কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালিতে আন্তর্জাতিক নৌ-চলাচল আইন লঙ্ঘনের অভিযোগে দুটি জাহাজ জব্দ করেছে ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি)। এর মধ্যে একটি জাহাজ ইসরায়েলি মালিকানাধীন বলে নিশ্চিত করা হয়েছে। বুধবার (২২ এপ্রিল) আইআরজিসি নৌবাহিনীর এক বিবৃতিতে এই তথ্য জানানো হয়।
ইরানি রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম প্রেস টিভি এই খবর নিশ্চিত করেছে।
আইআরজিসি জানিয়েছে, জব্দ করা জাহাজ দুটির একটি হলো 'এমএসসি-ফ্রান্সেস্কা' (MSC Francesca), যেটি ইসরায়েলি মালিকানাধীন। অন্য জাহাজটির নাম 'এপামিনোডস' (Epaminondas)। আইআরজিসি’র গোয়েন্দা ইউনিট ও নৌ-পর্যবেক্ষণ টিমের নিবিড় নজরদারিতে জাহাজ দুটিকে আটক করা হয়।
বিবৃতিতে বলা হয়, জাহাজ দুটি কোনো বৈধ অনুমতি ছাড়াই ওই এলাকায় চলাচল করছিল। আইআরজিসি’র দাবি অনুযায়ী, জাহাজগুলো বারবার নৌ-চলাচলের নিয়ম লঙ্ঘন করেছে এবং নিজেদের অবস্থান লুকানোর জন্য 'নেভিগেশন এইড সিস্টেম' নিয়ে কারচুপি করছিল। পরিচয় গোপন করে অত্যন্ত গোপনে প্রণালিটি অতিক্রম করার এই চেষ্টা সামুদ্রিক নিরাপত্তার জন্য চরম ঝুঁকিপূর্ণ বলে উল্লেখ করেছে ইরান।
বর্তমানে জাহাজ দুটিকে ইরানি জলসীমায় নিয়ে আসা হয়েছে। সেখানে জাহাজগুলোতে থাকা মালামাল এবং নথিপত্র পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে তল্লাশি ও যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে। আইআরজিসি তাদের বিবৃতিতে স্পষ্ট করেছে যে, হরমুজ প্রণালিতে ইরানি জাতির অধিকার সমুন্নত রাখতেই এই কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
আইআরজিসি পুনরায় সতর্ক করে দিয়েছে যে, হরমুজ প্রণালিতে ইরানের নির্ধারিত আইন অমান্য করার যেকোনো চেষ্টা বা নিরাপদ নৌ-চলাচলের পরিপন্থী কোনো কর্মকাণ্ড কঠোরভাবে পর্যবেক্ষণ করা হবে। যারা এই কৌশলগত জলপথের নিয়ম ভঙ্গ করবে, তাদের বিরুদ্ধে চূড়ান্ত আইনি ব্যবস্থা নিতে ইরান বিন্দুমাত্র দ্বিধা করবে না।
বিশ্লেষকদের মতে, মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনার মাঝে এই জাহাজ জব্দের ঘটনা ইরান ও ইসরায়েলের মধ্যকার স্নায়ুযুদ্ধকে নতুন মাত্রায় নিয়ে যেতে পারে।
সূত্র: প্রেস টিভি।

বুধবার, ২২ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২২ এপ্রিল ২০২৬
কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালিতে আন্তর্জাতিক নৌ-চলাচল আইন লঙ্ঘনের অভিযোগে দুটি জাহাজ জব্দ করেছে ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি)। এর মধ্যে একটি জাহাজ ইসরায়েলি মালিকানাধীন বলে নিশ্চিত করা হয়েছে। বুধবার (২২ এপ্রিল) আইআরজিসি নৌবাহিনীর এক বিবৃতিতে এই তথ্য জানানো হয়।
ইরানি রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম প্রেস টিভি এই খবর নিশ্চিত করেছে।
আইআরজিসি জানিয়েছে, জব্দ করা জাহাজ দুটির একটি হলো 'এমএসসি-ফ্রান্সেস্কা' (MSC Francesca), যেটি ইসরায়েলি মালিকানাধীন। অন্য জাহাজটির নাম 'এপামিনোডস' (Epaminondas)। আইআরজিসি’র গোয়েন্দা ইউনিট ও নৌ-পর্যবেক্ষণ টিমের নিবিড় নজরদারিতে জাহাজ দুটিকে আটক করা হয়।
বিবৃতিতে বলা হয়, জাহাজ দুটি কোনো বৈধ অনুমতি ছাড়াই ওই এলাকায় চলাচল করছিল। আইআরজিসি’র দাবি অনুযায়ী, জাহাজগুলো বারবার নৌ-চলাচলের নিয়ম লঙ্ঘন করেছে এবং নিজেদের অবস্থান লুকানোর জন্য 'নেভিগেশন এইড সিস্টেম' নিয়ে কারচুপি করছিল। পরিচয় গোপন করে অত্যন্ত গোপনে প্রণালিটি অতিক্রম করার এই চেষ্টা সামুদ্রিক নিরাপত্তার জন্য চরম ঝুঁকিপূর্ণ বলে উল্লেখ করেছে ইরান।
বর্তমানে জাহাজ দুটিকে ইরানি জলসীমায় নিয়ে আসা হয়েছে। সেখানে জাহাজগুলোতে থাকা মালামাল এবং নথিপত্র পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে তল্লাশি ও যাচাই-বাছাই করা হচ্ছে। আইআরজিসি তাদের বিবৃতিতে স্পষ্ট করেছে যে, হরমুজ প্রণালিতে ইরানি জাতির অধিকার সমুন্নত রাখতেই এই কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।
আইআরজিসি পুনরায় সতর্ক করে দিয়েছে যে, হরমুজ প্রণালিতে ইরানের নির্ধারিত আইন অমান্য করার যেকোনো চেষ্টা বা নিরাপদ নৌ-চলাচলের পরিপন্থী কোনো কর্মকাণ্ড কঠোরভাবে পর্যবেক্ষণ করা হবে। যারা এই কৌশলগত জলপথের নিয়ম ভঙ্গ করবে, তাদের বিরুদ্ধে চূড়ান্ত আইনি ব্যবস্থা নিতে ইরান বিন্দুমাত্র দ্বিধা করবে না।
বিশ্লেষকদের মতে, মধ্যপ্রাচ্যে চলমান উত্তেজনার মাঝে এই জাহাজ জব্দের ঘটনা ইরান ও ইসরায়েলের মধ্যকার স্নায়ুযুদ্ধকে নতুন মাত্রায় নিয়ে যেতে পারে।
সূত্র: প্রেস টিভি।

আপনার মতামত লিখুন