সংরক্ষিত নারী আসনে জোর প্রতিদ্বন্দ্বিতার ইঙ্গিত, বৈধ ঘোষণা ৪৯ প্রার্থীর
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনের নির্বাচনে জমা পড়া মনোনয়নপত্র যাচাই শেষে ৪৯ জন প্রার্থীর প্রার্থিতা বৈধ ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন। এর মধ্যে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-র ৩৬ জন, তাদের ঘনিষ্ঠ স্বতন্ত্র জোটের ১ জন এবং জামায়াত নেতৃত্বাধীন জোটের ১২ জন প্রার্থী রয়েছেন।
দুই দিনব্যাপী যাচাই-বাছাই শেষে বৃহস্পতিবার আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনে ফলাফল জানান সংশ্লিষ্টরা। যাচাইয়ে প্রয়োজনীয় শর্ত পূরণ করায় বিএনপি ও স্বতন্ত্র জোটের ৩৭ জন প্রার্থীর সবাই বৈধতা পান, যা দলটির জন্য বড় স্বস্তির খবর।
তবে সব প্রার্থীর ভাগ্যে সমান ফল জোটেনি। সরকারি চাকরি থেকে পদত্যাগের নির্ধারিত সময়সীমা পূরণ না করায় জামায়াত জোটের শরিক দলের এক প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল করা হয়েছে। পাশাপাশি কোনো রাজনৈতিক দলের সমর্থন না থাকায় তিন স্বতন্ত্র প্রার্থীর আবেদনও খারিজ হয়।
এর আগে প্রাথমিক যাচাইয়ে জামায়াত জোটের ১২ জন প্রার্থীর মনোনয়ন বৈধ হিসেবে গৃহীত হয়। তবে নির্ধারিত সময় পেরিয়ে যাওয়ায় তাদের আরেক প্রার্থীর মনোনয়ন গ্রহণ করা হয়নি। ফলে জোটটির প্রাপ্ত একটি আসন আপাতত শূন্য থাকছে, যা ভবিষ্যতে উন্মুক্ত নির্বাচনের মাধ্যমে পূরণের সম্ভাবনা রয়েছে।
ইসির তফসিল অনুযায়ী, ২৬ এপ্রিল পর্যন্ত আপিল করা যাবে, ২৭ ও ২৮ এপ্রিল আপিল নিষ্পত্তি হবে। ২৯ এপ্রিল পর্যন্ত প্রার্থিতা প্রত্যাহারের সুযোগ রেখে ৩০ এপ্রিল প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হবে। আর ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে আগামী ১২ মে।

বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৩ এপ্রিল ২০২৬
সংরক্ষিত নারী আসনে জোর প্রতিদ্বন্দ্বিতার ইঙ্গিত, বৈধ ঘোষণা ৪৯ প্রার্থীর
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত নারী আসনের নির্বাচনে জমা পড়া মনোনয়নপত্র যাচাই শেষে ৪৯ জন প্রার্থীর প্রার্থিতা বৈধ ঘোষণা করেছে বাংলাদেশ নির্বাচন কমিশন। এর মধ্যে বাংলাদেশ জাতীয়তাবাদী দল (বিএনপি)-র ৩৬ জন, তাদের ঘনিষ্ঠ স্বতন্ত্র জোটের ১ জন এবং জামায়াত নেতৃত্বাধীন জোটের ১২ জন প্রার্থী রয়েছেন।
দুই দিনব্যাপী যাচাই-বাছাই শেষে বৃহস্পতিবার আগারগাঁওয়ের নির্বাচন ভবনে ফলাফল জানান সংশ্লিষ্টরা। যাচাইয়ে প্রয়োজনীয় শর্ত পূরণ করায় বিএনপি ও স্বতন্ত্র জোটের ৩৭ জন প্রার্থীর সবাই বৈধতা পান, যা দলটির জন্য বড় স্বস্তির খবর।
তবে সব প্রার্থীর ভাগ্যে সমান ফল জোটেনি। সরকারি চাকরি থেকে পদত্যাগের নির্ধারিত সময়সীমা পূরণ না করায় জামায়াত জোটের শরিক দলের এক প্রার্থীর মনোনয়ন বাতিল করা হয়েছে। পাশাপাশি কোনো রাজনৈতিক দলের সমর্থন না থাকায় তিন স্বতন্ত্র প্রার্থীর আবেদনও খারিজ হয়।
এর আগে প্রাথমিক যাচাইয়ে জামায়াত জোটের ১২ জন প্রার্থীর মনোনয়ন বৈধ হিসেবে গৃহীত হয়। তবে নির্ধারিত সময় পেরিয়ে যাওয়ায় তাদের আরেক প্রার্থীর মনোনয়ন গ্রহণ করা হয়নি। ফলে জোটটির প্রাপ্ত একটি আসন আপাতত শূন্য থাকছে, যা ভবিষ্যতে উন্মুক্ত নির্বাচনের মাধ্যমে পূরণের সম্ভাবনা রয়েছে।
ইসির তফসিল অনুযায়ী, ২৬ এপ্রিল পর্যন্ত আপিল করা যাবে, ২৭ ও ২৮ এপ্রিল আপিল নিষ্পত্তি হবে। ২৯ এপ্রিল পর্যন্ত প্রার্থিতা প্রত্যাহারের সুযোগ রেখে ৩০ এপ্রিল প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হবে। আর ভোটগ্রহণ অনুষ্ঠিত হবে আগামী ১২ মে।

আপনার মতামত লিখুন