ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) ভিপি মো. আবু সাদিক (সাদিক কায়েম) এবং বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আবিদুল ইসলাম খানের মধ্যকার পাল্টাপাল্টি অভিযোগে উত্তাল হয়ে উঠেছে ঢাবি ক্যাম্পাস। সম্প্রতি একটি বেসরকারি টেলিভিশনের টকশোতে আবিদুল ইসলাম খান অভিযোগ করেন যে, ডাকসু ভিপি নিজেই নেতিবাচক ফেসবুক পেজ পরিচালনা ও অর্থায়নের সঙ্গে জড়িত। এই অভিযোগের প্রেক্ষাপটে শনিবার মধ্যরাতে নিজের ভেরিফাইড ফেসবুক পেজে দীর্ঘ ব্যাখ্যা দিয়ে পাল্টা অভিযোগ তুলেছেন সাদিক কায়েম।
ছাত্রদল নেতা আবিদুল ইসলাম খানের দাবি অনুযায়ী, নির্দিষ্ট কিছু ফেসবুক পেজ থেকে বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানো হচ্ছে যার পেছনে ডাকসু ভিপির হাত রয়েছে। প্রমাণ হিসেবে তিনি কিছু হোয়াটসঅ্যাপ স্ক্রিনশট সামনে আনেন। অন্যদিকে, ডাকসু ভিপি সাদিক কায়েম এই অভিযোগকে সম্পূর্ণ 'কাল্পনিক' ও 'সংঘবদ্ধ অপপ্রচার' হিসেবে অভিহিত করেছেন। তিনি দাবি করেন, ওমরাহ পালনের সময় হলের এক ছোট ভাইয়ের সাথে হওয়া ব্যক্তিগত আলাপকে বিকৃতভাবে উপস্থাপন করা হচ্ছে। তার মতে, ছাত্রদলের বিরুদ্ধে ওঠা বিভিন্ন নেতিবাচক খবরের দিক থেকে জনদৃষ্টি সরাতেই এই কৌশল অবলম্বন করা হয়েছে।
ফেসবুক পেজ ‘ডিইউ ইনসাইডার্স’ এবং ‘দ্য ডেইলি ডাকসু’ নিয়ে তৈরি হওয়া বিতর্কে সাদিক কায়েম জানান, ডাকসু প্রতিনিধিদের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ করতে একই নামে একাধিক ভুয়া পেজ খোলা হয়েছে। তিনি অভিযোগ করেন, ৫ আগস্ট পরবর্তী সময়ে ক্যাম্পাসে প্রভাব বিস্তার এবং ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে ওঠা বিভিন্ন অভিযোগ ধামাচাপা দিতেই তাকে লক্ষ্যবস্তু করা হচ্ছে। বিশেষ করে বিভিন্ন জায়গায় সাংবাদিকদের ওপর হামলা ও নির্যাতনের ঘটনার বিচার এড়াতে ছাত্রদল এই নতুন বিতর্কের জন্ম দিয়েছে বলে তার দাবি।
বর্তমান পরিস্থিতিতে সাধারণ শিক্ষার্থীদের মধ্যে এক ধরণের ধোঁয়াশা তৈরি হয়েছে। একদিকে ছাত্রদলের আনা তথ্য-প্রমাণ ও স্ক্রিনশট, অন্যদিকে ডাকসু ভিপির সুদীর্ঘ ব্যাখ্যা ও পাল্টা অভিযোগ—এই দুইয়ের মাঝে দাঁড়িয়ে ক্যাম্পাসের সাধারণ শিক্ষার্থীরা ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের দাবি জানাচ্ছেন। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন বা সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলো এই সাইবার অ্যাক্টিভিজমের প্রকৃত উৎস খুঁজে না বের করা পর্যন্ত এই উত্তেজনা প্রশমিত হওয়ার লক্ষণ দেখা যাচ্ছে না।

রোববার, ২৬ এপ্রিল ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৬ এপ্রিল ২০২৬
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) ভিপি মো. আবু সাদিক (সাদিক কায়েম) এবং বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আবিদুল ইসলাম খানের মধ্যকার পাল্টাপাল্টি অভিযোগে উত্তাল হয়ে উঠেছে ঢাবি ক্যাম্পাস। সম্প্রতি একটি বেসরকারি টেলিভিশনের টকশোতে আবিদুল ইসলাম খান অভিযোগ করেন যে, ডাকসু ভিপি নিজেই নেতিবাচক ফেসবুক পেজ পরিচালনা ও অর্থায়নের সঙ্গে জড়িত। এই অভিযোগের প্রেক্ষাপটে শনিবার মধ্যরাতে নিজের ভেরিফাইড ফেসবুক পেজে দীর্ঘ ব্যাখ্যা দিয়ে পাল্টা অভিযোগ তুলেছেন সাদিক কায়েম।
ছাত্রদল নেতা আবিদুল ইসলাম খানের দাবি অনুযায়ী, নির্দিষ্ট কিছু ফেসবুক পেজ থেকে বিভ্রান্তিকর তথ্য ছড়ানো হচ্ছে যার পেছনে ডাকসু ভিপির হাত রয়েছে। প্রমাণ হিসেবে তিনি কিছু হোয়াটসঅ্যাপ স্ক্রিনশট সামনে আনেন। অন্যদিকে, ডাকসু ভিপি সাদিক কায়েম এই অভিযোগকে সম্পূর্ণ 'কাল্পনিক' ও 'সংঘবদ্ধ অপপ্রচার' হিসেবে অভিহিত করেছেন। তিনি দাবি করেন, ওমরাহ পালনের সময় হলের এক ছোট ভাইয়ের সাথে হওয়া ব্যক্তিগত আলাপকে বিকৃতভাবে উপস্থাপন করা হচ্ছে। তার মতে, ছাত্রদলের বিরুদ্ধে ওঠা বিভিন্ন নেতিবাচক খবরের দিক থেকে জনদৃষ্টি সরাতেই এই কৌশল অবলম্বন করা হয়েছে।
ফেসবুক পেজ ‘ডিইউ ইনসাইডার্স’ এবং ‘দ্য ডেইলি ডাকসু’ নিয়ে তৈরি হওয়া বিতর্কে সাদিক কায়েম জানান, ডাকসু প্রতিনিধিদের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ণ করতে একই নামে একাধিক ভুয়া পেজ খোলা হয়েছে। তিনি অভিযোগ করেন, ৫ আগস্ট পরবর্তী সময়ে ক্যাম্পাসে প্রভাব বিস্তার এবং ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে ওঠা বিভিন্ন অভিযোগ ধামাচাপা দিতেই তাকে লক্ষ্যবস্তু করা হচ্ছে। বিশেষ করে বিভিন্ন জায়গায় সাংবাদিকদের ওপর হামলা ও নির্যাতনের ঘটনার বিচার এড়াতে ছাত্রদল এই নতুন বিতর্কের জন্ম দিয়েছে বলে তার দাবি।
বর্তমান পরিস্থিতিতে সাধারণ শিক্ষার্থীদের মধ্যে এক ধরণের ধোঁয়াশা তৈরি হয়েছে। একদিকে ছাত্রদলের আনা তথ্য-প্রমাণ ও স্ক্রিনশট, অন্যদিকে ডাকসু ভিপির সুদীর্ঘ ব্যাখ্যা ও পাল্টা অভিযোগ—এই দুইয়ের মাঝে দাঁড়িয়ে ক্যাম্পাসের সাধারণ শিক্ষার্থীরা ঘটনার সুষ্ঠু তদন্তের দাবি জানাচ্ছেন। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন বা সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলো এই সাইবার অ্যাক্টিভিজমের প্রকৃত উৎস খুঁজে না বের করা পর্যন্ত এই উত্তেজনা প্রশমিত হওয়ার লক্ষণ দেখা যাচ্ছে না।

আপনার মতামত লিখুন