-৩ ব্যবধানে হারিয়ে কোপা দেল রে-র শিরোপা ঘরে তুললো রিয়াল সোসিয়েদাদ। এই জয়ের মাধ্যমে ক্লাবটি তাদের ফুটবল ইতিহাসে আরও একটি সোনালী অধ্যায় যুক্ত করল।
রোববার (১৮ এপ্রিল) দিবাগত রাতে অনুষ্ঠিত এই হাই-ভোল্টেজ ম্যাচে শুরু থেকেই দুই দল আক্রমণ ও প্রতি-আক্রমণে মেতে ওঠে। ডিয়েগো সিমিওনের শিষ্যরা মাঝমাঠ দখলে রেখে বারবার আক্রমণ চালালেও সোসিয়েদাদের রক্ষণভাগ ছিল দেয়ালের মতো অটল। অন্যদিকে, কাউন্টার অ্যাটাকে বেশ কয়েকবার ভীতি ছড়িয়েছে সোসিয়েদাদও। তবে নির্ধারিত ৯০ মিনিটে কোনো দলই জালের দেখা না পাওয়ায় ম্যাচ গড়ায় অতিরিক্ত সময়ে।
অতিরিক্ত ৩০ মিনিটেও দুই দলের গোলক্ষুধা থাকলেও ফিনিশিংয়ের অভাবে স্কোরবোর্ডে কোনো পরিবর্তন আসেনি। ০-০ সমতা বিরাজ করায় শিরোপার ভাগ্য নির্ধারণে ম্যাচ গড়ায় পেনাল্টি শ্যুটআউটে।
পেনাল্টি শ্যুটআউটে চূড়ান্ত স্নায়ুচাপ ধরে রেখে বাজিমাত করেন রিয়াল সোসিয়েদাদের গোলরক্ষক। অ্যাটলেটিকোর নেওয়া দুটি শট রুখে দিয়ে তিনি দলের জয় নিশ্চিত করেন। সোসিয়েদাদের শ্যুটাররা লক্ষ্যভেদে ভুল না করলে ৪-৩ ব্যবধানে জয় নিশ্চিত হয় তাদের। অন্যদিকে, শিরোপার এত কাছে এসেও আক্ষেপ নিয়ে মাঠ ছাড়তে হয় গ্রিজম্যান-আলভারেজদের।
এই ঐতিহাসিক জয়ের পর রিয়াল সোসিয়েদাদের গ্যালারিতে উৎসবের আমেজ ছড়িয়ে পড়ে। ক্লাবের পক্ষ থেকে এই বিজয়কে কঠোর পরিশ্রম, ধৈর্য এবং দলীয় সংহতির ফসল হিসেবে অভিহিত করা হয়েছে। অন্যদিকে, হারলেও শিষ্যদের লড়াকু মানসিকতার প্রশংসা করেছেন অ্যাটলেটিকো কোচ ডিয়েগো সিমিওনে।

রোববার, ১৯ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৯ এপ্রিল ২০২৬
শ্বাসরুদ্ধকর এক ফাইনালের সাক্ষী হলো ফুটবল বিশ্ব। নির্ধারিত ও অতিরিক্ত সময়ের হাড্ডাহাড্ডি লড়াই শেষে টাইব্রেকারে অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদকে ৪-৩ ব্যবধানে হারিয়ে কোপা দেল রে-র শিরোপা ঘরে তুললো রিয়াল সোসিয়েদাদ। এই জয়ের মাধ্যমে ক্লাবটি তাদের ফুটবল ইতিহাসে আরও একটি সোনালী অধ্যায় যুক্ত করল।
রোববার (১৮ এপ্রিল) দিবাগত রাতে অনুষ্ঠিত এই হাই-ভোল্টেজ ম্যাচে শুরু থেকেই দুই দল আক্রমণ ও প্রতি-আক্রমণে মেতে ওঠে। ডিয়েগো সিমিওনের শিষ্যরা মাঝমাঠ দখলে রেখে বারবার আক্রমণ চালালেও সোসিয়েদাদের রক্ষণভাগ ছিল দেয়ালের মতো অটল। অন্যদিকে, কাউন্টার অ্যাটাকে বেশ কয়েকবার ভীতি ছড়িয়েছে সোসিয়েদাদও। তবে নির্ধারিত ৯০ মিনিটে কোনো দলই জালের দেখা না পাওয়ায় ম্যাচ গড়ায় অতিরিক্ত সময়ে।
অতিরিক্ত ৩০ মিনিটেও দুই দলের গোলক্ষুধা থাকলেও ফিনিশিংয়ের অভাবে স্কোরবোর্ডে কোনো পরিবর্তন আসেনি। ০-০ সমতা বিরাজ করায় শিরোপার ভাগ্য নির্ধারণে ম্যাচ গড়ায় পেনাল্টি শ্যুটআউটে।
পেনাল্টি শ্যুটআউটে চূড়ান্ত স্নায়ুচাপ ধরে রেখে বাজিমাত করেন রিয়াল সোসিয়েদাদের গোলরক্ষক। অ্যাটলেটিকোর নেওয়া দুটি শট রুখে দিয়ে তিনি দলের জয় নিশ্চিত করেন। সোসিয়েদাদের শ্যুটাররা লক্ষ্যভেদে ভুল না করলে ৪-৩ ব্যবধানে জয় নিশ্চিত হয় তাদের। অন্যদিকে, শিরোপার এত কাছে এসেও আক্ষেপ নিয়ে মাঠ ছাড়তে হয় গ্রিজম্যান-আলভারেজদের।
এই ঐতিহাসিক জয়ের পর রিয়াল সোসিয়েদাদের গ্যালারিতে উৎসবের আমেজ ছড়িয়ে পড়ে। ক্লাবের পক্ষ থেকে এই বিজয়কে কঠোর পরিশ্রম, ধৈর্য এবং দলীয় সংহতির ফসল হিসেবে অভিহিত করা হয়েছে। অন্যদিকে, হারলেও শিষ্যদের লড়াকু মানসিকতার প্রশংসা করেছেন অ্যাটলেটিকো কোচ ডিয়েগো সিমিওনে।

আপনার মতামত লিখুন