দিকপাল

যুদ্ধের প্রভাবে এশিয়ার মুদ্রাবাজারে চাপ, রুপিয়াহ রেকর্ড সর্বনিম্নে


স্বাধীন আহমেদ
স্বাধীন আহমেদ স্টাফ রিপোর্টার
প্রকাশ : বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬ | ০৭:০৬ পি এম | প্রিন্ট সংস্করণ | ফটো কার্ড

যুদ্ধের প্রভাবে এশিয়ার মুদ্রাবাজারে চাপ, রুপিয়াহ রেকর্ড সর্বনিম্নে
তেলের দাম বাড়ার প্রভাব পড়েছে দেশগুলোর মুদ্রার ওপর। সংগৃহীত ছবি

ইরানকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের সংঘাতের প্রভাবে বৈশ্বিক বাণিজ্যে বড় ধরনের চাপ সৃষ্টি হয়েছে। হরমুজ প্রণালি বন্ধ থাকায় তেলের দাম বেড়ে গেছে, যার সরাসরি প্রভাব পড়ছে বিভিন্ন দেশের মুদ্রাবাজারে—বিশেষ করে তেল আমদানিনির্ভর অর্থনীতিগুলোতে।

কাতারভিত্তিক গণমাধ্যম আল-জাজিরার তথ্য অনুযায়ী, বাড়তি জ্বালানি ব্যয়ের চাপে ইন্দোনেশিয়ার মুদ্রা রুপিয়াহ রেকর্ড সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমে এসেছে। বর্তমানে এক মার্কিন ডলারের বিপরীতে এর মূল্য দাঁড়িয়েছে ১৭ হাজার ৩১৫ রুপিয়াহ, যা দেশটির ইতিহাসে সর্বনিম্ন।

এ সংঘাত ও জ্বালানি সংকটের প্রভাব সবচেয়ে বেশি পড়ছে এশিয়ার দেশগুলোর ওপর। ইন্দোনেশিয়া, ভারত, ফিলিপাইন ও থাইল্যান্ডের মতো আমদানিনির্ভর দেশগুলো বাড়তি চাপের মুখে পড়েছে। যুদ্ধবিরতি নিয়ে অনিশ্চয়তা এবং দীর্ঘ সময় ধরে উচ্চ তেলের দাম এসব দেশের অর্থনীতিকে আরও দুর্বল করে তুলছে। বাংলাদেশেও এর প্রভাব পড়েছে, যদিও মুদ্রার বিনিময় হারে তুলনামূলক কম প্রভাব দেখা গেছে।

ইন্দোনেশিয়ার কেন্দ্রীয় ব্যাংক ‘ব্যাংক ইন্দোনেশিয়া’ জানিয়েছে, দুর্বল হয়ে পড়া রুপিয়াহকে স্থিতিশীল রাখতে তারা প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ নেবে এবং মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে নীতিমালায় পরিবর্তন আনতে প্রস্তুত রয়েছে।

ফেব্রুয়ারির শেষ দিকে সংঘাত শুরু হওয়ার পর থেকে রুপিয়াহর মান ৩ শতাংশের বেশি কমেছে, যা এ বছর এশিয়ার অন্যতম খারাপ পারফরম্যান্সগুলোর একটি।

এদিকে ফিলিপাইনের পেসোও দুর্বল হয়ে ডলারের বিপরীতে ৬০.৫২৪-এ নেমেছে, যা দুই সপ্তাহের মধ্যে সর্বনিম্ন। একইভাবে থাইল্যান্ডের বাতও প্রতি ডলারে ৩২.৪৪-এ নেমে গেছে, যা এপ্রিলের শুরু থেকে সর্বনিম্ন পর্যায়।

আপনার মতামত লিখুন

দিকপাল

বৃহস্পতিবার, ২৩ এপ্রিল ২০২৬


যুদ্ধের প্রভাবে এশিয়ার মুদ্রাবাজারে চাপ, রুপিয়াহ রেকর্ড সর্বনিম্নে

প্রকাশের তারিখ : ২৩ এপ্রিল ২০২৬

featured Image

ইরানকে ঘিরে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরাইলের সংঘাতের প্রভাবে বৈশ্বিক বাণিজ্যে বড় ধরনের চাপ সৃষ্টি হয়েছে। হরমুজ প্রণালি বন্ধ থাকায় তেলের দাম বেড়ে গেছে, যার সরাসরি প্রভাব পড়ছে বিভিন্ন দেশের মুদ্রাবাজারে—বিশেষ করে তেল আমদানিনির্ভর অর্থনীতিগুলোতে।

কাতারভিত্তিক গণমাধ্যম আল-জাজিরার তথ্য অনুযায়ী, বাড়তি জ্বালানি ব্যয়ের চাপে ইন্দোনেশিয়ার মুদ্রা রুপিয়াহ রেকর্ড সর্বনিম্ন পর্যায়ে নেমে এসেছে। বর্তমানে এক মার্কিন ডলারের বিপরীতে এর মূল্য দাঁড়িয়েছে ১৭ হাজার ৩১৫ রুপিয়াহ, যা দেশটির ইতিহাসে সর্বনিম্ন।

এ সংঘাত ও জ্বালানি সংকটের প্রভাব সবচেয়ে বেশি পড়ছে এশিয়ার দেশগুলোর ওপর। ইন্দোনেশিয়া, ভারত, ফিলিপাইন ও থাইল্যান্ডের মতো আমদানিনির্ভর দেশগুলো বাড়তি চাপের মুখে পড়েছে। যুদ্ধবিরতি নিয়ে অনিশ্চয়তা এবং দীর্ঘ সময় ধরে উচ্চ তেলের দাম এসব দেশের অর্থনীতিকে আরও দুর্বল করে তুলছে। বাংলাদেশেও এর প্রভাব পড়েছে, যদিও মুদ্রার বিনিময় হারে তুলনামূলক কম প্রভাব দেখা গেছে।

ইন্দোনেশিয়ার কেন্দ্রীয় ব্যাংক ‘ব্যাংক ইন্দোনেশিয়া’ জানিয়েছে, দুর্বল হয়ে পড়া রুপিয়াহকে স্থিতিশীল রাখতে তারা প্রয়োজনীয় সব পদক্ষেপ নেবে এবং মুদ্রাস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে নীতিমালায় পরিবর্তন আনতে প্রস্তুত রয়েছে।

ফেব্রুয়ারির শেষ দিকে সংঘাত শুরু হওয়ার পর থেকে রুপিয়াহর মান ৩ শতাংশের বেশি কমেছে, যা এ বছর এশিয়ার অন্যতম খারাপ পারফরম্যান্সগুলোর একটি।

এদিকে ফিলিপাইনের পেসোও দুর্বল হয়ে ডলারের বিপরীতে ৬০.৫২৪-এ নেমেছে, যা দুই সপ্তাহের মধ্যে সর্বনিম্ন। একইভাবে থাইল্যান্ডের বাতও প্রতি ডলারে ৩২.৪৪-এ নেমে গেছে, যা এপ্রিলের শুরু থেকে সর্বনিম্ন পর্যায়।


দিকপাল

প্রধান সম্পাদক: কাদির নোমান
সম্পাদক: আল জাবিরী
প্রকাশক: মু. আবদুর রহমান
কপিরাইট © ২০২৬ সর্বস্বত্ব সংরক্ষিত দিকপাল